Home » শিল্প-সংস্কৃতি » “দ্যা ব্ল্যাকবোর্ডস” – একটি অবশ্য-পাঠ্য সিনেমা

“দ্যা ব্ল্যাকবোর্ডস” – একটি অবশ্য-পাঠ্য সিনেমা

ফ্লোরা সরকার

blackboards-1একটি মানসম্পন্ন উপন্যাস বা গল্প একদিকে যেমন শুধু সুখপাঠ্যই হয়না পাঠকের ভাবনার জগতে নতুন মাত্রা যোগ করে, অন্যদিকে ঠিক তেমনিভাবে একটি ভালো চলচ্চিত্র শুধু চিত্তবিনোদনই করেনা, সেই সঙ্গে পাঠযোগ্যও করে তোলে। আর তাই সিনেমা শুধু দর্শনকাব্য নয় তা পঠনকাব্যও বটে। অর্থাৎ সিনেমা শুধু দেখতে জানলেই হয়না, তাকে পাঠ করতেও জানতে হয়। আপাত দৃষ্টিতে সিনেমা যতটা না চিত্তবিনোদনের, প্রকৃত প্রস্তাবে তা তার চাইতে অতিরিক্ত কিছু। এই অতিরিক্ত কিছু নিয়েই সিনেমা তার গল্প, তার ভাষা নিয়ে বেড়ে ওঠে। যে ভাষাকে আমরা পঠনযোগ্য বলছি। কেননা যে কোন বিনোদন স্বল্পস্থায়ী। বিনোদন পর্বের সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে চিত্তের আনন্দের সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু বিনোদনের সঙ্গে যখন ভাবনার বিষয়টা সংযুক্ত হয় তখন যে কোন সিনেমা ভিন্ন একটি জগৎ সৃষ্টি করে, যে জগতের অবয়ব কোন সংজ্ঞা দিয়ে ধরা যায় না। সংস্কৃত নাট্যবিশারদগণ তাই নাটককে বলেছেন, নাটক শুধু দর্শনকাব্য নয়, তা শ্রবণকাব্যও বটে। তাই দেখা যায় ভাবনার এই বিষয়টি নতুন কিছু নয়। জার্মান নাট্যকার বার্টল্ট ব্রেখটও সব সময় এই ভাবনার ওপর জোর দিয়েছেন। ব্রেখটের মতে, দর্শক নাটক দেখে ঘরে ফেরার সময় দেখা নাটকটি ভুলতে ভুলতে নয় ভাবতে ভাবতে বাড়ি ফিরবে।আর ভাবনা তখনই আসে যখন তা নিবিষ্ট মনে পাঠ করা হয়। পাঠ তখনই করা হয়, যখন তা পাঠযোগ্য হয়। আর তাই একটি ভালো চলচ্চিত্র দর্শক পাঠ না করে পারেন না। সামিরা মাখমালবাফের “দ্যা ব্ল্যাকবোর্ডস” ছবিটি শুধু একটি পাঠযোগ্য সিনেমাই নয়, অবশ্যপাঠ্য একটি সিনেমা। বিশেষত তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলির জন্যে তো অবশ্যই। কেননা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক অস্থিতিশীলতা, ক্ষমতালিপ্সার প্রচন্ডতা, দুর্নীতির ভারে মুহ্যমান, ছাত্ররাজনীতির অপব্যবহার, সাধারণ জনগণের তীব্র সংগ্রামশীল জীবনে বিপর্যস্ত এসব দেশগুলিতে শিক্ষা এবং জ্ঞান অর্জন একটি বিলাসীতা ছাড়া আর কিছু মনে হয় না। এসব দেশে যেখানে সামান্য মাথা গোঁজার ঠাই আর খাদ্য গ্রহণের নিমিত্তে মানুষকে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যেতে হয় সেখানে ‘শিক্ষা’র মতো অতিপ্রয়োজনীয় বিষয়টি অপ্রয়োজনীয় বা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। সামিরা তার কৃষ্ণকালো বোর্ডের ওপর সাদা চক দিয়ে যেন তাই লিখে বুঝিয়েছেন।

