Home » রাজনীতি » “কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি”

“কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি”

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

savar 6কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি”বায়ান্ন’র ভাষা শহীদদের উদ্দেশ্যে লেখা মাহবুব উল আলম চৌধুরীর এই কবিতাটি একষট্টি বছর বাদেও স্বাধীন বাংলাদেশে এখনও কতোটাই না প্রাসঙ্গিক! এই স্বাধীন দেশে গত ৪২ বছরে হাজার হাজার মানুষ, এমনকি লক্ষ মানুষ অস্বাভাবিক মৃত্যুর শিকার হয়েছে শুধুমাত্র শোষক ও নব্য ধনিক শ্রেণীর অদম্য লোভলালসা আর সীমাহীন অবহেলাউপেক্ষার শিকার হয়ে। ভয়ংকর এই হত্যার তালিকায় সবশেষ সংযোজন রানা প্লাজার শ্রমিকরা। এখানে ভবন ধ্বসে কতো শত শ্রমিক নিহতের শিকার হয়েছে তার সঠিক হিসেব বাংলাদেশের মানুষ এখনও জানে নাসম্ভবত: জানা হবে না আর কখনও। লাশের তালিকা প্রলম্বিত হচ্ছে, প্রানহীনস্পন্দনহীন মরদেহের মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এক সময় এর মধ্যে আর জীবিত মানুষ নাইএই ঘোষনার মধ্য দিয়ে সবকিছু চাপা পড়ে যাবে মাটির অতল গর্ভে।

একষট্টি বছর আগে মাহবুব উল আলম চৌধুরীর এই কবিতায় ভাষা আন্দোলনের শহীদদের নিহত হওয়ার জন্য দায়ীদের ফাঁসি দাবি করেছিলেন। রানা প্লাজা ধ্বসের ফলে শ্রমিক গণহত্যার সাথে জড়িতদের ফাঁসির দাবি এখন সারা বাংলাদেশের জনগণের। বাংলাদেশের সকল শোকাহত মানুষ, উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ, বৃক্ষরাজি, মাটি, প্রকৃতিসকলেই মানবতাবিরোধী এই গণহত্যার সাথে জড়িতদের ফাঁসি চায়। সেই কবিতাটির সাথে সুর মিলিয়ে তারা বলতে চায়যারা আমার অসংখ্য ভাইবোনকে হত্যা করেছে নির্বিচারে, আমরা তাদের ফাঁসি চাই।

প্রাচীন ইতিহাসের পম্পেই নগরীর কথা নিশ্চয়ই অনেক পাঠক জানেন। বিদগ্ধ পাঠকদের অনেকেই “লাস্ট ডেজ অব পম্পেই” উপন্যাসের শিশুকিশোর উপযোগী বাংলা অনুবাদটি ছোটবেলায় পড়েছিলেন। বড় বেলায় অনুসন্ধিৎসু অনেক পাঠকই ইংরেজীতে লেখা মূল বইটিও পড়েছেন। উপন্যাসটির সার কথা ছিল এরকমঃ প্রাচীন পম্পেই নগরীর অভিজাত শাসক শ্রেণী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা নব্য ধনিকদের মধ্যে অদম্য ভোগবিলাস, সাধারন জনগণের প্রতি চূড়ান্ত অবজ্ঞাঅবহেলা এবং অজেয় মনোভাব গড়ে ওঠে। শাসক শ্রেণী ও নব্য ধনীরা সাধারন জনগণের কোনকিছুই আমলে নিতো না। সারাক্ষণ অবৈধ উপার্জন আর ভোগবিলাসে মত্ত থাকতো। জনগণ ছিল অবর্ণনীয় দূর্দশার শিকার।

পম্পেই নগরীর উপকন্ঠে অবস্থিত মৃত আগ্নেয়গিরি ভিসুবিয়াস থেকে কিছুদিন ধরেই মৃদু অগ্নুৎপাত শুরু হয়েছিল। অনেকে এ বিষয়ে সতর্কবানী উচ্চারন করলেও অভিজাত শ্রেণী তা আমলে নিতে চায়নি। বরং প্রতি সন্ধ্যায় শাসক শ্রেণী ও নব্য ধনীরা মত্ত হয়ে পড়তো উৎসবে, মদ ও নারীদের নিয়ে আকন্ঠ উল্লাসে থাকতো নিমজ্জিত। অত:পর একদিন ভিসুবিয়াসের সকল জ্বালামুখ বিস্ফারিত হয়। জীবন্ত হয়ে ওঠে মৃত আগ্নেয়গিরি। পরিনামে পাপের নগরী পম্পেই ধ্বংস হয়ে যায়। নগরীর ধনীনির্ধন নির্বিশেষে প্রায় সকলেই মারা যায়। দু’ হাজার বছর পরে লাভাস্তরের নিচে চাপা পড়া কাঠকয়লা হয়ে যাওয়া সেই নগরীর ধ্বংসাবশেষ এখনো টিকে আছে।

