Home » মতামত » যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও শাহবাগ গণজাগরণ – ৩

যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও শাহবাগ গণজাগরণ – ৩

আনু মুহাম্মদ

shahbagh-movement-1গত কিছুদিন অসংখ্য মানুষ এইদেশে বিনিদ্র আতংকিত দিনরাত পার করছেন। সাম্প্রদায়িক হামলা, গণপরিবহণে আগুন ছাড়াও, বিভিন্ন সংবাদসূত্র অনুযায়ী, গত কয়েকদিনে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিহত হয়েছেন নারীপুরুষ সহ প্রায় একশজন মানুষ। এদের মধ্যে ৬ জন পুলিশ সদস্যও আছেন। নিহত এই মানুষদের সম্পর্কে, কিংবা ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য কোনো পত্রিকাতেই না পেলেও যতটুকু জেনেছি তাতে এই নিহত মানুষদের অধিকাংশই গ্রামশহরের গরীব মানুষ। এটাই হয় সবসময়। গার্মেন্টস এ আগুন, লঞ্চডুবি, বস্তিতে আগুন আর বাস দুর্ঘটনাতেই শুধূ নয় যে কোনো রাজনৈতিক সহিংসতার শিকারও তাঁরাই হন। নানা কারণে, নানা প্রভাবে, নানা বুঝ থেকে তাঁরা যাদের পেছনে দাঁড়ান, সেই ক্ষমতাবানরা এই জনগোষ্ঠীকে ব্যবহার করেন নিজেদের ক্ষমতা ও প্রভাব বৃদ্ধির জন্য।

সামনে কথাবার্তা যাই থাকুক, মানুষজন যে চিন্তাতেই বিভিন্ন পক্ষে সমবেত হোন না কেনো ,আমরা যে ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি তা এক চর দখলের লড়াইয়ের মতোই দেখা যাচ্ছে। সারাদেশ ক্ষতবিক্ষত, রক্তাক্ত। সরকার কোথায়? জনপ্রতিনিধিরা কোথায়? তাদের তো জনভিত্তি থাকবার কথা, কী করে তবে দিনের পর দিন এলাকায় রক্তপাত, সংঘাত চলছে, বাড়ছে?

প্রশ্ন হল, যুদ্ধাপরাধী বিচার ইস্যু নিয়ে কেনো এরকম রক্তপাত হবে? যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে তো জাতীয় ঐকমত্য থাকার কথা। এই বিচার ছাড়া বাংলাদেশের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা কোথায়? বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারে, তার নেতাদের দুষ্কর্ম, অযোগ্যতা আর রাজনৈতিক অসততার কারণে মানুষ যুদ্ধাপরাধীদের অপরাধ ভুলতে পারে না, ভোলে নাই। আবার এটাও পাশাপাশি মনে রাখতে হবে যে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও সরকারের জনস্বার্থবিরোধী বিভিন্ন তৎপরতা ঢেকে দেবে না। ১৯৭১ সালে এই দেশের মানুষের ওপর পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর ভয়ংকর বর্বরতার সহযোগী ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের কোন দায়মুক্তি নাই। সেকারণে বর্তমান সরকারের পিছুটান, গোপন আঁতাতের সম্ভাবনার বিরুদ্ধেই শাহবাগে তরুণরা জমায়েত হয়ে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করেছেন।

যুদ্ধাপরাধী বিচার আন্দোলন বা এই দাবির বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করতে বহুদিন ধরেই প্রচারণা আছে। শাহবাগ গণজাগরণ শুরু হবার পর এগুলো আরও বেড়েছে। এরমধ্যে একটি হল এই আন্দোলন ধার্মিক মুসলমান বা দাড়িসহ টুপি পরা মানুষের বিরুদ্ধে। এটা ঠিক যে, যুদ্ধাপরাধী আল বদর রাজাকারদের কথা ভাবলেই অনেকসময় দাড়িসহ টুপি পরা মানুষের চিত্র আসে, কারণ এই অপরাধীদের অনেকেরই এটাই বাহ্যিক চেহারা। কিন্তু আমরা পাশাপাশি এটাও দেখি যে, টুপি পরা দাড়িসহ এদেশের অসংখ্য ধার্মিক মানুষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলনে শরীক আছেন। আর মূল যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তানি জেনারেল ও অফিসাররা সবাই পশ্চিমা পোশাকের মানুষ, ধর্মচর্চার সঙ্গেও তাদের বেশিরভাগেরই কোনো সম্পর্ক ছিলো না।

