Home » রাজনীতি » সঙ্কটের নেপথ্যে নির্বাচনী রাজনীতি

সঙ্কটের নেপথ্যে নির্বাচনী রাজনীতি

. ইমতিয়াজ আহমেদ

constitution-2-আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের মন্দার মধ্যেও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জন করেছে। বিদেশ থেকে বাংলাদেশী জনশক্তির প্রেরিত অর্থের পরিমাণ বেড়েছে। তৈরি পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। মানব উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের চেয়ে আগে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত অনেক দেশের তুলনায়, এমনকি ভারতের চেয়েও আমরা একাধিক ক্ষেত্রে এগিয়ে আছি। নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেনও এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে মডেল হিসেবে উপস্থাপন করেছেন বিভিন্ন স্থানে। এখানে বলা প্রয়োজন, অথনৈতিক খাতের উন্নয়ন বা মানব উন্নয়নের ক্ষেত্রসহ যে সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন সূচিত হয়েছে, সে সব ক্ষেত্রে সরকারের যে খুব একটা ভূমিকা রয়েছে তা নয়। অর্থনীতিতে ব্যক্তিগত খাতের উদ্যোগ, প্রবাসী জনশক্তি এবং মানব উন্নয়নের ক্ষেত্রে এনজিওসহ বেসরকারি সংস্থাগুলোর অবদানই মুখ্য। কিন্তু যেখানে আমরা থেমে আছি বা শঙ্কার যে স্থানটি, তা হচ্ছে রাজনীতির ক্ষেত্রে। এখানে সরকার বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে। আর এখানে হচ্ছে মানুষের চিন্তা ও উদ্বেগের বিষয়। কারণ সংঘাতসংঘর্ষ চলছেই।

