Home » রাজনীতি » দেশ যাচ্ছে কোথায়?

দেশ যাচ্ছে কোথায়?

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

pol vio 222গেল বছরের নভেম্বর থেকে চলতি বছরের এই এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৫ কোটি মানুষের দিনরাত কাটছে আতঙ্কের মধ্যে। এই আতঙ্ক নিজের জন্য, সন্তানের জন্য, পরিবারের সকল মানুষের জন্য। জীবন নিয়ে আতঙ্ক, সম্পদ নিয়ে আতঙ্ক, অফিসস্কুলকলেজবাজারঘাট, এমনকি ঘরের বাইরে যাওয়া নিয়েও আতঙ্ক। প্রতি মুহুর্তে আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করতে করতে মানুষ ‘ট্রমাটাইজড’ হয়ে পড়ছে, হারিয়ে ফেলছে মানসিক ভারসাম্য, তার চির পরিচিত চেনাজানা নিরাপত্তার জগত ভেঙ্গে পড়ছে।

ঘোষিত কোন যুদ্ধক্ষেত্রে নয়, অঘোষিত একটি যুদ্ধক্ষেত্রে বসবাস করতে হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষকে। যেখানে প্রতিদিন রাজপথে মুড়িমুড়কির মতো ককটেলবোমা ফুটছে, গুলিটিয়ার গ্যাসরাবার বুলেট ছোঁড়া হচ্ছে অবিরাম। প্রতিদিন খবরের কাগজে, টেলিভিশন চ্যানেল খুলেই জনগণ দেখতে পাচ্ছে নারকীয় হত্যাকান্ড, মসজিদমন্দিরে আগুন, যানবাহন পোড়ানো, দেশ জুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ আর পবিত্র ধর্মের নামে উন্মাদনা, সব মিলিয়ে দেশের প্রতিটি নারীপুরুষশিশু, সবাই দিশেহারা। যারা একাত্তর সাল দেখেছেন, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস অবরুদ্ধ ছিলেন বাংলাদেশে, তারাই কেবল সে সময় ভয়াবহ পরিস্থিতির সাথে বর্তমানের তুলনা করতে পারবেন।

ক্ষমতাসীন এবং ক্ষমতার বাইরে অবস্থানরত দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের যে কোন উপায়ে ক্ষমতায় টিকে থাকা কিংবা যেনতেন প্রকারে ক্ষমতায় যাওয়াএই দুইয়ের ধ্বংসাত্মক লড়াইয়ে গোটা দেশকে করে তুলেছে চরম অস্থিতিশীল। এর মাঝখানে পড়ে একেবারেই চিড়েচ্যাপ্টা হচ্ছে ১৫ কোটি সাধারন জনগণ, যাদের ভোটে তারা নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতার লড়াইয়ের এই ভয়ংকর উন্মাদনায় শ’য়ে শ’য়ে মানুষ মারা পড়ছে অকাতরে, জখম হচ্ছে হাজার হাজার। কোটি কোটি সম্পত্তি বিনষ্ট হচ্ছে। নির্যাতনের শিকার হচ্ছে নারীরা। সমাজের কোন কমর্পেশার মানুষ এই ধ্বংসলীলার বাইরে থাকছেন না।

জনগনের জানমাল রক্ষায় বা নিরাপত্তায় সরকার বিরোধী দল কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই। তাদের সৃষ্ট এই মহাসংকট থেকে জনগণকে পরিত্রান দিতে কোন পদক্ষেপ নেয়ার বদলে প্রতিদিন তারা আরো উস্কে দিচ্ছেন যাতে পরিস্থিতি আরো অবনতির দিকে যায়। এর ফলে সরকার প্রধান, মন্ত্রীবর্গ, বিরোধী দলীয় নেত্রী এবং তার দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য দায়িত্ববান নাগরিকবৃন্দ এতোই এলোমেলো কথাবার্তা বলছেন যে, তাতে জনগণ আশ্বস্ত হওয়াতো দুরে থাকুক, সংকট সমাধানের বিন্দুমাত্র আভাসও পাচ্ছেন না। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক এখন চরম উৎকন্ঠিতদেশ যাচ্ছে কোথায়?

মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির সামাল দেবার বদলে সরকার গোটা পরিবেশটাকে আরো উস্কে দিলো যাতে সর্বনাশের দিকে দেশ ধাবিত হয়। এর পেছনে মূল কারণটি হচ্ছে এই যে, গত চার বছরের শেয়ার বাজার কেলেংকারী, হলমার্ক, ডেসটিনিসহ ব্যাংকিং সেক্টরে ভংয়াবহ দুর্নীতি, পদ্মা সেতু নিয়ে কেলেংকারী, দ্রব্য মূল্যের লাগামহীন উর্ধগতিএসবের দায়ে অভিযুক্ত সরকারের সামনে আপাত: ধাপাচাপা দেয়ার সুযোগটি সৃষ্টি হয় মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার নিয়ে জনগনের এবং জামায়াতশিবিরের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। এর সাথে যুক্ত ধর্মীয় উন্মাদনা গোটা বিষয়টিকে ধামাচাপা দেবার ক্ষেত্র আরো ত্বরান্বিত করলো। জনগনের ইস্যুগুলি এবং তত্বাবধায়ক সরকারের ইস্যু আড়াল হয়ে গেল।

বুঝে হোক না বুঝে হোক, আওয়ামী লীগের পাতানো ফাঁদে সামিল হয়ে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি জনগনের কাছে নিজের কোন অবস্থান পরিস্কার করতে পারেনি। এর মূল কারণ হচ্ছে, মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার প্রশ্নে এ যাবতকাল বিএনপি জনগনের কাছে তার অবস্থান পরিস্কার করতে সক্ষম হয়নি। বরং মূল ইস্যু তত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলনকে সামনে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে গত ক’মাস জামায়াতের অন্ধ অনুসরন তার কর্মকান্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। পাশাপাশি ধর্মীয় উন্মাদনার প্রতি তাদের সহযোগিতা ও সমর্থন মূল ইস্যুকে ঠেলে দিচ্ছে অন্ধকারের দিকে।

রাজধানীর বাইরে বিস্তীর্ণ বাংলাদেশকে ক্ষমতাসীন বা বিরোধী দল এবং তাদের ছত্রছায়ায় লালিতপালিত বুদ্ধিজীবীরি খুব কমই আমলে নিতে চান। ঢাকার বাইরে গত ফেব্র“য়ারিমার্চ জুড়ে যে জামায়াতশিবির ও পুলিশি হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর যে নির্যাতন চলেছেযে কোন ঘটনায় ফায়দা খোঁজা রাজনীতিবিদরা এর গণ প্রতিক্রিয়া বুঝতে আসলেই অক্ষম। রাজনীতিবিদরা, বিশেষত: সরকারি দলের নীতিনির্ধরিকরা পুলিশের ‘ট্রিগারহ্যাপি’ মোকাবেলাকেই ধরে নিয়েছেন তাদের মহা সাফল্য। বিপরীত প্রতিক্রিয়ার ধারও তারা ধারছেন না। দেশের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন বিকেন্দ্রীকৃত হলে যে ধারাবাহিক প্রতিক্রিয়া হয়সে সম্পর্কে তারা এখনো নিস্পৃহ।

এর মধ্য দিয়ে বছরের শুরুতেই সৃষ্ট রাজনৈতিক সংকট ও ধর্মীয় উন্মাদনায় দেশের পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বহুমাত্রিক সংকটের কবলে পতিত হয়েছে। এ বিষয়ে কি ক্ষমতাসীন, কি বিরোধী দলকোন মহলের উদ্বেগউৎকন্ঠা আদৌ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। গত কয়েক মাসে দেশব্যাপী, আঞ্চলিক অথবা জেলাব্যাপী যে কোন সময়ে যে কারো ডাকা হরতাল অচল করে দিচ্ছে জনজীবন। সৃষ্টি হচ্ছে সর্বগ্রাসী আতঙ্ক। অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও গত দুই দশকে যে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা গড়ে উঠেছিলো, তা ধ্বসে পড়তে শুরু করেছে। জনগণ কেতাবী ভাষায় এটিকে না বুঝলেও প্রাত্যহিক জীবনযাপনে যে দু:সহ অবস্থা তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে, তাতে আর যাই হোক সামনে যে মহাসংকট অনিবার্য, প্রতিটি মানুষ তা অনুধাবন করতে পারছেন।

