Home » সাক্ষাৎকার » বিশেষ সাক্ষাৎকার – মেজর জেনারেল (অব) মুনীরুজ্জামান

বিশেষ সাক্ষাৎকার – মেজর জেনারেল (অব) মুনীরুজ্জামান

রাশিয়া থেকে অস্ত্র কেনার পুরো প্রক্রিয়াটি অস্বচ্ছ, তাই নানাবিধ সন্দেহ দেখা দিচ্ছে

maj. Gen. Monirujjamanমেজর জেনারেল (অব.) মুনীরুজ্জামান, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক। প্রভাবশালী বেসরকারি গবেষণা সংস্থা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস এ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস)-এর সভাপতি। রাশিয়া থেকে অস্ত্র ক্রয়, প্রতিরক্ষা নীতিমালাসহ এ জাতীয় বিষয়ে আলোচনা করেছেন আমাদের বুধবারের সঙ্গে।।

আমাদের বুধবার: রাশিয়ার সঙ্গে একশো কোটি ডলার বা আট হাজার কোটি টাকার অস্ত্র ক্রয়ের বিষয়টিকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করেন?

মুনীরুজ্জামান: এ বিষয়টি বিশ্লেষণের বেশ কয়েকটি দিক রয়েছে। প্রথমত. অস্ত্র কেনার সময় এবং প্রয়োজনীয়তা। যেহেতু বাংলাদেশের কোনো স্বীকৃত প্রতিরক্ষা নীতিমালা নাই, কাজেই কোন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই মুহূর্তে অস্ত্র কেনা হচ্ছে, এটা কেন জরুরী হয়ে পড়লো, তা আমরা পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারছি না এবং সরকারও এ ব্যাপারে কোনো ব্যাখ্যা জনগণকে দেয় নাই। দ্বিতীয়তটি হচ্ছে, বাংলাদেশের অস্ত্রের স্বাভাবিক যে সোর্স বা উৎস, অর্থাৎ চীন থেকে আমরা কিনতাম, তাদের হঠাৎ করে বাদ দিয়ে রাশিয়ার কাছে কেন চলে যেতে হচ্ছে সেটাও আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। যে বিষয়টি আমি বলতে চাই, এ বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়ে অস্ত্র কেনাটাও কতোটুকু যুক্তিযুক্ত তাও বোধ্যগম্য নয়। আমাদের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনা করলে, এতো বিপুল পরিমাণ অস্ত্র দিয়ে, বিশেষ করে সরকারের মেয়াদকালের শেষ দিকে এসে এ ধরনের একটি সামরিক অস্ত্রপাতির ক্রয়াদেশ দেয়াটা যুক্তিযুক্ত নয়। তবে এই আর্থিক চুক্তিটি কিভাবে হয়েছে সে ব্যাপারে সরকার কোনো ব্যাখ্যা দেয় নাই। শতকরা কতোভাগ সুদ এই ঋণের ক্ষেত্রে দেয়া হচ্ছে তারও কোনো ব্যাখ্যা নাই। যেমন বক্তব্য নাই টার্মস অব কন্ডিশন ও টার্মস অব রেফারেন্স, অর্থাৎ চুক্তির শর্ত এবং ধারায় কি আছে সে সম্পর্কে। যেহেতু এটা সরকারের মেয়াদকালের শেষ বছর, সুতরাং বোঝা যাচ্ছে আগামীতে যারা সরকার গঠন করবেন, তাদেরই এই ঋণের বোঝা বইতে হবে, বিশেষ করে জনগণকেই এই ঋণের বোঝা টানতে হবে।

আমাদের বুধবার: তাহলে সরকার দেশের স্বার্থের যে কথা বলছে

মুনীরুজ্জামান: না, অস্ত্র কেনার প্রক্রিয়া, বিশেষ করে ঋণের প্রক্রিয়া স্বচ্ছ না হওয়ার কারণে রাশিয়া থেকে অস্ত্র ক্রয়ের ব্যাপারে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। যেহেতু আমাদের সামরিক বা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় নীতিমালা নাই, কাজেই কেন এবং কোন কারণে, কোন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এটা কেনা হচ্ছে, তা কোনোভাবেই স্পষ্ট নয়।

আমাদের বুধবার: ১৯৭৫ সালের আগে রাশিয়া এবং পরে দীর্ঘকাল অস্ত্র ক্রয়ের উৎস ছিল চীন। কিন্তু রাশিয়া কি এখন রাজনৈতিক কারণে প্রাধান্য পাচ্ছে? তাহলে বাংলাদেশ কি আন্তর্জাতিকভাবে তার অক্ষ পরিবর্তন করছে?

