Home » শিল্প-সংস্কৃতি » “আরগো” – সাম্রাজ্যবাদী মুখ ও মুখোশ

“আরগো” – সাম্রাজ্যবাদী মুখ ও মুখোশ

ফ্লোরা সরকার

filmএবারের অস্কার মনোনয়নে যেসব সিনেমা আলোচনার শীর্ষে অবস্থান করছে ‘আরগো’ ছবিটি তার মধ্যে অন্যতম একটি। ছবিটি ইতিমধ্যে বেশ আলোচিত, সমালোচিত এবং প্রশংসিত হয়েছে। তবে যতটা না সমালোচিত হয়েছে, তার চাইতে বেশি হয়েছে প্রশংসিত। প্রশংসিত যতটা না তার নির্মাণ শৈলী বা বিষয়বস্তুর কারণে, তার চাইতে অধিক রাজনৈতিক কারণে। বিশেষত আমেরিকাবাসীর কাছে। কেননা ছবিটিতে স্পাইডার ম্যান, ব্যাট ম্যান বা জেমসবন্ডের মতো সুপার হিরো সুলভ একটি আমেজ আছে, যেখানে বীরগাথা নায়কদের মতো এই ছবির নায়কও একটি অসম্ভব জয় ছিনিয়ে নিয়ে আসেন। যে অসম্ভবের কাহিনী কোন রূপকথা বা সায়েন্সফিকশানের কাহিনী নয়, একেবারে নিকট অতীতের একটি সত্য এবং বাস্তব কাহিনী থেকে তুলে আনা হয়েছে। সেই বিচারে আমেরিকান পরিচালক বেন অ্যাফলেক অবশ্যই প্রশংসার দাবী রাখেন। কিন্তু হলিউডের বিশেষত আমেরিকার পরিচালকদের একটাই সমস্যা রূপকথা, বীরগাথা বা সত্যগাথার যে কোন কাহিনী নিয়েই ছবির করুক না কেন,সেখানে তারা শুধু নায়ক নন বীরনায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। পৃথিবীর অবশিষ্ট অংশ থাকে, হয় প্রতিনায়ক বা পতিতনায়ক বা প্রান্তিক নায়কের ভূমিকায়। তাই আরগো ছবিটিও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ঠিক এই সময়ে ঠিক এই ছবিটি নির্মাণের প্রয়োজন কেন দেখা দিল? এর উত্তর খোঁজার প্রয়াসে আজকের এই লেখার অবতারণা।

ছবির প্রেক্ষাপট ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবের ঠিক পরবর্তী সময়। যে সময়ে আয়াতুল্লাহ খোমেনি ইসলামি বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করেছেন। সেই সময়ে অর্থাৎ ১৯৭৯ সালে ৪ নভেম্বর তেহরানে বিশাল সংখ্যক খোমেনি সমর্থক উগ্র ইসলামি বিপ্লবী একটি দল আমেরিকান অ্যাম্বেসি দখল করে এবং ৬৬ জনের মতো আমেরিকানকে বন্দী করে। আতঙ্ককর সেই দিনটিতে ছয়জন আমেরিকান সেখান থেকে কোনভাবে পালিয়ে নিকটবর্তী কানাডিয়ান অ্যাম্বেসেডারের বাড়িতে আশ্রয়গ্রহণ করেন। আমেরিকার সি.আই..’র একজন কর্মরত অফিসার এন্টোনিয় মেনডেজ (ছবিতে লেখক, পরিচালক, প্রডিউসার বেন অ্যাফলেক নিজেই এই ভূমিকায় অভিনয় করেন) এর সহায়তায় ছয়জন জিম্মি শেষ পর্যন্ত ইরান থেকে যেভাবে পালিয়ে আসেন, তাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ছবির কাহিনী। সত্যনির্ভর ঘটনার ওপর নির্মিত এই ছবিটি শেষ পর্যন্ত নিখুঁত সত্যতা বজায় রাখতে পারেনি। ছবিটি আলোচনার আগে আমরা ইরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেছনের ইতিহাস একটু পর্যালোচনা করলে ছবিটি অনুধাবন করতে আমাদের আরও সহায়তা করবে।