পম্পেই নগরীর প্রাচীন এই ধ্বংসলীলার ঘটনা গল্পের মতো মনে হলেও বাংলাদেশের নগরেগ্রামেপ্রান্তরে নব্য ধনিকদের উত্থান, শাসকশ্রেণীর অবহেলা ও উপেক্ষা এবং অদম্য ভোগবিলাসের সাথে একটি মিল খুঁজে পেতে পারেন। পার্থক্যের মধ্যে শুধু এটুকইু দেখবেন যে, প্রাচীন ঐ নগরীর শাসন কাঠামো ছিল স্বৈরতান্ত্রিক আর আধুনিক এই বাংলাদেশের শাসন কাঠামো জনগণের নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে। এরকম জনগণের নির্বাচিত সরকার সাধারন জনগণের প্রতি এত অবহেলা এবং নব্য ধনীদের উত্থানে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে জনগণের কোনকিছুই আমলে নেয় নামানবতার এমন দলন পৃথিবীর আর কে কোথায় কবে দেখেছেন, তার খুব বেশি উদাহরন কি আমাদের হাতে রয়েছে?

ধনী ও দরিদ্রের এরকম বৈষম্য, একই দেশে বিলাস আর মানবেতর জীবনযাপনের এরকম অবস্থানের কারন নিয়ে অর্থনীতিবিদ, সমাজবিজ্ঞানীরা গবেষণা করতে থাকুন, কিন্ত যেটা সবচেয়ে বিষ্ময়ের তা হচ্ছে, দেশ ও জনগণের প্রতি শাসক শ্রেণী এবং নব্য ধনিকদের চরম অবজ্ঞা ও উদাসীনতা। তাদের নিষ্ঠুরতার একটি নমুনা হচ্ছে, সাভারের ভয়াবহ দুর্যোগ নিয়ে বাদানুবাদ।একজন আরেকজনের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা চালানো। মানুষের জীবনমৃত্যু নিয়ে তারা রাজনীতি করছেন (যদি তারা এদেরকে মানুষ বলে গন্য করে থাকেন)- এর চেয়ে ঘৃণ্য বিষয় আর কি হতে পারে!

বাংলাদেশের সাধারন মানুষ এখন জেনে গেছে, আমাদের এখানে রাষ্ট্রের ভেতর আছে রাষ্ট্র, সরকারের ভেতর আছে সরকার, ক্ষমতাসীনদের মধ্যে আছে আরো ক্ষমতাসীন। যারা নাকি হত্যা, দুর্নীতি, লুন্ঠন থেকে শুরু করে সবকিছুই হজম করে ফেলতে পারে নিমিষে। রানা প্লাজা ধ্বসে যাবার পরে তারা অবলীলায় বলতে পারে, হরতালকারীরা নাড়ানাড়ি করার ফলে এই ভবন ধ্বসে গেছে। তারা এতোটাই ক্ষমতাধর যে, গার্মেন্টস সেক্টরে মনুষ্যসৃষ্ট ভয়াবহ বিপর্যয়ের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসলীলা ও হতাহতের ঘটনাকে ধাপাচাপা দিয়ে ফেলতে পারে। নব্য ধনিক শ্রেণীকে নিরাপত্তার ছায়া দিতে পারে অনায়াসে।

বাংলাদেশে গার্মেন্টস মালিকদের একটি সংগঠন রয়েছে। সংক্ষিপ্ত নাম বিজেএমই। এই সংগঠনটি প্রচন্ড ক্ষমতাবান, তারা যেন রাষ্ট্রের ভেতরে রাষ্ট্র, সরকারের ভেতরে আরেকটি সরকার। অতীতে কোন ঘটনাই সরকার কোন গার্মেন্টস মালিকের কেশাগ্র ছুঁতে সক্ষম হয়নি, তা তারা যত বড় অপরাধ করে থাকুক না কেন! তাজরিন গার্মেন্টস’র মালিক ১১২ জন শ্রমিককে হত্যা করেও নিরাপদে আছেন বিজেএমই এবং শাসক শ্রেণীর চাঁইদের আর্শিবাদে। মাত্র কিছুদিন তিনি গা ঢাকা দিয়ে থেকে ছিলেন। এ ছাড়া আর কোন সমস্যা তার হয়নি। কারন ততদিনে সরকার, বিজেএমই আর মালিক পক্ষ জোর গলায় ষড়যন্ত্র, কর্মচারীদের ব্যর্থতা, আগুন লাগার পরে শ্রমিকদের হুড়োহুড়ি করার কারনে এরকম মানুষ মারা গেছে আর কি!