মুনীরুজ্জামান: সরকার যে ব্যাখ্যা দিয়েছে তা দিয়ে শুরু করা যাক। সরকারের ব্যাখ্যা হচ্ছে ১৯৭১ সালে যারা মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করেছিল, পরীক্ষিত বন্ধু তাদের কাছে আবার তারা ফিরে যেতে চায়। তবে এ যুক্তি বা ব্যাখ্যাটা একেবারে ধোপে টিকে না। ১৯৭১ সালের বন্ধুদের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু এই ৪২ বছরে অর্থাৎ, ১৯৭১এর মস্কো আর ২০১৩ সালের মস্কো কোনোভাবেই এক নয়। সেটি ছিল একটি কমিউনিস্ট দেশ, এখন তারা পরিপূর্ণভাবে একটি পুঁজিবাদী দেশ। তার চেয়েও বড় কথা, ঐ দেশেরই এখন আর অস্তিত্ব নাই। অর্থাৎ, সোভিয়েট ইউনিয়ন আর টিকে নাই। আদর্শ নাই, আদল, কাঠামো কোনো কিছুই নাই। আর বিশ্ব রাজনীতির এতো পরিবর্তন হয়ে গেছে যে, বিশ্বের সামরিক কূটনৈতিক পরিবেশ, বহুজাতিক সম্পর্ক অর্থাৎ, পুরো কাঠামোগুলোর এতো বেশি পরিবর্তন হয়েছে যে, আগের মস্কোর সাথে এখনকার মস্কোর কোনো মিলই নাই। বরং আমাদের উচিত হবে, কূটনীতিতে বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা।

আমাদের বুধবার: অস্ত্র এবং নিরাপত্তা সরঞ্জাম দীর্ঘকাল ব্যবহারে এক ধরনের মানসিক নির্ভরশীলতা তৈরি হয়। রাশিয়া থেকে অস্ত্র ক্রয়ে আমাদের সেনাবাহিনীর উপরে মনস্তাত্ত্বিকভাবে কোনো প্রভাব পড়বে বলে কি আপনি মনে করেন?

মুনীরুজ্জামান: মনস্তাত্ত্বিক কারণের চেয়েও প্রথমে উল্লেখ করতে চাই, লজিস্টিক লোডের ব্যাপারে। যখনই কোনো ধরনের সরঞ্জাম বা অস্ত্র কেনা হয়, এতে যতোটুকু অর্থ ব্যয় হয় বা পরিশ্রম দিতে হয়, তারচেয়েও বেশি হচ্ছে যে আনুসাঙ্গিক বিষয়াদি তৈরি করতে হয়, সে বিষয়গুলো। সেটা অনেক বেশি ব্যয়বহুল। অর্থাৎ, এর জন্য নতুন করে কারিগরি কলাকৌশল তৈরি করতে হবে, দক্ষ কৌশলী, প্রকৌশলী তৈরি, অতিরিক্ত যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জাম মওজুদ করা এবং এর রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। নতুন করে ওয়ার্কশপ তৈরি করতে হবে। অনেকে হয়তো মনে করছেন যে, এটা সুপার মার্কেট থেকে জিনিস কেনার মতো। আসলে এটা কোনোক্রমেই তা নয়। অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামাদি কেনার পরের বিষয়টি অনেক ব্যয়বহুল। কাজেই নতুন করে রাশিয়ার অস্ত্র এবং সরঞ্জামাদি যখন আসবে, তখন আবার অনেক অর্থ ব্যয় হবে এবং দক্ষতা, সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।

আমাদের বুধবার: রাশিয়া থেকে অস্ত্র ক্রয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের কোনো প্রভাব পড়তে পারে বলে কি আপনি মনে করেন?