দ্বিতীয়ত, শাহবাগ গণজাগরণে শ্লোগানে, গানে, ছবি আঁকায়, সংগঠনে নারীর উপস্থিতি সজীব ও সক্রিয় থাকার কারণে তাকে নিয়ে নানা বানোয়াট ছবি, গল্প, কুৎসিৎ ইঙ্গিত আর মন্তব্য দিয়ে প্রচারণা চালানো হয়েছে। আমরা জানি আমাদের সমাজে অনেকের কাছে নারী কেবলই একটি শরীর; তার কোনো আত্মা নাই, কোনো মেধা নাই, দেশ ও মানুষের প্রতি দায় নাই, যন্ত্রণা দু:খ নাই, দৃর্বত্তদের প্রতি ঘৃণা আর মানুষের প্রতি ভালোবাসার কোনো চেতনা নাই, সামাজিক সক্রিয়তায় তার কোনো ভূমিকা নাই। এদের দৃষ্টিতে নারী কেবলই একটি যৌনবস্তু, আর পুরুষ মাত্রই কামুক বর্বর। এরা নারীরই সন্তান, অথচ তাদের কাছে মায়ের যন্ত্রণা আকুতি, বোনের কান্না, তাদের চেতনা আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অন্তর্গত শক্তি কিছুই ধরা পড়ে না। সমাজের এই চিন্তার ধরনের কাছেই তাই এই অপপ্রচার একধরনের গ্রহণযোগ্যতা পায়। অথচ এই নারীরাই তো যুগে যুগে ইতিহাস তৈরি করেছেন, কখনো সামনে থেকে কখনো আড়াল থেকে।

তৃতীয়ত, খুন হবার পর রাজীবের নামে প্রচারিত বিছু লেখা নিয়ে সমাজে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তাকে পুঁজি করে পুরো আন্দোলনকে নাস্তিকদের আন্দোলন হিসেবে প্রচার করা। রাজীবকে আমি চিনতাম না, তার কোনো লেখাও আমি পড়িনি। রাজিব খুন হয়েছে, ওর জবাব দেবার উপায় নেই, ওর বন্ধুরা এবং ওর বাবা বলছেন প্রচারিত লেখাগুলো রাজীবের নয়। কিন্তু লেখাগুলো ওর নাম দিয়েই সবিস্তারে প্রকাশিত হয়েছে ‘ইনকিলাব’ ‘আমার দেশ’ পত্রিকায়। আমি ধর্ম নিয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও বিতর্কের সুযোগ সমাজে থাকা জরুরি মনে করি। কিন্তু এসব লেখার ভাষা, উপস্থাপন ভঙ্গী, বিদ্বেষী শব্দমালা অরুচিকর, কোথাও কোথাও কদর্য। এগুলোতে যে কোন সুস্থ মানুষই বিরক্ত ক্ষুব্ধ হবেন। কয়েকদিনের মধ্যে দেখলাম কীভাবে এই লেখাগুলো যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত হলো। লক্ষ লক্ষ কপি ছাপা হয়ে দেশের সর্বত্র গেলো এবং পুরো যুদ্ধাপরাধী বিরোধী অন্দোলনকেই কলঙ্কিত করবার জন্য প্রচারও শুরু হলো সঙ্গে সঙ্গে। যেই লিখুক এই ধরনের লেখার বিরুদ্ধে আমাদের সবারই কন্ঠ সোচ্চার থাকা উচিৎ। এরকম লেখা শুধু যে সমাজে প্রয়োজনীয় আলোচনা বিতর্কের পথ রুদ্ধ করে দেয় তাই নয়, সকল অগণতান্ত্রিক অপশক্তিই এগুলো থেকে ফায়দা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়। বলাই বাহুল্য, যারা এসব লেখা লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে তাদেরকে ক্ষেপিয়ে তুলে সারা দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, তারা ধর্মকে সম্মান করছে না; তারা খুনি লুটেরা ধর্ষক যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করছে।