স্পেকট্রাম গার্মেন্টস’র একই ঘটনা ঘটেছিল। যদিও তাকে মাসখানেকের জন্য জেল খাটতে হয়েছিল। স্পেকট্রামের ভবন ধ্বসে ২০০৫ সালে ৬৫ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়। মালিক শাহরিয়ার কবীর, যিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার জামাতা ছিলেন, দিন পনের লুকিয়ে থেকে ধরা দিয়েছিলেন। তারপরে তার টিকিটিও আর ছোঁয়া যায়নি। ফলে এরকম শ্রমিক গণহত্যার ঘটনায় রাষ্ট্রসরকার কখনই কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। এর মূল কারন হচ্ছে, সরকারের ভেতরের সরকারগার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন তাদের লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। মুনাফাখোর নব্য ধনীদের পক্ষে সরকার যথারীতি স্বার্থরক্ষা করেছে তাদের লোকদের।

বাংলাদেশের নব্য ধনীদের অতি লোভ ও মুনাফার কাছে গরীব শ্রমিক, বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের জীবনের কোন মূল্য নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, সরকারের কাছে কি মূল্য রয়েছে? যদি তাই হতো, তাহলে, একটার পর একটা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারতো না। সবচেয়ে পরিহাসের বিষয় হচ্ছে, রানা প্লাজার ঘটনার পর ‘গরু মেরে জুতা দানের’ মতো রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষনা করা। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী যখন সংসদে দাবি করছিলেন, রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা তার দলের কেউ নয়,তখন মনে হচ্ছিল প্রধানমন্ত্রী এর মধ্য দিয়ে কি আড়াল করতে চাইছেন? এই রাষ্ট্রসরকার যেখানে দলীয় লেবাসে কপর্দকহীন সোহেল রানার মতো মানুষকে ৫’শ কোটি টাকার মালিক হবার সুযোগ করে দেয়, সংসদ সদস্য তার কপালে আদরের চুমো খায়, ডোবার ওপরে মৃত্যুপুরী তৈরী করার অনুমতি দেয়, সেখানে রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী হিসেবে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনে জনগণের কিইবা বলার থাকতে পারে। জনগণ তো জেনেই গেছেন, এই রাষ্ট্রসরকার পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে দলীয় লোকদের কোটি কোটি টাকা লুন্ঠন করার সুযোগ করে দেয়। দুর্বৃত্তকে নেতা বানিয়ে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দেয়। এই সরকারের কর্মকর্তাগণ ফাটল ধরা ভবনকে নিরাপদ বানিয়ে দিয়ে গণহত্যার আয়োজন করে। তারপরেও চেষ্টা করে গণহত্যার জন্য দায়ি দুর্বৃত্তদের কোন ছলছুতোয় রক্ষা করা যায়। সেই সরকারই আবার শ্রমিকদের গণহত্যায় শোক দিবস পালন করে।

কর্পোরেট শৃঙ্খলে আবদ্ধ আমাদের মিডিয়া যখন ঘটনা ঘটে তখনই কেবল ইর্ষনীয় তৎপর হয়ে ওঠে। লেখালেখি, বিভিন্ন জনের বক্তব্যসাক্ষাতকার, ফলো আপ, আগের সৃষ্ট বিপর্যয়গুলির নিয়ে লেখা এবং প্রচারের ধুম পড়ে যায়। জনগণ এখন কত খবরই না পাচ্ছে। এ সব খবরই যে জনগণের স্বার্থে, তা কিন্তু মোটেই নয়। এর মধ্যে লুকিয়ে আছে দলীয় স্বার্থ, কর্পোরেট স্বার্থআরো কত কি! এভাবেই মূল ঘটনা অড়াল করার জন্য এক শ্রেণীর মিডিয়া, সাংবাদিক দাঁড়িয়ে যায় জনগণের স্বার্থের বিপরীতে। তারপর উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে গেলে কর্পোরেট শৃঙ্খলে আবদ্ধ মিডিয়া সম্ভবত ক্লান্ত হয়ে নিথরনিস্তব্দ হয়ে যায়। তারপরেও সৎ ও দায়বদ্ধ সাংবাদিক, মিডিয়া দায়িত্ব পালন করার কারনে সরকার ও নব্য ধনিকরা ক্ষিপ্ত হচ্ছেন, রোষের শিকার হচ্ছেন নিয়মিত।