মুনীরুজ্জামান: আমার সমূহ একটা আশঙ্কা থাকবে এ কারণে যে, প্রতিরক্ষা ক্রয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে। আমাদের দীর্ঘদিনের যে উৎস ছিল তা থেকে যখন আমরা সরে যাচ্ছি, এর সঙ্গে কূটনৈতিক সিগন্যাল অবশ্যই থাকবে। আর সিগন্যালটা যাদের জন্য তারা এটা খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারবে। রাশিয়া থেকে অস্ত্র ক্রয়ের বিষয়টি চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গভীর উদ্বেগের সঙ্গেই লক্ষ্য করবে বলে আমি মনে করি। তারা বিষয়টিকে গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে চাইবে।

আমাদের বুধবার: রাশিয়ার অস্ত্র কেনা এবং এ জাতীয় সম্পর্ক ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মস্কোর রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে রাশিয়া থেকে বাংলাদেশের অস্ত্র কেনার কোনো যোগসূত্র আছে কি?

মুনীরুজ্জামান: সবাই জাতীয় স্বার্থকে সবচেয়ে বড় করে দেখে। আরেকটি বিষয় বলা প্রয়োজন অস্ত্র ক্রয় গোপনীয় বিষয় বলে অনেকে মনে করে থাকেন। কিন্তু এটা কোনো গোপনীয় বিষয় না, এটা আমাদের সকলকে বুঝতে হবে। অস্ত্র যখন বিদেশ থেকে কেনা হয়, তখন কোনোভাবেই তা গোপনীয় বিষয় হতে পারে না। কেনার পরে কিভাবে ব্যবহার করবো, কৌশলগত দিক দিয়ে বা কার্যক্ষেত্রে তা কিভাবে ব্যবহৃত হবে, তা হচ্ছে গোপনীয়।

হঠাৎ করে অস্ত্র কেনায় সারাদেশ আশ্চর্য্যান্নিত হয়েছে। একশো কোটি ডলারের অস্ত্র কেনা হলো, অথচ কেউ জানলো না। বিশেষ করে যে সমস্ত দেশে গণতান্ত্রিক ধারা বিদ্যমান, সেখানে অস্ত্র ক্রয়ের আগে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্নভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করা হয়। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে, সিভিল সোসাইটির সঙ্গে আলাপআলোচনা হয়। পার্লামেন্টে এটা নিয়ে অবশ্যই আলাপআলোচনা এবং তর্কবিতর্ক হয়। গত বছর যখন ভারতে যুদ্ধ বিমান কেনা হয়, তার আগে তিন থেকে চার বছর প্রকাশ্য আলোচনা এবং বিতর্ক হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলো, বাংলাদেশে আমরা খবরটি জানলাম, যেদিন প্রধানমন্ত্রী রাশিয়া গেলেন ঠিক সেদিন। তার আগে জাতীয় সংসদসহ কেউই খবরটি জানতে পারলো না। রাশিয়া থেকে অস্ত্র কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার সম্পূর্ণ অভাব রয়েছে।

আমাদের বুধবার: আমাদের দেশে প্রতিরক্ষা নীতি থাকা কতোটা জরুরী?

মুনীরুজ্জামান: অবশ্যই জরুরী, অতি জরুরী। প্রতিরক্ষা খাতে যে কার্যক্রম, তা এই নীতির মাধ্যমেই পরিচালিত হওয়ার কথা। আর প্রতিরক্ষা নীতি না থাকার কারণে এডহক ভিত্তিতে, খেয়াল খূশির উপর সব কিছু চলছে। নীতিমালা থাকলে ঐ নীতিমালার আলোকেই আমাদের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হবার কথা ছিল।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাশিয়া থেকে অস্ত্র কেনা হয়েছে দুই সরকারের মধ্যে। কিন্তু যখন দুই সরকারের মধ্যে এমন চুক্তি হয়, তখন তুলনামূলক মূল্য বিচার সম্পূর্ণ অনুপস্থিত থাকে। একটা ওপেন টেন্ডারে যে প্রতিযোগিতামূলক বিষয় থাকে, এখানে তা থাকে না। কি দামে অর্থাৎ, বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কেনা হচ্ছে কিনা, তাও কেউ জানতে পারে না। এ কারণে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হই। কারণ এর পেছনে স্বার্থন্বেষী মহল কাজ করে।

আমাদের বুধবার: আপনার কি এমন সন্দেহ হচ্ছে ?

