Home » অর্থনীতি » রাজনৈতিক সহিংসতায় জিম্মি অর্থনীতি

রাজনৈতিক সহিংসতায় জিম্মি অর্থনীতি

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

unstable-economy-1-রাজনৈতিক সহিংসতায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসাবাণিজ্যের স্বাভাবিক কার্যক্রম। আমদানি, রফতানি, উৎপাদন প্রক্রিয়াসহ বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শেয়ারবাজারে চলছে দরপতন। ব্যাংকিং খাতে সক্রিয়তা কমে গেছে; সেবা খাতও স্থবির। এমন পরিস্থিতিতে ক্রমেই মন্থর হয়ে পড়ছে অর্থনীতির গতি। দেশের চলমান ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত করে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘রফতানি, রেমিট্যান্স আয়, মূল্যস্ফীতিসহ বেশকিছু সূচক অর্থনীতির অনুকূলে থাকলেও রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রতিকূলে।’ নতুন বিনিয়োগ আশানুরূপ নয় বলে মূলধনি যন্ত্রপাতির আমদানি বাড়ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ১২৮ কোটি ডলারের মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি হয়। চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে তা নেমে আসে ৯৮ কোটি ডলারে। এ সময়ে আমদানি কমেছে ২৩ শতাংশ। এজন্য সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং এর সঙ্গে অবকাঠামো সমস্যাও দায়ী। ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ সংগঠন এফবিসিসিআই প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করে বিদ্যমান সহিংস রাজনীতির অবসান কামনা করেছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকরাও।

বাজেট হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে অর্থমন্ত্রণালয়। চলমান পরিস্থিতিতে ব্যাংক ও আর্থিক খাতেও চলছে অনিশ্চয়তা। ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজারে এর প্রভাব পড়ছে। কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতিতে নমনীয়তা আনায় এবং শেয়ারবাজারের প্রধান স্টেকহোল্ডারদের তৎপরতায় বেশ কিছু দিন ধীরে ধীরে সূচক ও লেনদেনে উন্নতি দেখা গেলেও গত কয়েক দিনের অস্থিরতায় শেয়ারবাজারের ঊর্ধ্বগতি থেমে গেছে বরং এখন উল্টো গতিতে চলছে। চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস হলেও নির্দিষ্ট গন্তব্যে তা পরিবহন করতে না পারায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিল্পমালিক ও ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে বন্দরে জমা হতে থাকবে তাদের আমদানি করা পণ্য। এতে একদিকে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, অন্যদিকে সরবরাহসংকটে নিত্যপণ্যের দাম দ্রুতই বেড়ে যাবে।

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থবছরের শেষে এসে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আশা করা যাচ্ছে না। এর বড় কারণ হলো, বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়া। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরে কাঙ্ক্ষিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য গত বছরের তুলনায় অন্তত ৭৫ হাজার কোটি টাকার বাড়তি বিনিয়োগ লাগবে। কিন্তু চলতি অর্থবছরে বিনিয়োগ পরিস্থিতি ধীরে ধীরে খারাপের দিকে যাচ্ছে। নানামুখী সঙ্কটের কারণে বিনিয়োগ লাভজনক বিবেচিত না হওয়ায় শিল্প উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আসতে চাইছেন না। এর উপরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তীব্র হয়ে উঠায় ব্যবসাবাণিজ্য ও বিনিয়োগ বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। হরতালে ক্ষতির পরিমাণ : রাজনৈতিক সহিংস পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতির কতোটা ক্ষতি হয়েছে এবং হচ্ছে তার কোনো হিসাব কোনো প্রতিষ্ঠান করেনি। কিন্তু রাজনৈতিক সংঘাতের কারণে হরতালে দেশের অর্থনীতিতে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়, সে বিষয়েও সাম্প্রতিক গবেষণা নেই। তবে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠন তাদের নিজস্ব হিসাব তুলে ধরছে। ঢাকা চেম্বারের (ডিসিসিআই) গবেষণায় বলা হয়েছে, একদিনের হরতালে দেশের অর্থনীতিতে যে ক্ষতি হয় তার পরিমাণ ২০ কোটি ইউএস ডলার বা ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। ১৫ দিনের হরতালে যে পরিমাণ ক্ষতি হয় তা দিয়ে অনায়াসে একটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব। অন্যদিকে, ২০০৫ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থার (ইউএনডিপি) এক গবেষণায় বলা হয়েছিল, একদিনের হরতালে বাংলাদেশে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৫৫৪ কোটি টাকা। ইউএনডি’র ওই গবেষণার সময় অর্থাৎ ২০০৫ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ছিল ৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা। তারপর ৮ বছর পেরিয়ে গেছে। বর্তমানে দেশের অর্থনীতি অনেক সম্প্রসারিত হয়েছে। সে হিসাবে ক্ষতির পরিমাণও বেড়েছে। গত ২০১১১২ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি’র আকার বেড়ে হয়েছে ৯ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ৮ বছরে অর্থনীতির আকার দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। ইউএনডিপি’র পর কোন সংস্থা অর্থনীতিতে হরতালের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেনি। তবে এর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়ক্ষতি আরও অনেক বেশি। আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও হরতাল আন্তর্জাতিক অঙ্গণে নেতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তোলে। বৈদেশিক বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়।

