Home » অর্থনীতি » তেল-গ্যাস লুট দেশে দেশে

তেল-গ্যাস লুট দেশে দেশে

তেলের মওজুদ, ক্ষমতা আর বৈশ্বিক রাজনীতি

ফারুক চৌধুরী

coal power-1তেলগ্যাস লুটের বিষয়টি আলোচনার ক্ষেত্রে খনিজ সামগ্রীর প্রসঙ্গ উত্থাপনের কারণ হচ্ছে (), একটি দেশের বা সমাজের প্রতি দিনের জীবনযাত্রায়, (), অর্থনীতিতে ও () মুনাফা অর্জনের ক্ষেত্রে এ সবের প্রয়োজন ও গুরুত্ব। তেল, গ্যাসসহ নানা ধরনের জ্বালানির প্রয়োজন ও গুরুত্ব বুঝতে পারা যাবে এ সব খনিজ সামগ্রীর গুরুত্ব ও প্রয়োজন খেয়াল করলে।

এ সব খনিজ সামগ্রীর প্রয়োজন কতটা, তা একটি তথ্য উল্লেখ করলে বুঝতে সুবিধা হয়। একটি ক্ষমতাধর দেশ সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন খনিজ দ্রব্যের মজুদ গড়ে তুলছে। কারণ, দেশটিতে এ সব খনিজ দ্রব্যের খনি নেই, এ মজুদের মধ্যে রয়েছে বক্সাইট : এক কোটি মেট্রিক টনের বেশি, ম্যাঙ্গানিজ : ১৭ লাখ মেট্রিক টন, ক্রোমিয়াম ১৪ লাখ মেট্রিক টন, টিন : প্রায় ৬০ হাজার মেট্রিক টন, কোবাল্টি : প্রায় দুশ মেট্রিক টন, ট্যান্টালাম : ৬শ টনের বেশি, প্যালাডিয়াম : ১২ লাখ ট্রয় আউন্সের বেশি, প্লাটিনাম : প্রায় পাঁচ হাজার কিলোগ্রাম, ইরিডিয়াম : প্রায় আট বা কিলোগ্রাম।

কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনো পরিস্থিতিতে এসবের সরবরাহ বিঘিœত হলে, যাতে উৎপাদন বিঘিœত না হয়, সে উদ্দেশ্য এ মজুদ গড়ে তোলা হচ্ছে। আর, দেশটিতে এ সব দ্রব্যের খনি নেই।

খনিজ দ্রব্যের ব্যবহারের দিকে খেয়াল রাখলে এ সবের গুরুত্ব বুঝতে পারা সহজ হয়। কয়েকটি উদাহরণ দেয়া যাক। এলুমিনিয়াম পাওয়া যায় প্রধানত বক্সাইট আকর থেকে। গিনি, অস্ট্রেলিয়া, জামাইকা প্রভৃতি স্থান থেকে তা আমদানি করে নানা দেশ, বিমান, গাড়ি, বাড়ি, তৈজসপত্র, দুর্গন্ধনাশক প্রভৃতিতে ব্যবহার করা হয় এ দ্রব্যটি। ব্যারিয়ামের বিভিন্ন ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে তেল কূপ খনন কাজে মিশ্রণ হিসেবে এবং রং, প্লাস্টিক, কাগজ, কাঁচ তৈরি, ব্যারিলিয়াম ব্যবহার করা হয় শিল্পকারখানায়, পারমাণবিক প্রতিরক্ষা সামগ্রীতে, বিমান শিল্পে, এক্সরে টিকবে এবং অনুরূপ অন্যান্য কাজে। ক্রোমিয়াম ব্যবহার করা হয় নানা ধরনের ইস্পাতে ও বিভিন্ন শংকর ধাতুতে। কোবাল্ট ব্যবহার করা হয় জেট ইঞ্জিনের বিভিন্ন অংশ ইত্যাদিতে, গ্যালিয়াম ব্যবহার করা হয় ইলেকট্রনিক শিল্পে। নিকেল ব্যবহার করা হয় রাসায়নিক ও বিমান শিল্পে। রুবিডিয়াম ব্যবহার করা হয় ইলেকট্রনিক, রাসায়নিক ও বিদ্যুৎ শিল্পে, সেলেনিয়াম ব্যবহার করা হয় ফটোকপিয়ার, কাঁচ খুশকি দূর করা শ্যাম্পু, ইস্পাত ও পশু খাদ্য তৈরিতে। টাইটেনিয়াম ব্যবহার করা হয় জেট ইঞ্জিনে, বিমানের কাঠামোতে, মহাকাশ যানে, ক্ষেপণাস্ত্রে।

