Home » অর্থনীতি » নানা সঙ্কটের মধ্যে নতুন বাজেট

নানা সঙ্কটের মধ্যে নতুন বাজেট

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

Bangladesh-budgetঅঙ্কের হিসাবে বাড়লেও বাড়েনি বাস্তবায়ন দক্ষতা, বরং কমছে উন্নয়ন কার্যক্রম। বর্তমান সরকার বাজেটকে দুই লাখ কোটি ডলারের ঘরে নিয়ে গেলেও কমে গেছে প্রবৃদ্ধি। বিনিয়োগ ও উৎপাদনের অবস্থা সঙ্গীন। জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমতে কমতে এখন তা ছয় শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অর্থমন্ত্রীও স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন ভালো নয়। তিনি বলেছেন, গত মার্চের আগ পর্যন্ত অর্থনীতি ভালো ছিল। গত দুমাসের রাজনৈতিক সঙ্কট এবং সংঘর্ষের কারণে এখন সে অবস্থায় নেই। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি সরকার। মাঝে খাদ্যমূল্যস্ফীতি কমলেও এখন সেটি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। খাদ্যবর্হিভূত মূল্যস্ফীতিও অধিক। আয় বাড়ছে না। সাড়ে চার বছরে মূল্যস্ফীতি ৪৫ শতাংশ বেড়েছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট আয়ের মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা অনেক কমেছে। কেননা, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে মজুরি ও আয় বাড়েনি। আবার বিপুল পরিমাণ সম্পদ বিতরণে বৈষম্য দেখা দিয়েছে। ধনীরা ধনী হচ্ছেন, গরিবেরা পিছিয়ে পড়ছেন। সুতরাং, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের সাফল্য সীমিত।

আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার ছিল দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ। বাজেটে এ বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে বলেও জানালেও প্রতিশ্রুতি পূরণে সাফল্য লাভ করতে পারেনি সরকার। নির্বাচনী ইশতেহারের এ অগ্রাধিকারের কথা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত নিজেও প্রথম বাজেটে উল্লেখ করেছিলেন। ২০০৯১০ অর্থবছরের ওই বাজেটে আরও তিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। যেমন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, সরকারি ব্যয়ের প্রসার এবং বিনিয়োগের হার বৃদ্ধি। সাড়ে চার বছরে অর্থমন্ত্রী সরকারি ব্যয় ঠিকই বাড়িয়েছেন, কিন্তু কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বাড়াতে তেমন সফল হতে পারেননি। তবে খরচ বাড়াতে পেরেছে সরকার। এর মধ্যে উন্নয়ন ব্যয়ের তুলনায় অনুন্নয়ন ব্যয় বেড়েছে বেশি। চলতি ব্যয়ের মধ্যে সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে ভর্তুকি ব্যয়, বিশেষ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি তেল ও কৃষি খাতের ভর্তুকি অনেক বেড়েছে। মোট ভর্তুকির ৭২ শতাংশই ব্যয় হয়েছে এ তিন খাতে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লেও অর্থনীতির দায় বেড়েছে।

সাম্প্রতিক পোশাক কারখানার ভবনধস ও সহস্রাধিক শ্রমিকের প্রাণহানির ঘটনা দেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত তথা তৈরি পোশাকশিল্পকে নতুন করে চাপের মুখে ফেলেছে। আবার মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানি কমে গেছে। অথচ দেশের ভবিষ্যৎ উৎপাদন মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে। আবার জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ক্রমাগতভাবে হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তুলনামূলক শ্লথগতি লক্ষ্য করা যায়। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। শিক্ষা খাতে ব্যয় বৃদ্ধির হার ২০১১১২ অর্থবছরের ৯.৯৮ শতাংশ থেকে কমে ২০১২১৩ অর্থবছরে ৬.৭৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে স্বাস্থ্য খাতেও ব্যয় বৃদ্ধির হার কমেছে। বাংলাদেশ এখনো প্রতি তিনজন মানুষের মাঝে একজন তথাকথিত দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। আয়বৈষম্য দিন দিন বেড়ে চলছে।