স্বাধীনতার পর থেকে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচন সামনে এলেই বা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি এবং নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়। ১৯৭৫ সালের আগেও এটি হয়েছে এবং তখনও চেষ্টা করা হয়েছে নানা কৌশলে কিছু করার। এমনকি একদলীয় শাসন বাকশালও কায়েম করা হয়েছিল। সে কথাগুলো যদি স্মরণে রাখি, তাহলে দেখা যাবে যে, এটা নতুন কোনো বিষয় নয়, পুরনো কৌশল। এরপরে সেনাশাসন বা সেনাসমর্থিত অবস্থার বাইরে যখন নির্বাচন শুরু হলো, তখনও দেখা গেল, প্রতি পাঁচ বছরের শেষের দিকে বা আগে পিছে নির্বাচন নিয়ে নানা জটিলতা এবং ঝামেলার সৃষ্টি করা হয়েছে। এর মূল কারণ, বাংলাদেশের গণতন্ত্র নির্বাচন কেন্দ্রীক হয়ে পড়েছে। এখানে দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র বিদ্যমান থাকা বা এক দলের সঙ্গে অন্য দলের সম্পর্ক যেমন নেই, তেমনি সুশীল সমাজের সমালোচনা এমনকি গণমাধ্যমের ভূমিকাকে সহ্য করার ক্ষমতা এখন পর্যন্ত অর্জন করা যায়নি। এখন যেহেতু নির্বাচনীকেন্দ্রীক গণতন্ত্র, এ কারণে নির্বাচনকে সামনে রেখে বা নির্বাচনকেন্দ্রীক বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক কলাকৌশল প্রয়োগ করা হয়। বিভিন্ন সময়ে এটা করা হয়েছে, এবারেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ক্ষমতাসীন অবস্থায় কতোটা দল ভারি করতে এবং নিশ্চিত উপায়ে নির্বাচনে জয়লাভ করা যাবে, বিশেষ করে নির্বাচনের আগেই এটা নিশ্চিত হওয়া যে, আগামী নির্বাচনে জয়লাভ সুনিশ্চিত এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে রাষ্ট্রীয় কাঠামো বিশেষ করে পুলিশসহ প্রশাসনকে নিজেদের পক্ষে রাখার বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হয়। কিন্তু গণতন্ত্রের অর্থ হলো, নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। কিন্তু এ দফায়ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার সাংবিধানিক সংশোধনের মাধ্যমে একতরফা নির্বাচনের বিষয়টিকে পাকাপোক্ত করার চেষ্টা করা হলো। অর্থাৎ সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে, ক্ষমতাসীনরা এটা চায়। কিন্তু সাংবিধানিক বিষয় বাদ দিলেও, যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করে ক্ষমতাসীন দল ক্ষমতায় এসেছে এবং ক্ষমতায় এসে তা বাতিল করা কতোটা নৈতিকভাবে যুক্তিযুক্ত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধী দল, তা যেই হোক, তারা এমন একটা পরিস্থিতির মধ্যে বা ব্যবস্থায় নির্বাচনে যেতে চাইবে না। কারণ নির্বাচনকালীন সময়ে পুলিশসহ প্রশাসনের একটি বিশাল ভূমিকা থাকে। এখানে ভারত বা যুক্তরাজ্যের উদাহরণ দিয়ে লাভ নেই। কারণ, প্রশাসন দলীয়করণের ব্যবস্থা আমাদের দেশে চলছে, যা ওই দুই দেশে সম্ভব নয় এর কাঠামোগত কারণেই। সেখানে নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারি দলের কোনো ভূমিকা থাকে না। কাজেই সমান্তরাল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্দলীয় এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একজন ব্যক্তির নেতৃত্বে এমন ব্যবস্থা থাকতে হবে, যাতে ওই সমান্তরাল অবস্থার সৃষ্টি করা যায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই মনোভাবের পরিবর্তন তো হয়ইনি বরং দলীয়করণের চেষ্টা দিনে দিনে বাড়ছে। দলীয়করণমুক্ত অবস্থার পরিবর্তন যতদিন না করা যাবে, ততোদিন পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি, এর প্রয়োজনীয়তা এবং যৌক্তিকতা থাকবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার মধ্যদিয়ে সঙ্কটের সৃষ্টি হয়েছে এবং সরকার এক্ষেত্রে রাজনৈতিক কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। অন্যদিকে, ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীর বিচারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সবাই এটা প্রথম থেকেই চাচ্ছিলেন যে, এই বিচারের ক্ষেত্রে যেন কোনো রাজনৈতিক কৌশলের প্রশ্ন না ওঠে এবং এটি যেন দলমতের ঊর্ধ্বে থাকে। কিন্তু যে প্রসিকিউশন টিম গঠন করা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যতোটা শক্তিশালী প্রসিকিউশন টিম প্রয়োজন ছিল এবং এতে যে মানের আইনজ্ঞ রাখার দরকার ছিল, তা রাখা হয়নি। যেহেতু এসব ঘাটতি ছিল, সে কারণে মানুষের মনে সন্দেহ বিদ্যমান ছিল। এছাড়া স্কাইপের মাধ্যমে আলোচনা নিয়েও এই সন্দেহ দেখা দেয়। দ্বিতীয় রায়ের পরে সন্দেহ আরো জোরদার হলো এ নিয়ে যে, সরকার কোনো আঁতাত করছে কিনা? এ নিয়ে জনমনে তো অবশ্যই, জাতীয় সংসদেই মহাজোটভুক্ত দলের নেতা রাশেদ খান মেনন, মঈনউদ্দিন খান বাদলসহ অনেকেই বললেন, আঁতাতের কথা। কারণ, প্রথম রায়ে অভিযুক্ত অনুপস্থিত থাকার পরেও তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হলো। অথচ দ্বিতীয় রায়ে ওই সর্বোচ্চ সাজা দেয়া হলো না। এ সন্দেহ থেকেই কিছু ব্লগার এবং বামপন্থী কিছু সংগঠনের নেতাকর্মীরা শাহবাগে প্রতিবাদ জানাতে জড়ো হলেন। জনগণও বেশ জোরেসোরে সম্পৃক্ত হলো প্রতিবাদ জানাতে। জনগণের বড় ধরনের এই প্রতিবাদের কারণে প্রথম চার পাঁচ দিনে সরকার রীতিমতো ঘাবড়ে যায় এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে তারা বুঝে উঠতে পারছিল না। শেষ পর্যন্ত এই প্রতিবাদকেও দলীয়করণ করা হলো। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন দাড়ালো যে, কর্মসূচি পাল্টা কর্মসূচি দেয়া শুরু হলো। এভাবেই যেসব বিষয় আগে ছিল না যেমন ধর্মের বিষয়টি সামনে চলে আসে। বিষয়টিকে এভাবে দেখতে হবে যে, কোনো সন্দেহ নেই, সরকার নিজেদের পক্ষ ভারি করার চেষ্টা করেছে। বিরোধী দল যখন বুঝতে পারলো যে, দলীয়করণ হয়ে যাচ্ছে, তখন তারাও নিজ স্বার্থে রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণ করলো। বিরোধী দল মনে করতে শুরু করে, জামায়াতকে তাদের দিক থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দল আগে থেকেই এবং শাহবাগের মঞ্চ থেকেও বলা হচ্ছিল যে, বিএনপি যেন জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। বিএনপি জামায়াতকে না ছাড়ার কারণটিও কিন্তু নির্বাচনকেন্দ্রীক। কারণ তারা মনে করছে, যদি তারা জামায়াতকে ছেড়ে দেয় এবং জামায়াত যদি সরকারের একতরফা নির্বাচনে অংশ নেয়, তাহলে বিএনপি রাজনৈতিকভাবে একা হয়ে পড়বে। এটা মনে রাখতে হবে যে, জামায়াত কখনই নির্বাচন বর্জনের রাজনীতি করেনি। সব সময়ই তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। যেহেতু জামায়াতের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে এবং তাদের ধারণা, নির্বাচনে অংশ নিলে রাজনৈতিক বৈধতা বাড়বে। কারণ যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রেক্ষাপটে এটা তাদের রাজনৈতিক কৌশল।

