Home » শিল্প-সংস্কৃতি » ষাট দশকের এদেশের বাংলা চলচ্চিত্র (পর্ব – ২)

ষাট দশকের এদেশের বাংলা চলচ্চিত্র (পর্ব – ২)

ফ্লোরা সরকার

movie of 60s-2

কেমন ছিলো সেই সময়ের চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিবেশ? চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৫৭ সালে চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা বা এফ.ডি.সি. স্থাপিত হলেও, সক্রিয় ভাবে এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৫৮৫৯ সাল নাগাদ। মাত্র একটি শুটিং ফ্লোর নিয়ে এই সংস্থার যাত্রা শুরু হয়। সেই সময়ে এফ.ডি.সি. কৃর্তক নির্মিত হয় পর পর চারটি ছবি আকাশ আর মাটি (১৯৫৯), মাটির পাহাড় (১৯৫৯), জাগো হুয়া সাভেরা (১৯৫৯) এবং এদেশ তোমার আমার (১৯৫৯)। কিন্তু পাশাপাশি তিনটি বেসরকারি স্টুডিও ষাটের দশকে স্থাপিত হতে দেখা যায়। যেমন ১. ইস্টার্ণ স্টুডিও যা বর্তমান বারি স্টুডিও নামে সমধিক পরিচিত। প্রথম দিকের ছবি ভাওয়াল সন্যাসি (১৯৬৬), আখেরি স্টেশান (১৯৬৬) ইত্যাদি। ২. ঢাকা স্টুডিও থেকে নির্মিত হয় এই দেশের অন্যতম সাড়া জাগানো ছবি রূপবান (১৯৬৫)। উল্লেখ্য, রূপবানের ইনডোর শুটিংগুলো এই স্টুডিওর ছাদে রূপায়িত হয়, যা আজকের দিনে বেশ কৌতুহল সৃষ্টি করে বৈকি।. রোজ গার্ডেনের বেঙ্গল স্টুডিওর ইতিহাসটি বেশ চমকপ্রদ। প্রথমে এই স্টুডিও স্থাপিত হয় ১০ নম্বর ধামনন্ডিতে, তারপর কলাবাগানে এবং শেষে গোপিবাগে। প্রথম ছবি হারানো দিন (১৯৬৫)। সম্পূর্ণ ছবিটি সেখানেই নির্মিত হয়। ছবির ডাবিং এর জন্যে সুপার মেশিন ব্যবহৃত হলেও ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত স্টুডিওর অভ্যন্তরীণ শুটিং এর জন্যে ডিরেক্ট টকি বা সরাসরি সংলাপ গ্রহণের ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হয়। অর্থাৎ শুধুমাত্র আউটডোর শুটিং এর জন্যে ডাবিং এর ব্যবস্থা ছিলো। সিনেমা হলের সংখ্যা ষাটের দশক থেকেই ক্রমান¦য়ে ৭০০ থেকে ৮০০ তে উন্নীত হতে দেখা যায়। যা স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রায় ১১০০ তে উন্নীত হয়। যদিও বর্তমানে এই সিনেমা হলের সংখ্যা ৬০০র নিচে নেমে এসেছে, যা প্রথম দিকের সিনেমা হলের সংখ্যার চেয়েও অধিকতর কম। শুধুমাত্র সিনেমা হলের পরিসংখ্যানই আমাদের বলে দিতে পারে আমাদের রূপালী পর্দার সোনালী সময়ের অগ্রগতি এবং অধোগতির চিত্র। মাত্র চারটি স্টুডিওকে সম্বল করেও সেই সময়ে নির্মিত হয়েছে অসাধারণ সব চলচ্চিত্র। এবার আমরা সেই সময়ের চলচ্চিত্রের দিকে একটু ফিরে তাকাতে পারি।