আমাদের খোদ রাজধানী শহরে কতো ভবনের পরিস্থিতি এরকম তা সাংবাদিকরা নিশ্চয়ই জানেন। এ বিষয়ে নিয়মিত সংবাদ প্রকাশ বা প্রচারের মাধ্যমে সরকার ও ভবন মালিকদের ওপরে চাপ রাখার বদলে তারা অনেকটা মৌসুমী বনে যান। কিছুদিন বাদে আবার যথারীতি চুপচাপ। মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে কর্পোরেট নিয়ন্ত্রিত সংবাদ পত্র বা ইলেকট্টনিক মিডিয়ার তেমন কিছুই যে করার থাকে না, বাংলাদেশ হচ্ছে তার সবচেয়ে বড় উদাহরন।

এই স্বাধীন দেশে দীর্ঘকাল ধরে তথাকথিত গণতান্ত্রিক সরকারের আদলে নির্বাচিত সরকারগুলোর আমলে দলীয় লোকদের অবাধ লুণ্ঠন এবং দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের প্রতি অবহেলার যে সব নজির স্থাপিত হয়েছে, সাভারের সাম্প্রতিক গণহত্যার কাছে তা অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। সাভার ট্রাজেডির পর বাংলাদেশের সকল সাধারন মানুষের একথা উপলব্দি করা উচিত যে, বিপদ শুধু এখন গার্মিন্টস শ্রমিকদেরই নয়, বিপদ পম্পেই নগরীর মতো সারা ঢাকার, সারা দেশের। ধনিক গোষ্ঠির প্রতিনিধিত্বকারী এই সরকার সাধারন মানুষের স্বার্থে কখনই ধনীদের বিপরীতে কোন ছাড় দেবে বলে জনগণ আর মনে করে না।

সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে অবশেষে। সম্ভবত: জনগণের আপাত: চাপ সামাল দিতে এবং দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেবার জন্য এই গ্রেফতারটি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী কার্যবিধির যে ধারায় মামলা দেয়া হয়েছে তা দীর্ঘসূিত্রতার ব্যাপার। অন্তিমে যদি তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমনিত হয় তাহলে অল্প কিছু সাজা হতে পারে। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সংঘটিত গণহত্যার বিপরীতে ইমারত আইন ও মাদক দ্রব্য নিরোধ আইনে এ ধরনের মামলা একটি পরিহাস মাত্র। তারা এও মনে করছেন যে, সোহেল রানা মূলত: মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটন করেছেন। সুতরাং তার বিচার হওয়া উচিত মানবতা বিরোধী অপরাধ হিসেবে। যে আইনে এখন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার হচ্ছে এবং সেই বিচারে জনগণ যেমন ফাঁসি দাবি করছেন, তেমনি এ ধরনের অপরাধীদেরও ফাঁসি হলে সেটি হবে একটি দৃষ্টান্ত।

এই লেখাটি যেদিন প্রকাশিত হবে সে তারিখটি হচ্ছে ১ মে। মহান মে দিবস। আন্তর্জাতিকভাবে এই দিবসটি শ্রমিকদের জন্য, তাদের অধিকার রক্ষার জন্য। ১৮৮৬ সালে শ্রমিক অধিকার রক্ষায় যারা প্রান দিয়েছিলেন তাদের স্মরনে ও নিজেদের অধিকার রক্ষায় শ্রমিকরা এই দিবসটি পালন করে আসছে। এবারের মে দিবসটি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য কেমন হবে? কি বার্তা বয়ে নিয়ে আসছে তাদের জন্য এবারের মে দিবস। শত শত নিহত শ্রমিকের লাশের ওপর এই দিবসে তারা শুধুই কি শোক করবেন নাকি শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে শোষক শ্রেণী এবং নব্য ধনিকদের বিরুদ্ধে নিজেদের রাষ্ট্র কায়েমের লড়াইটি নতুন করে শুরু করতে পারবেন?

১টি মন্তব্য

  1. Bacchu Bhai,
    Garments is a death trap for our poor workers, could you name a sector which is not a sucking/ death trap for the citizens? I’m not blaming any particular government. Last 42 years did you see any government with a pure motive of welfare to the citizens? The main problem is own interest, conflicts among the political parties is the conflicts of own interests. No welfare is possible unless we bring back good governance in the governmental system. Rana Plaza is a mare example of bad governance where all the agencies contributed jointly to make it happen. However, I must appreciate your article for creating public opinion.