Home » রাজনীতি » বৈধতার প্রশ্ন :: নির্বাচন আর শপথ নিয়ে

বৈধতার প্রশ্ন :: নির্বাচন আর শপথ নিয়ে

ইকতেদার আহমেদ

voting-2014সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে যে বিধান করা হয়েছে তা হলোমেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভেঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভেঙ্গে যাওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে এবং মেয়াদ অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভেঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভেঙ্গে যাওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি প্রথমোক্ত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সংসদ বহাল থাকাবস্থায় এ নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে যে সকল আইন ও বিধিবিধান রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোগণ প্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২, নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮, আচরণ বিধিমালা, ২০০৮, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিধিমালা, ২০০৮, নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১ প্রভৃতি।

সংসদ সদস্যগণ সাংবিধানিক পদধারী। শপথ গ্রহণ ব্যতিরেকে তাঁরা কার্যভার গ্রহণ করতে পারেন না। সংবিধানের বর্তমান বিধান অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্যের নির্বাচিত হওয়া মর্মে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ করতে হয়। ৮ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনে ২৯০ জন সংসদ সদস্যের নির্বাচিত হওয়া মর্মে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে এবং তারা বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণ করেছেন। বর্তমান সংসদ নির্বাচন সংবিধানের অনুচ্ছেদ নং ১২৩()() এর বিধান অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হওয়ায় নবম সংসদটি আপনাআপনিভাবে ২৪ জানুয়ারি ভেঙ্গে যাবে। অনুচ্ছেদ নং ১২৩ এর শর্তাংশ অনুযায়ী নবম সংসদের মেয়াদ অবসানের আগে দশম সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের কার্যভার গ্রহণের সুযোগ নেই। কিন্তু ৮ জানুয়ারি দশম সংসদে সদস্যদের নির্বাচিত হওয়া সংক্রান্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার কারণে দেখা যাচ্ছে নবম সংসদ ভেঙ্গে যাওয়ার পূর্বেই দশম সংসদে নির্বাচিত সংসদ সদস্যগণ শপথ গ্রহণ করছেন। এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ নং ১২৩ এর শর্তাংশের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। অনুরূপভাবে সংবিধানের বর্তমান বিধানাবলীর আলোকে দশম সংসদ নির্বাচন ১২৩()() অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হওয়ায় বর্তমান সংসদের মেয়াদ অবসানের আগে অর্থাৎ ২৪ জানুয়ারি, ২০১৪ এর পূর্বে সংসদ ভেঙ্গে দেয়া অথবা ভেঙ্গে না দিয়ে নতুন মন্ত্রীসভা গঠন উভয়টির কোনটিই বাস্তবসম্মত নয়। কিন্তু নেহায়াত সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে এর বিপরীতে অবস্থানকে কোন ভাবে আইনসম্মত বলা যাবে না।

উপরোক্ত আইন ও বিধিমালাসমূহের বিধানাবলী সংবিধানের বিধানাবলীর আলোকে প্রণীত হওয়ার আবশ্যকতা থাকলেও সকল ক্ষেত্রে তা যে অনুসৃত হয়েছে এমনটি দাবি করা বোধকরি সঙ্গত হবে না। বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে এবারই প্রথম বারের মতো সংসদ সদস্যগণ পদে বহাল থাকাবস্থায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। যদিও সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীগণকে স্বপদে বহাল থাকাবস্থায় প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকা সত্ত্বেও সংসদ সদস্যের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতার জন্য যোগ্য করা হয়েছে কিন্তু সংসদ সদস্যদেরকে যোগ্য করা হয়নি। সংসদ সদস্যগণ ওই পদধারীদের মতো সরকারের নিকট হতে বেতনভাতা, পারিশ্রমিক ও সুবিধাদি গ্রহণ করার কারণে সংসদ সদস্যদের পদকে প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদ না বলার যুক্তিগ্রাহ্য কোন কারণ আছে মর্মে প্রতীয়মান হয় না। বর্তমান দশম সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন ও সীমিত প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের অতি অল্প সংখ্যক ব্যতীত অপর সকলে সংসদ সদস্য পদে বহাল থাকাকালীণ নির্বাচিত হয়েছেন। সুতরাং আইনগতভাবে এ সকল সংসদ সদস্যদের নির্বাচন কতটুকু বৈধ হয়েছে সে প্রশ্নটির সূরাহা জরুরী। দশম সংসদ নির্বাচনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য পদে বহাল থেকে যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তাদের সাথে কোন ধরণের পদধারী নয় এমন যারা প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন, এদের উভয়ের জন্য নির্বাচনে সমসুযোগ সম্বলিত মাঠ যে ছিল না এ প্রশ্নে কোন বিতর্কের অবকাশ নেই বললেই চলে। আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার ৪টি মূলনীতির অন্যতম একটি হলো গণতন্ত্র। সংবিধানের প্রস্তাবনায় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমাজ বিনির্মাণের ওপর গুরত্বারোপ করা হয়েছে।