ইরানের একটি ঐতিহ্যবাহী পূর্বইতিহাস থাকলেও ১৯০৮ সালের পূর্ব পর্যন্ত ইরান পশ্চিমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেনি। ১৯০৮ এর দিকে ইরানের তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের পরেই পশ্চিমের দৃষ্টি ইরানের ওপর পড়ে। বিশেষত ব্রিটেন এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জার্মানিকে সরিয়ে রাখার জন্যে ইরানের তেলক্ষেত্রগুলির দিকে শ্যেন দৃষ্টি রাখে। ১৯৫৩ সালের পূর্ব পর্যন্ত আমেরিকা ইরানের ক্ষেত্রে পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবেই ছিল, কিন্তু তার পরেই আমেরিকা প্রধান অভিনেতা অর্থ্যাৎ সাম্রাজ্যবাদীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। ১৯৫০ এর দশকের শুরুতেই রাজা রেজা শাহ পাহলাভির (শাসনকাল ১৯৪১১৯৭৯) সঙ্গে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী মোহম্মদ মোসাদ্দেক (যিনি ইরানের তেলক্ষেত্র জাতীয়করণ করেন) র সঙ্গে বিরোধ বাঁধে। ফলশ্রুতিতে শাহকে দেশচ্যুত হতে হয় ১৯৫৩ সালে। ব্রিটেন এবং আমেরিকার সি.আই..’র সহায়তায় শাহকে আবার ইরানে শুধু পুনর্বহালই করা হয় না, পূর্ব নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্রের পরিবর্তে রেজা শাহ এবার অবাধ বা শর্তহীন রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একচ্ছত্র অধিকার স্থাপন করেন। আধুনিকায়নের নামে চলে যুক্তরাষ্ট্রের শোষণ। প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার (১৯৭৭১৯৮১) ইরানের শাহ এর সঙ্গে একটি নৈশভোজে ইরানকে “An Island of Stability” নামে আখ্যায়িত করেন। ইরানের সঙ্গে আমেরিকার অতিবন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ইরানের মনে এই ধারণাই এনে দেয় যে, তাদের রাজা একজন ইসলামবিরুদ্ধ লোক। সাম্রাজ্যবাদ এবং রেজা শাহ এর শোষণের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে গিয়ে জনগণের ভেতরে ইসলাম ধর্মের মতাদর্শ ধীরে ধীরে দানা বাঁধতে শুরু করে, যাদের নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ খোমেনি অবির্ভূত হন। ১৯৬৩ সালের দিকে খোমেনিকে দেশচ্যুত করা হয়। কিন্তু জনরোষ দূর করা সম্ভব হয় না। ফলে ১৯৭৯ সালের ফ্রেব্রুয়ারির দিকে রেজা শাহ আবার দেশচ্যুত হন এবং এপ্রিলে আয়াতুল্লাহ খোমেনি দেশে ফিরে এসে ইসলামি প্রজাতন্ত্র কায়েম করেন। কিন্তু ইরানের সংকট তখনও পুরোপুরি কাটেনি। কেননা রেজা শাহ এর অসুস্থতার কারণে আমেরিকা যখন সেখানে তার চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা কওে, তখন জনগণের রোষ পূর্ণভাবে গিয়ে পড়ে আমেরিকা দেশটির ওপর। যার ফলশ্রুতিতে নভেম্বরের দুতাবাস দখলের ঘটানাটি ঘটে। ইরানের জনগণের তখন দুটো বিশ্বাস দৃঢ়ভাবে দানা বাঁধে . আমেরিকার দুতাবাস সি.আই.. এর ঘাটি এবং ২. চিকিৎসা শেষে রেজা শাহকে আমেরিকা আবার ইরানে প্রতিষ্ঠিত করবে। আরও একটি চাহিদা তাদের ভেতর কাজ করে আর তা হলো এ যাবৎ রেজা শাহ যত অন্যায় শোষণ এবং অর্থ আত্মসাৎ করেছে, তার বিচার ইরানের মাটিতে করা। বলাইবাহুল্য, সেই দুতাবাস আক্রমনের সময় আক্রমনকারীদের মধ্যে বর্তমান নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদও অন্যতম একজন ছাত্রনেতা হিসেবে ছিলেন, যাকে আয়াতুল্লাহ খোমেনির একজন উত্তরসুরি হিসেবে গণ্য করা হয়। এই আক্রমন থেকেই আরগো ছবির কাহিনীর শুরু।

