Home » রাজনীতি » বিদ্যুতের লোডশেডিং – প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ কার্যকরী

বিদ্যুতের লোডশেডিং – প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ কার্যকরী

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

electricityগত ১৯ আগস্ট গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, দেশবাসী যাতে অতীতের অসহনীয় লোডশেডিং ভুলে না যায়, তাই বিদ্যুৎ বিভাগকে কমপক্ষে দুই ঘণ্টার লোডশেডিং করতে বলা হয়েছে। এ ঘোষণার একদিন পর থেকে রাজধানীসহ দেশব্যাপী লোডশেডিং মারাত্মক আকারে বেড়ে গেছে বলে খবর মিলছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছেই না। প্রধানমন্ত্রী এর আগেও লোডশেডিংয়ের এমন ভয় আরো কয়েকবার দেখিয়েছেন। আর সত্যি সত্যি পরবর্তীকালে এই লোডশেডিং বেড়ে যায় আশঙ্কাজনকভাবে।

সরকার বিদ্যুতের উৎপাদন বেড়েছে দাবি করলেও কমেনি বিদ্যুতের লোডশেডিং। একটু গরম বাড়লেই বেড়ে যাচ্ছে লোডশেডিং। বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলন ভাঙচুর চলছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ এবং বিদ্যুতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাবেক ও বর্তমান ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, কার্যকর উৎপাদন খুব বেশি বাড়েনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভর্তুকি কমানোর জন্য ইচ্ছে করে তেলভিত্তিক কেন্দ্র বন্ধ রাখা, অদক্ষ রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা, প্রাথমিক জ্বালানির ঘাটতি, পুরনো কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাওয়া ও পরিকল্পনা অনুযায়ী সাশ্রয়ী কেন্দ্র নির্মাণ না হওয়ায় লোডশেডিং আগের মতোই রয়ে গেছে। বর্তমান সরকারের দাবি অনুযায়ী ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালের চলতি মাস পর্যন্ত বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা বেড়েছে চার হাজার মেগাওয়াট। কিন্তু তথ্য মতে, কমেনি লোডশেডিং। গ্যাসের অভাবে প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। অথচ সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে লোডশোডিং মুক্ত করবে। কিন্তু গেল সাড়ে চার বছরের একটি বড় সময় নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রেখে, ছয়বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েও লোডশেডিং কমিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সরবরাহ করা ২০০৮ থেকে ২০১৩ সালের লোডশেডিংয়ের তথ্য ঘেঁটে দেখা গেছে, ২০০৮ সালে আগস্টের শেষ দিনগুলোতে গড়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল ৫০০ থেকে ৬০০ মেগাওয়াট। ২০০৯ সালের আগস্টের শেষ কয়েক দিনে লোডশেডিং ছিল গড়ে ৫৫০ মেগাওয়াট। ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালেও অবস্থা প্রায় একই। ২০১৩ সালের চিত্রও মোটামুটি একই রকম। বর্তমান সরকারে আমলে যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র (৫৬টি) চালু হয়েছে তার বেশির ভাগ (৬০ শতাংশের ওপরে) তেলভিত্তিক ও ভাড়ায়চালিত ব্যয়বহুল বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফলে সরকার চাইলেও বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সব সময় চালু রাখতে পারছে না। কারণ তেলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে দিনে খরচ হয় ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকা। ব্যয় কমাতে তাই খুব প্রয়োজন না হলে এসব কেন্দ্র পূর্ণ ক্ষমতায় চালানো হয় না। এ ছাড়াও ব্যয় কমাতে দিনে কমপক্ষে একবার দুই ঘণ্টার জন্য পর্যায়ক্রমে লোডশেডিং করা হয়। একে বলে ফোর্স লোডশেডিং। এ লোডশেডিংয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. ম তামিম বলেন, বিদ্যুতের সবচেয়ে বড় সমস্যা প্রাথমিক জ্বালানি। এদিকে সরকার গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমাতে মিশ্র জ্বালানি বিশেষ করে কয়লার ব্যবহার বাড়াতে পারেনি। সরকারের মহাপরিকল্পনা ২০১৬ সালের মধ্যে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে সাত হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এখনো একটি কেন্দ্রেরও নির্মাণকাজ শুরু হয়নি। বিদ্যুৎ বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পরিস্থিতি বলছে বর্তমান সরকারের মেয়াদে কয়লাভিত্তিক কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে আসার সম্ভাবনা নেই। বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে অর্থায়নের নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