জামাতপন্থী তাত্ত্বিকদের কেউ কেউ গত কিছুদিনের সহিংসতা ও সংঘাতকে গরীব মানুষের লড়াই বলছেন। বলছেন ইসলামপন্থী রাজনীতি বর্তমান বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী লড়াইএ মুখ্য ভূমিকা পালন করছে, সাম্রাজ্যবাদ ইসলামকে ধ্বংস করতে চাইছে, সেকারণেই। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা গরীব মেহনতি মানুষের মধ্য থেকেই আসছে, সুতরাং তাদের লড়াই আসলে শ্রেণী সংগ্রামেরই একটি রূপ। এই প্রচারণামূলক বক্তব্যে এই প্রশ্নের জবাব নেই যে, কেনো জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষেই এখনও মার্কিনী তৎপরতা? কেনো গরীব মানুষ যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে দাঁড়াবেন যেখানে ১৯৭১ সালে গরীব নারীপুরুষেরাই এদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছেন সবচাইতে বেশি? শুধু তাই নয়, এখনও যাদের রাজনীতি গরীব মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে?

তাছাড়া কোনো রাজনীতির ধারায় গরীব মেহনতি মানুষের উপস্থিতি দিয়ে যদি তাদের প্রতিনিধিত্ব বোঝায় ,তাহলে দেশের মেহনতি মানুষের সবচাইতে বড় দুটো দল হলো আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। কারণ গরীব মানুষেরাই এই দুটো দলের প্রধান ভোটার, প্রধান সমর্থক গোষ্ঠী। ক্ষমতা নিয়ে তাদের লড়াইএ গরীব মানুষের অংশগ্রহণকেও তাহলে শ্রেণী সংগ্রাম বলতে হয়। তাছাড়া মাদ্রাসা মানেই গরীব মানুষের প্রতিষ্ঠান নয়, এখন স্কুলের পাশাপাশি খুবই ব্যযবহুল ইংলিশ মিডিয়াম মাদ্রাসাও গড়ে উঠছে অনেক বেশি সংখ্যায়। তার চাহিদা তৈরি হয়েছে ক্রমবিকাশমান মধ্যবিত্তের মধ্য থেকেই। ধর্মভিত্তিক রাজনীতিতে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের অনেকেই বিত্তবান শ্রেণীর অংশ। তাদের সন্তানেরা ব্যযবহুল ইংলিশ মিডিয়ামে বা বিদেশে পড়ে, আর তাদের ক্ষমতার মজুদ হিসেবে কাজ করে মাদ্রাসার গরীব ছাত্র ও শিক্ষকেরা। সেজন্য এদেশের গরীব মেহনতি মানুষের মুক্তির লড়াইএ মাদ্রাসাকে যুক্ত করতে এরা সবসময়ই বাধা দেয়। প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের মাঠে নামায়। এদেশের সকল সরকারই এই মজুদ দখলে আনার চেষ্টা করেছেন।

আর বিশ্বব্যাপী সাম্রাজ্যবাদ আর ইসলামপন্থী রাজনীতির সম্পর্ক মোটেই সরল নয়। ১৯৯০ পর্যন্ত সারাবিশ্বে ধর্মপন্থী রাজনীতির ওপর ভর করেই সা¤্রাজ্যবাদী আগ্রাসন পরিচালিত হয়েছে। ১৯৯১ থেকে ইসলামী সন্ত্রাস তার ঘোষিত শত্র“, বাস্তব ও বানানো গল্প দিয়ে তার দখল ও আগ্রাসন বৈধ করবার চেষ্টা। কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে এসবকাজে তার মিত্রদের বড় অংশ আবার ক্ষমতাধর মুসলিম ও ইসলামপন্থী রাজনীতিই।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি খুঁটি যদি হয় ইসরাইল, আরেকটি অতি অবশ্যই সৌদী আরব। এই সৌদী আরবের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছাড়া ইরাক ও লিবিয়ায় মার্কিন আগ্রাসন কিংবা সিরিয়ায় দখলের প্রকল্প নিয়ে অগ্রসর হওয়া সম্ভব ছিলো না। শুধু সৌদী আরব নয়, মধ্যপ্রাচ্যের আরও বেশি কয়েকটি দেশ ইসরাইলের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র। ইরান বিরোধী মার্কিনপন্থী জোট তৈরিতেও এই দেশগুলো পশ্চিমা বিশ্বের প্রধান ভরসা। একদিকে আল কায়েদা তালেবান বিরোধী কথাবার্তা আমরা শুনি বটে ,কিন্তু লিবিয়া ও সিরিয়ায় এই ধরনের গোষ্ঠীগুলোকেই মদদ দিয়েছে ও দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরাক ও লিবিয়ায় আগে সেকুলার সংবিধান ছিলো, যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট সরকার সেই সংবিধান বাতিল করে শরিয়া আইনের অনেক ধারা যুক্ত করেছে। আফগানিস্তানে ৮০ দশকে সরকার সামগ্রিক সংস্কার করতে উদ্যত হয়েছিলো, তাকে ইসলামপন্থীদের দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রই উচ্ছেদ করেছিলো। এখন কারজাই সরকার নিজে টিকে থাকতে মার্কিন সেনাদের সরে যেতে বলছে। আর মার্কিনীরা তালেবানদের সাথে বৈঠক করতে চেষ্টা করছে।

