Home » মতামত » উদ্বুদ্ধ তরুণ এখন দাঁড়িয়ে আছে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত আর অকমর্ণ্যদের’ মুখোমুখি

উদ্বুদ্ধ তরুণ এখন দাঁড়িয়ে আছে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত আর অকমর্ণ্যদের’ মুখোমুখি

আবীর হাসান

young-generationসবই ভবিষ্যতের জন্য। দুর্নীতি ধূর্তামি, বিতণ্ডা কিছুই এখনকার জন্য নয়। সবই নাকি ভবিষ্যতের জন্য ফলদায়ক হবে! বর্তমানকে তাই জবাই করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, বর্তমানের মানুষ তোমাদের হুঁশে থাকার দরকার নেই সরকার সব করে দেবে। পদ্মা সেতু, উড়াল অথবা পাতাল রেল, গভীর সমুদ্রে বন্দর, করিডোরের প্রশস্ত রাস্তা, পাকা বাড়িসহ সব। টাকা? টাকার কোনো চিন্তা নেই, দেবে সরকার।

তাই পদ্মা সেতুর টেন্ডার ডাকা হয়ে গেল। অর্থমন্ত্রীর সংশয়কে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলেন যোগাযোগ মন্ত্রী। এমন প্রশ্নও করলেন উনি কে? বলে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সেই যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলো, বিশ্বব্যাংক নিশ্চিত করে বললো, তারা কোথায়? যারা ‘বিশ্বব্যাংক পর্বে’ বগল বাজিয়ে আটঘাট বেঁধেছিল? বলা হচ্ছে, তারা দুর্নীতি বা অনিয়ম করেনি, চেষ্টা করেছিল মাত্র। কাজেই এবার তারা খোল করতাল নিয়ে হরিলুটই লাগাবে। কিন্তু টাকাটা কার?

সরকার বলছে টাকা তার। সরকার যদি গণতান্ত্রিকই হয় তাহলে টাকা তার হয় কি করে? নাকি নির্বাচিত হয়ে সরকার গড়তে পারলেই দন্ডমুন্ডের মালিক হয়ে যাওয়া যায়। সে জন্যই আমাদের রাজতান্ত্রিক দেশে যাওয়ার দরকার নেই, এ দেশেও মানুষকে সরকারের কবল থেকে মুণ্ডু বাঁচাতে সদাই ব্যস্ত থাকতে হয়। আর সে জন্য দেশের ভেতরে তো বটেই দেশের বাইরে থেকেও মানবাধিকার কর্মীরা ‘হৈ হৈ’ করে ওঠে। ‘রৈ রৈ’ কাণ্ড তারা করতে পারে না। কারণ তারা জানে তাদের সীমা কতোটা। এখন এই কথাটাই বলতে হবে টাকশাল যার টাকা তার।

