Home » অর্থনীতি » নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ

নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

garment 1বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে দেয়া অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা বা জিএসপি সুবিধা স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে নতুন সঙ্কট ও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের গার্মেন্ট পণ্য এর আওতাভুক্ত না থাকলেও তাদের জন্যই মূলত এটি স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এতে রফতানি বাণিজ্য কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে তার চেয়েও বড় দুঃচিন্তার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে ব্র্যান্ড বাংলাদেশের ভাবমূর্তি। যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জিএসপি বাতিল না করলেও সময় বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশের শ্রম পরিবেশ উন্নয়নের। এর মধ্যে বিশেষ ক্ষেত্রে দৃশ্যমান উন্নতি না হলে তারাও হাঁটতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের পথে। আশার কথা হলো, যুক্তরাষ্ট্র জিএসপি সুবিধা স্থগিত করলেও ছয় মাসের সময় দিয়েছে বাংলাদেশকে। এ সময়ে শ্রমিকদের অধিকার ও কর্মপরিবেশ উন্নয়ন করতে পারলে জিএসপি বাতিল না করার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে। এক্ষেত্রে দ্রুত এগোনোর কথা থাকলেও এখনো তারা ধীরে চলো নীতি অনুসরণ করছে। ২০০৭ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে বারবার তাগিদ দিলেও তা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি ক্ষমতাসীন সরকার। এমন প্রেক্ষাপটে তাজরীন ফ্যশনসে অগ্নিকান্ড ও রানা প্লাজা ধসে সহাস্রাধিক গার্মেন্ট কর্মী নিহত হওয়ায় পরিবেশ পাল্টাতে শুরু করে। আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংস্থা থেকে বাংলাদেশ থেকে পণ্য নেয়া দেশগুলো জিএসপি সুবিধা বাতিলের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখে। প্রশ্ন হলো, যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি সুবিধা স্থগিতে দেশের বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়বে?

অনেকেরই ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি সুবিধা স্থগিত হলে, হয়তো দেশের পুরো রফতানিকেই তা হুমকির মুখে ফেলবে। এছাড়া গার্মেন্টস শিল্পও এর ফলে ধ্বংস হয়ে যাবে, এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এ নিয়ে যতটা তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে, ভিন্ন কারণে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভাবমূর্তি সঙ্কটের বিবেচনায়। আর্থিক খাতে ক্ষতির চেয়েও এটি অনেক বড়। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির বেশিরভাগই গার্মেন্টস পণ্য, যা মূলত জিএসপি সুবিধার আওতামুক্ত। গত বছরের রপ্তানি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০১১২০১২ অর্থ বছরে মোট দুই হাজার ৪৩০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ। এর মধ্যে গার্মেন্টস খাতের অবদান ১ হাজার ৯শ’ কোটি ডলারের কিছু বেশি। একই বছর বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে ৪শ ৯২ কোটি ডলারের পণ্য। এর মধ্যে গার্মেন্টস পণ্যের অবদান ৪শ’ ৪০ কোটি ডলার। জিএসপির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৫ হাজার পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশ সুবিধা থাকলেও এর আওতায় গত বছর মাত্র তিন কোটি ৪৭ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ। যা দেশটিতে মোট রফতানির মাত্র দশমিক ৭২ শতাংশ। বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক যুক্তরাষ্ট্রে জিএসপি সুবিধা না পেলেও এই সুবিধা স্থগিত করায় প্লাস্টিক, সিরামিকসহ বেশকিছু পণ্য দেশটিতে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা হারাবে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এ সিদ্ধান্ত উভয় দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার পাশাপাশি বাংলাদেশের ভাবমূর্তির সংকট সৃষ্টি হবে, বাণিজ্য বৃদ্ধি সংকুচিত হওয়া, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগও হ্রাস পেতে পারে। এর ফলে উভয় দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন গতিধারাকে ব্যাহত করতে পারে বলে এফবিসিসিআই আশংকা প্রকাশ করেছে।

