Home » অর্থনীতি » পুঁজিবাদের একটি ভুতুড়ে গল্প

পুঁজিবাদের একটি ভুতুড়ে গল্প

করপোরেট অনুদানে এনজিও বিস্তার

অরুন্ধতী রায়

অনুবাদ: মোহাম্মদ হাসান শরীফ

arundhati-2ভারতের ‘দীপ্তিময়’ হওয়ার সংক্ষিপ্ত সময়কালে ভারতীয় দারিদ্র্য পরিত্যক্ত হলেও শিল্পকলায়, স্লাগডগ মিলিওনিয়ারের মতো চলচ্চিত্র সামনে থেকে এর নেতৃত্বে ছিল, একটি অদ্ভূত পরিচিতি নিয়ে ফিরে আসে। দারিদ্র্য নিয়ে এসব কাহিনীতে তাদের আশ্চর্য উদ্দীপনা ও ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। তবে কোনো ভিলেন নেই, ছোট ছোট যারা আছে, তারা গল্পে উত্তেজনা এবং স্থানীয় রং ছড়ায়। এসব কাহিনীর লেখকেরা অজানা পথে তাদের সাহসী যাত্রায় ‘বাস্তব অবস্থা’ নিয়ে কাজের জন্য প্রাথমিককালের নৃবিজ্ঞানীদের আধুনিক বিশ্বের সমতুল্য হিসেবে প্রশংসিত ও সম্মানিত হয়েছে।

সরকার, রাজনৈতিক দল, নির্বাচন, আদালত, মিডিয়া ও উদার জনমত নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে কাজ করার পর নব্যউদারবাদী মহলের আরেকটি চ্যালেঞ্জ বাকি রয়ে গেছে: ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা তথা ‘জনগণের শক্তির’ প্রতি হুমকি সৃষ্টিকে কিভাবে মোকাবিলা করা যায়? এটাকে কিভাবে পোষ মানানো যায়? কিভাবে প্রতিবাদীদের বশ করা যায়? কিভাবে জনগণের ক্রোধকে মিলিয়ে দিয়ে এটাকে অন্ধ গলির দিকে ঠেলে দেওয়া যায়?

এখানেও ফাউন্ডেশন এবং তাদের মিত্র সংগঠনগুলোর দীর্ঘ ও বর্ণিল ইতিহাস রয়েছে। এর উদাহরণ হলো ১৯৬০এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাক সিভিল রাইটসকে (কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক অধিকার আন্দোলন) প্রশমিত ও নমনীয় করা এবং ব্ল্যাক পাওয়ারকে ব্ল্যাক ক্যাপিটালিজমে সফলভাবে রূপান্তরিত করা।

জে ডি রকফেলারের আদর্শবাদ মাথায় রেখে রকফেলার ফাউন্ডেশন মার্টিন লুথার কিং সিনিয়রের (মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের পিতা) সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছিল। তবে স্টুডেন্ট ননভায়োলেন্ট কোঅর্ডিনেটিং কমিটি (এসএনসিসি) ও ব্ল্যাক প্যান্থার্সএর মতো আরো জঙ্গি সংগঠনের উত্থানের ফলে তার প্রভাব ম্লান হয়ে পড়ে। ফোর্ড ও রকফেলার ফাউন্ডেশন এগিয়ে আসে। ১৯৭০ সালে তারা ‘মধ্যপন্থী’ কৃষ্ণাঙ্গ সংগঠনগুলোকে ১৫ মিলিয়ন ডলার দান করে, লোকজনকে মঞ্জুরি, ফেলোশিপ, স্কলারশিপ দেয়, ঝরে পড়াদের জন্য চাকরি পেতে সুবিধা হয় এমন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ব্যবস্থা করে এবং কৃষ্ণাঙ্গ মালিকানাধীন ব্যবসায়ে মূলধন জোগান দেয়।

