Home » রাজনীতি » শঙ্কার শেষ সীমানায়

শঙ্কার শেষ সীমানায়

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

aggressionএক আতংকের জনপদ বাংলাদেশে গুটিকয় বাদে প্রায় সকল মানুষ এখন দিবানিশি পার করছে অজানা আশংকা ও উৎকন্ঠায়। ধীরে ধীরে এই আশংকা রূপ নিতে চলেছে সর্বগ্রাসী আতংকে। এই সর্বগ্রাসী আতংকের শুরুটা হয়েছিল গেল বছরের নভেম্বর থেকে। জনগনের ওপর জামায়াতহেফাজত, পুলিশের সশস্ত্র আক্রমনে দিগ্বিদিক জনগন খাবি খাচ্ছিল। বছর জুড়ে ভয় আর চরম নিরাপত্তাহীনতাকে সঙ্গী করে রাষ্ট্রীয় অবহেলাউপেক্ষার মাঝে ক্লেদগ্লানিময় দিনযাপনের সঙ্গে যোগ হয়েছে আগামী তিন মাসের ভয়াল আশংকা। এই আশংকাআতংকের মূল কারণ হচ্ছে, সংখ্যাগরিষ্ট জনগনের ইচ্ছের বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীনদের অগনতান্ত্রিক আচরন। সঙ্গে যোগ হয়েছে বিরোধী দলের অপরিনামদর্শিতা আর কথিত অদৃশ্য শক্তির সুতোর টান!

বাংলাদেশে এখন অজানা আশংকা ও আতংকের উৎস হয়ে উঠেছে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীএই দুই দল বা জোটের অপরিনামদর্শী ও ধ্বংসাত্মক রাজনীতি। প্রশ্ন উঠেছে, গত চার দশ যোগ তিন বছরে বাংলাদেশ কি কার্যকর রাষ্ট্র হয়ে উঠতে পেরেছে? প্রধান মন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী, দুই বড় দল, তাদের বক্তব্য, কর্মসূচি, প্রাতিষ্ঠানিকতা কি প্রমান করে! অন্যের ধ্বংস কামনায় যে আত্মঘাতীজিঘাংসাপ্রবন রাজনৈতিক ঈর্ষায় এখানে দুই বড় দলের শীর্ষ নেতার কামড়াকামড়ি করছেন প্রতিদিন, প্রকাশ্যে ও গোপনে, তা কি প্রমান করে কার্যকর রাষ্ট্র গঠনে তারা কি উপযুক্ত হয়ে উঠছেন? নাকি তারা আবারো এই রাষ্ট্রটিকে ঠেলে দেবেন গভীরগভীরতর অন্ধকারে? এই বাংলাদেশের ধনিক শ্রেনীকে বাদ দিয়ে সাড়ে পনের কোটি মানুষকে এই অজান আশংকাই আতংকিত করে তুলছে অনাগত ভবিষ্যত ভেবে। চারিদিকে ফিস্ ফাস, সরব আলোচনাকি হচ্ছে, কি হবে আমাদের? কোথায় যাচ্ছি আমরা?

২০০৮ সালের নভেম্বরে এই চরম আতংকিত জনগনই কি বিপুল আশায়ই বুক বেঁধেছিল, ভোট দিয়ে একটি দল জোটকে তিনচতুর্থাংশ আসনে জিতিয়ে নিয়ে এসেছিল! সেই বিশাল জনগোষ্ঠি মাত্র এক বছরের মধ্যেই প্রত্যেক্ষ করতে শুরু করে গণমানুষের প্রত্যাশার বিপরীতে ক্ষমতাসীন রাজনীতি এবং রাষ্ট্র তাদের বিপরীতে দাঁড়িয়ে গেছে। রাষ্ট্র জনগোষ্ঠির মিত্র হয়ে ওঠার বদলে বরাবরের মতই গুটিকয়েক ক্ষমতাবানের অর্থ সম্পদ বানানোর হাতিয়ারে পরিনত হচ্ছে। জনকল্যান ও অধিক মানুষের মঙ্গলাশ্রয়ী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সাফল্যের নিয়মিত বয়ান জনগনের কাছে উপহাস মনে হতে থাকে। বিশাল জনগোষ্ঠির শংকা আর আতংক বাড়তে থাকে যখন তারা দেখে জনগনের স্বার্থের বিপরীতে সংকীর্ন দলীয় স্বার্থবিশেষ করে পরিবারকে রক্ষা আর উত্তারাধিকারের আবর্তে বিরোধী রাজনীতি ঘুরপাক খাচ্ছে এবং যেনতেন প্রকারে ক্ষমতা দখলই বিরোধী দলের একমাত্র জিগীর হয়ে উঠেছে।