যেহেতু বিএনপি থেকে জামায়াত বিচ্ছিন্ন হচ্ছে না, সে কারণে সরকার আবার ভিন্ন কৌশল হিসেবে অন্য যে ইসলামী দলগুলো আছে, তাদের কাছে টানার উদ্যোগ নেয়। এই কৌশলের মধ্যদিয়েই ধর্মের বিষয়টি আরো বেশি সামনে চলে আসে এবং অনেক কিছুই হাতছাড়া হয়ে গেছে। এখানে ৬ এপ্রিলের সমাবেশের মধ্যদিয়ে শুধু নির্বাচনকেন্দ্রীক রাজনীতি নয়, ঢাকাকেন্দ্রীক রাজনীতির বিষয়টিও যুক্ত হলো। এসব কিছুর পেছনেই নিজস্ব স্বার্থে রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণের কারণে গণতন্ত্র বিপদাপন্ন হচ্ছে। হেফাজতে ইসলাম যে দাবিগুলো দিয়েছে, তার অনেকগুলোই গণতন্ত্রের এবং সত্যিকারভাবে ইসলাম ধর্মের সঙ্গেও মিলবে না। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে, যারা মনে করেছিল অতি উগ্র বামপন্থা দিয়ে এই সমাবেশ থামানো যাবে, তা তারা পারেনি। সরকারের এক্ষেত্রে পরিপক্কতার অভাব ছিল। আসলে পুরো বিষয়টিকে ভিন্নভাবে চিন্তা করার উচিত ছিল। কিন্তু সমাবেশ যখন হয়েই যাচ্ছে, তখন সরকার ভিন্ন কৌশলে পুরো বিষয়টিকে সামাল দেয়ার চেষ্টা চালায়। সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া হলো। সমাবেশ শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধন্যবাদ জ্ঞাপনও করা হলো। অথচ তাদের দিক থেকেই নাশকতার কথা, ভয়াবহ সহিংসতার সম্ভাবনার বিষয়টি বলা হচ্ছিল এবং বলা হচ্ছিল প্রতিহত করার কথা। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্তরা পুরোপুরি ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আর এ ব্যর্থতার পেছনে নির্বাচনকেন্দ্রীক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই দায়ী। কারণ দায়িত্বপ্রাপ্তদের মাথার মধ্যে রয়ে গেছে দলীয় স্বার্থ এবং একতরফা নির্বাচন অনুষ্ঠানের চিন্তা।

