Home » রাজনীতি » দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসী লুটেরাদের দায়মুক্তি

দুর্নীতিবাজ সন্ত্রাসী লুটেরাদের দায়মুক্তি

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

corruption-cartoon-5টাঙ্গাইল হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন পুশ করে যে শিশুদের হত্যা করা হল তার দায়ভার তো রাষ্ট্রকেসরকারকে নিতে হবে। বেপরোয়া গাড়ী চালিয়ে এই দেশে প্রতিদিন যে মানুষগুলোকে সড়ক দুর্ঘটনার নামে হত্যা করা হয় তার দায়ভার তো এই রাষ্ট, এই সরকারের। প্রতিদিন দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে, খাদ্যে ভেজাল দিয়ে সাধারন মানুষের জীবনে যে ভয়াবহ বিপর্যয় নামিয়ে আনা হচ্ছে তার জন্যে দায়ী এই রাষ্ট্র, এই সরকার। কুইক রেন্টালের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া, শেয়ার বাজারে ধ্বস নামিয়ে মধ্যবিত্তনিুমধ্যবিত্তদের স্বর্বশান্ত করা, হলমার্ক, ডেসটিনিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেপরোয়া লুন্ঠন, পদ্মা সেতু নির্মানে দুর্নীতির দায় তো নিতে হবে রাষ্ট্র এবং সরকারকে। রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে ভবিষ্যত পরিবেশ বিপর্যয় আংশকাকে তোয়াক্কা না করা এবং সুন্দরবন বিনাশের ভবিষ্যত দায়িত্ব নিতে হবে এই রাষ্ট্র, এই সরকারকে। বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকেও দায়িত্ব নিতে হবে এই সমস্ত কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে জনগন এবং জনমতকে সংগঠিত করতে না পারার ব্যর্থতার কারনে। কারন এই দলটি অতীতে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকতে যে কাজগুলি করেছে, তারই আর একটু ভিন্ন পথে সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখছে আওয়ামী লীগ এবং বিরোধী দলের দায়িত্ব পালনের বদলে ক্ষমতায় যাবার উদগ্র বাসনায় জনগনকে জিম্মি হতে দিয়ে ভোটের হিসেবনিকেশ করার অপরাধে ইতিহাসের কাঠগড়ায় তাদেরকেও দাঁড়াতে হবে।

বাংলাদেশের সমতল জনপদে প্রতিদিনের হত্যাকান্ড, বেপরোয়া লুন্ঠনসবকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে সরকারের কোন না কোন মন্ত্রী, উপদেষ্টা, আমলা, নেতা অথবা তাদের সৃষ্ট ফ্রাঙ্কেনষ্টাইন যুবলীগছাত্রলীগের নাম। সরকার যে সব ভাল কাজ করছে বলে প্রতিদিন সভাসমাবেশ, পত্রপত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া বা বেতার তরঙ্গে প্রচারপ্রচারণা চালাচ্ছে, সে সবই ভয়াবহতার তোড়ে ভেসে যাচ্ছে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতিসকল পর্যায়ে একটি বিশেষ শ্রেনীর মানুষকে ক্ষমতায়িত করার জন্য এবং সব প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করনের আওতায় নিয়ে আসার ভয়াবহ প্রবণতার কারনে জনগোষ্ঠির সংখ্যাগুরু অংশ নির্দয় অবহেলা ও চরম নিপীড়নের শিকার হচ্ছে প্রতিদিনপ্রতি মূহুর্তে। রাষ্ট্র পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা এই বিষয়টিকে হিসেবের মধ্যে রাখছেন না বলে অথবা সচেতনভাবেই এটিকে আড়াল করছেনএটি এখন সাধারন মানুষের বিশ্বাসে পরিনত হয়েছে।