কারিগরি দিকের বিবেচনায় কয়লা খনিজ দ্রব্য নয়। এর উৎস জৈব এবং এটা কালো বা বাদামি কালচে রংয়ের পাথর। এটা জৈব জ্বালানি। অন্য দুটি জৈব জ্বালানি হচ্ছে, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস। চুনাপাথরও পাথর।

এ বিবরণ অনেক দীর্ঘ হতে পারে। সে দীর্ঘ বিবরণে না গিয়ে একটু ভেবে দেখা যাক, এসব সামগ্রী আহরণের, পরিবহনের, প্রক্রিয়াকরণের, ব্যবহারের সঙ্গে বিভিন্ন জ্বালানির ব্যবহার, আর সামরিকবেসামরিক, সকল ক্ষেত্রে এ সব দ্রব্যের নানা ব্যবহার এবং এগুলোর ব্যবহারের জন্য তেল, গ্যাস, কয়লা, বিদ্যুৎ তথা জ্বালানির প্রয়োজন রয়েছেই। এমনকি বিদ্যুৎ তৈরি করতে পানি শক্তি যেমন ব্যবহার করা হয়, তেমনিভাবে গ্যাস, কয়লা তেলও ব্যবহার করা হয়। কোথাও কোথাও শেষোক্তগুলোই বেশি ব্যবহার করা হয়।

তেলগ্যাসের গুরুত্ব বুঝতে পারার জন্য ব্যবহার্য সামগ্রীর ও দৈনন্দিন জীবনের দিকটি থেকে দৃষ্টি সরিয়ে অর্থনীতির আরেকটি দিকে দৃষ্টি দেয়া যাক। ব্যবসাবাণিজ্যে বিষয়ক জার্নাল ম্যাককিনসে কোয়ার্টালির ২০০৮ সালের জানুয়ারি সংখ্যায় ডায়ানা ফ্যারেল এবং সুসান লুনন্ড ‘দি নিউ রোল অব অয়েল ওয়েল, ইন দি ওয়ার্ল্ড ইকোনোমি’ বা বিশ্ব অর্থনীতিতে তেল সম্পদের নতুন ভূমিকা শীর্ষক প্রবন্ধে তেলের গুরুত্বের একটি দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন। ডায়ানা এবং সুসান তাদের প্রবন্ধে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরেছেন। এগুলো হলো :-

. তেল রফতানিকারক দেশগুলো ২০০৬ সালে হয়ে ওঠে বিশ্ব পুঁজি প্রবাহের বৃহত্তম উৎস। এক্ষেত্রে এ সব দেশ ১৯৭০ সালের পরে প্রথমবারের মতো গোটা এশিয়া মহাদেশকে ছাড়িয়ে গেছে। ২. এমনকি, তেলের দাম যদি হ্রাস পেয়ে ব্যারেল প্রতি ৩০ ডলারেও দাঁড়ায়, তাহলেও পেট্রোডলারে বা তেল বিক্রির অর্থে বিদেশী সম্পদ ক্রয় বৃদ্ধির গড় বার্ষিক হার থাকবে তেজী। ৩. আবুধাবী ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি বা আবুধাবী বিনিয়োগ কর্তৃপক্ষ হচ্ছে তেল রফতানিকারক দেশগুলোর বিনিয়োগ তহবিলসমূহের মধ্যে বৃহত্তম।

এ প্রবন্ধে লেখিকাদ্বয় জানান, তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের বিনিয়োগকারীরা লগ্নি বাজারে প্রবণতা ক্রমবর্ধমানভাবে প্রভাবিত করছেন। পেট্রোডলারওয়ালা বিনিয়োগকারীরা নিজেদের প্রভাব দেখতে পাচ্ছেন। তাদের এ প্রভাব নতুন। তেলর দাম ২০০২ সালের পর থেকে তিন গুণের বেশি বেড়েছে। এর ফলে বিশ্ব অর্থনৈতিক বাজারগুলোতে বড় ধরনের যে ক্ষমতার রদবদল ঘটেছে, তাতে এই পেট্রোডলারওয়ালা বিনিয়োগকারীরা হয়ে উঠেছেন বৃহত্তম ও দ্রুততম হারে বর্ধিত অংশ। তেল বিক্রি থেকে যে অর্থ আয় হয় তা ঢালা হচ্ছে বিশ্ব লগ্নি বাজারগুলোতে। ফলে পেট্রোডলার বিনিয়োগকারীরা ক্রমবর্ধমানভাবে হয়ে উঠেছে ক্ষমতাধর খেলোয়াড়।

