Home » রাজনীতি » ক্ষমতার দুর্নীতি-বান্ধব রাজনীতি

ক্ষমতার দুর্নীতি-বান্ধব রাজনীতি

এম. জাকির হোসেন খান

political-cartoons-96দুর্নীতি প্রতিরোধে, আইনি, রাজনৈতিক, সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ জোরদার করা হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনের ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে প্রতিষ্ঠানটির কার্যকারিতা আরও বাড়ানো হবে। ঘুষ, অনোপার্জিত আয়, কালো টাকা, চাঁদাবাজি, ঋণখেলাপি, টেন্ডারবাজি ও পেশি শক্তি প্রতিরোধ এবং দুর্র্নীতিদুর্বৃত্তায়ন নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে”। ৫ জানুয়ারি ২০১৪ নির্ধারিত হাস্যকর, তেলেসমাতির এবং সংবিধানের মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতন্ত্রকে হত্যা করে ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’র নেতৃত্বে ভোট ছাড়াই সরকার গঠনের অব্যবহিত পূর্বে শুনতে মধুর এ কথাগুলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথাকথিত নির্বাচনী তফসিলে জাতির সঙ্গে প্রতারণাপূর্ণ এ বাক্যগুলো উল্লেখ করা হয়েছে।

১০ম সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রকাশিত হলফনামায় আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপিদের ৫ বছর ক্ষমতা নামক আলাদীনের চেরাগের মাধ্যমে সর্বোচ্চ প্রায় ৩৬ হাজার শতাংশ সম্পদ বৃদ্ধির ঘটনা ঘটলেও দুদক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এখতিয়ার এখানে কাজ করে নি। কেননা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সম্পদ উপার্জনের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে আরো সমৃদ্ধ করেছেন বলে অর্থমন্ত্রী ইতিমধ্যে সার্টিফিকেটও দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ‘মুক্তিযুদ্ধবিরোধী’ কোনো সরকার যাতে এ সূর্য সৈনিকদের টিকিও ছুতে না পারে সেজন্য সর্বশেষ সংশোধনীর (২০১৩) মাধ্যমে দুদককে দুর্নীতি দমন ব্যুরোর চেয়েও কম কর্তৃত্বহীন, এবং অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীনরা প্রমাণ করেছে দর্নীতি দমন সংক্রান্ত কথাগুলো ‘ব্রাক্ষণ’ সদৃশ ক্ষমতাসীন দলের সদস্য নয়; জবাবদিহিতা শুধুমাত্র আম জনতার জন্য প্রযোজ্য।১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারের প্যারা ১.৮ এর শেষে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “নিজেদের সম্পদ, আয়রোজগার সম্পর্কে সর্বস্তরের নাগরিকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে”।

এর অর্থ হলো, যেসব নাগরিক সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বা গণতন্ত্রের ছদ্মাবরণে ফ্যাসিবাদী কাজের সমালোচনা করবে তাদের হেনস্থা করার জন্য এ ব্যবস্থা। কেননা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মপরিধির মধ্যে সকল নাগরিকদের অর্থ সম্পদ সম্পর্কে খোঁজ নেয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে থাকলেও তফসিলে এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে বিরোধী মত দমনের স্থায়ী ব্যবস্থা করা হলো। ইতিমধ্যে ‘ক্ষমতাধর’ মন্ত্রীর হলফনামায় তথ্য প্রকাশকারী সাংবাদিকদেরও সম্পদের তথ্য প্রকাশের কথার মাধ্যমে ইশতেহারের ভবিষ্যত উদ্দেশ্য সম্পর্কে তথ্যানুসন্ধানী সাংবাদিকদের এক ধরনের সতর্কবার্তা প্রেরণ করেছে। এ ধরনের প্রকাশ্য হুমকির মাধ্যমে দুর্নীতি দমনের যে কথা ইশতেহারে বলা হয়েছে তা যে এক ধরনের প্রতারণা তা সাধারণ নাগরিকদের কাছে পরিস্কার। তাছাড়া, সরকারের নীতি নির্ধারকরা যদি সতভাবেই অর্থ উপার্জন করে থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে প্রার্থীদেও হলফনামার তথ্য প্রকাশ বন্ধ করা হলো কেন? বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে অনুমিত হয়, বিগত পাঁচ বছরে দুর্নীতি এতো ব্যাপকভাবে হয়েছে যে হলফনামায় প্রকাশিত আয় এবং সম্পদের প্রদত্ত তথ্য অনেকটা বিশাল হিম শৈল (বরফ খন্ড) এর একটি ক্ষুদ্র খন্ড মাত্র।