রাষ্ট্র এবং সরকারের মত অসম্ভব শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, যদি তা হয় জনগনের ভোটে নির্বাচিত, তাহলে তারা কেন ঔষধ ব্যবসায়ী, পরিবহন ব্যবসায়ী, সুবিধাভোগী শ্রমিক বা ছাত্রনেতা, কতিপয় দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীর সঙ্গে আপোষ করে জনগনের বিপরীতে দাড়িয়ে যায়? এ প্রশ্নের উত্তর জনগনের কাছে রয়েছে। আগেই বলা হয়েছে, ক্ষমতা এবং শুধুমাত্র ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য জনগনের শত্রুদের লালনপালন করা এবং তাদেরকে ব্যবহার করে দলীয় স্বার্থসিদ্ধির জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ধারাবাহিকভাবে এই কাজগুলি করে আসছে। জনগনের ভোটে নির্বাচিত কোন সরকার এরকম নগ্নভাবে জনস্বার্থের বিপরীতে অবস্থান নেয়আধুনিক বিশ্বে এরকম নজির খুব কম রয়েছে।

অতীতের কথা না হয় বাদই দেয়া গেল, বর্তমান সরকারের প্রতিটি কাজে অপরাধী, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসীদের দায়মুক্তি দেয়ার নজির সৃষ্টি করে যাচ্ছে। এর সাম্প্রতিক উদাহরনটি হচ্ছে, ঔষধ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের কাছে জিম্মি হয়ে তাদের সঙ্গে জনস্বার্থের বিপরীতে আপোষ রফা করে ফেলা। কতিপয় নকল ও ভেজাল ঔষধ বিক্রেতার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তাদের স্বেচ্ছাচারিতার মুখোমুখি হয়ে জনস্বার্থের বিপরীতে এই নমিত আচরন সরকারের ব্যবস্থাপনার একটি বড় দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের কে না জানে, ঔষধ প্রশাসন এবং নকল ও ভেজাল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মধ্যে সম্পর্ক কতই না মধুর! সে জন্যই কি কোন বিকল্প না ভেবে রাষ্ট্রের তরফ থেকে কঠোর হওয়ার বদলে দুর্নীতিবাজ ঔষধ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সঙ্গে খুব দ্রুতই আপোষ করে ফেলা হয়েছে। এর ফলে বিপর্যয়টি নেমে এসেছে জনগনের ওপর। তারা একেবারেই জিম্মি হয়ে পড়েছেন, যার সবশেষ উদাহরন হচ্ছে, নকল ইনজেকশন পুশ করে শিশু হত্যার ঘটনাটি। সুতরাং কোনভাবেই রাষ্ট্র বা সরকার এর দায়ভার এড়াতে পারেন না।

মাত্র ক’দিন আগে সরকারের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী মন্ত্রীর আব্দারে পরিবহন ড্রাইভার বা শ্রমিকদের দায়মুক্তি দিয়ে দিয়েছে সরকার। তাদের ভয়াবহ আব্দারটি ছিল, সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ নিহত হলে হত্যা মামলা দায়ের করা যাবে না। ড্রাইভিং লাইসেন্স দেবার ক্ষেত্রে সরকারকে আরো নমনীয় হতে হবে। ফলে পরিবহন ড্রাইভাররা সরকারের তরফ থেকে একধরনের খুনের লাইসেন্স পেয়ে গেলেন কিনা, এ প্রশ্ন দেশের মানুষের মধ্যে উচ্চারিত হতেই থাকবে। বেপরোয়া গাড়ি চালানের ফলে মানুষ মারা গেলে তার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা যাবে না। সরকারের দোর্দন্ড প্রতাপশালী মন্ত্রীরা আইনআদালতের উর্ধে অবস্থান নিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত কিভাবে নিচ্ছেন­­- সেটিও জনগনের সামনে একটি বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে।

