Home » শিল্প-সংস্কৃতি » ইরাক যুদ্ধের ছবি – “ভ্যালি অফ দ্যা উলফস্”

ইরাক যুদ্ধের ছবি – “ভ্যালি অফ দ্যা উলফস্”

ফ্লোরা সরকার

valley of the wolvesতুরস্কের ছোট একটা সত্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০০৬ সালে নির্মিত হয় সারদার আকার পরিচালিত “ভ্যালি অফ দ্যা উলফস্”। ছবিটি মুক্তির পর প্রচুর সমালোচার ঝড় ওঠে। সমালোচনা শুরু হয় শুধু ছবির বিষয়বস্তুর কারণেই নয়, ছবিটিকে ‘অ্যান্টিআমেরিকান’, অ্যান্টিসেমেটিক’ এমনকি ‘অ্যান্টিক্রিশ্চানিটি’ নামেও অভিহিত করা হয়। যে সময়টিতে এবং যে বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে ছবির কাহিনী আবর্তিত সেটা আমেরিকা কর্তৃক ইরাক দখলের ভরাকটালের সময় অতিবাহিত হচ্ছে। আবু গারিব কারাগারের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ সহ ইরাক যুদ্ধের সব ঘটনাদুর্ঘটনার খবরাখবর পত্রিকা,মিডিয়া এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইতিমধ্যে পৃথিবীর সব প্রান্তে ছড়িয়ে গেছে। তাছাড়া যে সত্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছবির কাহিনীর সূত্রপাত ছবির কাহিনী সেই কেন্দ্রকেও ছাপিয়ে যায়। ২০০৩ সালের জুলাই মাসে উত্তর ইরাকের সুলেইমেনিয়ায় অবস্থানরত এগার সদস্যের একটি বিশেষ তুর্কি বাহিনীর সদস্যদের দখলদার আমেরিকান বাহিনী বিনা অপরাধে, বিনা উস্কানিতে প্রথমে গ্রেফতার এবং পরে তাদের হত্যা করে। সেই এগার জন সদস্যদের বেঁধে নেয়ার সময় তাদের মাথায় ছালা পরিয়ে নেয়া হয় যা পরবর্তীতে “হুডিং ইভেন্ট” নামে স্মরণীয় হয়ে আছে। ছবির শুরুতেই দেখা যায় সেই তুর্কি বাহিনীর প্রধান সুলেমান, তার ভাইকে সেই ঘটনার বিবরণ চিঠিতে জানায় এবং ফ্ল্যাশব্যাকে ঘটনাটা দেখানো হয়। চিঠি লেখা শেষ হলে সুলেমান তার বাহিনীকে মৃত্যু আর অপমানের হাত থেকে রক্ষা করতে অপারগ হওয়ায় মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আত্মহত্যা করেন।