সংবিধানের ৬৫() অনুচ্ছেদে একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে সংসদ গঠনের বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। এর অতিরিক্ত সংবিধানের সর্বত্র জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। গণতান্ত্রিক শাসন হলো এমন এক শাসন যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ওপর ভিত্তি করে সরকার পরিচালিত হয়। দশম সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৩টি আসনে আওয়ামী লীগ ও মহাজোটভুক্ত অন্যান্য দলের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে গণ প্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এ বলা হয়েছেযখন মনোনয়নপত্র বাছাই পরবর্তী দেখা যায় যে, একটি নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচনের জন্য শুধু একজন বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী রয়েছেন অথবা যখন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে শুধুমাত্র একজন অবশিষ্ট থাকে তখন রিটার্নিং অফিসার গণ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে উক্তরূপ প্রার্থীকে নির্বাচনী এলাকা থেকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন এবং নির্বাচন কমিশনের বরাবরে তৎমর্মে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবেন। স্পষ্টতঃ গণ প্রতিনিধিত্ব আদেশের এ বিধানটি সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং অনুচ্ছেদ নং ৬৫() এর সাথে সাংঘর্ষিক। আর এ ধরণের সাংঘর্ষিকতার ক্ষেত্রে সংবিধানের প্রাধান্য যে অক্ষুণ্ন থাকে সে প্রশ্নে কোন বিতর্কে নেই। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত নির্বাচনের তফসিল পর্যালোচনায় দেখা যায় ঋণ খেলাপি হিসেবে ঘোষিত ব্যক্তিদের টাকা জমা দেয়া ও তাদের মনোনয়নপত্র দাখিলের মধ্যে ৭ দিনের সময় দেয়ার বিধান থাকলেও তা অনুসৃত হয়নি।

জাতীয় সংসদের যে সকল নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ ছিল বিশেষতঃ ৫ম, ৭ম, ৮ম ও ৯ম এ চারটি সংসদের কোনটিতেই একজন প্রার্থীরও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ ঘটেনি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সংসদের মোট আসন সংখ্যার অর্ধেকেরও বেশী সংখ্যক আসনে নির্বাচিত হওয়ার নজির শুধু আমাদের দেশ কেন পৃথিবীর অন্যত্রও বিরল। এ ধরণের নির্বাচিত প্রার্থীকে সংবিধানের ৬৫() অনুচ্ছেদের চেতনার আলোকে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বা সংবিধানের প্রস্তাবনার আলোকে জনআকাঙ্খার প্রতিফলনে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বলার অবকাশ আছে কি? প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন ১৫৩টি আসন ছাড়া অবশিষ্ট যে ১৪৭টি আসনে ৫ জানুয়ারি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় তার চিত্র দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল এবং অনলাইন পত্রিকাসমূহের তাৎক্ষণিক পরিবেশিত সংবাদের বদৌলতে দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। এ সকল চিত্র হতে যে ধারণা পাওয়া যায় তা হলোকিছু সংখ্যক ভোট কেন্দ্র ছিল ভোটার শূন্য, বেশকিছু কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবইনগণ্য, যে সকল কেন্দ্রে স্বল্প সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি ঘটেছে সে সকল কেন্দ্রের বাইরেও ভোটারদের কোন লম্বা লাইন প্রত্যক্ষ করা যায়নি, লাইনের মধ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক অনেক যুবকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, ভোট কেন্দ্রের অভ্যন্তরে জালভোট দেয়া এবং ব্যালট পেপারে সীল দেয়ার ক্ষেত্রে কার্যসাধনকারীদের কোন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে দেখা যায়নি। নির্বাচন সমাপ্ত পরবর্তী দেখা গেল দেশীয় যে সকল সংস্থা নির্বাচন প্রত্যক্ষ করেছে সে সকল সংস্থার মধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এমন দু’টি সংস্থা যথাFEMA (Fair Election Monitoring Alliance) এবং বিচারপতি কে এম সোবহান প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নির্বাচনে ভোট প্রদানের হার ১০ শতাংশের নিম্নে উল্লেখ করছে। এ বিষয়ে ২৯টি পর্যবেক্ষণ সংস্থা সমন্বয়ে গঠিত EWG (Election Working Group) নির্বাচনের পরবর্তী দিন আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে জাতীয় প্রেস ক্লাবে নির্বাচনে ভোট প্রদানের হার ৩০ শতাংশের বেশী হয়েছে এমন দাবি করলে সাংবাদিকদের প্রশ্নবানে জর্জড়িত হয়ে আয়োজকরা তড়িঘড়ি সভা সমাপ্তি ঘোষণা করেন। নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না নেয়া প্রধান বিরোধী দলের মুখপাত্র নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন করে ভোট প্রদানের হার শতকরা ৪ থেকে ৫ ভাগ মর্মে উল্লেখ করেন।