ইহুদী খ্রীষ্টান বিরোধী রাজনীতি আর সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী রাজনীতি এক কথা নয়। সাম্রাজ্যবাদ মানে শুধু বুশ বা ওবামা বা কিছু ইহুদী ব্যবসায়ী নয়, এটি একটি বিশ্বব্যবস্থা। এর চালকদের মধ্যে খ্রীষ্টান, ইহুদী যেমন আছে মুসলমান হিন্দুও আছে। আবার প্যালেস্টাইন থেকে শুরু করে ভেনেজুয়েলা পর্যন্ত যে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী প্রতিরোধ সেখানে মুসলমানদের পাশাপাশি আমরা খ্রীষ্টান, ইহুদী, হিন্দু পরিচয়ের মানুষদেরও দেখি। ধর্মপরিচয় দিয়ে রাজনীতি সনাক্ত করা যায় না। কেননা এক ধর্মের মধ্যেই বহুসুর থাকে। বুশ এর গড ইরাকে হামলার নির্দেশ দেয়, শ্যাভেজের গড তাকে রুখে দাঁড়াতে বলে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীরা ইসলাম ও আল্লাহ রসুলের দোহাই দিয়েই এদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে খুন ধর্ষণসহ ভয়ংকর অপরাধ করেছে। আবার অন্যদিকে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা আল্লাহ রসুলের নাম নিয়েই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। আল্লাহ ও ধর্মের অর্থ তাই দুজনের কাছে ভিন্ন। একজনের কাছে নিপীড়নের অবলম্বন, আরেকজনের কাছে নিপীড়িতের আশ্রয়।

আমাদের ইতিহাসে পাকিস্তান আমল তো বটেই বাংলাদেশেরও সরকার ও ক্ষমতাবানরা নিপীড়কের অবলম্বন হিসেবেই বরাবর ধর্মকে ব্যবহার করেছেন। ইতিহাসে একমাত্র মওলানা ভাসানী ধর্ম নির্বিশেষে জনগণের মুক্তির সংগ্রামে ইসলামের নিপীড়িতের ভাষা মানুষের কাছে উপস্থিত করেছিলেন। সেই ভাষা কোনো ধারা হিসেবে এখনও দাঁড়ায়নি। মানুষের লড়াইয়ের মধ্য দিয়েই হয়তো একদিন তা দাঁড়াবে।

যুদ্ধাপরাধী বিচারের আন্দোলনকে পুঁজি করে বিভিন্নমুখি চক্রান্তের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। জামায়াত শিবির ছাড়াও দেশি বিদেশি নানাগোষ্ঠী পুরো সহিংসতার আগুন ছড়িয়ে বাংলাদেশ নিয়ে এখন ভয়ংকর খেলায় নেমেছে, এটাই আশংকা। সরকারের নৈতিক অবস্থান খুব দুর্বল, তার নিজের গায়ে অনেক দাগ। সেকারণে গণজাগরণ মঞ্চের জন্যও সরকারের সমর্থন একটি বোঝা। অন্ধকার, রক্তাক্ত, অনিশ্চিত এক সময়। সজাগ মানুষেরাই এখন একমাত্র বাতি।

৫ মার্চ ২০১৩