বিদ্যুৎ আমদানি: নিজ স্বার্থে অন্ধ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। স্বার্থের কারণেই এখন বাংলাদেশের কাছে বিদ্যুৎ বেচার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শিল্পক্ষেত্রে অনগ্রসর পশ্চিমবঙ্গ তার উদ্ধৃত সাড়ে ৭শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিয়ে এখন বেকায়দায়। জানা যায়, এই উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের সংস্থান না হওয়ায় ভারতীয় বিদ্যুৎ সংস্থা এনটিপিসি তাদের ফারাক্কা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মানুষ স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিল। আশায় দিনগোনা শুরু হয়েছিল এই ভেবে যে, খুব শীঘ্রই ভারতের সাথে সীমান্ত সমস্যা এবং অভিন্ন নদীর পানি ভাগাভাগি সমস্যার সমাপ্তি ঘটবে। এ আশাতেই সরকার ভারতকে তার উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর বিদ্রোহ দমনে বাংলাদেশের সীমানা ব্যবহার; করিডোর, ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা প্রদান; চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ; ইছামতির ওপারে ২৪ কিলোমিটার নদী খনন; ফেনী নদী থেকে ভারি পাম্প ব্যবহার করে পানি উত্তোলণ; বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ত্রিপুরায় খাদ্য নিয়ে যাওয়া; ত্রিপুরায় এক হাজার মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য ভারি যন্ত্রপাতি বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করেছে। কিন্ত বাংলাদেশের প্রাপ্তির খাতা শুন্যই থেকে যায়।

কলকাতা থেকে প্রকাশিত আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, বাংলাদেশ কেন দ্রুত বিদ্যুৎ নিচ্ছে না এজন্য ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে তাগিদ দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী। আনন্দবাজার লিখেছে, শিল্পায়নে তেমন না হওয়ায় রাজ্যে বিদ্যুতের চাহিদা যথেষ্ট নয়। তাই পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যুৎ উদ্বৃত। পরিস্থিতি এমনই যে, ঘোর গ্রীষ্মেও বিভিন্ন ইউনিট বসিয়ে রাখতে হচ্ছে, কারণ পুরো উৎপাদন কেনার মতো গ্রাহক নেই। পুরো উৎপাদনক্ষমতা ব্যবহৃত না হওয়ায় লোকসানও বাড়ছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানির সুযোগ এসেছে বণ্টন সংস্থার সামনে, যা হাতছাড়া করতে তারা নারাজ। বর্তমানে ফারাক্কায় ৬টি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২১শ’ মেগাওয়াট। পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, বিহার উড়িশ্যা, সিকিমসহ কয়েকটি রাজ্যে বিদ্যুৎ যায় এনটিপিসির ফারাক্কা কেন্দ্র থেকে। পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩৩ শতাংশ বিদ্যুৎ বরাদ্দ রয়েছে এনটিপিসি’র। অর্থাৎ প্রায় ৭শ’ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পায় ফারাক্কা থেকে পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু নতুনভাবে এই রাজ্যে শিল্প গড়ে না ওঠায় বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমশ কমছে। এ নিয়ে রাজ্যের এক বিদ্যুৎ কর্মকর্তার দাবি, টানা তিন বছর বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানির সুযোগ মিললে উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের সদ্ব্যবহারের সুবাদে বাড়তি আয়ের রাস্তা খুলবে। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশের জাতীয় গ্রীডে যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। এ জন্য ভারতের পক্ষ থেকে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