ছবির শুরুতেই আমরা দেখি ইরান এবং ইরাক সীমান্তের একটি প্রত্যন্ত পাহাড়ি এলাকায় কিছু শিক্ষক পিঠের ওপর ব্ল্যাকবোর্ড নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। যে এলাকাটি রাসায়নিক অস্ত্র, ল্যান্ড মাইন এবং হেলিকপ্টার থেকে যেকোন সময় গুলি নিক্ষেপের আশঙ্কায় পূর্ণ। শিক্ষকদের উদ্দেশ্য এসব প্রত্যন্ত এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়া। সাঈদ এবং রিবোয়ার নাম্নী দুজন শিক্ষককে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ছবির কাহিনী। কিছুদূর যাবার পর তারা দলছুট হয়ে একেক জন একেক এলাকা ধরে চলে যায়। সাঈদ বিভিন্ন গ্রামে যেয়ে শিক্ষার বার্তা পৌঁছে দিলেও গ্রামবাসীর সে বিষয়ে কোন আগ্রহ বা উৎসাহ দেখা যায় না। সাঈদ কাউকে পেলেই জিজ্ঞেস করে – “তোমাদের কোন শিক্ষকের প্রয়োজন আছে কি? আমি একজন শিক্ষক। তোমাদের পড়াতে চাই”। কিন্তু প্রত্যুত্তরে তারা কেউ খোলা দরজা বা জানালার কপাট বন্ধ করে দেয়। কোন নিষ্ফল সংলাপ ছাড়া শুধুমাত্র দরজা বা জানালার এই কপাট বন্ধের মধ্যে দিয়ে নির্মাতা চমৎকার ভাবে শিক্ষার অনাগ্রহের বিষয়টি ফুটিয়ে তুলেছেন। অন্যদিকে, সাঈদের অপর সঙ্গী রিবোয়ারের সঙ্গে কিছু অল্পবয়স্ক বালকের দেখা হয়, যাদের পিঠে ভারি ভারি বাক্সের বোঝা রয়েছে। রিবোয়ার জানতে পারে তারা চোরাকারবারে নিযুক্ত। তাদেরকে রিবোয়ার বলেন – “— এই অবৈধ ভারি বোঝা না টেনে তোমরা যদি আমার মতো একটা ব্ল্যাকবোর্ড টেনে নিয়ে যেতে পারতে কতই না ভালো হতো। তোমরা লেখাপড়া শিখলে পড়তে,লিখতে আর জানতে শিখবে। পৃথিবীর কোথায় কি ঘটছে সব অবগত হতে পারবে। নিদেন পক্ষে গল্প পড়তে পারবে”। তখন একটি বালক তাকে জানায়, পড়ালেখা শিখে গল্প পড়ার কি দরকার, তার নিজের জীবনেই এমন অনেক গল্প আছে। সে তার জীবন অভিজ্ঞতার একটি গল্প এমন ভাবে শোনায় যেন সেই গল্পে সে একজন অত্যন্ত সৎ বালকের ভূমিকায় ছিল। আরেকজন বলে, লেখাপড়ার চেয়ে এই বোঝা টানা তাদের জন্যে অনেক বেশি লাভজনক। ওদিকে, সাঈদের সঙ্গে কিছু কুর্দি জনগণের দেখা হয়, যাদের অধিকাংশই বৃদ্ধ, প্রায় সর্বহারা, যারা ইরানইরাকের কথিত আট বছর যুদ্ধের সময় ইরানে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং যুদ্ধ শেষে তাদের জন্মভূমি ইরাকের হালাবশে শহরে ফেরার অভিপ্রায়ে যাত্রা শুরু করেছে। যারা তাদের জীবনের শেষ নিঃশ্বাসটুকু সেই শহরে ত্যাগ করতে পারে সেই উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। সাঈদ তাদের গন্তব্য পথ দেখিয়ে দেয়ার জন্যে তাদের সঙ্গী হয় এবং সেই সঙ্গে লেখাপড়া শেখার কথা উল্লেখ করে। কিন্তু তাদের কোন আগ্রহ দেখা যায় না তা বলাইবাহুল্য। সেই দলে মাত্র একটি নারী চরিত্র আমরা পাই। নাম হালালেহ। যে স্বামী পরিত্যক্তা, ছোট একটি পুত্র আছে। যার অসুস্থ পিতা সেই দলের সঙ্গে আছে এবং কন্যাকে পুনরায় বিয়ে দেয়ার আশায় দিন গুনছে। যাত্রাপথেই সেই দলের এক বৃদ্ধের মাধ্যমে হালালেহর সঙ্গে সাঈদের বিয়ে দেয়া হয়। বিয়ের ব্যবস্থাটি বেশ চমকপ্রদ করে তুলেছেন নির্মাতা সামিরা। সাঈদকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় বিয়ের যৌতুক হিসেবে সে হালালেহকে কি দিতে পারে, সাঈদ উত্তরে জানায়, ব্ল্যাকবোর্ডটি ছাড়া তার কোন সম্পত্তি নেই, কাজেই ব্ল্যাকবোর্ডটি সে যৌতুক হিসেবে দিতে পারে। ছবিতে ব্ল্যাকবোর্ডটি শুধু মেটাফোর বা রূপক হিসেবে পরিচালক ব্যবহার করেননি বরং এই রূপকের ব্যবহার অত্যন্ত চমকপ্রদরূপে অসংখ্যবার আমরা দেখতে পাই। নিচে তার একটি তালিকা দেয়া হলো