ভবিষ্যতের জন্য হবে পদ্মা সেতু সে জন্য বর্তমানের দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ম্য মেনে নিতে হবে। এসব তো এখন আর গোপন ব্যাপার নয়, দুনিয়া শুদ্ধ এমন অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশের সরকার দুর্নীতিবাজদের আশ্রয়প্রশ্রয় দেয়। তারা ‘বাতাস থেকেও, নদীর ঢেউ গুনেও লাভবান হতে পারে।’ এ দেশের মানুষ কালো বিড়াল, ভিজে বিড়াল সব চিনে গেছে। চিনতে চাননি কেবল প্রধানমন্ত্রী। ক্ষমতার শীর্ষে থাকলে নাকি নিজের চোখ দিয়ে দেখা যায় না। নিজের কান দিয়ে শোনা যায় না। এভাবেই ভেবে ভেবে এদেশের মানুষ আধাআধি ক্ষমা করে দিয়ে ভাবে কী আর হবে? ভ্যাটট্যাক্স যা চাপানো হয় দিয়ে যেতে থাকে। তারা জানে কেউ দেখার নেই। তাই সংসদে বাজেট পাসের আগেই চালের দাম, ডালের দাম, পিয়াজের দাম বাড়লে তারা মুখ বুঁজে থাকে। আশ্চর্য ধৈর্যশীল এক সুসভ্য জাতি, এরা ব্রাজিলিয়ানদের মতো না, মিসরীয়দের মতো না বা ভারতীয়দের মতো না। নিজ পণ্যের দাম বাড়া কিংবা গাড়ি ভাড়া নিয়ে এরা প্রতিবাদ করে না। মুখ বুঝে দিয়ে যায়। সরকার যে ব্যবসাগুলো করে সেগুলো নিয়েও এদের মুখে রা নেই। সবার আগে তাই দাম বাড়ে বিদ্যুতের, দাম বাড়ে জ্বালানি তেলের। সরকারের ব্যবসা বলে কথা কে আর প্রতিবাদ করবে। সরকারের টাকার দরকার হলে এসব জিনিসের দাম বাড়বে। ভ্যাটও বাড়তে পারে। প্রধানমন্ত্রী তো বললেনই (২৯ জুন ২০১৩) পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংক টাকা দিল কি দিল না তাতে তার মাথা ব্যথা নেই। তাকে মাথা ব্যথাহীন থাকতে হবে। কারণ তারা মাথা ব্যথা হলো, সুযোগ সন্ধানিরা যে সুযোগ এতোদিন নিয়েছে তা তো বন্ধ হয়ে যাবে। তাকে নানা আবদারও শুনতে হয়। বিশেষ করে যারা শ্রমিক ঠাকায় তাদের আবদার, যারা আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখাতে চায় তাদের আবদার। আরও অনেক আছে। অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয় তাকে। কোন দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করবেন না, কোন নোবেল জয়ীকে সম্মান দেবেন না কিংবা কোন কোন ব্যাপার আগের অনির্বাচিত সরকারের নীতি বহাল রাখতে হবে তা অগণতান্ত্রিক হলেও!

দেশের ভেতরের অপকর্মের অর্ধসত্য কর্মই কেবল জানতে পারে মানুষ কিন্তু বাইরে কিছু হলে তখনই বোমা ফাটে। অপমানেঅভিমানে মাটিতে মিশে যেতে চান অনেক ক্ষুব্ধ হয় কেউ কেউ। আর যারা অঘটনের কেন্দ্রে থাকেন তারা যেন আকাশ থেকে পড়েন বলেন হতবাক হয়ে গেছি।

পদ্মা সেতু নিয়েও যেমন দেখা গেছে তেমনি দেখা গেল জিএসপি স্থগিত করা নিয়েও। ২৮ জুন যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা স্থগিত করা হয়েছে এবং এর ঘোষণাটা দিয়েছেন স্বয়ং প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তার বক্তব্যে তিনি বলেছেন, ‘আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যে জিএসপি সুবিধা পায় তা স্থগিত করাই শ্রেয়। কারণ তিনি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নয়নে কোন পদক্ষেপ নেয়নি কিংবা নিচ্ছে না তারা।’

এ ঘটনার পর সরকারের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটা বিবৃতি দেয় তাৎক্ষণিকভাবে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যাপারে প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। ২৯ জুন সংসদে প্রধানমন্ত্রীও সে কথা বললেন। তিনি ফেব্রুয়ারি মাসে ওয়াশিংটন পোস্টে বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার লেখা একটি নিবন্ধেরর্ কপি প্রদর্শন করেন এবং দাবি করেন বেগম জিয়া জিএসপি সুবিধা বাতিল ছাড়াও অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে অবশ্য বলা হয়েছে বাংলাদেশ তার বাণিজ্য অংশীদারের সিদ্ধান্তের প্রতি পুরোপুরি শ্রদ্ধাশীল রয়েছে। তবে এ সিদ্ধানেন্তর ব্যাপারে বাংলাদেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। কারণ এ ধরণের কঠোর পদক্ষেপ দু’দেশের বিকাশমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নতুন করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