ধারাবাহিক আশংকা ও জনআতংকের স্থুল কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে বিভাজন আর বিদ্বেষ। চার দশক পার করা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ক্ষমতার খেলায় বিভাজিত হতে হতে অভ্যন্তরীন রাজনীতির বৈশিষ্টে ক্রমশ: ভারবাহী হয়ে উঠেছে। রাষ্ট্রটা তো কয়েকটি পরিবার বা কোটিপতিদের নয়। এটি তো অবশ্যই জনগনের। কিন্তু পরিবারতন্ত্র এবং উত্তরাধিকারের রাজনীতির ধারকবাহকরা এটা মানতে রাজী নন। ফলে দুর্নীতি, আত্মীয়তন্ত্র, নীতিহীনদের ক্ষয়রোগ সবচেয়ে দুর্বল করে ফেলেছে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে। কোন নীতিআদানপদ্ধতির বদলে ব্যক্তিপরিবারমুখী হয়ে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলি ন্যায্যতা নিয়ে জনগনের পাশে দাঁড়াতে পারেনি। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নীতিহীনতা আর অযোগ্যতা সরাসরি আঘাত করেছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে। নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ, আমলাতন্ত্ররাজনৈতিক পক্ষপাত দুষ্টতায় আক্রান্ত হবার কারনে জনগন নিরাপত্তাহীনতা ও বিচারহীনতায় ধুঁকছে। ফলে জনগনের ইচ্ছের প্রতিফলন গনতন্ত্র সহসাই মুখ থুবড়ে পড়ছে, আবার নির্বাচনমুখীনতায় উঠে দাঁড়ানোর ব্যর্থ প্রয়াস পাচ্ছে। আতংকের এই জনপদে এখন জনগনের মুল আশংকাটাই এখন সবচেয়ে ঘুরেফিরে আসছেকি হতে যাচ্ছে, কি হবে হতভাগ্য এই দেশের।

২০০৬ সালে অক্টোবরের পরে তৎকালীন বিএনপি সরকারের মেয়াদ শেষে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বে তত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পরের ভয়াল স্মৃতি এখনো তাজাদগদগে। সে সময় জনগন শংকাআতংক আর চরম অনিশ্চয়তা নিয়ে এই জনপদে পার করে কঠিন দিনগুলি। রাজনীতিকদের সৃষ্ট সেই অনিশ্চিত পরিস্থিতি আসান ঘটে সেনা সমর্থিত নজিরবিহীন এক তত্বাবধায়ক সরকারের ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে। জনগন বিষ্ময়ের সঙ্গে প্রত্যক্ষ করে, ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা কতিপয় রাজনীতিক, আমলা আর ব্যবসায়িকদের চরম দুর্নীতিগ্রস্ত চেহারা। স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশের ইতিহাসে সেটি ছিল বিরল একটি ঘটনা। এই রাজনীতিকরা দুর্নীতি করেন, তাদের ছত্রছায়ায় আমলা ও ব্যবসায়ীরা তাদের দুর্নীতি আর লুটপাটের জালে জড়িয়ে ফেলেন, জনগনের কাছে এটি ছিল ওপেন সিক্রেট। আগের দুএকটি ঘটনা বাদ দিলে ১/১১’র পরে দুনীতি দমনের অভিযান ছিল চার দশকের বাংলাদেশে নজিরবিহীন।

এসব ঘটনায় জনগন আপাত স্বস্তিবোধ করলেও যখন সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের বিরাজনীতিকীকরনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠতে শুরু করলে আবারো গোটা দেশ শংকা এবং আতংকের মধ্যে পড়ে যায়। দেশের দুই প্রধান নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মাইনাস টু থিয়রি আকৃতি পেতে শুরু করলে দেশ বিরাজনীতিকরনের সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি হয়ে পড়ে। সেনাসিভিল শাসনের আঁতাতের ফল হিসেবে বিরাজনীতিকিকরনের বিরুদ্ধে জনগনের ফুঁসে ওঠার ফল হিসেবে ২০০৮ সালে বিশাল বিজয় নিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিল।