নদীমাতৃক এই দেশে নদীকে কেন্দ্র দুটো উল্লেখযোগ্য ছবি সেই সময়ে আমরা পাই, তার একটি এ.জে. কারদার পরিচালিত ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ (১৯৫৯) এবং অপরটি সাদেক খান পরিচালিত ‘নদী ও নারী’ (১৯৬৫)। প্রথমটি উর্দু ভাষায় নির্মিত হলেও ছবির মহরত অনুষ্ঠানে সাংবাদিক জহুর হোসেন চৌধুরী বেশ চমকপ্রদ একটি মন্তব্য করেন – “— ছবির সংলাপ এবং গান ফাইয়াজ আহমেদ ফাইয়াজ কর্তৃক লিখিত হলেও যারা ছবিটি দেখবেন তাদের কাছে মনে হবে ফাইয়াজ সাহেব যেন উর্দুর কোন ছাপ ছবিতে রাখেননি।” বলাই বাহুল্য ছবিটি দেখার সময় ঠিক একই রকম অনুভূতি দর্শকের হৃদয়ে উদিত হয়। ছবিটি দেখলে মনে হয় পূর্ব বাংলার চিত্রায়ন, তাদের সুখদুঃখের কাহিনী ভাষাকে যেন ছাপিয়ে গেছে। যদিও কিছু কিছু সংলাপ বাংলায় আমরা শুনতে পাই। ছবিটি মুক্তি পাবার পর ছবির ভাষা নিয়ে যত না আলোচিত হয় তার চাইতে অধিকতর আলোচিত হয় ছবির কাহিনী নিয়ে। ‘জাগো হুয়া সাভেরা’, মানিক বন্দোপাধ্যায় রচিত ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাস থেকে নির্মিত হয় এবং ছবিতে তার উল্লেখ না থাকায় সেই সময়ে তা নিয়ে বেশ সমালোচিত হতে দেখা যায়। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, ‘জাগো হুয়া সাভেরা’, ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ অবলম্বনে নির্মিত হলেও এর কাহিনী, চরিত্রবিন্যাস পদ্মা নদীর মাঝি থেকে বেশ দূরে অবস্থান করে। পদ্মা নদীর হোসেন মিয়া এবং জাগো হুযার লাল মিয়া (কাজী খালেক) এক চরিত্র তো নয়ই বরং জাগো হুয়ার লাল মিয়া, রহস্যাবৃত হোসেন মিয়া থেকে আরও স্পষ্ট এক সুদখোর গ্রাম্য মহাজন। যে মহাজন মানুষকে ক্ষয় করে নিঃশব্দে, নিভৃতে। যার প্রমাণ আমরা পাই গঞ্জু চরিত্রের মধ্যে দিয়ে। পদ্মা নদীর মাঝিদের জীবনে একটি নৌকার মালিকানা পাওয়া যেন জমির মালিকানা পাবার মতো। সারাজীবন তারা একটি নৌকার মালিক হবার স্বপ্নে বিভোর থাকে। সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে যদি জীবন দিতে হয় তাতেও তারা প্রস্তুত। ছবির শুরু থেকেই পরিচালক কারদার অত্যন্ত সচেতনতার সঙ্গে গঞ্জুর অশুভ কাশির সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেন। গঞ্জু তার কাশির অসুস্থতা নিয়ে মোটেও ভাবিত নয়, গঞ্জুর একটাই ভাবনা একটি নৌকা। যে নৌকার টাকা সে তিল তিল করে, অসুস্থ শরীর নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে মহাজন লাল মিয়ার কাছ থেকে ক্রয় করে। গঞ্জু তার স্বপ্নের নৌকা পায় তখনই যখন সেই নৌকা তার কোন কাজে আসে না বা আসবে না। নৌকা পাবার পরেই তার মৃত্যু ঘটে। গঞ্জুর নির্বাক মা’ এর সামনে গঞ্জুর মৃত্যু দৃশ্যটি যারা দেখেছেন,সেই দৃশ্য কোনদিন তারা ভুলতে পারবেন না। ঠিক যেভাবে সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’র ইন্দির ঠাকুরণকে ভোলা যায় না, ঠিক তেমনি নির্বাক, এক স্থানে থিতু হয়ে বসে থাকা ‘জাগো হুয়া সাবেরা’র গঞ্জুর মাকেও ভোলা যায় না। পদ্মা নদীর কুবের জাগো হুয়ার মিয়া এক চরিত্র নয়। মিয়া আরো অনেক বেশি সৎ, সহজ আর সরল। সার্বক্ষণিক সংকটাকীর্ণ জীবনের ক্লান্ত মিয়ার (যার একটি সূত্র ছবির শুরুতে মাছের হা করে নেয়া নিঃশ্বাসপ্রশ্বাসের মধ্যে দিয়ে পরিচালক আমাদের অসাধারণ মুন্সিয়ানায় দেখিয়ে দেন) যেন কোন চাওয়াপাওয়ার আকাঙ্খা নেই। নেই কোন বাড়তি লোভ। তার বাড়িতে লাল মিয়ার এক রাতের অবস্থানের সময় মিয়া, লাল মিয়ার পকেট থেকে পড়ে যাওয়া দুটো পয়সা চুরি করতে যেয়েও আবার রেখে দেয়। যা কুবের করেনা। কুবের হোসেন মিয়ার কটা সিকি আর আনা ঠিক ঠিক হস্তগত করে নেয়। যদিও তা নিয়ে কুবেরের চিন্তার শেষ থাকেনা। তবু লাল মিয়া ঠিক কুবেরের মতো নয়। পয়সা চুরির দৃশ্যে লাল মিয়ার ছোট ছেলেটি ঘুমের ঘোরে যখন ‘ আব্বা দুটো পয়সা দাও’ বলে প্রলাপ বকে যায়, দারিদ্রের এমন চরম, এমন অকাট বাস্তব দৃশ্য এই দেশে খুব কম ছবিতে দেখতে পাই। কুবেরের সঙ্গে তার স্ত্রী আর শ্যালিকা কপিলাকে ঘিরে কোন ত্রিকোণ দ্বন্দ্ব নেই জাগো হুয়া ছবিতে বরং মহাজন লাল মিয়ার সঙ্গে মিয়ার ছোট ভাই কাশেম (খান আতাউর রহমান) এবং মিয়ার শ্যালিকা মালার (তৃপ্তি মিত্র) দ্বন্দ্ব দেখতে পাই। ঝড়ের তান্ডবে নয় বরং মেলায় একটি ছুটে যাওয়া গরুর আঘাতে পা হারাতে বসে মিয়ার ছোট মেয়ে। সেই পা সারানোকে কেন্দ্র করে লাল মিয়ার অবৈজ্ঞানিক ঝাড়ফুকের চিকিৎসার পাশে আমরা দেখতে পাই আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যাবার জন্যে কাশেমের সাহসী ভূমিকা। ছবির শেষ অংশটি যেন চিরস্মরণীয় করিয়ে রাখে শুধু নদী তীরের হতদরিদ্র মানুষদের নয় আমাদের সমগ্র দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে। হোসেন মিয়ার মতো লাল মিয়া কোন ময়না দ্বীপের স্বপ্ন দেখায় না পদ্মা নদীর মাঝিদের। বরং স্বপ্ন ভঙ্গ ঘটায়। যে স্বপ্ন ভঙ্গের শৃঙ্খলে বাধা পড়ে গঞ্জুর মতো মাঝিরা অকালে জীবন হারায়। তাই গঞ্জুর রেখে যাওয়া নৌকাটি আরেকটি হতদরিদ্রকে জীবন দিতে পারেনা। মিয়ার তিল তিল করে জমানো অর্থ দিয়ে এমনকি তার ছোট ছেলেটি যে ঘুমের ঘোরেও পয়সার স্বপ্ন দেখে তার জমানো অর্থ, ছোট ভাই কাশেমের জমানো অর্থ সব একত্রিত করেও মাত্র তিন শ টাকার জন্যে মিয়ার হাত থেকে শেষ পর্যন্ত গঞ্জুর নৌকাটি হাতছাড়া হয়ে যায়। শেষ দৃশ্যে আমরা দেখি মিয়া শুধু নিষ্পলক চেয়ে থাকে চলমান নৌকাটির গতির দিকে। নৌকার এই চলমান গতি যেন পদ্মা নদীর মাঝি তথা এই দেশের আপামর হতদরিদ্র জীবনের এক চলমান গতি। যে দরিদ্রের গতি কোনদিন শেষ হয়না। ছবিটি তাই শেষ হয় এক বুক ভার করা অনুভূতি দিয়ে।