তুর্কি সেনাবাহিনীর কাছে মৃত্যুর চেয়েও আত্মসম্মান আর আত্মমর্যাদা যেন অধিকতর বড় একটি বিষয়। আর তাই আমরা দেখি আলামদের নামে এক তরুণ তুর্কি তার দুই সঙ্গী নিয়ে সুলেইমেনিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে, কথিত সেই “হুডিং ইভেন্টের” প্রতিশোধ নেয়ার জন্যে। যাত্রা পথে রাস্তায় পুলিশ প্রহরা দেখে একজন বলে ওঠে – “ওরা কি পুলিশ না সেনাবাহিনী?” উত্তরে শোনা যায় – “শহরে পুলিশ, পাহাড়ে সেনাবাহিনী একই কথা”। অর্থাৎ আমেরিকা ততদিনে সমগ্র ইরাক দখল করে ফেলেছে। তুরস্কের এই তরুণের ঘটনার পাশাপাশি আমরা আরেকটি ঘটনাও দেখি। যেখানে লায়লা নামের একজন এতিম তরুণীর বিয়ের আয়োজন চলে। আয়োজনের এক ফাঁকে নতুন বর তার নতুন কনে লায়লার হাতে একটা ডেগার তুলে দেয়, যা বংশানুক্রমিক ভাবে বরের পরিবার তাদের নতুন কনেকে দিয়ে এসেছে নিজেদের রক্ষা কল্পে। ক্যামেরার ক্লোজে অভিজাত ডেগারটা দেখা যায়, যা পরিচালক পরবর্তী কোন ভয়াবহ ঘটনার ইঙ্গিত দেন। ইতিমধ্যে আলামদের এবং তার সঙ্গীরা হোটেল গ্র্যান্ড হ্যারিলটন এ এসে হোটেল ম্যানেজারকে সেই শহরের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান সামরিক কর্মকর্তা স্যাম উইলিয়াম মার্শালকে সেখানে উপস্থিত হবার নির্দেশ দেন। না হলে হোটেল উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। স্যাম মার্শাল হচ্ছে ইরাক আক্রমনের সে সব আমেরিকান কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন যিনি শিশু থেকে শুরু করে যে কোন হত্যাযজ্ঞ করতে কোন সময় ক্ষেপন করে না। ‘টেররিজম’ বা ‘সন্ত্রাসবাদ’ নামক শব্দটি তখন দখলদার বাহিনীর কাছে এতটাই আতঙ্কজনক একটি শব্দ যে লায়লার সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে সামান্য আতশবাজি ফুটে উঠলে তারা সন্ত্রাসী আক্রমণ মনে করে দখলদার বাহিনী সেখানে অভিযান চালায়। ছোট্ট একটি শিশুর অসতর্কতার কারণে সেই শিশু এবং নতুন বর সহ হত্যা করা হয় বিয়ে বাড়ির অনেক মেহমানদের। এদিকে “হুডিং ইভেন্টের” প্রধান কর্তাব্যক্তি স্যাম মার্শাল হোটেলে এসে পৌঁছালে স্যাম সহ তার বাহিনীকে মাথায় ছালা পরিয়ে হোটেল থেকে বের হতে নির্দেশ দেয় আলামদের এবং সেই সঙ্গে তাদের ছবি তুলে প্রত্রিকায় ছাপানোর কথাও জানানো হয়, না হলে হোটেল উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। আলামদের একটাই উদ্দেশ্য এভাবে যদি স্যাম আর তার বাহিনীকে হোটেল থেকে বের করা হয় তাহলে তারা অন্তত এইটুকু বুঝতে পারবে, মানুষকে অবমানিত করার যন্ত্রণা কতটা হতে পারে। কিন্তু স্যাম প্রস্তুত হয়েই সেখানে উপস্থিত হয়েছিল। বেশকিছু শিশুদের সে জিম্মি করে নিয়ে আসায় আলামদের চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। ছবির গল্প এগিয়ে গেলে আমরা দেখতে পাই তার অধীনে কিভাবে আবু গারিব কারাগারের নৃশংসতা সংঘঠিত হয়, কিভাবে ইরাক বন্দীদের ধরে নিয়ে তাদের কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট করা হয় আমেরিকা, বৃটেন আর ইসরাইলে প্রেরণের জন্যে (ক্যামেরার ক্লোজে কিডনি রাখা বিভিন্ন বাক্সের ওপর উল্লেখিত দেশের লেভেলের নাম দেখা যায়), কিভাবে শিপিং কন্টেইনারে গাদাগাদি করে নিরীহ জনসাধারণকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মাঝে মাঝে পথের মাঝেই এলোপাথাড়ি গুলি ছুটিয়ে হত্যা করা হয়, কিভাবে অতর্কিত আক্রমণ চলে বিভিন্ন গ্রামে। এভাবেই আমরা দেখতে পাই ছবির কাহিনীর সূত্রপাত ‘হুডিং ইভেন্ট’ হলেও পরিচালকের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরাক যুদ্ধের নৃশংসতা দেখানো।