এ প্রবন্ধে লেখা হয় : অন্তত আগামী পাঁচ বছর পেট্র্ডোলার বিনিয়োগকারীদের প্রভাব বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে, ভবিষ্যতেও পেট্রোডলারের বৈদেশিক বিনিয়োগ কতো পরিমাণে হবে, তা নির্ভর করছে তেলের দামের ওপরে। তবে, তেলের দামের বিষয়টি অনিশ্চিত।

সংক্ষেপে তুলে ধরা এ বক্তব্য থেকে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, তেল থেকে আয় কতো বড় ক্ষমতাধর, কতো প্রভাবশালী, বর্তমান বিশ্ব অর্থনৈতিক কাঠামোতে তা কতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ প্রবন্ধেই উল্লেখ করা হয় যে, পেট্রোডলারের বিপুল মজুদ কমিয়ে রাখছে সুদের হার আর তেজী করছে লগ্নি সম্পদকে। এসব ভূমিকা রাখছে যে অর্থ, তার উৎস তেল।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে, ইন্ধনের অন্য কোনো উৎসের চেয়ে তেল সস্তা, তা পাওয়া যায় বেশ পরিমাণে।

বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতিতে তেলের গুরুত্ব বুঝতে পারার জন্য কেবল তেলের ব্যবহার, তেলের দরকার, প্রাপ্ত তেলের পরিমাণ, সম্ভাব্য তেল প্রাপ্তির পরিমাণ দেখলে হবে না। এ সবের সঙ্গে দেখতে হবে বিশ্ব বাজারগুলোতে, বিশ্ব পুঁজি বাজারে, লগ্নি বাজারে, পুঁজি প্রবাহে তেল থেকে উপার্জিত অর্থের ভূমিকা। এ বিষয়টি ইতিপূর্বে উল্লেখিত প্রবন্ধের কিছু বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

গ্লোবাল অয়েল ট্রেড : দি রিলেশনশিপ বিটুয়িন ওয়েল ট্রান্সফার এন্ড জায়ান্ট ফ্লিডস বা বিশ্ব তেল বাণিজ্য : সম্পদ স্থানান্তর ও বিপুলাকার তেল ক্ষেত্রগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক শীর্ষক প্রবন্ধে ওয়েল এল কেলি এবং রিচার্ড এস বিশপ উল্লেখ করেছেন যে, তেল বাণিজ্য থেকে প্রাপ্ত বিপুল সম্পদ স্থানান্তর বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থিতিহীন করতে পারে।

অর্থনীতিবিদদের বরাত দিয়ে এ প্রবন্ধে বলা হয় : অন্য কোনো শিল্পের চেয়ে তেল শিল্পে অধিকতর পুঁজি সংহত হয়েছে। আবার, অন্য কোনো শিল্পের চেয়ে তেল শিল্পে ওঠানামা বা নড়াচড়া বিশ্ব অর্থনীতিকে সহজে নাড়া দেয়।

এ প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয় যে, পৃথিবীতে প্রায় ১৭ হাজার বড় আকারের তেল ক্ষেত্র রয়েছে। প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৭০ ডলার করে গণ্য করা হলে, তেল রফতানিকারকদের কাছে বছরে যায় এক ট্রিলিয়ন বা এক লাখ কোটি ডলার। যে দেশগুলোকে বড় তেল ক্ষেত্র রয়েছে, তাদের হাতে জড়ো হয় বিপুল পরিমাণ অর্থ। আবার, তেলের উৎপাদন খরচ নির্ভর করে তেল ক্ষেত্রের আকার, অশোধিত তেলের বৈশিষ্ট, ইত্যাদির ওপরে। মধ্যপ্রাচ্য তুলনামূলক বিচারে কম উৎপাদন খরচ হয়। একদিকে উৎপাদন খরচ কম : আরেক দিকে, বিপুল মজুদ মিলে এ অঞ্চলে জড়ো হয়েছে তেল বিক্রির বিপুল অর্থ। পারস্য উপসাগরীয় তেল রফতানিকারক দেশগুলো ২০০৯ সালে ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের প্রকাশিত হিসেব অনুসারে, বছরে ৫৫০ বিলিয়ন বা অর্ধ লক্ষ কোটি ডলারের বেশি অর্থ পেয়েছে। আগামী ২০ বছরে এ পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াতে পারে এক লাখ ৮০ হাজার কোটি ডলার।

এ প্রবন্ধে ২০০৭ সালের হিসেব উল্লেখ করে বলা হয় যে, প্রায় ১৭ হাজার বড় তেল ক্ষেত্রের মধ্যে মাত্র ২০টি থেকে পাওয়া যায় দৈনিক উৎপাদনের ৬০ শতাংশ।