আমলাতান্ত্রিক এই মুসাবিদায় সুস্পষ্টভাবে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির প্রকাশ ঘটেছে। এছাড়া শ্রমিকদের স্বার্থে বাংলাদেশ ‘যা করেছে’ সে ফিরিস্তিও তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘২০০৬ সালের শ্রম আইন সংশোধন, শ্রমমানের উন্নয়ন, সুনির্দিষ্ট সময়ের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার নেতৃত্বে সরকার মালিকপক্ষ শ্রমিকদের সমন্বয়ে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি এবং পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ পদক্ষেপগুলোই বাংলাদেশ সরকারের আন্তরিকতা প্রমাণ করে।’

পাঠক লক্ষ্য করবেন এই বক্তব্যের মধ্যেও জটিলতা আছে। সোজাসাপ্টা কথার বদলে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি চুরি করা মুনাফাখোরদের স্বার্থের চিন্তাই বড় করে দেখা হয়েছে। ত্রিপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে যে বক্তব্যটি তাও ঘোলাটে এবং অসত্য। যেখানে ট্রেড ইাউনিয়নই নেই বৈধ ফেডারেশনই নেই সেখানে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হবে কেমন করে? পোশাক শিল্প মালিকরা এখন বলছেন তারা ‘হতবাক’ হয়ে গেছেন। কেন তারা হতবাক হবেন? তারা কি জানতেন না ২০০৭ সাল থেকে তাদের ক্রেতারা তাদের ব্যাপারে নাখোশ? ২০০৭ সালে আমেরিকান ফেডারেশন অব লেবার অ্যান্ড কংগ্রেস অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্গানাইজেশন বাংলাদেশের জিএসপি বাতিলের আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছিল। তারপর থেকেই চাপ ক্রমাগত বেড়েছে। কিন্তু সরকারের যেমন টনক নড়েনি তেমনি মালিকদেরও বোধদয় হয়নি। তারপর তো দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনা! অগ্নিকাণ্ড হতে হতে ভবন ধস। তখনও মালিকদের তড়পানি যায় না। ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার যেমন মালিকদের পক্ষেই ছিল এখনকার নির্বাচিত সরকারও হরেদরে সেই পক্ষই নিয়েছে। কিংবা বলা যায় একটু আগ বাড়ানো কান্ডই করেছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ বাহিনী গঠন করে। সংসদে প্রধানমন্ত্রী ২৯ জুন দাবি করেছেন, ‘শ্রমিকদের বেতন বাড়িয়েছেন। ওয়েজ বোর্ড গঠন করা হয়েছে।’

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সেই বাড়ানো বেতন বাজারের সঙ্গে কতোটা সঙ্গতিপূর্ণ বা সমন্বিত? আর ওয়েজ বোর্ডে শ্রমিকদের বৈধ প্রতিনিধি আছে কিনা? এছাড়া আছে কর্মপরিবেশের প্রশ্নও। এতদিন অনেক ব্যাপার গোপন থাকলেও রানা প্লাজা ধসের পর সেগুলো ফাঁস হয়ে গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপের বড় বড় গার্মেন্টস চেইনের অর্ডার সাপ্লায়ার হলেও মালিকরা কারখানা স্থাপন করেন রানা প্লাজার মতো দুর্বল অট্টালিকায় যেখানে উন্নত কর্মপরিবেশ দেয়া সম্ভবই নয়। তার ওপর আছে মাস্তান পোষা। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ শ্রমিকদের রক্ষা করার বদলে মাস্তানদেরই রক্ষা করে। কারণ শ্রমিকরা সংগঠিত নয় হতে পারে না, সরকার, মালিক পক্ষ কেউ চায় না বলেই। তাদের সংগঠন ভেঙে দেয়া হয়। যার নির্মম বলি আমিনুল। সরকার বা বিজিএমইএ অনেকদিন ধরে দাবি করে আসছিল আমিনুল বলে কাউকে তারা চেনে না। ওই রাখ রাখ ঢাক ঢাক করে এই মাত্র ১০ জুন এক মোস্তাফিজুরের নাম গণমাধ্যমে প্রকাশ করানো হয় এবং তাকে ধরতে এক লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়, তাও ১৫ মাস পর। এই ১৫ মাসে আমিনুলকে নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা কিন্তু সোচ্চারই ছিল বার বার তাগাদা দিচ্ছিল। এখন সরকার এবং বিজিএমইএ যদি বলে তারা জিএসপি বাতিলে ‘হতবাক’ তাহলে সত্যের অপলাপ করছেন তারা।