ভ্যালি অফ দ্যা উলফস্’ শুধু ইরাক যুদ্ধের ঘটনাবেষ্টিত কাহিনী হয়ে থাকে না। ‘সন্ত্রাসবাদ’ এর উৎপত্তি এবং তার প্রতিরোধের কথাও আমাদের জানান পরিচালক। একদিন সকালে লায়লা নামের মেয়েটি যে তার বিয়ের সময় তার স্বামীকে হারায় সে তখন আত্মঘাতী বোমারু হবার কথা তার পালক পিতা শেখকে জানায়। তার ক্রোধের কারণ শুধু স্বামীকে হারাবার জন্যে নয়, যে নিষ্পাপ শিশুটিকে দখলদার বাহিনী নির্মমভাবে হত্যা করে তার জন্যে। তখন শেখ তাকে চমৎকার কিছু কথা বলেন – “ যে আল্লাহর পথে গেছে সে এটা কি করে করবে? যে ইসলামকে উপলব্ধি করেছে তার পক্ষে এই নির্মম কাজ কি করে করা সম্ভব? —– যে এভাবে আত্মঘাতী হয়, সে একটি কাজের মধ্যে দিয়ে দুই ভাবে আল্লাহর বিরুদ্ধে যায়। প্রথমত, সে নিজেকে হত্যা করে, দ্বিতীয়ত, শত্র“কে হত্যার লক্ষ্যে সে আরও কিছু নিরীহ লোকের প্রাণ ছিনিয়ে নেয়। এভাবে অন্য মানুষের মৃত্যু ঘটানোর অর্থ মানবতার মৃত্যু ঘটানো। —- যারা এসব করছে তারা মুসলমানদের সন্ত্রাসী হিসেবে বিস্তার ঘটাচ্ছে। মনে রেখো আমাদের আজকের অক্ষমতা আর অসহায়ত্বের জন্যে আমরা নিজেরাই দায়ী। আমাদের প্রতিটি আত্মঘাতী কাজের জন্যে আমাদের অক্ষমতা আর দুর্বলতাই দায়ী। আমাদের শত্র“পক্ষ এসব নৃশংস কাজের বৃদ্ধি দেখতে ইচ্ছুক। তাদের ইচ্ছার কাছে মাথা নত না করে আল্লাহর কাছে মাথা নত করা অনেক শ্রেয়।” লায়লাকে নিবৃত্ত করা গেলেও বিয়ের অনুষ্ঠানে আগত এক তরুণকে কিন্তু নিবৃত্ত করা যায়নি। তাই আমরা আরেকটি দৃশ্যে আত্মঘাতী হামলার চিত্র দেখতে পাই। একটি বাজারে স্যাম মার্শাল স্থানীয় কিছু নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করতে এলে সেই তরুণ সেখানে আত্মঘাতী বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। কিন্তু বোমাটি বিস্ফোরণের পূর্ব মুহূর্ত্তে ছেলেটি যখন বুকে বোমা বেঁধে এগিয়ে যেতে থাকে, ফ্ল্যাশব্যাকে শ্লোমোশানে বার বার বিয়ে বাড়ির সেই তান্ডবের দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটতে দেখা যায়। কতটা ক্রোধ, দুঃখ, হতাশা আর প্রতিশোধের আগুন বুকে নিয়ে মানুষ এসব কাজ করে সেই দিকটিও আমরা দেখি। এদিকে, আলামদেরের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হলেও সে সেখানে অবস্থান করে। আহা নামের আরেক তুর্কি নেতার সঙ্গে গোপনে সাক্ষাৎ করতে গেলে আহা তাকে জানায় “ তারা (আমেরিকানরা) পাহাড়গুলো কুর্দিদের জন্যে বরাদ্দ করেছে, মরুভূমি আরবদের জন্যে আর তেল তাদের জন্যে”। সাম্রাজ্যবাদের নীরব সন্ত্রাস মাত্র তিনটি বাক্য দিয়ে পরিচালক অসাধারণ ভাবে বুঝিয়ে দেন। এমনকি তেল উত্তোলনের জন্যে গ্রামের পর গ্রাম থেকে মানুষদেরকে তাদের বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের কথাও আমরা জানতে পারি। সাম্রাজ্যবাদের আরেক কৌশল ‘বিভক্তিকরণ এবং শাসন’ এর নীতিও স্যাম মার্শালের উক্তিতে ফুটে ওঠে। ইহুদি ডাক্তার যখন স্যামের কাছে বন্দীদের জীবিত অবস্থায় ধরে নিয়ে যাবার জন্যে আব্দার জানায়, কেননা মৃত ব্যক্তির কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সম্ভব নয় তখন স্যাম তাকে বলে “ আমি কুর্দি, তুর্কি আর আরবদের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধাবার একটা চেষ্টা করছি, আর তুমি কিনা সামান্য কিডনি ট্রান্সফারের আবদার নিয়ে ঘ্যানর ঘ্যানর করছো?” আবার এই স্যামই যখন স্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করে তখন তাদের বার বার বলে “ আপনাদের মধ্যে সমন্বয় না হলে এখানে একটা স্থিতিশীল সরকার কি করে স্থাপন করবেন? আমি আপনাদের মাঝে (কুর্দি, তুর্কি আর আরব) সমন্বয়ের জন্যে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি, আপনারা দেখতে পারছেন না?” ঠিক তখন আমাদের মনে পড়ে যায় ইরাক যুদ্ধকালীন সময়ে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ.ডাব্লিউ.বুশ ঠিক এভাবেই বলেছিলেন “ আমরা এতো ভালো আর ওরা আমাদের বুঝতে পারে না কেনো?”