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, বর্ণবাদ ও ভিয়েতনাম যুদ্ধের মধ্যে নিষিদ্ধ সম্পর্ক সৃষ্টি করেছিলেন। ফলে তার নিহত হওয়ার পর এমনকি তার স্মৃতি পর্যন্ত জনশৃঙ্খলার জন্য বিষাক্ত হুমকিতে পরিণত হয়ে পড়ে। ফাউন্ডেশন ও করপোরেশনগুলো কঠোর পরিশ্রম করে তার কৃতিত্ব বাজারবান্ধব অবয়বে নতুন করে তৈরি করে। দ্য মার্টিন লুথার দুই মিলিয়ন ডলারের কার্যক্রমগত মঞ্জুরিসম্বলিত ‘কিং জুনিয়র সেন্টার ফর ননভায়োলেন্ট সোস্যাল চেঞ্জ’ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত ছিল ফোর্ড মটর্স কোম্পানি, জেনারেল মটর্স, মবিল, ওয়েস্টার্ন ইলেট্রিক, প্রকটার অ্যান্ড গ্যাম্বল, ইউএস স্টিল অ্যান্ড মনসান্টো প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান। এই সেন্টারই কিং লাইব্রেরি ও সিভিল রাইটস মুভমেন্টের আর্কাইভ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে। কিং সেন্টারের এমনসব প্রকল্প রয়েছে যেগুলো ‘মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর, সশস্ত্র বাহিনীর যাজক বোর্ড ও অন্যদের’ সঙ্গে কাজ করে। সেন্টার ‘দ্য ফ্রি এন্টারপ্রাইজ সিস্টেম: অ্যান এজেন্ট ফর ননভায়োলেন্ট সোস্যাল চেঞ্চ’ নামে অভিহিত ‘মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র লেকচার সিরিজ’এর সহপৃষ্ঠপোষক। আমেন।

একই ধরনের পরিবর্তন ঘটেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী সংগ্রামে। ১৯৭৮ সালে রকফেলার ফাউন্ডেশন দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকার জন্য ইউএস পলিসিবিষয়ক একটি স্টাডি কমিশন গঠন করে। কমিশনের রিপোর্টে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (এনএনসি) সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, সব বর্ণের মধ্যে সত্যিকারের রাজনৈতিক ক্ষমতা ভাগাভাগি হলেই কেবল মার্কিন কৌশলগত ও করপোরেট স্বার্থ (অর্থাৎ দক্ষিণ আফ্রিকার খনিজ সম্পদে প্রবেশাধিকার) সর্বোত্তমভাবে রক্ষিত হতে পারে।

ফাউন্ডেশনগুলো এএনসিকে সমর্থন দিতে শুরু করে। এএনসি শিগগিরই স্টিভ বিকো’র ব্ল্যাক কনসাসনেসএর মতো আরো বেশি সংস্কারবাদী আন্দোলনগুলোর দিকে নজর ফেরায় এবং তাদেরকে কমবেশি বিলীন করে দেয়। নেলসন ম্যান্ডেলা যখন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন তাকে জীবন্ত সন্ন্যাসী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তবে সেটা কেবল তিনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কারাগারে ২৭ বছর অতিবাহিত করার জন্য নয়, সেইসঙ্গে তিনি ওয়াশিংটনের মতামত সম্পূর্ণভাবে মেনে নিয়েছেন বলেও। এএনসি’র এজেন্ডা থেকে সমাজবাদ অদৃশ্য হয়ে গেল। দক্ষিণ আফ্রিকার মহা ‘শান্তিপূর্ণ ক্রান্তিকাল’, যা খুবই প্রশংসিত ও উৎফুল্লতার সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছিল, মানে হয়ে দাঁড়ায় কোনো ভূমি সংস্কার নয়, ক্ষতিপূরণের কোনো দাবি নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার খনিগুলোর জাতীয়করণ নয়। এর বদলে বেসরকারিকরণ এবং ‘কাঠামোগত সমন্বয়’ সাধন করা হয়। ম্যান্ডেলা তার পুরনো সমর্থক ও বন্ধু জেনারেল সুহার্তোকে, ইন্দোনেশিয়ায় কমিউনিস্টদের হত্যাকারী, দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কারে (দ্য অর্ডার অব গুড হোপ) ভূষিত করেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় এখন মার্সিডিসে চড়ে সাবেক আমূল সংস্কারপন্থী ও ট্রেড ইউনিস্টদের একটি দল দেশটি পরিচালনা করছে। তবে সেটা ব্ল্যাক লিবারেশনের মোহগ্রস্ততাকে স্থায়ী করার জন্য বেশ যথেষ্ট।