তারা কি মনে করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাদের মতো মালিক পক্ষকেই কোলে টানবে? এ কথা মনে রাখা তাদের উচিত ছিল ওই দেশটি শাসিত হয় ব্যক্তির ইচ্ছা নয়। কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তি, প্রশ্ন তুললে সেটা অবশ্যই বিবেচ্য হয়। আর এবার ৯ ডেমোক্রেট সিনেটর জিএসপি সুবিধা বাতিলের পক্ষে সুপারিশ করেছিলেন। এর পেছনে গার্মেন্টস কারখানার কর্মপরিবেশ কেবল নয়, অন্য কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েনও ভূমিকা রেখেছে। প্রধানমন্ত্রীর অনঢ় অবস্থানকে এ জন্য অনেকটা দায়ী করা যায়। ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক প্রশ্নে অনঢ় অবস্থানে থেকে গেছেন এবং এখনো রয়েছেন। ফলে মার্কিন প্রশাসনিক ঘরানায় বাংলাদেশ গুড বুক থেকে আগেই ঝুলে পড়েছিল। সে কারণেই এই জিএসপি সুবিধা বাতিল এই সরকারের জন্য একটা চপেটাঘাত এবং অবশ্যই এদেশের জন্য মারাত্মক অবমাননাকর। কিন্তু ক্ষমতাসীন সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নানা সুযোগ সুবিধা দিয়েছে তাতে লাভ হলো কি?

সরকার বা গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা যে ওবামা প্রশাসনের সিদ্ধান্তে আকাশ থেকে পড়েছেন একথা সর্বেব মিথ্যা। মিথ্যা তাদের প্রতিক্রিয়া। আর ভুল তাদের ছেড়ে দিয়ে তাড়িয়ে ধরার কুচিন্তা। তবু মন্দের ভালো জিএসপি স্থগিত হয়েছে। কিন্তু আগামী ছয় মাসের পারফরমেন্স দেখে সিদ্ধান্ত পুনঃবিবেচনা করতে পারে মার্কিন প্রশাসন। কিন্তু মূল প্রশ্নটা হচ্ছে, সময় তো কম নয়, ছয় ছটা বছর ধরে কিসের ডিমে তা দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আর শ্রম মন্ত্রণালয় বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আগে না হয় অবৈধ সরকার ছিল কিন্তু গত পৌনে ৫ বছরে গা ছেড়ে দিয়ে কি করতে চেয়েছে তারা?

শেষ পর্যন্ত প্রমাণ তো হলো তাদের অদক্ষতা আর অকর্মণ্যতা। ব্রুট মেজরিটির শক্তিহীনতাও অক্ষরে অক্ষরে প্রমাণ হয়ে গেছে দেশে বিদেশে। জনগণের ওপরেও পড়েছে এর অনিবার্য প্রভাব। আর অকর্মণ্যের এই ‘গণতান্ত্রিক ক্ষমতার’ নানাবিধ অতিকথন আর কতোদিন শুনতে হবে জনগণকে? কতোদিন? একটা সালের কথা প্রায়ই বলেন প্রধানমন্ত্রী ২৯ জুন সংসদে বললেন ২০২১ সাল। কী হবে তখন? ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য মধ্যম আয়ের দেশ! কিন্তু ওর মধ্যে যে রয়েছে তার ক্ষমতার আকাঙ্খা, কল্পনাবিলাস। দেশপ্রেম আর ভবিষ্যত সুখের মনোহর স্বপ্ন বিলাসের দিকে যখন এই আহবান, তখন যে এদেশের মানুষ লড়াই করতে হচ্ছে নিজেদেরই বিরুদ্ধে। পৌনে পাঁচ বছর আগে যে তরুণ উদ্বুদ্ধ হয়েছে পরিবর্তনের জন্য সে এখন দাঁড়িয়ে আছে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত আর অকমর্ণ্যদের’ মুখোমুখি।।