এই মহাসংকট থেকে উত্তরনে সরকার বা বিরোধী দলের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের আপাত: কোন সম্ভাবনা জনগনের সামনে পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সরকারের তরফ থেকে মাঝে মধ্যেই আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ ‘বায়ক্ষীয়’ সংলাপের প্রস্তাব ছুঁড়ে দেন, সংসদে আসার আমন্ত্রন জানানএসবই যে কথার কথা এটি বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না। আবার আওয়ামী লীগের অনেক নেতাদের ‘কিসের আলোচনা, কার সঙ্গে আলোচনা, যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে ছেড়ে না এলে বিএনপি’র সাথে কোন আলোচনা নয়’ ধরনের বক্তব্য জনসাধারনকে এখন আর বিভ্রান্ত করে না। তাদের বুঝতে অসুবিধে হয় না যে, এসব বক্তব্য রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি ছাড়া আর কিছুই নয়।

জনগণ অবাক হয়ে দেখে, বিএনপি’র সঙ্গে সংলাপ আলোচনা না হলেও আওয়ামী লীগ, তাদের ভাষায় মধ্যযুগীয় ধর্মান্ধ সংগঠন হেফাজতে ইসলামের সাথে আলোচনায় বসতে দ্বিধা বা সংকোচ করে না। তাদের সমাবেশ করার অনুমতি দিয়ে সারা দেশে যানবাহন বন্ধ করে দেয়, আবার হেফাজতের সাথে গোপন যোগাযোগও রাখে। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টির পাশাপাশি তাদের অনেক নেতাকর্মীও শারিরীকমানসিকভাবে হেফাজতের সমাবেশে শরীক হয়। সমাবেশ শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ‘শান্তিপূর্ণ সমাবেশ’র জন্য হেফাজতকে ধন্যবাদ দেন। আরো আগ বাড়িয়ে হেফাজতের সংবিধান বিরোধী ১৩ দফা দাবীকে ‘যৌক্তিক’ বলেন এবং বিবেচনার আশ্বাস দেন।

হেফাজতে ইসলামের প্রথম সারির অনেক নেতার বিরুদ্ধে মানবতা বিরোধী অপরাধের সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগ মিডিয়া বা সরকার বিরোধীরা করছে তা নয়, খোদ সরকারের নেতামন্ত্রীরা করছেন। এটিকে জামায়াতের আরেকটি ফ্রন্ট বলছেন তাদের অনেকেই। মানবতা বিরোধী অপরাধীদের সঙ্গে জোট করায় যদি বিএনপি’র সাথে আলোচনা না করা যায় তবে হেফাজতে ইসলামের সাথে আলোচনায় বসার নৈতিক বা যৌক্তিক ভিত্তি কি? এর মধ্য দিয়ে ‘বোকামুর্খ’ জনগণ কি মেসেজ পাচ্ছে? হেফাজতের সঙ্গে আলোচনার আড়ালে সরকার কি আসলে জামায়াতের সঙ্গে কোন ধরনের সমঝোতায় উপনীত হবার প্রয়াস চালাচ্ছে? জনমনে সন্দেহটি ঘনীভূত হচ্ছে এ কারণে, যে অপরাধে বিএনপি’র সঙ্গে আলোচনায় বসা যাচ্ছেনা, একই অপরাধে অপরাধী হেফাজতীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য।

ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের জন্য মুশকিলটা হচ্ছে মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার প্রশ্নে সরকারের দোদুল্যমনতা, আপোষকামীতা, জামায়াতের সঙ্গে কথিত অনৈতিক আঁতাত, জামায়াতকে নিয়ে দুই দলের টানাহ্যাঁচড়ার মাধ্যমে উভয় উভয়কে কোনঠাসা করার প্রবনতা জনগনের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠতে শুরু করেছে। সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলার ভয়াবহ অবনতি ও জনজীবনে নিরাপত্তাহীনতা, দুর্বল শাসন, জনগনের মতামত তোয়াক্কা না করাএরকম অজস্র কারণ জনগণকে যে ক্ষুব্ধ করেছে, রুষ্ট করেছে, ক্ষমতাসীন বা বিরোধী দল তা কোন হিসেবের মধ্যে রাখেনি।