ওয়াশিংটনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রকাশিত গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) প্রতিবেদন ২০১১ অনুযায়ী ২০০২ সালে বাংলাদেশের পাঁচারকৃত অর্থের পরিমাণ মাত্র ৫৮ বিলিয়ন টাকা হলেও প্রাক্কলিত হিসাব অনুযায়ী ২০১৩ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭৭৯ বিলিয়ন টাকায় দাড়িয়েছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অর্থ পাঁচারের ক্ষেত্রে প্রধান কারণ ব্যাপক দুর্নীতি হলেও আর্থিক খাতে নিম্নমানের শাসন এবং কার্যকর তদারিকর ঘাটতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা অন্যতম।

 account-1

সূত্র:জিএফআই প্রদত্ত ২০০১২০১০ এর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করা

জিএফআই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ২০১০ পর্যন্ত পাঁচারকৃত অর্থের পরিমাণ সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করলেও ২০১১ সালে এর পরিমাণ ২০১০ এর তুলনায় কমপক্ষে ২৮ শতাংশ বেশি বলে উল্লেখ করা হয়। শুধুমাত্র ২০০৯২০১৩ সময়কালে বাংলাদেশ থেকে পাঁচারকৃত অর্থের, যার প্রধান উৎস দুর্নীতি, পরিমাণ কমপক্ষে ১ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা (১ ডলার=৭৮ টাকা পরিমাপ করে) যা, বাংলাদেশের এক বছরের জাতীয় বাজেটের প্রায় সমপরিমাণ। ২০১২ এবং ২০১৩ সালের পাঁচারকৃত অর্থ পরিমাপে বিগত ২০০৫২০০৭ সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার বছরগুলোতে অর্থ পাঁচারের হারকে ধরে ২০০৯২০১৩ সালের সর্বমোট পরিমাপ করা হয়েছে।

প্রশ্ন হচ্ছে, এ অর্থ কারা, কিভাবে এবং কোথায় পাঁচার করে? সাধারণত, অর্জিত মুনাফার একাংশ বিদেশে ওভার ইনভয়েস বা বহুজাতিক কোম্পানি কর্তৃক প্রদত্ত কমিশন বাবদ অর্থ সংশ্লিষ্ট রাজনীতিক বা আমলার বিদেশের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি জমার মাধ্যমেও অর্থ পাঁচার করা হয়। চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে অর্থ পাঁচারের পরিমাণ যে আশংকাজনক হারে বাড়ছে তা বাজারে ডলারের বিনিময় হার থেকেই বোঝা যায়, বিনিযোগ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেলেও ডলারের বাজার তেমনভাবে পড়েনি। আশ্চর্যজনকভাবে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিনিয়োগ এবং রপ্তানি হ্রাস পেলেও মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি বেড়ে যাওয়ার অর্থ হলো, ওভারইনভয়েসের মাধ্যমে দেশীয় অর্থ ব্যাপকভাবে বাইরে পাঁচার হচ্ছে। কারণ, অনিশ্চয়তার এ সময়ে কোনো বিনিয়োগকারী নতুন কারখানা স্থাপন বা পুরনো যন্ত্রপাতি পরিবর্তনে আমদানির জন্য বৈদেশিক মুদ্রা পানিতে ফেলবে না। ২০১২ এবং ২০১৩ সালে বাংলাদেশ থেকে পাঁচারকৃত অর্থের প্রধান উৎস হলো কমিশন বাণিজ্য, শেয়ার বাজার থেকে লুন্ঠনকৃত অর্থ, টেলিযোগাযোগ খাতের লাইসেন্স বিক্রি, রেন্টাল বিদ্যুত সংক্রান্ত চুক্তির কমিশন এবং জ্বালানি খাত থেকে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ অন্যতম। ইতিমধ্যে বিভিন্ন সূত্রে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং মন্ত্রী সহ প্রায় ২০জন বাংলাদেশি বড় ব্যবসায়ী নিজ নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে “কর স্বর্গ” বলে পরিচিত যেমন জার্সি দ্বীপ এবং বৃটিশ ভার্জিন দ্বীপসমূহে (নিউ এজ, জুলাই ২০১৩) এবং একইসঙ্গে সিঙ্গাপুর, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, কানাডা এবং দুবাই এ বিভিন্ন বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঁচার করা হয়েছে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের তথ্যানুযায়ী, কানাডা, ইংল্যান্ড এবং সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠানোর হার গত কয়েক মাসে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ সমহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থ নীতি নির্ধারকদের খুবই ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি বা বন্ধুর বিদেশি মুদ্রার ব্যাংক হিসাবে জমা হয়। সাম্প্রতিক পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান এবং শ্রীলংকায় ক্ষমতাসীন ব্যক্তিরাও ব্যাপকভাবে অর্থ পাঁচারের সঙ্গে জড়িত।