যেভাবে জিএসপি স্থগিত: শ্রমিকের স্বার্থ সুরক্ষা ও কর্মপরিবেশের নিরাপত্তাজনিত শর্ত পূরণে ব্যর্থতার কারণে ২০০৭ সালে বাংলাদেশের জিএসপি প্রত্যাহারের দাবি জানায় আমেরিকান ফেডারেশন অব লেবার অ্যান্ড কংগ্রেস অব ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্গানাইজেশনের (এএফএলসিআইও)। পোশাক কারখানায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা, অবনতিশীল শ্রম পরিস্থিতি ও শ্রমিকনেতা আমিনুল ইসলামের হত্যাকাণ্ড (এক বছর পরও যার সুরাহা হয়নি) নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের উদ্বেগ বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের শেষ প্রান্তে এসে বাংলাদেশের শ্রমমান নিয়ে পর্যালোচনার প্রক্রিয়ায় গতি সঞ্চার হয়। শেষ পর্যন্ত ওবামা প্রশাসন এএফএলসিআইওর পিটিশনটি এবার গ্রহণ করে। আর গত এপ্রিলে রানা প্লাজা ধসের পর বাংলাদেশের জিএসপি বাতিলের দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। এএফএলসিআইওর আবেদনের পর বাংলাদেশের শ্রমমান নিয়ে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে চার দফা শুনানি হয়েছে। আর এসব শুনানিতে বাংলাদেশের বক্তব্য শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসনকে সন্তুষ্ট করতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে গত ২৮ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এক আদেশে বাংলাদেশের জিএসপি স্থগিত করেন। এখন জিএসপি স্থগিতের সিদ্ধান্তটি প্রজ্ঞাপন আকারে ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশের ৬০ দিন পর বাস্তবায়িত হবে।

এ সুবিধা স্থগিতের পেছনে আরও কিছু অঘোষিত কারণ রয়েছে। না বলা কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ক্ষমতাসীন সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের শীতল সম্পর্ক। বিশেষ করে শান্তিতে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার গ্রামীণ ব্যাংক ইস্যু নিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপড়েন। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে না পারায় সম্পর্কে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয় তার ব্যবধান কেবলই বেড়েছে। এ ছাড়া পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে নীতিনির্ধারকদের খামখেয়ালি আচরণ আরও রোষ ও তিক্ততার সৃষ্টি করেছে। এরই জের ধরে ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে দীর্ঘ সময় ধরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে বঞ্চিত হতে হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেবল কর্মপরিবেশ নয়, গার্মেন্ট শ্রমিক নেতা আমিনুল হত্যাকাণ্ডের বিচারের যথাযথ অগ্রগতি না হওয়াটাও যুক্তরাষ্ট্রকে এ সিদ্ধান্ত নিতে সমর্থন যুগিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তৈরি পোশাক কারখানার কাজের পরিবেশ ও শ্রমিকের স্বার্থ সুরক্ষা নিয়ে বার বার উদ্বেগ জানানোর পরও পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় জিএসপি স্থগিত করা হলো। বৃহস্পতিবার স্থগিতাদেশের ঘোষণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, ‘বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শ্রমিক অধিকারের মানদণ্ড অনুযায়ী শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কিংবা নিচ্ছে না। এ কারণে জিএসপি তালিকা থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়াই শ্রেয়।

সরকার আগে থেকেই জানত এ ধরণের একটি নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু বিভিন্ন মহল থেকে সরকারকে সতর্ক করার পরও তেমন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরাও বলছেন, এটি শুধু শ্রমিক নিরাপত্তা বা বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট নয়, রাজনৈতিক কারণে এমনটা হয়েছে। তাদের মতে, কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সরকারের সময়মতো পদক্ষেপ না নেওয়াই এর অন্যতম কারণ। অবশ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, যথাযথ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পরও বাংলাদেশযুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের একটি অংশের জিএসপি বাতিলের প্রচারণার জন্যই এ দুঃখজনক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পোশাক মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এ সিদ্ধান্তে আমরা হতবাক। এর কোনো যৌক্তিক কারণ দেখছি না। কেন তারা এই সিদ্ধান্ত নিল তা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, জিএসপি নিয়ে অনেক দিন ধরেই শুনানি চলছিল। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের কর্মপরিবেশ উন্নত করার কথা বলেছে। আমরা তা করছিও। সরকার শ্রম আইন সংশোধন করছে। এ ছাড়া কারখানার কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে আমরা কাজ করছি। এসব বিষয় যুক্তরাষ্ট্রকে বিভিন্নভাবে জানানোও হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে না দাবি করে তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য বাজারে হয়তো আমরা চাপের মধ্যে পড়ব। তবে রপ্তানি কমে যাওয়ার মতো কিছু ঘটবে না।

এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের বর্তমান সভাপতি ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের বড় ব্যবসায়িক অংশীদার। এ ধরণের একটি অংশীদারের কাছ থেকে যে কোনো নেতিবাচক সিদ্ধান্ত আমাদের চাপে ফেলবে। তাজরীন ও রানা প্লাজার দুর্ঘটনার পর দেশের তৈরি পোশাক খাতকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক যে চাপ মোকাবিলা করতে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত সেই চাপকে আরও বাড়িয়ে দেবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টিকফা চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, যা কিছু সুবিধা আদায় করার তা সরকারকেই করতে হবে। সম্প্রতি টিকফা চুক্তির খসড়া সরকার অনুমোদন করেছে। আলোচনার দ্বার এখনো খোলা আছে। সরকারের এখন আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজিএমইএর একজন সাবেক সভাপতি বলেন, শ্রমিক নিরাপত্তার উন্নয়নে বাংলাদেশ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল, তারা আশ্বস্তও হয়েছিল। আবার কর্মপরিবেশ দেখেই কিন্তু তারা কাজের অর্ডার দেয়। সেক্ষেত্রে শুধু শ্রমিক নিরাপত্তার জন্য নয়, দুই দেশের সম্পর্কের টানাপড়েন ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণে গাফিলতিই এখানে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

তৈরি পোশাক রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, জিএসপি স্থগিতের সিদ্ধান্তে বিশেষ করে শ্রমিক, ব্যাংক, পরিবহন ও নৌ পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি আগামী শীত মওসুমে গার্মেন্টস খাতে যে অর্ডার আসার কথা তা বাধাগ্রস্ত হতে পারে সংশয় প্রকাশ করেন। জিএসপি সুবিধা স্থগিতের কারণে আফ্রিকা, চীন, শ্রীলঙ্কা, পার্শ্ববর্তী ভারত, পাকিস্তান বিভিন্ন প্রণোদনায় অর্ডার আকৃষ্ট করার সুযোগ পাবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন বিজিএমইএ সভাপতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের বাজারে কি হবে

আমেরিকায় বাংলাদেশ দীর্ঘদিন জিএসপি পেলেও পোশাক খাতে জিএসপি পেত না। কিন্তু পোশাক খাতে ইউরোপে শতভাগ জিএসপি পেয়ে থাকে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সর্বমোট গার্মেন্টস পণ্যের ৬০ শতাংশ ইউরোপে রপ্তানি করে। সেখানে আমেরিকায় রপ্তানির পরিমাণ ২৩ শতাংশ। বাকি ২০ শতাংশ গার্মেন্টস পণ্য জাপান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, কানাডাসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে রফতানি করা হয়।

জিএসপি বাতিল পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশকে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করতে হবে দ্রুত। এক্ষেত্রে উল্লেখ করতেই হবে, জিএসপি সুবিধা পাওয়ার জন্যই যে শ্রমিকদের অধিকার, দক্ষতা, মজুরি বাড়াতে হবে, তা কিন্তু নয়। আমাদের নিজেদের স্বার্থে উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ, মজুরি বাড়ানো, শ্রমিকদের অধিকার প্রদান, ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের অনুমতি, কালেকটিভ বারগেনিং পাওয়ার, জীবনযাত্রার মান প্রভৃতি ইস্যু নিয়ে কাজ করতে হবে। এগুলো টেকসই শিল্পায়ন ও শ্রমিক স্বার্থ রক্ষায় নিজেদেরই করা উচিত। তৈরি পোশাক খাত বাংলাদেশের বৃহৎ একটি শিল্প। অর্থনীতিতে তারা বড় অবদান রাখছে শুধু বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের মাধ্যমে নয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমেও। এর সঙ্গে আমাদের আমদানি সক্ষমতা, শ্রম নিয়োজন, শিল্পায়ন, বৈদেশিক মুদ্রা মজুদ প্রভৃতি মিলিয়ে খাতটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এখানে যারা অবদান রাখছেন, তাদের মৌলিক অধিকার আমাদের নিজেদের জন্যই নিশ্চিত করা উচিত।।