তবে এতো কিছুর পরেও বলা যায়, রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি। তবে এই সমঝোতা কবে হবে, তা বলা কঠিন। এক্ষেত্রে একটি বিষয় উল্লেখ করা প্রয়োজন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে নির্বাচন সামনে এলেই বিরোধী দল আন্দোলনের মাত্রাটা এমন ভাবে বাড়িয়ে দেয়, যাতে বোঝা যায় যে, তাদের কারণেই সরকারের পতন হয়েছে। এটা আমরা আগেও দেখেছি লগি বৈঠা দিয়ে আন্দোলন করার মধ্যদিয়েই। সে সময় সরকার যখন ক্ষমতা ছেড়ে দেয় এবং ১/১১’র শুরু হলো তখন তৎকালীন বিরোধী দল দেখাতে চেষ্টা করে যে, তাদের কারণেই সরকারের পতন হয়েছে। এবারেও এর ব্যতিক্রম হবে এমনটা ভাবা যায় না।

তবে ক্ষমতাসীন দল যেহেতু নানা কলাকৌশল নিয়ে রাজনীতির মাঠে খেলছে, তারা পুরো লাভ নিতে চাইবে। কিন্তু সরকার ইতোমধ্যে একাধিক সুযোগ হারিয়েছে। শাহবাগ আন্দোলনের প্রথম চার দিনের মাথায় এসে যদি সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ইস্যুটির রাজনৈতিক সমাধানের উদ্যোগ নিতো, তাহলে আজকের যে সংঘর্ষ, সংঘাত চলছে, পরিস্থিতি এ পর্যায় পর্যন্ত গড়াতো না। তাছাড়া বর্তমানে যে সঙ্কট তা তৈরিই হতো না যদি নির্বাচন প্রক্রিয়াটি ঠিক থাকতো। যদি জানা যেত সরকার কবে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে, এরপরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করবে এবং নির্বাচনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে, তাহলে আজকের অবস্থার সৃষ্টি হতো না।

আমার মনে হয়, চারটি কারণে সমঝোতা হতেই হবে। এক. যে মাত্রায় সংঘর্ষ হয়েছে এবং এতে গত মাসেই শ’খানেক মানুষ নিহত হয়েছেন। সেখানে আগামীতে আবার সংঘর্ষসংঘাত দেখা দিলে, মানুষ সরকারকেই দায়ী করবে। কারণ কেউই তেমন পরিস্থিতি আর চাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। দুই. আন্তর্জাতিক চাপ। ইতোমধ্যে বিনিয়োগসহ সব কিছুই স্থবির হয়ে পড়েছে, একটি সমঝোতার পরিস্থিতি দেখার জন্য তারা অপেক্ষা করছে। তিন. আঞ্চলিক ভিত্তিতেও যদি দেখা হয় তাহলে দেখা যাচ্ছে, ভারত বলছে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হোক। (যদিও অনেকে মনে করেন, ভারত সরকারকে সমর্থন দিয়েই যাবে।) চার. /১১-’র কারণে ব্যবসায়ীদের দারুনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবার অভিজ্ঞতা হয়েছে। স্বাভাবিক কারণেই ব্যবসায়ীরা এবার এমন পরিস্থিতি আবার আসুক তা চাইছেন না। মনে রাখতে হবে, আমাদের জাতীয় সংসদে নিজ নিজ উদ্যোগে ঘোষণা অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের সংখ্যা ৫২ শতাংশ এবং অঘোষিতভাবে এই সংখ্যা ৭০ শতাংশের উপরে চলে যাবে যারা সরাসরি ব্যবসা করেন বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

সবকিছুর উপরে এ বিষয়টি স্মরণে রাখতেই হবে যে, সমঝোতাই হচ্ছে রাজনীতির প্রধান এবং মৌল বিষয়। কিন্তু এই সমঝোতা কবে, কিভাবে হবে তাই এখন দেখার বিষয়।।