দেশের ‘কুইক রেন্টাল’ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো যখন কিছু লোকের পকেট ভারি করার উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, অন্যদিকে তা এখন পিডিবি তথা জাতীয় অর্থনীতির বোঝায় পরিণত হয়েছে। এদিকে গ্যাসের অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এর ফলে লোডশেডিংও বেড়ে চলেছে। এর মধ্যেও সরকার আগামী ২০১৬ সাল নাগাদ দেশে বেসরকারি খাতে মধ্যম ও বৃহদাকারের ৩৬টি রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে। এই কেন্দ্রগুলো পুরোপুরি ভর্তুকিনির্ভর। আগামী কয়েক মাসে এই ভর্তুকির পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে জানা গেছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছে, ভাড়া বাবদ কেন্দ্রগুলোর বিপরীতে কেনা দামের সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পিডিবিকে। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের পর কেন্দ্রগুলোর মালিকানা পিডিবি পাচ্ছে না। পিডিবি সূত্রের অভিযোগ, প্রথম দিকে পুরনো মেশিন নিয়ে প্রশ্ন তুললে ওপর মহল থেকে বিষয়টিতে নাক না গলানোর জন্য বলা হয়। বলা হয়, ‘মেশিন নতুন না পুরনো সে বিষয়ে দেখার কোনো প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন বিদ্যুৎ।’ একজন বিশেষজ্ঞ দাবি করেন, কুইক রেন্টালের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাত ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছে। পুরাতন মেশিন নতুন হিসেবে দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে ২৪টি রেন্টাল (ভাড়াভিত্তিক), ১৮টি কুইক রেন্টাল (দ্রুতভাড়া) বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। সাধারণভাবে এই কেন্দ্রগুলোকে অস্থায়ীভিত্তিক ধরা হয়। দীর্ঘ মেয়াদে এগুলোর কার্যকারিতা নেই। এমন আশঙ্কা রয়েছে, সরকার পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎখাতে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটবে।

ভর্তুকির চাপ বাড়ছে এদিকে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ খাতে এক শুভঙ্করের ফাঁকি চলছে বলেও জানা গেছে। একদিকে কুইক রেন্টাল ও রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরকারকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনে গ্রাহকের কাছে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তাদের ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ করতে হচ্ছে। এ খাতে সরকার ডিজেলে ২৫ টাকা ও ফার্নেস অয়েলে লিটার প্রতি ১২ টাকা করে ভর্তুকি দিচ্ছে। আবার, এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করার শর্ত ছিল তা তারা করতে পারছে না। নিম্নমানের যন্ত্রপাতি এনে ব্যবহার করার কারণে শর্ত অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না। এছাড়া সরকার এসব কেন্দ্র থেকে বেশি বিদ্যুৎ না নেয়ায় বেশির ভাগ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকছে। সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম দফায় দফায় বাড়িয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে ভর্তুকির টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে। সরকারের তিন বছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৭৫৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা। লোকসানের এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেড় বছরে এই দুই খাতে অতিরিক্ত ৩৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। বর্তমান বাজেটেও মোট ভর্তুকি খাতের অর্ধেকের বেশি ব্যয় হবে বিপিসির ঋণ পরিশোধ আর জ্বালানির দাম সমন্বয়ে। বাজেটে ভর্তুকির চাপ কমাতে তাই কুইক রেন্টালের পরিবর্তে গ্যাস ও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এক্ষেত্রে তেমন অগ্রগতি নেই। গ্যাসের অভাবে লোডশেডিং এদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের সংকট দেখা দিচ্ছে। এরই মধ্যে গ্যাসের অভাবে প্রায় ১১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থেকেছে।

দেশে ‘কুইক রেন্টাল’ তথা জরুরি ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আগামী সরকারের জন্য মারাত্মক সংকট সৃষ্টি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি তা বিপর্যয়ের কারণ ঘটাতে পারে। মহাজোটের বাইরে যারা ক্ষমতায় আসবে তাদেরকে এই খাত নিয়ে বড় রকম হোঁচট খেতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার বিদ্যুতের সংকট মোকাবেলায় স্থায়ী ব্যবস্থার বদলে সাময়িক পদক্ষেপ নেয়ায় এই অবস্থা।।