দেশের ইমেজ সঙ্কট : মাত্র একটি উদাহরণ দিলেই বোঝা যাবে দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে? দেশের সাম্প্রতিক অবস্থায় কিছুদিন আগে তুরস্কের একটি ১২ সদস্যের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ফ্লাওয়ার মিলের যন্ত্রপাতি বিক্রি করতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করতে ঢাকায় এসেছিল। হরতালের কারণে ২ দিন তারা হোটেলে বন্দি ছিলেন এবং কারো সঙ্গে কথা না বলেই তারা নিজ দেশে ফিরে যান। রাশিয়ার বিনিয়োগকারীরা ঢাকায় নেমেই পরিস্থিতি দেখে বিমানবন্দর থেকেই দেশে ফিরে যান। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও হরতালে সরাসরি অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি পরোক্ষ যে ক্ষতি করে তা হচ্ছে বিদেশীদের কাছে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। উদ্যোক্তারা বলেছেন, হরতালের মতো ঘটনায় বিদেশে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা যায়। যা কাটাতে দীর্ঘসময়ের প্রয়োজন হয়। এভাবে পুরো দুনিয়ায় বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনা রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়ে আসছে।

বিনিয়োগআমদানিরফতানি কমছে: দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতায় কমেছে বিনিয়োগ প্রস্তাব। বিনিয়োগ বোর্ডের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে দেশীয় ১২১টি বিনিয়োগ প্রকল্পের নিবন্ধন হয়েছে। বিদেশি এবং যৌথ বিনিয়োগ প্রস্তাব নিবন্ধন হয়েছে মাত্র ২১টি প্রকল্প। এক মাস আগে জানুয়ারি মাসেও দেড় শতাধিক বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছিল। গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত শুধু দেশীয় বিনিয়োগকারীরা ১৬৫৫টি শিল্প নিবন্ধন করেছেন। বিনিয়োগ প্রকল্প নিবন্ধনের হার কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে দেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, হরতালসহ বিনিয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা। গ্যাসবিদ্যুতের সংকট, ব্যাংকের চড়া সুদহারসহ দেশে চলমান সংকটে বিনিয়োগ ক্রমাগত নিম্নমুখী হয়ে পড়ছে।