দেশের কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি আশঙ্কাজনক হারে কমছে বিদায় নেয়া অর্থবছরে (২০১১১২)। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী চলতি ২০১২১৩ অর্থবছরে কৃষি খাতে গত অর্থবছরের তুলনায় ১ দশমিক ১৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এর মধ্যে শস্য উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র দশমিক ১৫ শতাংশ। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, কৃষি খাতে আগের বছরের চেয়ে প্রবৃদ্ধি প্রায় একতৃতীয়াংশ কম হবে। চলতি বছর কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। বিগত বছরে এ খাতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। এ খাতের লক্ষ্য অর্জনে যে পরিমাণ আউশ, আমন ও বোরো ধানের ফলন হওয়া দরকার ছিল, তা হয়নি। অন্যদিকে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়বে বলে ধারণা করা হলেও, তা আশানুরুপ নয়। এ কারণে উৎপাদন খাতে ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে এবার বলে শঙ্কা। প্রবৃদ্ধির বড় অংশই এসেছে সেবা খাত থেকে।

বিদায়ী অর্থবছরে (২০১২১৩) মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুারো, যদিও গত জুনে বাজেট ঘোষণার সময় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থনীতিতে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের সরকারের উচ্চাকাক্ষা পূরণ হলো না এবারো। চলতি ২০১২১৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি গত বছরের চেয়েও কমেছে। এ নিয়ে টানা দুই বছর সরকার লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারেনি, এমনকি এর কাছাকাছিও নয়।

এডিপি বাস্তবায়নের অবস্থা সঙ্গীন। প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিদায় নিতে যাওয়া অর্থবছরে প্রথম ১০ মাসে সংশোধীত এডিপির বাস্তবায়ন ৫৫ শতাংশেরও নীচে। বর্তমান সরকার ঘোষিত কোনো এডিপিই পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করতে পারেনি। অথচ নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি ছিল শতভাগ এডিপি বাস্তবায়নের। অর্থবছরের শেষ দুই মাসে অর্থ ব্যয়ের মহড়া দেখা যাচ্ছে এবারও। এতে অর্থের অপচয় ভিন্ন অন্য কিছু হচ্ছে বলে মনে হয় না। এদিকে প্রতিশ্রুত বড় বড় প্রকল্পের একটিও শেষ হয়নি। পদ্মা সেতু প্রকল্প দুর্নীতি ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বিশ্বব্যাংকের ঋণ স্থাগিতসহ নানা জটিলতায় আলোর মুখ দেখেনি। ঢাকাচট্টগ্রাম, ঢাকাময়মনসিংহ মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ এখনো বাকী। মেট্রো রেল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। রাজধানীর যানজট কমানোর প্রতিশ্রুতিও পালন করতে পারেনি। সর্বোপরি বাজেটে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েও জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান করতে ব্যর্থ হয়েছে। ব্যয় বহুল ভাড়া ও দ্রুত ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে জনগণের ওপর বাড়তি বোঝা চাপিয়েছে সরকার। বাজেটে উপস্থাপিত বিদ্যুতের রোড ম্যাপ অনুযায়ী চলতি বছরের লোডশেডিংমুক্ত বাংলাদেশ ঘোষণার বিষয়টি থেকে গেছে পেছনে। বরং ভর্তুকি জোগাতে গিয়ে সরকারকে খেতে হচ্ছে হিমশিম। বিদায় নেয়া অর্থবছরেও ৫০৩ কোটি টাকা শুধু ভাড়া ও দ্রুত ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে ভর্তুকি দিতে হয়েছে, যা বাজেটে বরাদ্দকৃত ভর্তুকির পুরো অর্থ।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, আমানত ও সুদের হারের মধ্যে অধিক ব্যবধান, ঋণপ্রবাহের মন্থর গতি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে ধীরগতি মুদ্রা ব্যবস্থাপনাগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমানত ও ঋণের সুদের হারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য আর্থিক উদারতা নীতির অকার্যকারিতাই নির্দেশ করছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। এর সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে অনাদায়ী ঋণ বেড়ে যাওয়া, নিয়মনীতি প্রতিপালনে দায়সারাভাব এবং পুঁজিবাজারে আস্থার অভাবে পুনরুদ্ধারপ্রাপ্তির জটিলতা যুক্ত হয়েছে।