নদী ও নারী’ র প্রথম দৃশ্যে একটি চিল উড়ে যেতে দেখা যায়, যা অশুভ কোন ঘটনার ইঙ্গিত বহন করে। তার পরের শটেই আমরা দেখি ছবির অন্যতম চরিত্র আজিজ (সুভাষ দত্ত ) ঘাটে নৌকা বেঁধে তীরে উঠতে উঠতে দেখে নদী ভাঙ্গনে উপড়ে যাওয়া একটি বিশাল গাছ, যার শিকড়বাকড় আকাশের দিকে চেয়ে আছে। লোকজন ডাকে চিৎকার করে। সবাই এলে প্রথম যে সংলাপটি বলে তা হলো “সক্কলেরে খাইবো। তোমাগো সক্কলেরে খাইবো।” নদীমাতৃক এই দেশের নদী মানুষকে যেমন দেয় তেমনি কেড়ে নিয়েও যায় অনেক কিছু। আর তাই তিনটি ফ্ল্যাশব্যাকের মাধ্যমে কাহিনীর বুনটে আমরা যেমন দেখতে পাই জেগে ওঠা চরে সোনা ফলাতে তেমনি দেখতে পাই আজিজের সদ্য বিয়ে করা নতুন বউ কুলসুমকে নদীর জল কেড়ে নিতে। আজগর (কাজী খালেক) আর নজুমিয়ার (মাসুদ আলী খান) জোটবদ্ধ জীবন যেমন চরের বুকে সোনার ফসল ফলায় তেমনি আজগরের চাইতে নজুমিয়ার কর্ষিত জমির পরিমাণ অধিক হওয়ায় আজগর তার সারাজীবনের স্বপ্নে লালিত আমিনাকে (রওশন আরা) হারাতে দেখি। জমি যার জোর তার। আর তাই নজুমিয়ার সঙ্গে ইচ্ছের বিরুদ্ধে আমিনার বিয়ে হয়ে যায়। নারীর কোন স্বাধীন অস্তিত্ব দূরে থাক, সামান্য কথা বলারও যেন অধিকার নেই। প্রকৃতির ভেতর থাকে বলে আজগর আর নজুমিয়ার শত্রুতার যেন প্রকৃতির মতো। শত্রুতা মনের ভেতর লালন করেনা। আজগরের মৃত্যুর পর নজু তাই আজগরের ছেলেকে নিয়ে আমিনার সঙ্গে ঘর বাঁধে। কিন্তু নদী আমিনাকেও রেহাই দেয়না, ছবির শেষে প্লাবনের স্রোতে আমিনা ভেসে যায়। এতো মৃত্যু, এতো অনাসৃষ্টির পরেও জীবনের আশা থেমে থাকেনা। তাই শেষ দৃশ্যে, বন্যার কবল থেকে উদ্ধার পাবার জন্যে সবাই যখন নৌকায় পাড়ি জমায়, আজিজের মুখে শোনা যায় ছবির শেষ সংলাপ – “মাডি ঠিকই পাইয়া যামু”। ছবির শুরুতে যেমন জীবনের আশঙ্কার কথা শুনি তেমনি ছবির শেষে জীবনের আশার বাণীও শোনা যায়। নদী তীরের মানুষেরা এভাবেই আশা আর নিরাশার ভেতর জীবন অতিবাহিত করে। তাদের এই সংগ্রামী জীবন যেন আরো বৃহৎ কোন গভীরতর জীবনের অর্থের ইঙ্গিত করে। যে জীবন থেমে থাকেনা, শত প্রতিকুলতার মাঝেও টিকে থাকে, নদীর মতো বয়ে চলে। আজও যেমন বয়ে চলেছে এই দেশের নদী তীরের মানুষেরা।