বাংলাদেশের মানুষ বারবারই এরকম অজানা আতংকআশংকায় পতিত হয়েছে। ১৯৫২ সালে মায়ের ভাষা হারানোর আশংকা, ১৯৭১ সালে জাতি হিসেবে অস্তিত্ব বিলুপ্তির আশংকা ১৯৮২১৯৯০ গণতন্ত্র হারানোর আতংক এবং আবারো ২০১৩ সালে আতংকিত হয়ে পড়েছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যত যাত্রায়। ইতিহাস বলছে, দু’দশক পরপর বাঙালী জেগে ওঠে, নবজাগরন ঘটে। ১৯৫২, ৭১, ৯০, ২০০৮ তাহলে কি বৃথা? ২০০৮এ সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে বিদায় জানিয়ে জনগণ একটি গণতান্ত্রিক সরকার পাওয়া যাবে এমন আকাঙ্খায় উন্মুখ ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে ভিন্ন। কাজেই ২০০৮ মানুষের চেষ্টা এবং সঙ্গে সঙ্গে আশাভঙ্গের শুরুর বছর। এর কি কোন রাজনৈতিক এবং রাষ্ট্রনৈতিক মূল্য নেই? এই জেগে ওঠা মানুষের সমন্বিত শক্তির কোন প্রভাবপ্রয়োগ নেই? বাঙালী চরিত্রের এই হঠাৎ জেগে ওঠার বিষয়ে একজন সমাজতত্ববিদ কামরুদ্দিন আহমেদের ভাষায় “জীবন সংগ্রামে বাঙালী অনেক জাতির চেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করে। কিন্তু সবচেয়ে বড় জিনিষ বিপদ কেটে গেলেই সে আবার ঝিমিয়ে পড়ে। তার নিষ্ঠার অভাব। সে শক্তিকে ধরে রাখতে পারে না। পরিশ্রম করা থেকে বিরত থেকে জয়ী হয়েও শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়তির কাছে পরাজয় বরন করতে হয়”। তার এই পর্যবেক্ষণ বোধকরি বাঙালীর জীবনে মূর্ত হয়ে ওঠে। আবার, বারবার ঘটে জাগরননবজাগরন।

ক্ষমতাসীন মহলের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন, সংবিধাান থেকে তিনি একচুলও নড়বেন না। প্রতিক্রিয়ায় দুই বিএনপি’র মুখপত্র ফখরুল ইসলামও জানিয়ে দিয়েছেন তারা নির্বাচনে যাচ্ছেন না। তাহলে কি হতে যাচ্ছে? এই ভয়াবহ আশংকা এবং অতীত অভিজ্ঞতা এখন গোটা বাংলাদেশকে আতংকের এক জনপদে পরিনত করতে চলেছে। জনগন মনে করছে, আলোহীন অন্ধকার বা ভুলপথে চলছে বাংলাদেশ। এর হাত থেকে উদ্ধার করার ক্ষমতা আছে বড় দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র। কিন্তু উদ্ধার করার বদলে দু’দলই এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত করছে দেশকে। বিএনপি মোল্লাতন্ত্রকে আঁকড়ে ধরেছে আওয়ামী লীগ’র বিপরীতে অবস্থান নিতে গিয়ে। আর আওয়ামী লীগ আতংকিত হয়ে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য মোল্লা সাজার প্রচেষ্টায় আছে। এর মাঝে পড়ে জনগন খাবি খাচ্ছে সার্বক্ষণিক আশংকা আর আতংককে সঙ্গী করে।

পথের শেষ কোথায়? পাঁচ বছর পরে এখন গোটা জাতিকে খাবি খেতে খেতে আলোর দিশা খুঁজতে হচ্ছে। এর অপরিহার্য শর্ত ছিল সব দলের অংশগ্রহনে একটি সুষ্ঠ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন। গত সাড়ে চার বছরে আওয়ামী লীগ’র কর্ম অথবা অপকর্মএরকম একটি নির্বাচনে তাদের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ শুধু নয়, নেই। কিন্তু মানসিকতা হচ্ছে ক্ষমতায় থাকতেই হবে। সুতরাং নির্বাচন করতে হবে দলীয় সরকারের অধীনে। যেখানে প্রধান বিরোধী দল অংশ নেবে না। দেশেবিদেশে যা গ্রহনযোগ্যতা পাবে না। ভয়াবহ সংকটে পড়বে আওয়ামী লীগ, দেশজনগন। সক্রিয় হবে ধর্মীয় লেবাসে জঙ্গী শক্তিগুলো, যার কাছে ইতিমধ্যেই বাধা পড়েছে বিরোধী দল। তৃতীয় কোন অগণতান্ত্রিক শক্তি সংকট থেকে উদ্ধার করবে না আওয়ামী লীগবিএনপিকে, উদ্ধার করবে না দেশকে। সংকট আরো গভীর হবে অন্ধকার আরো গাঢ় হবে।