হলমার্ক, বিসমিল্লাহ, ডেসটিনি কেলেঙ্কারিতে ব্যাংকিং খাতে বিরাজ করছে স্থবিরতা। ঋণ প্রদান থেকে আমানত সংগ্রহ সবক্ষেত্রে সন্দেহ দানা বাধায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অর্থের স্বাভাবিক প্রবাহ। শেয়ারবাজারে ধস নেমেছে বর্তমান সরকারের সময়। সেটি চাঙ্গা করতে পারেনি এখনো। একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম। প্রতিশ্রুতি দিয়েও মূল্যস্ফীতি প্রতিরোধ করতে পারেনি। বরং সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করায় প্রবৃদ্ধি, উৎপাদন সবকিছতেই নেতিবাচক প্রবনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ পুরো চার অর্থবছরে বহাল রেখেছে সরকার। এবারও থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। এতে আশানুরুপ সাড়া মিলছে না।

সরকারের শেষ অর্থবছরে (২০১৩১৪) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ওপর রাজস্ব আদায়ের বিশাল লক্ষ্য চাপানো হচ্ছে। এবারের পরিকল্পনা হচ্ছে প্রায় এক লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়। এর অর্থ হচ্ছে, নতুন অর্থবছরে আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৩ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা বা ২৩ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায় করতে হবে। অথচ এই সরকারের আমলে প্রথমবারের মতো রাজস্ব আদায়ে ঘাটতির মুখে পড়তে যাচ্ছে এনবিআর। ২০১২১৩ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাইএপ্রিল) প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি রয়েছে। এক লাখ ১২ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা আদায়ের মোট লক্ষ্য থাকলেও তা অর্জন নিয়ে এখনো শঙ্কা রয়েছে। সরকারের অনুন্নয়ন খাতে ব্যয় বৃদ্ধির ফলে বাজেটের আকার বিশাল হচ্ছে। সরকারের বিশাল আকারের ঋণ পরিশোধ, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ, জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বৃদ্ধি আর সামাজিক নিরাপত্তাবলয় বাড়ানোর ফলে বছর বছর বাজেটের আকার বাড়ছে। কিন্তু সেই তুলনায় বাড়ছে না উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ। বিশাল ব্যয় নির্বাহ করার জন্য বাজেটে ঋণের পরিমাণ বেড়েছে। তবে অনুদান নির্ভরতা আগের চেয়ে অনেক কমেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্যানুযায়ী, ১৯৯১১৯৯২ সালে দেশের মোট বৈদেশিক সহায়তায় অনুদানের অংশ ছিলো ৯০ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে ঋণের পরিমাণ ছিলো সাড়ে ৯ শতাংশ। ২০১১২০১২ অর্থবছরে মোট সহায়তার মাত্র ২৭ দশমিক ৭ শতাংশ অনুদান এবং ঋণ রয়েছে ৭২ দশমিক ৩ শতাংশ।

বাজেট বাস্তবায়নে কমে যাচ্ছে বিদেশী দাতা গোষ্ঠির অনুদান। বিপরীতে বাড়ছে ঋণের পরিমাণ। এর ফলে ঋণ ও ঋণের সুদ পরিশোধেই রিজার্ভ থেকে প্রতিবছরই মোটা অংকের বৈদেশিক মুদ্রা চলে যাচ্ছে। বর্তমানে এদেশে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ৯৯৮ টাকা ৬১ পয়সা। বিদেশীদের অনুদান কমে যাওয়ার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে পশ্চিমা বিশ্বে বিরাজমান অর্থনৈতিক মন্দা। পাশাপাশি এদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ার কারণেও উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও দাতা গোষ্ঠিগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অনুদানে আগ্রহী হচ্ছে না। এ কারণেই অনুদান কমে যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে সরকারকে ঋণ নিতে হচ্ছে বেশি।

সাম্প্রতিক সময়ে এদেশের বাজেট বাস্তবায়নে বিদেশীদের অনুদানের চেয়ে ঋণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। ফলে বাজেটে ঋণ পরিশোধে বেশি অর্থ রাখতে হচ্ছে সরকারকে। চলতি বাজেটে (২০১১১২) ঋণ পরিশোধ খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৭ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রথর্মাধে (জুলাইডিসেম্বর) ৩ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ ও ঋণের সুদ বাবদ পরিশোধ করা হয়। গত অর্থবছরের একই সময়ে ঋণ পরিশোধ করা হয়েছিল ২ হাজর ৭৫৩ কোটি টাকা। বছর বছর ঋণ পরিশোধে খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজেটে অন্য খাতে অর্থ সংস্থান কমাতে বাধ্য হচ্ছে সরকার। এতে ব্যাহত হচ্ছে উন্নয়ন কার্যক্রম।।