জাগো হুয়া সাভেরা, নদী ও নারীর মতো ষাটের দশকে একে একে আমরা পাই আকাশ আর মাটি, মাটির পাহাড়, এদেশ তোমার আমার, আসিয়া, সূর্যস্নান এর মতো আরো অনেক ছবি। এসব ছবিতে অভিনয়ের কোন বাহুল্য নেই। চরিত্রগুলো কাহিনীতে যেভাবে সাজানো ঠিক সেভাবে কাপড় পরে, কথা বলে এমনকি হেঁটে চলার ভঙ্গীও যেন ঠিক সেই চরিত্রের। ছবির আবহসঙ্গীত এবং গানের সংযোজন শুধু যেখানে প্রয়োজন ঠিক সেখানেই সংযোজিত করা হয়। সংলাপ ঠিক যতটুকু প্রযোজন ঠিক ততটুকুই বলা হয়। ছায়াছবিকে যেমন দৃশ্যকাব্য বলা হয়ে থাকে, ঠিক তেমনি কাব্য রচিত হয় দক্ষ চিত্রগ্রাহকদের হাতে। বিশেষত জাগো হুয়া আর নদী ও নারীর ক্যামেরার কাজ ছবি শেষ হয়ে গেলেও চোখে বিঁধে থাকে। আমরা দেখতে পাই নদী তীরের গ্রামবাংলার বিস্তিৃর্ণ সমতল ভূমি।। শুধু কারিগরি ব্যবস্থাপনা উন্নত না হবার দরুণ সম্পাদনার কিছু ক্রটি থেকে যায় এসব ছবিতে। কিন্তু ছবির বিষয়বস্তু, চরিত্রায়ন, দৃশ্যায়নের নান্দনিক, শৈল্পিক গুনে সম্পদনার ক্রটি যেন উতরে যায়। আর তাই সিনেমা হলে সেই সময়ে দর্শক সমাগমও ঘটতে থাকে। নির্মিত হতে থাকে একের পর এক অনেক ছবি। তবে সব সময়েই যে সব ছবি সাফল্য পেতো তা নয়। কিছু ছবি বাজার হারাতো। তবে তারপরেই হয়তো এমন কিছু ছবির আবির্ভাব হতো যখন দেখা যেতো সিনেমা হল আবার লোকারণ্যে ভরে উঠেছে। এই রকম কয়েকটি ছবি নিয়ে আগামী সংখ্যায় আবার লেখা হবে।।