পোশাক রফতানি বাধাগ্রস্ত : হরতাল ও রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার কারণে কাভার্ড ভ্যান, লরি, ট্রাক, ট্রেলার চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রপ্তানিকারীরা প্রস্তুতকৃত রপ্তানি পণ্য শিপমেন্ট এবং কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। হরতালে তৈরি পোশাক খাতের আমদানিরফতানি মারাত্মক হুমকির মধ্যে রয়েছে। বন্দর থেকে পণ্য আনানেয়া করা যাচ্ছে না। বন্দরে কনটেইনারজট লেগে গেছে। চলতি অর্থবছরের নিটওয়্যার পণ্যের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৬১ কোটি ডলার। অথচ সাত মাসে আয় হয়েছে ৫৯২ কোটি ৮ লাখ ডলার। ওভেন খাতে সারা বছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ৯২ কোটি ডলার। সাত মাসে আয় হয়েছে ৬১১ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তৈরি পোশাক খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধান রফতানি খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক। দেশের মোট রফতানির আয়ের ৮০ ভাগ আসে এই খাত থেকেযার পরিমাণ এখন গড়ে বছরে ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু এই খাতে বাংলাদেশ তীব্র প্রতিযোগিতার মুখেও রয়েছে। বিশেষ করে ভারত এবং চীন বাংলাদেশের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। গত ডিসেম্বর মাস থেকে দেশের অভ্যন্তরে যে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে তা আরো তীব্র হয়েছে। হরতাল, অবরোধ এবং রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। ফলে ক্রেতাদের সময়মতো পোশাক সরবরাহ করা যাচ্ছে না। বেড়ে যাচ্ছে পরিবহন খরচও। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দেশের ব্যবসাবাণিজ্য বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প খাত হুমকির মুখে পড়ছে বলে মনে করছেন বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা ও গার্মেন্টস শিল্পের মালিকরা। তাদের মতে, শুধু রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত ৪ মাসে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের রফতানি অর্ডার চলে গেছে ভারতে।

শিল্প উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, আগের হরতালগুলো ঢিলেঢালা হওয়ায় তাতে শিল্পপণ্য উৎপাদনে তেমন প্রভাব পড়তো না। কিন্তু সামপ্রতিক হরতালগুলো সহিংস হয়ে ওঠায় শিল্পপণ্য উৎপাদন ও পরিবহনে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে।

পণ্যের দাম বাড়ছে : বেড়ে যাচ্ছে নিত্যপণের দাম। প্রতিদিন রাজধানীতে পণ্যবাহী ট্রাক আসে। সেটা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দাম বেড়ে গেছে সব ধরনের পণ্যের। কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে চালের দাম মানভেদে কেজিপ্রতি ২৪ টাকা বেড়েছে। এক মাসে বেড়েছে ৭ টাকা। ভোজ্যতেল (বোতলজাত ও খোলা) এক সপ্তাহে লিটারপ্রতি বেড়েছে ৫ টাকা। দুই মাস আগে এটি বিক্রি হয়েছে ১০ টাকা কমে। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল (লুজ) বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। ৫ লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৬৫০৬৭৫ টাকা পর্যন্ত। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও চালের মূল্য নিয়ে উদ্বিগ্ন সরকার। এক থেকে দেড় মাসের ব্যবধানে কেজিপ্রতি চালের দাম ৩৫ টাকা বাড়াকে অস্বাভাবিক মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। চালের দাম বেড়েছে এবং বেড়েই চলেছে। সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তেল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রত্যেকটি জিনিসের দাম।

অর্থ পাঁচারের শঙ্কা: গ্লোবাল ফিনানশিয়াল ইন্টিগ্রিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার হয়েছে দুই হাজার ৫০৭ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ পাচার হয়েছে ২০০৬ সালে, রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়। ওই বছর বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ ৪৬৮ কোটি ডলার। রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল থাকলে এই অর্থ দেশের ভেতরেই বিনিয়োগ হতো। এতে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বহুদূর এগিয়ে যেতে পারত।

আন্তর্জাতিক সংস্থার পর্যবেক্ষণ: ওয়াশিংটনে আইএমএফ নির্বাহী কমিটি এক বৈঠক শেষে বাংলাদেশের নির্বাচনী বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়েও কম হবে। প্রধান বাজারগুলোতে রফতানিও কমে গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ছে। এত নেতিবাচক বার্তার মধ্যে আরো ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়াবে নির্বাচনী বছরের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা। গত অক্টোবরে একই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সংস্থাটি বলেছিল, রাজনৈতিক অস্থিরতা জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নির্বাচনের আগে আগে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি দেশের একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশে নেমে যাবে।।