অতীতে দেখা গেছে জাতীয় সংসদের প্রতিটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ পর্ব সমাপ্ত পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন হতে ঘোষণা দেয়া হতো সামগ্রিক ভোটারের কত শতাংশ ভোটার ভোট প্রদান করেছে। এই নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেখা গেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার দুপুরের দিকে সাংবাদিকদের বলেছিলেন সন্ধ্যা নাগাদ তিনি ভোট প্রদানের হার বিষয়ে তথ্য দিতে পারবেন। কিন্তু দেখা গেল নির্বাচনের দ্বিতীয় দিনের মাথায় অপরাহ্নে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ হতে বলা হলো ভোট প্রদানের হার শতকরা ৪১ ভাগের কাছাকাছি। ভোট প্রদানের হার বিষয়ে যে পাঁচটি তথ্য পাওয়া গেছে তার প্রথমোক্ত দু’টি সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও অপর তিনটির একটির সাথে অপরটি কোনভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাছাড়া দেশের সাধারণ জনমানুষ স্বচক্ষে এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে যা দেখতে ও জানতে পেরেছে তার সাথেও বিশেষত EWG ও নির্বাচন কমিশন কর্তৃক দেয় ভোট প্রদানের হার সংক্রান্ত তথ্য সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

দশম সংসদ নির্বাচনটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট গ্রহণের পূর্বেই নির্বাচনে কোন দল বিজয়ী হতে যাচ্ছে সে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাওয়ায় এবং নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ হবে এমন নিশ্চয়তা না থাকায় বিদেশী বিভিন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অপারগতা প্রকাশ করে। এমতাবস্থায় নির্বাচন কমিশনের অর্থায়নে ভারত ও ভূটান হতে দু’জন করে চারজন পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে নির্বাচনের দিন সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও ভোটার উপস্থিতি বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কি প্রতিবেদন দিবেন তা জানা না গেলেও ইতোমধ্যে দেশীয় ও বিদেশী প্রচার মাধ্যমসমূহে নির্বাচন বিষয়ে যে সকল সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তাতে দেখা যায় নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ না হওয়ায় এর গ্রহণযোগ্যতা মারাত্বকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। এ বাস্তবতায় ভারত ও ভূটানের পর্যবেক্ষকদের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন ইতিবাচক হলেও তা ইতোমধ্যে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচন সংক্রান্ত খবরের ওপর কোন ধরণের প্রভাব ফেলবে না। এ কথাটি অনস্বীকার্য যে, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার কথা বলে প্রতিদ্বন্দ্বীতাহীন নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকারটি গঠিত হতে যাচ্ছে এর নৈতিক ভিত্তি হবে খুবই দুর্বল।।

(সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক)

E-mail: iktederahmed@yahoo.com