যুক্তরাষ্ট্রে ব্ল্যাক পাওয়ারের উত্থান ছিল ভারতে আমূল সংস্কারকামী, প্রগতিশীল দলিত আন্দোলন উত্থানের জন্য উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী মুহূর্ত। দলিত প্যান্থার্সের মতো সংগঠনগুলো ব্ল্যাক প্যান্থার্সের জঙ্গি রাজনীতি প্রতিফলিত করছিল। কিন্তু দলিত শক্তিও, ঠিক একইভাবে না হলেও একই ধরনের উপায়ে, ডানপন্থী হিন্দু সংগঠন ও ফোর্ড ফাউন্ডেশনের ব্যাপক সহায়তায় ভেঙে পড়ে এবং সেগুলোর সঙ্গে মিশে দলিত পুঁজিতে রূপান্তরিত হওয়ার পথ ধরে।

গত বছরের ডিসেম্বরে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখেছিল, ‘দলিত ইনকরপোরেট এটা প্রমাণ করতে প্রস্তুত যে, ব্যবসা বর্ণকে পরাভূত করতে পারে।’ এতে দলিত ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিআইসিসিআই) এক পরামর্শদাতার উদ্ধৃতি দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাজে দলিতদের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীকে পাওয়া কঠিন কোনো ব্যাপার নয়। তবে টাটা ও গোদরেজের সঙ্গে দলিত উদ্যেক্তাদের মধ্যাহ্নভোজ করা বা চা পানের ছবি উদ্দীপনা সৃষ্টিকারীএবং এতে প্রমাণ হয় যে তারা এসে গেছে।’ আধুনিক ভারতের পরিস্থিতির আলোকে এটা বলা চরম বর্ণবাদী ও প্রতিক্রিয়াশীল হবে যে, উঁচু সমাজে দলিত উদ্যেক্তাদের কোনো স্থান থাকা উচিত নয়। তবে এটা যদি উদ্দীপনা সৃষ্টি করে থাকে, তবে দলিত রাজনীতির আদর্শগত কাঠামোতে এটা হবে মহা সমমর্মিতা। আর তা ১০ লাখ দলিত মানুষকেযারা হাতে ধরে নোংরা আবর্জনা পরিষ্কার করে, তাদের মাথায় করে মানুষের মলমুত্র বহন করেসাহায্য করবে না।

ফোর্ড ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে সাহায্য গ্রহণকারী তরুণ দলিত বিদ্বজ্জনদের কর্কশভাবে মূল্যায়ন করা যায় না। অন্য আর কে তাদেরকে ভারতীয় বর্ণব্যবস্থার আবর্জনা থেকে বের হওয়ার সুযোগ দেবে? এই অবস্থার জন্য লজ্জা ও দায়ের বড় অংশটি বর্তে ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের ওপর, যাদের নেতৃত্বে এখনো উচ্চবর্ণের প্রাধান্য রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে এটা মার্কসবাদী শ্রেণী বিশ্লেষণে বর্ণবাদকে জোরপূর্বক মানানসই করার চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু তত্ত্ব ও বাস্তবতা করুণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। দলিত সমাজ ও বামদের মধ্যে ফাটল শুরু হয় স্বপ্নদ্রষ্টা দলিত নেতা ড. ভীমরাও আম্বেদকর এবং ট্রেড ইউনিয়নিস্ট ও কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এস এ দাঙ্গের মধ্যকার কলহের জের ধরে। ১৯২৮ সালে মুম্বাইয়ে বস্ত্র শ্রমিকের ধর্মঘটের সময় কমিউনিস্ট পার্টির প্রতি ড. আম্বেদকরের মোহমুক্তি ঘটে। তিনি বুঝতে পারেন, শ্রমজীবী শ্রেণীর প্রতি সব ধরনের বাগড়ম্বরতা সত্ত্বেও কমিউনিস্ট পার্টি ‘অচ্ছুৎদের’ এই কারণে বুনন বিভাগ থেকে দূরে রাখাকে আপত্তিজনক মনে করেনি (এবং তাদের কেবল অনেক কম পারিশ্রমিকের সুতা কাটা বিভাগে নিয়োগের জন্য যোগ্য বিবেচনা করা হয়) যে এই কাজে সুতাতে মুখের লালা ব্যবহার করতে হয়, যা অন্য বর্ণের লোকেরা ‘অপবিত্র’ বিবেচনা করে।