রেন্টালকুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মান করা হয়েছে এবং হাজার হাজার কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে কোন রকম টেন্ডার ছাড়াই ইচ্ছেমত দরদাম ঠিক করে। এই জবাবদিহিতাকে আইনী সুরক্ষা দিয়ে দায়মুক্তি আইন বানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানী উপদেষ্টাকে কোথাও জবাবদিহি করতে হয়নি। বিদ্যুৎ জ্বালানী খাতে সরকার বিশাল সাফল্যের দাবি করলেও বাস্তবে যা ঘটছে সেটি জনগনের কাছে মোটেই অজানা নয়। জনগন দেখছে, বর্তমান শাসনামলে সরকারের কর্তাব্যক্তিদের গোচরেই বিএনপি আমলের বিদ্যুৎতের খাম্বা নির্মান দুর্নীতিরও সীমা ছাড়িয়ে গেছে। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে পরিবেশ বিপর্যয়কারী কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে, যে চুক্তি জনগনের কাছে একেবারেই অজানা এক অধ্যায়।

রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের শেষ মাথায় এসে বিরোধী দলীয় নেত্রী বিরোধীতা শুরু করেছেন। তিনি বলছেন, রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র হতে দেবেন না। এটি যে বিরোধীতার জন্য বিরোধীতা তা জনগন ভালই বোঝেন। ২০১১ সালে এই কেন্দ্রের জন্য যখন জমি অধিগ্রহন করা হয়, জমি রক্ষার আন্দোলনে স্থানীয় জনগন যখন রুখে দাঁড়িয়েছিল, পুলিশি নির্যাতন, মামলা এবং উচ্ছেদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হচ্ছিল, তখন বিরোধী দল তাদের পাশে এসে দাঁড়ায়নি। এখন বিরোধী দলীয় নেত্রী এর বিরুদ্ধে যতই কথা বলুন না কেন, জনগন জানে তিনিও ক্ষমতায় এলে জনগনের বিপরীতে এরকম একের পর এক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবেন।

বাংলাদেশের জনগনের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য হচ্ছে, যদি ৫ বছর পরে ভোটের সুযোগ পেয়ে তাদের পছন্দমত প্রার্থী নির্বাচিত করে, অমোঘ নিয়তির মত তারা তাদের স্বার্থের বিপরীতে দাঁড়িয়ে যায়। আগামিতে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনে যদি বিএনপি ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে দেশ থেকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট বন্ধ হয়ে যাবে? হাওয়া ভবনের মত প্যারালাল সরকার তৈরী হবে না? গুমখুন, বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড বন্ধ হয়ে যাবে? দেশ থেকে অর্থ পাচার বন্ধ হয়ে যাবে? তাদের ভাষায়, যুদ্ধাপরাধীদের স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানের বিচার কাজটি অব্যাহত থাকবে? এতসব প্রশ্নের উত্তর বা গ্যারান্টি জনগনকে কে দেবে? তারপরেও নির্বাচন হলে জনগন ভোট দেবে, আবার ৫ বছরের জন্য তাদের একই ভাগ্য বরন করতে হতে পারে। এ থেকে কি কোন পরিত্রাণ নেই?

স্বাধীনতার পর সিরাজ সিকদারসহ হাজার হাজার বামপন্থী নেতাকর্মীকে হত্যার মধ্যদিয়েই এই দেশে শুরু হয় বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের। তারও কোনো বিচার হয়নি। আমাদের দেশে খুনের দায়মুক্তি দেয়া হয়েছিল আইন করে ১৯৭৫ সালে, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতাসীন হবার পরে আওয়ামী লীগ ঐ অধ্যাদেশটি বাতিল করে দেশের সবচেয়ে জঘন্যতম হত্যাকান্ডের বিচারের পথ উন্মুক্ত করেছিল। এরপরে ২০০৮ সালে ক্ষমতাসীন হবার পরে সেই আওয়ামী লীগ একের পর এক দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী ও লুটেরাদের আইন না করেও দায়মুক্ত রাখছে। এই বৈপরীত্যের খেলায় মেতে ওঠার কারনে জনগন তাদের প্রতি যে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে সেটি তারা ক্ষমতায় আসার অল্পকালের মধ্যেই বুঝে গিয়েছিল। সে কারনে নির্বাচনমুখী গণতন্ত্রের একটি ধারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকেই অনেকটা অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। এর ফলে আবারও জনমনে আশংকা তৈরী হয়েছেআদৌ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তো!