সাম্রাজ্যবাদ শুধু অর্থনৈতিক শোষণ নিয়ে থাকে না ধর্মের অপব্যবহার করতেও দ্বিধাবোধ করে না। তাই স্যাম মার্শালকে ডাক্তার যখন আত্মঘাতী বোমা সম্পর্কে বলে “ওরা (ইরাকি জনগণ) এটা ভাবে কিভাবে যে আত্মঘাতি হলেই বেহেস্তে যাওয়া যাবে?” স্যাম তখন হতাশ হয়ে বলে “আমি বুঝতে পারি না, ওরা এভাবে বেহেস্তে যাবার স্বপ্ন দেখে অথচ আমাদের যিশু খ্রিস্টের মধ্যে দিয়ে স্বর্গে যাবার কোন ইচ্ছা তাদের নেই। —- মহান যিশু যখন মারা যান তখন এই পৃথিবীটা দান করে দিয়ে যান। আমরা (খ্রিস্টানরা) তার দ্বারা নির্বাচিত সেই ব্যক্তিবর্গ যাদের উপর তার স্বর্গরাজ্য স্থাপনের সমস্ত অধিকার এবং দায়িত্ব অর্পণ করে গেছেন”। যিশুর মূর্তির সামনে এভাবেই স্যাম তার সর্বময় ক্ষমতা অর্জনের জন্যে প্রর্থনা জানায় এবং বলে ঈশ্বরের আদেশে তাদের (আমেরিকাবাসী) এখানে (ইরাকে) আগমন ঘটানো হয়েছে। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা না পেলে যে কিছুই করা সম্ভব না, এই সামান্য বোধটুকুও তার নেই। তাই লায়লার বাবা শেখের জনপ্রিয়তার কথা শুনে তাকে হত্যা করার জন্যে মসজিদে আযানরত অবস্থায় সেখানে আক্রমন চালায় স্যাম এবং তার বাহিনী। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়না। লায়লার সেই ডেগার দিয়ে আলামদের হাতেই তার মৃত্যু ঘটে। লায়লা সেই ডেগার পরম যত্নে রেখে দিয়েছিল। আলামদের সঙ্গে ঘটনাচক্রে তার পরিচয় ঘটে। আলামদেরকে একদিন সে তার স্বপ্নের কথা জানিয়েছিল। বিয়ের আসরে তার স্বামীর মৃত্যুর আগে তার স্বপ্ন ছিল, তার মাতৃভূমিতে শুয়ে শুয়ে আকাশের তারা দেখার। কিন্তু এখন তার একটাই স্বপ্ন আর তা হলো স্বামীর দেয়া সেই ডেগার দিয়ে স্যাম মাশার্লের বুকে আঘাত করা। সেই আঘাতে সে দেখতে চায় স্যামের আদৌ কোন হৃদয় আছে কিনা। যদিও লায়লার শেষ পর্যন্ত মৃত্যু ঘটে স্যামের হাতে কিন্তু লায়লার কাজটা আলামদের করতে সক্ষম হন। আর এভাবেই অত্যাচারী শোষকের মৃত্যু কারো না কারো দ্বারা সংঘটিত হয়। মৃত্যু যদি নাও হয় তবু অপমানের বোঝা মাথায় নিয়ে বিদায় হতে হয়। তাই বাস্তবে আমরা দেখি জর্জ বুশ যখন ইরাক থেকে বিদায় নেন, তখন তাকে জুতো ছুঁড়ে মারা হয়। স্যাম মার্শাল যেন বুশেরই প্রতীক হয়ে ছবিতে আসে।

এই কারণেই আমেরিকা সহ পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে ‘ভ্যালি অফ দ্যা উলফস্’ এতটা সমালোচিত। এতটা নিন্দিত। কিন্তু সত্যের কোন বিকল্প নেই। পরিচালক সারদার আকার আমাদের সামনে সেই সত্যের উন্মোচন এভাবেই তার ছবিতে উপস্থাপন করেছেন। সন্দেহ নেই অত্যন্ত সাহসিকতার কাজটি তিনি করেছেন। সত্য উন্মোচনের জন্যে যে সাহসের প্রয়োজন পড়ে, তার সবটুকুর সদ্বব্যবহার তিনি করেছেন। আমাদের মনে পড়ে এই রকম আরেকজন সাহসী প্রামন্যচিত্র নির্মাতা মাইকেল মুরের কথা। যিনি তার ‘নাইন ইলেভেন’ ছবিতে এর চাইতেও আরও নগ্ন ভাবে জর্জ বুশকে উপস্থাপন করেছিলেন। যুগে যুগে এসব সাহসী মানুষদের জন্যে পৃথিবীর নৃশংস, অযাচিত ঘটনার উন্মোচন ঘটে। আমরা যেন সব সময় সেসব সৎ আর সাহসী লেখক,শিল্প, পরিচালদের স্বাগত জানাই।।