. ছবির শুরুতে লং শটে শিক্ষকদল পিঠের ওপর ব্ল্যাকবোর্ড রেখে যখন হেঁটে যায় মনে হয়, যেন কতগুলো পাখি উড়ে যাচ্ছে। শিক্ষিত মানুষ কতটা স্বাধীন এ যেন তারই প্রতীক হয়ে আমাদের সামনে দেখা দেয়।

. শিক্ষকদল যখন পাহাড়ের গা ঘেঁষে যাত্রা করে, যাত্রা পথে হেলিকপ্টার উড়ে যেতে দেখা গেলে তারা ব্ল্যাকবোর্ড শরীরের ওপর রেখে নিজেদের গুলি রক্ষা করে। যদিও সেই সময় হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোঁড়া হয়না।

. অসুস্থ বৃদ্ধ যখন খুব বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন তাকে ব্ল্যাকবোর্ডে শুইয়ে নিয়ে যেতে দেখি।

. বিয়ে পড়ানোর সময় বরকনের মাঝে ব্ল্যাকবোর্ডটি রেখে বিয়ে পড়ানো হয়।

. বিয়ের পর সাঈদ যখন হালালেহকে লেখাপড়া শেখায় প্রথম যে কথাটি সে ব্ল্যাকবোর্ডে লেখে সেটা ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’।

. ব্ল্যাকবোর্ডের ওপর হালালেহকে তার শিশুর কাপড় শুকাতে দেখা যায়।

. বালকদলের মধ্যে একটি বালক যখন পাহাড় থেকে পড়ে যেয়ে পা ভাঙ্গে, রিবোয়ার তখন তার ব্ল্যাকবোর্ডটি ভেঙ্গে ছেলেটির পায়ে প্লাস্টার বানিয়ে দেয়।

. ছবির শেষের দিকে বর্ডারে যখন প্রচন্ড গোলাগুলি শুরু হয় সাঈদ তার সদ্যবিবাহিত স্ত্রী, পুত্র আর অসুস্থ শ্বশুরকে তার ব্ল্যাকবোর্ডটি ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেকে এবং তাদের রক্ষা করে।

. গোলাগুলি আরও বেড়ে গেলে যখন তারা ব্ল্যাকবোর্ডের নিচে হামাগুড়ি দিয়ে যেতে থাকে তখন সাঈদ হালালেহকে ছবির সব থেকে বিস্ফোরক কথাটি বলে – “আমার ব্ল্যাকবোর্ডের নিচে লুকিয়ে থাকো। আমিই তোমাদের রক্ষাা করবো”।

শিক্ষার আলো যে কত ভাবে, কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পাওে, ব্ল্যাকবোর্ডের এতসব ব্যবহার থেকে দর্শকের বুঝতে একটুও বেগ পেতে হয় না। শুধু শিক্ষা গ্রহণই যে মানুষের একমাত্র কর্ম নয়, সেই সঙ্গে জ্ঞানের সম্পর্কও যে শিক্ষার সঙ্গে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত সে কথা জানাতেও পরিচালক ভুল করেন না। তাই আমরা দেখি যে বালকদল রিবোয়ারকে প্রথম দিকে নিজেদের অশিক্ষিত বলেছিল, রিবোয়ার সঙ্গে একটু ঘনিষ্ঠ হলে জানায় তারা কিছু কিছু লেখাপড়া জানে বটে। অর্থাৎ তারা জ্ঞানপাপী। তারা জেনেশুনে এমন একটি পাপকর্মে নিযুক্ত হয়েছে। যে ছেলেটি দূরবিন দিয়ে দেখে, সে তার দূরবিন দিয়ে দূরের কোন কিছু দেখে না। পাছে বর্ডারের সেনাদলের কাছে ধরা পড়ে যায় তাই এই সতর্ক দূরবিনের ব্যবহার। অর্থাৎ হাতে দূরবিন থাকলেও তার দৃষ্টি সীমবদ্ধ। রিবোয়ারের নাম উচ্চারণের সময় যে ছেলেটি ‘রি’ শব্দটি বার বার উচ্চারণ করতে থাকে তাতে মনে হয় রিবোয়ারের শিক্ষাপ্রদানকে যেন একটু কটাক্ষ করা হচ্ছে। তবু ছেলেটি যখন তার শিক্ষা সম্পূর্ণ করে যে মুহূর্ত্তে তার নামটা লিখতে সমর্থ হয় ঠিক সেই মুহূর্ত্তে একটি গুলি এসে তার বুকে লাগে এবং ছেলেটি মারা যায়। অর্থাৎ এরকম বৈরী পরিবেশে কেউ যদি শিক্ষা গ্রহণে ইচ্ছুকও হয় তাকে শিখতে দেয়া হয় না। এটাই যেন তৃতীয় বিশ্বের তথাকথিত দরিদ্র দেশের দুর্ভাগ্য।