সবসময় হাওয়া ভবন ও এর কুশীলবদের উদাহরন হিসেবে জনগনের কাছে হাজির করলেও বর্তমান সরকারের কতিপয় কুশীলবের কারনে ঐ ভবনের স্মৃতি ও ক্ষত ম্লান হয়ে যাচ্ছে। জনগন দেখছে না, পূর্বাপর পরিস্থিতির কোন ধরনের উন্নতি ঘটেছে, বরং অতীতের ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্র ও সরকার গণবিরোধী চক্রটিকেই লালন ও পালন করে যাচ্ছে। ন্যায্যতার প্রশ্নে সরকারকে রাষ্ট্রনৈতিক ভূমিকা পালন করতে হয়। এই ভূমিকা পালন না করার কারনে রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার অস্বচ্ছতা ও ধুম্রজাল সৃষ্টি করছে, নাকানিচুবানি খাচ্ছে পদ্মা সেতু, গামের্ন্টস সেক্টর, বিদ্যুৎ খাতসহ পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে। জল ঘোলা করে শেষতক গিলতে হচ্ছে অনেক কিছুই। পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়েও সরকার কোন শিক্ষা নিয়েছে, এরকম উদাহরন কেউ দিতে পারবেন না। ফলে বাগাড়ম্বরসহ গণবিরোধী আচরন অব্যাহত রেখে উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দেয়ার তৃপ্তিতে ঢেকুর তুলে যাচ্ছে।

সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পরে গার্মেন্টস সেক্টরে বিপর্যয় ও হত্যাকান্ড, ফুলবাড়ির জনবিদ্রোহ এবং ৫টি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে জনগনের প্রত্যাখ্যান কি কোন নতুন বার্তা দিতে পারেনি। পারলেও সরকার বা বিরোধী দল সেই বার্তা কখনই বুঝতে চাইছে না। তারা জনগনের মনের ভাব ও দেয়ালের লিখন বুঝতে অক্ষম। সরকারের নাশকতা তত্ত্ব, ষড়যন্ত্র তত্ত্ব গণমানুষকে যে তাদের সম্পর্কে উদাসীন, আস্থাহীন, ভাবলেসহীন করে তুলছেসে সম্পর্কে তারা একেবারেই নিস্পৃহ। সরকার প্রধানসহ দলের নেতারা সবসময়ই বিরোধী দলকে আস্থায় না এনে চোর সাবস্ত করতে একেবারেই মুখর।

বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে যত ক্ষুণ, রক্তপাত, নৃশংসতা ঘটেছে তার সঙ্গে রাজনৈতিক পক্ষগুলোর বৈরীতা ও জনগনের নিস্পৃহতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আগামি নির্বাচন দুই বড় দলের বাহাস ও লড়াই এখন সেই পথেই পা রাখছে। রাজনীতির পরিষদ কি হবে তার আলামত মিললেও রাজনীতিবিদরা তা ক্রমাগত উপেক্ষা করে চলেছে। অতীত ও বর্তমান থেকে শিক্ষা না নেয়ার রাজনীতি সচল রেখেছেন। সরকার ধারনা করছেন কিছু ইস্যুতে ধুম্রজাল সৃষ্টি করে কোন রকমভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকতে অথবা সুবিধামত একটি নির্বাচন আয়োজন করে ক্ষমতায় ফিরে আসতে। বিরোধী দল ষ্পষ্টত: জানে, জনগন ক্ষমতাসীনদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। উদাসীন ও নিস্পৃহ এই জনগনের নেতিবাচক সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারলে অতীতের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি তাদের মিত্রদের রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলি বাস্তবায়ন করা যাবে। ফলে এই মূহুর্তে দেশের জনগন সবচেয়ে অসহায় অবস্থায় পতিত হয়েছে, জিম্মি হয়ে গেছে অসৎ রাজনৈতিক বলয়ের কাছে, কারন তাদের সামনে এই মূহুর্তে বিকল্প বলে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।।