এই অন্ধকারময় অজানা আতংক সৃষ্টির জন্য ক্ষমতাসীনদের পাশাপাশি বিরোধী দলও তাদের দায় এড়াতে পারবে না। তাদের সৌভাগ্য, বিরোধী দলে থেকে প্রায় কোন দায়িত্ব পালন না করেই সুবিধাজনক অবস্থানে অবস্থান করা। জনগনের চাহিদা অনুযায়ী একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সর্বব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলার মত সামর্থ্য তাদের কতোটা আছে তা প্রশ্নের সম্মুখীন। ইতিপূর্বে যে কয়টি আন্দোলন তারা সংগঠিত করার চেষ্টা করেছেন তার সঙ্গে জনগনের প্রায় কোন রকম সম্পর্ক ছিল না। দলীয় সংকীর্ণ স্বার্থ অথবা পরিবারের স্বার্থ রক্ষায় হরতালসহ বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে জনমনে কোন প্রভাব সৃষ্টি করতে পারেনি প্রধান বিরোধী দল। বরং জামায়াতহেফাজতের নাশকতামূলক কর্মকান্ডে প্রত্যক্ষপরোক্ষ সমর্থন জুগিয়ে আজকের এই অজানা আতংক সৃষ্টিতে সরকারের পাশাপাশি তাদেরকেও সমান দায় বহন করতে হবে।

ক্ষমতাসীন দলের অনড় অবস্থান একটি চরম অরাজকতাকে অত্যাসন্ন করে তুলেছে। সেই আশংকায় গোটা জনপদ এখন যে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করেছে, সেখান থেকে উদ্ধারের কোন আশা আপাতত: দেখা যাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিন আতংক বাড়ছে। এই আতংকের সুফল বা কুফল য্ইা বলি না কেন সেটি যে জনগনের পক্ষে যাচ্ছে না তা মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে, অভ্যন্তরীনভাবে সংকট সমাধানের পরিস্থিতি সহসাই কি রাজনীতিবিদদের হাত ছাড়া হয়ে যাবে। বাংলাদেশ কি একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিনত হবে? আগামীতে নানা উপায়ে সহিংসতা বাড়তে থাকবে এবং আন্তর্জাতিক ও তৃতীয় পক্ষ সংকট নিরসনে অভ্যন্তরীন ক্ষমতা যাতে কার্যকর না থাকে সেটির প্রচেষ্টাও কি চলতে থাকবে? সহসাই কি অন্ধকার নেমে আসবে দেশ জুড়ে।

এসব প্রশ্নের উত্তর জনগনের জানা নেই। ছিল না ৫২, ৭১, ৯০, ২০০৮এ। কিন্তু জনগন সংগঠিত হয়েছে, সংগঠিত হয় চরম সংকটে চরম আতংকে, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে। এর প্রমান বাঙালী জাতি প্রতি দু’দশক পরেই দেখেছে। ২০১৩ সালে জনগনের সংগঠিত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কি কোন পরিবর্তন দেখবে? নাকি অপেক্ষা করতে হবে অন্ধকার কাটিয়ে আলোর যাত্রায় আরো দীর্ঘ সময়!

১টি মন্তব্য

  1. Dear Bacchu Bhai,
    Very good article indeed. This is the irony for this nation- every after an interval of time this nation suffers from political crisis, a crisis always created by the Political Bosses, not by the general people. We all know, this nation has a huge potentiality but can not exert itself due to those few people. One thing I’m still confused, the last ‘Caretaker Government’ is often blamed for depoliticizing the nation; was it depoliticizing or effort to overhaul the political culture of the country. During that period press used to call it ‘overhauling’ but the same press/media is calling it ‘depoliticizing’ now.