বিভিন্ন টেলিভিশন ফুটেজ, পত্রিকার কাটিং, ইরানের শহরশহরতলী, কলাকুশলীর পোশাকআশাক, চুলের কাটিং এমনকি টেলিফোনের ব্যবহার সব মিলিয়ে পরিচালক ১৯৭৯১৯৮০ সালের চমৎকার একটি আবহ গড়ে তুলেন, যা দেখে দর্শক চমৎকৃত না হয়ে পারেন না। সেই আবহে ইরান এবং আমেরিকা দুটি দেশের তুলনামূলক চিত্র আমরা দেখতে পাই। যেমন ইরানের ক্ষেত্রে দেখা যায় ক্ষুব্ধ জনতার আমেরিকার পতাকা পোড়ানো, স্থানে স্থানে খোমেনির বিশাল বিশাল পোট্রেট ছবি, ফেলে দেয়া বিভিন্ন ধ্বংসপ্রাপ্ত কাগজের স্তুপ থেকে জরুরি কাগজ, ছবি উদ্ধারের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের শনাক্তকরণের প্রচেষ্টা, সারা শহরে সর্বক্ষণ রাইফেল হাতে বিপ্লবী পুলিশের টহল, যখন তখন যে কাউকে পুলিশের গুলিতে হত্যা, উন্মুক্ত স্থানে ফাঁসি দেয়া, ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ, রাস্তায় গাড়ি পোড়ানো ইত্যাদি। অপর দিকে আমেরিকার ক্ষেত্রে দেখা যায় একটি শান্ত সুকল্পিত, সুনিয়ন্ত্রিত, সুবিন্যস্ত, সুবিপুলা, সুশাসিত এবং সুসংস্কৃত একটি শহর, প্রতিবাদের ভাষাও (কেননা সেই সময়ে এতগুলো জিম্মি যারা প্রায় ৪৪৪ দিন ইরানে আটক অবস্থায় ছিল, তাদের ফেরতের জন্যে আমেরিকাবাসীরা প্রচুর প্রচেষ্টা চালিয়ে যান) সুন্দর হলুদ ফিতা ঝুলিয়ে, দেয়ালে কার্ডের ওপর লিখে জানানো হয়, সি.আই.. দপ্তরের ঢোকার মুখে একটি ছোট টেবিলের ওপর রাখা বই এবং তার ওপরে দেয়ালে “In honor of those members of the Central Intelligency Agency who gave their lives in the service of their countryলেখাটা দেখা যায়, সি.আই.. থেকে শুরু করে দেশের সবাই খুব কর্মতৎপর, টেলিভিশন ভাষ্যে বলতে শোনা যায় “I love Newyork, I love Americaইত্যাদি। অর্থাৎ কোন সংলাপ ব্যবহার না করে পরিচালক দুটো দেশের তুলনামূলক চিত্র এমনভাবে এঁকে দেন যাতে করে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি অত্যাধুনিক রাষ্ট্র এবং ইরানকে একটা মধ্যযুগীয় বর্বর দেশ বলেই প্রতীয়মান হয়। যে কারণে একবার টেলিভিশন ভাষ্যে বলতে শোনা যায় – “– না না এটা ঠিক আমার কথা না। আমি শুনেছি খোমেনি একজন উন্মাদগ্রস্ত”। তবে আটকে পড়া ছয়জনকে ছবির নায়কজেমস বন্ডীয় কৌশলের চেয়ে আরও উচ্চতর কৌশলে উদ্ধার তৎপরতা চালান। একটি ছবির শুটিং এর কাজ সাজিয়ে, যে ছবির নাম ‘আরগো’, সেই ছবির স্ক্রিপ্ট এবং আনুসঙ্গিক কাগজপত্র নিয়ে নায়ক ইরান যাত্রা করেন এবং ছয়জন আমেরিকান এর পাসপোর্ট জাল করে কানাডিয়ান পাসপোর্ট তৈরি করেন। এই ব্যপারে যদিও কানাডার অ্যাম্বেসেডারকে খুব বেশি সহায়তা করতে আমরা দেখি না, কেননা ছবির নায়ক একাই একশ। সারা ছবিতে আমরা যাদের এই উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তা করতে দেখি তারা হলেন সি.আই..র সব কর্মকর্তা, হলিউডের কর্মীবৃন্দ এবং নায়ক স্বয়ং। যদিও বাস্তবে ব্রিটিশ এবং কানাডার প্রচুর সহায়তা ছিল কিন্তু টিপিকাল আমেরিকান এর মতো পরিচালক বেন অ্যাফলেক জাতীয় মায়া পরিত্যাগ করতে পারেননি। পাসপোর্টগুলো তৈরি হয়ে গেলে, আমেরিকা যাত্রার আগের দিন ছয়জনের একটি ব্রিফ রিহার্সাল করেন অর্থাৎ তেহরান মাহরাবাদ আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে কি কি জিজ্ঞাসাবাদ হতে পারে এবং তার উত্তরগুলো তারা তৈরি করে রেখেছে কিনা তার মহড়া দেয়া হয়। যেমন