এ প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, আগামী ৫১০ বছরের মধ্যে কয়েকটি দেশ বা এলাকা থেকে তেল সরবরাহ কমে যেতে পারে। এ সবের মধ্যে রয়েছে মেক্সিকো, নর্থ সী বা উত্তর সাগর, ইন্দোনেশিয়া, মিশর, ইকুয়েডর। এর বিপরীতে তেল সরবরাহ বৃদ্ধি পেতে পারে কানাডা, ব্রাজিল এবং সম্ভবত রাশিয়া ও ভেনেজুয়েলায়।

এ প্রবন্ধে আরো বলা হয়, তেল আমদানিকারকের হাত থেকে সম্পদ সরে যাচ্ছে, তেল রফতানিকারকের হাতে। ফলে, স্থানান্তরিত হচ্ছে ক্ষমতা ও জাতীয় স্বার্থও বিবর্তিত হচ্ছে।

প্রবন্ধটির উপসংহারে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখিত হয়। এটি হচ্ছে, . বিশ্বে তেল সম্পদের ৭০ শতাংশের বেশি রয়েছে বড় আকারের ৩২০টি তেল ক্ষেত্র। তবে এ সব তেল ক্ষেত্রে উৎপাদন কতটুকু বৃদ্ধি করা যাবে এবং এগুলোতে উৎপাদন কখন হ্রাস পেতে থাকবে, তা এখনো জানা নেই। বৃহত্তম তেল আমদানিকারক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন একশ কোটি ডলার হস্তান্তর করে। এই বিপুল পরিমাণ সম্পদ হস্তান্তরের একটি সীমা রয়েছে। সস্তায় তেল প্রাপ্তির ব্যাপারটি চিরকাল থাকবে না। তেল ফুরিয়ে যাওয়ার আগে ফুরিয়ে যাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ। তেল নির্ভর অর্থনীতি থেকে সফলভাবে অন্য ব্যবস্থায় না যেতে পারলে বিকল্প থাকে একটি অত্যন্ত দীর্ঘ অন্ধকার যুগ।

এ সংক্ষিপ্ত আলোচনা থেকে কয়েকটি বিষয় বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এগুলো হচ্ছে : . খনিজ দ্রব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী। তেলও গুরুত্বপূর্ণ। এ দুটি ছাড়া বর্তমান সভ্যতা, অর্থনীতি, বিশ্ব কল্পনা করাও অসম্ভব। ২. তেল না থাকলে প্রায় সবই অচল হয়ে পড়ে। তেলের সঙ্গী গ্যাস। ৩. তেল বিপুল শক্তি যোগায়। এ শক্তি কেবল কলে বা যন্ত্রে নয়, অর্থনীতিতেও। ফলে, রাজনীতিতে, বিশ্ব রাজনীতিতে, ভূরাজনীতিতে তেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৫. তেল প্রাপ্তির বিবেচনায় একেকটি অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একইভাবে, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে তেল প্রাপ্তির সম্ভাবনাময় অঞ্চলগুলো। ফলে, বিশ্ব রাজনীতির বিভিন্ন চালে, ভূরাজনীতির বিভিন্ন কলাকৌশলের ঘটনায় এই প্রতিফলন ঘটে। অন্য কথায় বলা যায়, ভূরাজনীতির তথা বিশ্ব রাজনীতির অনেক কলাকৌশল, চাল নেয়া হয় এসব অঞ্চলকে ঘিরে। ফলে, খুব স্বাভাবিকভাবেই এ সব অঞ্চলের মানুষের জীবনে, অর্থনীতিতে, রাজনীতিতে এর প্রতিক্রিয়া পড়ে।

তেল যত ফুরিয়ে আসবে, এর সহজ বিকল্প খুঁজে পাওয়া যতো দেরি হবে, ততই তেল নিয়ে বাড়বে অস্থিরতা, প্রতিযোগিতা, হানাহানি, যুদ্ধবিগ্রহ। ফলে, বিপন্ন হবে সাধারণ মানুষের জীবন, মূল্য দেবেন সাধারণ মানুষ।

তেলে রয়েছে বিপুল মুনাফা। তাই, তেল নিয়ে ধস্তাধস্তি, মারামারি, ষড়যন্ত্র, প্রাণঘাত করতে তেলের মুনাফা সন্ধানীরা পিছপা হবে না। তাই, সাধারণ মানুষকে এ ব্যাপারে ওয়াকিবহাল হতে হবে, সজাগ থাকতে হবে।।