মুনীরুজ্জামান: আমরা সন্দিহান এ কারণে যে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাশিয়া থেকে মিগ২৯ কেনা হয়েছিল। পরবর্তী সরকারের সময় এসে এ বিষয়টি তদন্তের আওতায় আসে। আর তখন মিগ২৯গুলোকে গ্রাউন্ডেড করা হয়েছিল। তবে এখন বলা হচ্ছে, চারটি উড়তে পারে, আর চারটিকে পাঠানো হয়েছে ইউক্রেনে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে। তার অর্থ হচ্ছে, এ ক্ষেত্রে একটা সমস্যা রয়ে গেছে। যেখানে গতবারের যুদ্ধ বিমান কেনার ব্যাপারে অস্বচ্ছতার কারণে একটি ঝামেলা হয়েছিল, কাজেই এবারে আরও বেশি সজাগ এবং সতর্ক থাকা উচিত ছিল। কিন্তু আমরা দেখলাম, তা করা হলো না।

আমাদের বুধবার: কিন্তু একটি বিষয় ঠিক যে, সামরিক বাহিনীর জন্যে তো অস্ত্র কেনা প্রয়োজন ছিল

মুনীরুজ্জামান: সামরিক বাহিনীর জন্য অস্ত্র কেনার প্রাধিকার রয়েছে। কিন্তু এ মুহূর্তে কোনটির আগে কোনটি কেনা দরকার, তা বোঝা যেতো যদি নীতিমালা থাকতো তাহলে। ঐ নীতিমালার ভিত্তিতে অগ্রাধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত করা যেতো। কিন্তু অগ্রাধিকারের বিষয়টি তো আমরা বুঝতে পারছি না। আমরা শুধু সরকারের কাছ থেকে একটা ব্যাখ্যা পাচ্ছি যে, সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। কিন্তু যারা এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ তারা জানেন যে, অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামাদি কিনলেই সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন হয় না, এটা একটা সমন্বিত প্রক্রিয়া। সরকারের দিক থেকে বলা হচ্ছে, অস্ত্র বা সরঞ্জামাদি কিনলেই সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন হবে এটা পরিপূর্ণভাবে ভুল ব্যাখ্যা অথবা সীমিত ব্যাখ্যা।

আমাদের বুধবার: একদিকে আইএমএফের কাছ থেকে একশো কোটি ডলার ঋণ নেয়ার জন্য জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলো। আবার অন্যদিকে, একশো কোটি ডলারের অস্ত্র কেনা হলো। বিষয়টিকে কিভাবে বিশ্লেষণ করবেন?

মুনীরুজ্জামান: সাংঘর্ষিক। বর্তমান অর্থনীতির প্রেক্ষিপটে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঋণ নিয়ে অস্ত্র কেনা হচ্ছে এবং যে সুদ দিতে হবে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য বলে আমি মনে করি না। কারণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তেমন ভালো নয়। তাছাড়া বাজেটে এই অর্থ সংকুলান হয় নাই। কাজেই আগামী অনেকদিন এই ঋণের আসল এবং সুদের মাশুল আমাদের টানতে হবে।

আমাদের বুধবার: সার্বিক বিবেচনায় আপনি অস্ত্র কেনার বিষয়টিকে তাহলে কিভাবে ব্যাখ্যা করছেন?

মুনীরুজ্জামান: রাশিয়া থেকে অস্ত্র কেনার পুরো প্রক্রিয়াটি অস্বচ্ছ, তাই নানাবিধ সন্দেহ দেখা দিচ্ছে। আমার অভিমত ছোট ছোট নৌযান, পেট্রোল বোট বা নৌবাহিনীর সরঞ্জামাদি কেনার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত ছিল। এমন সব সরঞ্জামাদি কেনা উচিত ছিল যার দ্বিমুখী ব্যবহার আছে। যেমন প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার কাজে লাগবে আবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়ও কাজে লাগবে, এমন সরঞ্জামাদি কিনলেই আমরা লাভবান হতাম। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কথা হচ্ছে সবকিছুই স্পষ্ট ও পরিষ্কার থাকতো, যদি আমাদের একটি প্রতিরক্ষা নীতিমালা থাকতো।

আমাদের বুধবার: আপনাকে ধন্যবাদ।।