কানাডার শেষতম প্রেসিডেন্টের নাম কি? তার বাবার নাম কি? বাবা কি চাকরি করতেন? তার দেশের বাড়ি কোথায়? ইত্যাদি নানান অহেতুক প্রশ্নের একটি মহড়া দিয়ে পরিচালক পরোক্ষে এটাই বুঝিয়েছেন যে ইরানের মানুষেরা এই ধরণের অহেতুক প্রশ্ন নিয়েই ব্যতিব্যস্ত থাকে। জাতি বিদ্বেষের ঘৃণা এখনও আমেরিকাবাসীর ভেতর কতটা সক্রিয় তা বুঝতে দর্শকের অসুবিধা হয় না। তবে ছবির টান টান উত্তেজনা দর্শককে ছবির শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে। বিশেষত ছবির শেষ পর্যায়ে প্লেন যখন উড়তে শুরু করে এবং মাইকে বলা হয় তারা ইরানের গন্ডী অতিক্রম করেছে, সেই মুহূর্ত্তে সকলের আনন্দ উচ্ছাসে দর্শকও যেন সমগ্র ছবির ভীতি থেকে রেহাই পান। ছবির শিল্পীকুশলীর সঙ্গে একাত্ম হয়ে দর্শকও যেন একটা নরক সদৃশ দেশ থেকে আরেক স্বর্গ সদৃশ দেশে যাত্রা করেন। কিন্তু পেছনে রেখে যায় অনেক প্রশ্ন।

ছবিটি দেখার পর সামগ্রিক ভাবে দর্শকের মনে এই বোধ জন্মায় যে বর্তমান পৃথিবীর সব থেকে ক্ষমতাধর এই রাষ্ট্রটি শুধু ইরানের চোখে ধুলো দিয়ে যে কোন অসাধ্য সাধন করতে পারে তা নয়, সমগ্র পৃথিবীর চোখে ধুলো দিয়ে যে কোন অসাধ্য সাধন করতে পারে। পরিচালক বেন অ্যাফলেক অচেতন ভাবে তার নির্মাণের মধ্যে দিয়ে কাজটি করলেও তার সত্যতা অবশ্যম্ভাবী। যুগে যুগে উপনিবেশবাদী, সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রের ঠিক এই চরিত্রটাই আমরা পর্যবেক্ষণ করে এসেছি। তারা রাষ্ট্রের চোখে, জনগণের চোখে ধুলো দিয়ে যখন যে রাষ্ট্রের সম্পদ আত্মসাৎ করতে উদ্যত হয়েছে, তখন তারা ঠিক তাই করেছে। এই সম্পদ লুন্ঠন, আত্মসাৎ আর শোষণের ফলে কোন রাষ্ট্র দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর হলো কিনা, উপনিবেশ বা সাম্রাজ্যবাদীদের মতাদর্শের কুফল দেশটাকে ছিন্নভিন্ন করলো কিনা তাতে তাদের কিছু এসে যায় না। যখন যে রাষ্ট্র তাদের দিকে মুখ ঘুরিয়ে রাখে তখন তাদের মুখে শোনা যায় “An Island of Stabilityএবং বিপরীত দিকে যখন কোন রাষ্ট্র তাদের দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়, তখন বলতে শোনা যায় “Axis of Evilবা “Outpost of Tyrannyকথা দুটো ২০০২ সালে ইরানের উদ্দেশ্যে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ এবং সেক্রেটারি অফ স্টেট কন্ডলিসা রাইসের মুখে শোনা যায়। তাদের ছবিতেও তাই এসব বিপর্যয়কারীদের বীর নায়ক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু বীর নায়ক আর প্রকৃত নায়কদের মুখোশ উন্মোচন করতে ইরানের মতো রাষ্ট্রের খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি। আমেরিকার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ার দায় সেই ১৯৭৯ থেকে আজও ইরানকে বহন করতে হলেও ইরান তার জায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছে। আর তখনই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয়না ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়া পরিচালক বেন অ্যাফলেক কেন বেছে বেছে ঠিক এই ছবিটি ঠিক এই সময়ে নির্মাণ করেছেন।।

3 টি মন্তব্য

  1. মাসুদুজ্জামান

    লেখাটি চমৎকার। লেখক বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে তাদের আধিপত্যবাদকে প্রচার প্রোপাগাণ্ডার বিষয় করে চলেছে।

  2. oshadharon alochona!chobitir shottonishtho bislleshio ottonto valo legeche.

  3. অসাধারণ একটি লেখা ….
    আরো চমৎকার বিশ্লেষণ আশা করছি ভবিষ্যতে।