ছবির অন্যতম এবং প্রায় একমাত্র নারী চরিত্র হালালেহ একাই অনেক কথা আমাদের জানিয়ে দেয়। ছবির শুরু থেকে তাকে শুধু তার ছেলেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতে আমরা দেখি। সন্তান ছাড়া তাকে অন্য কোন দিকে মনোনিবেশ করতে দেখা যায় না। সাঈদ তাকে বহুবার প্রেম নিবেদন করেও যখন ব্যর্থ হয়ে চলে যেতে উদ্যত হয়, তখন হালালেহ তাকে বলে “ আমার মনটা একটা ট্রেনের মতো। প্রতিটি স্টেশানে এখানে কেউ ওঠে, কেউ নেমে চলে যায়। শুধু একজন আমাকে কখনো ছেড়ে যায় না। আর সে হচ্ছে আমার সন্তান”। ২০০০ সালের ১৩১৪ তারিখে হেরাল্ড ট্রিবিউন এ দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নির্মাতা সামিরা তাই হালালেহ সম্পর্কে বলেন – “স্বামীকে হারিয়ে হালালেহ’র শুধু সন্তানটি আছে, তবু সে শক্তিশালী কারণ শেষ পর্যন্ত সে ব্ল্যাকবোর্ডটি নিয়ে যায়, যা জ্ঞানের প্রতীক। সে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যায়, বর্ডার ভেঙ্গেচুরে যায়। ভালোবাসা কোন অনুশীলনের বিষয় নয়, আপনি মানুষকে ভালোবাসার শিক্ষা দিতে পারেন না। আমি বিশ্বাস করি শুধুমাত্র একজন নারী, একজন মাই পারে ভালোবাসা শেখাতে”।

স্থান এবং সময় নির্বাচন যে কোন ছবির অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ছবির গল্পের সঙ্গে চমৎকার সামঞ্জস্য রেখে পরিচালক তাই বেছে নেন ইরানইরাকের বর্ডার এলাকা। ‘বর্ডার’ হচ্ছে যে কোন দেশের একটি ঝঞ্ছাপূর্ণ, সংকটময় স্থান। যেখানে বেঁচে থাকাটাই একটা অনিশ্চয়তার চিহ্ন হিসেবে দেখা যায়। সেরকম সংকটময় জায়গায় শিক্ষার বার্তা পৌঁছে দেয়াটা যেন একটি বিলাসিতা ছাড়া আর কিছু না। সময় হিসেবে সামিরা বেছে নেন প্রচন্ড শীতের পাহাড়ি এলাকা। প্রচন্ড শীত মানুষকে দুর্বল করে রাখে। দুর্বল মানুষ শিক্ষার মাধ্যমে সবল হতে পারে না, তারই যেন চিত্র পাই ছবিটিতে।

সংলাপ, সম্পাদনা এবং আবহ সঙ্গীত গল্পের সঙ্গে সঙ্গেই যেতে দেখা যায়। নির্মাতা সামিরা সাধারত তার ছবিতে বেশির ভাগ ননপ্রফেশনাল অভিনয় শিল্পীদের নিয়ে কাজ করেন। এই ছবিও তার ব্যতিক্রম ছিল না। তবে পরিচালনার গুনে এবং নিপূণ অভিনয়ের মাধ্যমে সব চরিত্র যার যার জায়গায় অত্যন্ত চমৎকার কাজ করেছেন। ছবিটি দেখার সময় এক মুহূর্ত্তের জন্যেও দর্শকের মনোযোগ বিচ্যুত হয় না। দেখার পরেও তাই দর্শককে ভাবনার রাজ্যে নিয়ে যায়। যে ভাবনা শুধু ইরানের একক ভাবনা হয় না, তা সমগ্র মানবজাতির ভাবনা হয়ে যায়।।

১টি মন্তব্য

  1. শুভাশীষ

    অসাধারণ বর্ণনা !!!