(চলবে…)

2 টি মন্তব্য

  1. jago hua sabera node o nare chobe duto amar dekha Razzaq bhai tokono ahsen nai, ami 1967 a sabistan hall a morning show dheke chilam. sei deen gulo jodi abar fere ahsto. thank you bhai for this article. Freienohl  Germany.

  2. আজগর (কাজী খালেক) আর নজুমিয়ার (মাসুদ আলী খান) জোটবদ্ধ জীবন যেমন চরের বুকে সোনার ফসল ফলায় তেমনি আজগরের চাইতে নজুমিয়ার কর্ষিত জমির পরিমাণ অধিক হওয়ায় আজগর তার সারাজীবনের স্বপ্নে লালিত আমিনাকে (রওশন আরা) হারাতে দেখি। জমি যার জোর তার। আর তাই নজুমিয়ার সঙ্গে ইচ্ছের বিরুদ্ধে আমিনার বিয়ে হয়ে যায়।
     
    হোসেন মিয়া স্বপ্নে পাওয়া ভগবান,
    আমরা অসহায় দালালরা 
    পানি দয়ায় থেকেও
    নদী বিক্রির ধান্দালি করি
    হোসেন মিয়ারে স্বপ্নে এখনো দেখি……
    পাইলে আজকের কপিলারা
    মনের দ্বীপে কুবেরের সাথে
    ভেসে বেড়াত।
    স্বপ্নের সাথে কার তুলনা চলে
    একমাত্র ভগবানের………