আম্বেদকর বুঝতে পারেন, যে সমাজে হিন্দু ধর্মের গ্রন্থ অচ্ছুৎ ও বৈষম্যকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের কাজটি করেছে, সেখানে সামাজিক ও নাগরিক অধিকারের জন্য ‘অচ্ছুৎগত’ যুদ্ধ আশু প্রয়োজন, একে প্রতিশ্র“ত কমিউনিস্ট বিপ্লবের জন্য তুলে রাখা যায় না। আম্বেদকরবাদী ও বামপন্থীদের মধ্যকার ফাটলে উভয়কেই চড়া মূল্য দিতে হয়। এর ফলে দলিত জনগোষ্ঠীর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশকেভারতীয় শ্রমজীবী শ্রেণীর মেরুদণ্ডতাদের মুক্তি ও মর্যাদার আশা নিয়মতান্ত্রিকবাদ, পুঁজিবাদ এবং বিএসপি’র (এর প্রয়াস গুরুত্বপূর্ণ, তবে দীর্ঘ মেয়াদে তারাও অভিন্ন রাজনীতির নিশ্চল ব্র্র্যান্ড) মতো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত করে ফেলে।

আমরা যুক্তরাষ্ট্রে দেখেছি, করপোরেট অনুদানে পরিচালিত ফাউন্ডেশনগুলো এনজিও সংস্কৃতির বিস্তার ঘটায়। ভারতে অভীষ্ট করপোরেট জনসেবার সূচনা ঘটে ১৯৯০এর দশকে, ‘নতুন অর্থনৈতিক নীতির’ যুগে। স্টার চেম্বারের সদস্যপদ খুব সস্তা ছিল না। টাটা গ্র“প অভাবগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলকে ৫০ মিলিয়ন ডলার এবং আরেক প্রতিষ্ঠান কর্নেল ইউনিভার্সিটিকে ৫০ মিলিয়ন ডলার দেয়। ইয়েলে ‘ইন্ডিয়া ইনিশিয়েটিভ’ শুরু করার জন্য ইনফোসির নন্দন নিলেকানি এবং তার স্ত্রী রোহিনি পাঁচ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেন। মহিন্দ্র গ্র“পের আনন্দ মহিন্দ্রের কাছ থেকে এযাবৎকালের বৃহত্তম অনুদান হিসেবে ১০ মিলিয়ন ডলার পেয়ে হার্ভার্ড হিউমেনিটিজ সেন্টার এখন পরিচিত মহিন্দ্র হিউমেনিটিজ সেন্টার হিসেবে।

দেশে জিন্দাল গ্র“পখনি, ধাতব ও বিদ্যুৎ খাত নিয়ে যাদের প্রধান ব্যবসাপরিচালনা করে জিন্দাল গ্লোবাল ল স্কুল এবং শিগগিরই জিন্দাল স্কুল অব গভার্নমেন্ট অ্যান্ড পাবলিক পলিসি খুলবে। (ফোর্ড ফাউন্ডেশনও কঙ্গোতে একটি আইন স্কুল পরিচালনা করে।) ইনফোসির মুনাফা থেকে নন্দন নিলেকানির প্রতিষ্ঠিত নিউ ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন সমাজ বিজ্ঞানীদের পুরস্কার ও ফেলোশিপ দিয়ে থাকে। জিন্দাল অ্যালুমিনিয়ামের অনুদানে পরিচালিত সীতারাম জিন্দাল ফাউন্ডেশন পল্লী উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশ, শিক্ষা ও আত্মশুদ্ধি নিয়ে কর্মরতদের জন্য এক কোটি রুপি মূল্যমানের পাঁচটি পুরস্কার প্রদানের কথা ঘোষণা করেছে। রিলায়েন্স গ্র“পের অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ওআরএফ), বর্তমানে মুকেশ আম্বানির অনুদানে পরিচালিত, রকফেলার ফাউন্ডেশনের মতো করে নিজেকে গড়ে তুলেছে। এই প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ‘ফেলো’ ও উপদেষ্টা হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত গোয়েন্দা এজেন্ট, কৌশলগত বিশ্লেষক, রাজনীতিবিদ (যারা পার্লামেন্টে একে অপরের বিরুদ্ধে গালিগালাজ করতে ইচ্ছুক), সাংবাদিক ও নীতিনির্ধারক হিসেবে কাজ করছে।।

(চলবে)