সরকারের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে ব্যাপক ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির সঙ্গে জড়িত সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, উচ্চ পদস্থ আমলা, ব্যবসায়ীসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ এবং মধ্যম সারির নেতা সহ ব্যাপক সংখ্যক ব্যক্তি গত ২ বছরে কানাডা, আমেরিকা, সিঙ্গাপুর, দুবাই, মালয়েশিয়া এবং ভারতে নাগরিকত্ব গ্রহণ বা বিনিয়োগ করছেন। এক্ষেত্রে ‘বিনিয়োগ’ ক্যাটাগরির আওতায় যুক্তরাজ্য, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাচ্ছে। মালয়েশিয়ার পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ‘মালয়েশিয়া মাই সেকেন্ড হোম’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশি নাগরিকদের এ সুবিধা গ্রহণের হার বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ এখন ৬ষ্ঠ থেকে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে।ওই হিসাব মতে, গত পাঁচ বছরে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যবসায়ী এবং আমলা ২০০৭ সাল থেকে ২০১৩ এর জুন পর্যন্ত সর্বমোট ১,০১২ জন বাড়ি অথবা ফ্লাট কিনেছেন। মালয়েশিয়া সরকারের তথ্য মতে, ‘সেকেন্ড হোম’ সুবিধার আওতায় মালয়েশিয়ার ব্যাংকে গচ্ছিত প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা জমাসহ ফ্লাট বাড়ি এবং গাড়ি ক্রয় সহ অন্যান্য খরচ মিলে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে পাঁচার হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে, বহুজাতিক কোম্পানিও কর ফাঁকির মাধ্যমে এর মুনাফা পাঁচার করে থাকে। একটি হিসাবে বলা হয় যে, উন্নত দেশগুলো ১০০ বিলিয়ন ডলার উন্নয়ন সহায়তা দিলেও উন্নয়নশীল দেশসমূহ থেকে এদের মালিকাধীন বহুজাতিক কোম্পানি সমূহ প্রায় ১৪০ বিলিয়ন ডলারের সমাপরিমাণ অর্থ কর ফাঁকির মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত নিয়ে যায়।

বিদেশে পাঁচারকৃত অর্থের একটা অংশ অনেক সময় বৈধ করতে বিশেষকরে রাজনৈতিক বিবেচনায় ২০১৩ সালে অনুমোদন প্রাপ্ত ব্যাংকমূহে মূলধনের যোগান দিতে সরকারি দলের মন্ত্রী, এমপি এবং ব্যবসায়ীরা পাঁচারকৃত অর্থ রেমিটেন্স হিসাবে বাংলাদেশে ফেরত এনেছে। অনেক ক্ষেত্রে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাও নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের জন্য অবৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে প্রবেশ করা সম্পর্কে লন্ডনভিত্তিক ‘ইকনোমিষ্ট’ পত্রিকা সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করে এবং পত্রিকাটি দাবি করে। এছাড়াও, হুন্ডির মাধ্যমেও বিদেশে অর্থ পাঁচার হচ্ছে ব্যাপকভাবে। অনেকক্ষেত্রে ২৩ দিনের নোটিশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৩৪ কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে পৌছানো যায়। এভাবেই একদিকে কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে রাজস্ব বাজেট থেকে ভর্তুকি বা উন্নয়ন বরাদ্দের টাকা লুটপাট করছে, অন্যদিকে এসব অর্থ দেশের ভেতরে বিনিয়োগ না করে উল্টো রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির মাধ্যমে বিনিয়োগ বন্ধ করে, দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ বিদেশে পাঁচার করছে। জাতি এ অবস্থার পরিত্রাণ চায়। প্রকৃতপক্ষে অর্থ পাঁচার রোধে জরুরি ব্যবস্থা না নিলে এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে বিদেশে রপ্তানি বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমাদের অর্থনীতিকে মধ্যম আয়ের দেশের অর্থনীতিতে পরিণত করার স্বপ্ন দু:সপ্নই থেকে যাবে।।

১টি মন্তব্য

  1. যাকির হাসান

    গত পাঁচ বছরে কতগুলো বিষয় জনগণের কাছে পরিস্কার হয়েছে আওয়ামী লীগ দেশ শাসন না করে ডাকাতি করলে ভাল করবে (ওই কাজে আইন, কানু্‌ন, শাসনতন্ত্র, গনতন্ত্র, মানবাধিকার কিছুরই দরকার নাই।লুটপাটের দক্ষতা সেই সাথে চোপার জোর) ।প্রতিবেশী ভারত ডাকাতের বন্ধু জনগনের নয়।ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা লীগদের হাতে নিরপদ নয় কিন্তু বাস্তবে ধর্মীয় সংখ্যাগুরুরা তার চাইতে বেশি অনিরাপদ।আমরা জনগন, বিরধি দল ও সুশিল সমাজ বুদ্ধি প্রতিবন্ধি, দালাল, ভাঁড় ও সুবিধাবাদী প্রকৃতির; যারা জ্ঞানী তাদের আধিকাংস নীরবতাকে প্রতিবাদের ভাষা মনে করেন।