বাংলাদেশে দুই শিবিরে বিভক্ত রাজনীতির নতুন উপসর্গ হিসেবে যুক্ত হয়েছে একদিকে গণ জাগরন মঞ্চ, অন্যদিকে হেফাজতে ইসলাম। যুদ্ধাপরাধ, মানবতা বিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারে সর্বোচ্চ শাস্তিসহ জামায়াতশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ দেখতে চায় গণ জাগরন মঞ্চ। হেফাজতে ইসলাম চায় উগ্র ধর্মাশ্রয়ী রাজনীতির উত্থান। এই দুই শিবিরের বাইরে বাংলাদেশের বড় দুই কুশীলব আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটউভয়ের প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে ক্ষমতার মসনদ ধরে রাখা বা দখল করা। ক্ষমতার এই খেলার বাইরে আছে ভারতমার্কিন লবির রাজনৈতিক কর্তৃত্বের লড়াই। সামগ্রিক এই লড়াইয়ে দুই জোটের একটি অন্তর্গত ঐক্য রয়েছে, তা হচ্ছে ধর্ম বনাম কথিত প্রতিক্রিয়াাশীলদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটা।

কিন্তু উপমহাদেশের রাজনীতিতে এর পরিনতি জনগনের জন্য মোটেই সুখকর কিছু নয়। পাকিস্তান এর সবচেয়ে বড় উদাহরন। ধর্মীয় গোষ্ঠিগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা আর সামরিক বাহিনীর নেপথ্য সমর্থন ধরে রাখার প্রানান্ত চেষ্টা পাকিস্তানে জঙ্গীবাদকে অনেকটা স্থায়ী রূপ দিয়ে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিনত করেছে। অন্যদিকে, ভারতে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল বিজেপি, শিবসেনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে শক্তিমান অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাড়িয়ে থাকা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার খুব ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারবে।

কিন্তু বাংলাদেশের দুই রাজনৈতিক দলের ক্ষমতার কামড়াকামড়িতে গত কয়েক মাসে ধর্মকে সামনে নিয়ে আসা হয়েছে। উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠিকে খুশি করার জন্য দুই দলেই নানান কৌশল গ্রহন করছে এবং এর মধ্য দিয়ে এক ধরনের পেছন দিকে যাত্রা শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগবিএনপি’র নির্মম বিভাজন পুরো দেশকে যেমন খন্ডিত করে ফেলেছে, দুই দলকেই করে তুলেছে যুদ্ধাংদেহী, তারই মাঝে যুক্ত হয়েছে নতুন দুই উপসর্গগণ জাগরন মঞ্চ ও হেফাজতে ইসলাম।

এই অবস্থায় জনগনের মূল ভাবনাটি হচ্ছে, দেশের ভবিষ্যত তাহলে কি? /১১ এর পুনরাবৃত্তি ও মাইনাস টু বাস্তবায়ন, নতুন ধরনের কোন তত্বাবধায়ক সরকার, সুশীল সমাজের মোড়কে নতুন শাসন, নাকি একটি নির্বাচনের মাধ্যমে স্বৈরতন্ত্রের আদলে মোড়া ‘গণতান্ত্রিক’ শাসন? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে বাংলাদেশের জনগণকে অপেক্ষা করতে হবে বছরের শেষ পর্যন্ত। তবে জনগণ এটা ভেবে আতঙ্কিত যে, দেশের রাজনীতিতে ইতিমধ্যে যে সব আলামতগুলো, স্পষ্ট হতে শুরু করেছে তা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে দীর্ঘস্থায়ী বিপদসংকুল করে তুলতে পারে।।

১টি মন্তব্য

  1. Suppose, both alliances agreed upon the last part of SC verdict; then naturally the question comes what will be the arrangement after 2 years on the issue of caretaker govt. It means our sufferings are not coming to an end. Another surprising thing is that, so far we have seen lot of political isms- monarchism, socialism, democracy but we need some new concept where people will have direct participation in the governmental system and no public representative will become a master in the process.