Home » রাজনীতি » ‘বিরোধী দল প্রতিরোধে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থাই তারা নেয় না’

‘বিরোধী দল প্রতিরোধে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থাই তারা নেয় না’

subrata-chowdhury-1অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ হিন্দুবৌদ্ধখ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, এর জন্য তার মতে কারা দায়ী এবং সরকারের ভূমিকা প্রশ্নে খোলামেলা মতামত দিয়েছেন আমাদের বুধবারএর সঙ্গে।

আমাদের বুধবার: সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতাসহ গত কিছুদিন ধরে এ ধরনের ঘৃণ্য ঘটনাবলী ঘটছে। এর কারণ কি বলে আপনি মনে করেন?

সুব্রত চৌধুরী: একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাকিস্তান রাষ্ট্রটির সাম্প্রদায়িকতা এবং ধর্মান্ধ রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়াইসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ আমরা করেছিলাম একটি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য। ১৯৭২এর সংবিধানে আমরা তার প্রতিফলনও দেখেছিলাম। কিন্তু ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যদিয়ে আমাদের সে অর্জনগুলো একে একে দূরীভূত হতে থাকে। আর এগুলো পরবর্তীকালে হয়েছে বিভিন্ন সামরিক ও স্বৈরাচারী শাসনের এবং শাসকদের মাধ্যমে। সংবিধানে বিসমিল্লাহ সংযোজন করলেন জেনারেল জিয়া সামরিক ঘোষণার মাধ্যমে। এরপর আরেক সেনা শাসক জেনারেল এরশাদ রাষ্ট্র ধর্ম সংবিধানে সংযোজন করলেন। সুতরাং সংবিধানের ওই সব সংশোধনের পরে নানা সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটতে লাগলো সামরিক শাসনের মধ্যে, যেমন ১৯৮৮ সালে, ১৯৯০ সালে। আর এটা ঘটানো হয়েছিল জনগণের দৃষ্টিকে অন্যদিকে ফেরানোর জন্য। ১৯৯২ সালে বাবরী মসজিদ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও সাম্প্রদায়িক সহিংস ঘটনা ঘটলো, যখন বিএনপি ক্ষমতায়। আর তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদ ছাড়া সাধারণভাবে এ ধরনের ঘটনা ঘটে না। ২০০১ সালে যে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটলো তখন বিএনপিজামায়াত ক্ষমতায় এসেছে। ওই সময় শত শত মাবোনের উপরে অত্যাচার, ঘরবাড়ি জ্বালানো, নিপীড়ননির্যাতনের ঘটনা ঘটলো। এরও কোনো বিচার আমরা পায়নি। বর্তমান সরকার ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসে ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে, দিনবদলের কর্মসূচি উপস্থাপনের মধ্যদিয়ে। সবাই আশাবাদী ছিল, এবারে সুযোগ এসেছে ১৯৭২এর সংবিধানে ফিরে যাবার এবং বাংলাদেশের মাটিতে কোনো সাম্প্রদায়িক সহিংসতা আর ঘটবে না এমনটাই প্রত্যাশা ছিল। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে চাই, ২০১১ সালে পঞ্চম সংশোধনীর রায়ের মধ্যদিয়ে ১৯৭২এর সংবিধানে ফিরে যাবার সুযোগ সৃষ্টি হলো। কিন্তু এ সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীতে বিসমিল্লাহ রেখে দিল, রাষ্ট্র ধর্মও থাকলো, আবার রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতিও সংবিধানে আসলো। সুতরাং সংবিধানের মধ্যে একটা সাংঘর্ষিক অবস্থা নিয়ে আসা হলো। আমার মনে হয় এমন সাংঘর্ষিক অবস্থা দূরীভূত করা না গেলে, আমরা মুখে যতোই বলি এবং রাষ্ট্রের কর্ণধাররা যতো কথাই বলেন পাকিস্তানী ভাবাদর্শের সংবিধান দিয়ে বাংলাদেশে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। তারই প্রতিফলন আমরা ২০১২ থেকে দেখতে শুরু করেছি। প্রথমত. চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ঘটনা ঘটলো। সরকারকে আমরা বললাম, এ ঘটনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে, দায়ী ব্যক্তিদের যথোপযুক্ত শাস্তি বিধানের জন্য। কিন্তু সে সময় কোনো পদক্ষেপ সরকারকে নিতে দেখলাম না। এরপর সাতক্ষীরাতে দুই তিনটি গ্রামে অনেক ঘটনা ঘটলেও কোনো ব্যবস্থা সরকার নেয়নি। ওই বছরই আবার ঘটলো দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের ঘটনা। অথচ প্রশাসন কোনো ব্যবস্থাই নিল না। এটা ২০১২ সালের ঘটনা। আমরা আবারও সরকারকে বললাম, এসব ঘটনার যদি বিচার না করা হয়, যদি দায়মুক্তি দেয়া হয় তাহলে ভবিষ্যতে এই প্রবণতা দৈত্যাকার রূপে আবির্ভূত হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় বিশেষ করে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার রায়ের পরে যখন দেশজুড়ে শত শত ঘটনা ঘটলো, কয়েকজনকে হত্যা করা হলো তখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হলো না। রামু, টেকনাফ, উখিয়ায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উপরে হামলা হলো, তাদের সব উপসনালয় ভেঙে পুড়িয়ে দিল, চারশ বছরের বৌদ্ধ কৃষ্টিকে গুড়িয়ে দিল, অথচ প্রশাসন, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করলো, প্রতিরোধের কোনো চেষ্টাই তারা করলো না। সাথিয়ায় সরকারী দলের ছত্রছায়ায় লুটপাটঅত্যাচার করা হলো। কোনো ব্যবস্থা নেয়া হলো না। আমরা সবাই যে বলি, সমস্ত ঘটনায় জামায়াতশিবির, বিএনপি জড়িত আছে। আমাদের প্রশ্ন, তারা জড়িত আছে বলে কি তাদের দায়মুক্তি দিতে হবে? কোনো কোনো জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যুক্ত এটা আমরা জানি। আবার কোনো কোনো জায়গায় সর্বদলীয়ভাবে এসব ঘটনা ঘটানো হয়। অথচ কারো বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না। তাহলে বারবার ঘটনা ঘটবে, প্রশাসনআইনশৃঙ্খলাবাহিনী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে। সরকারকে বলতে চাই বিগত সরকারগুলো যেমন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে, এখনকার সরকারও অতীতের মতো নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

আমাদের বুধবার: সরকার সংবিধানে কেন সাংঘর্ষিক অবস্থা বজায় রেখেছে?

সুব্রত চৌধুরী: আমার মনে হয় সরকারের সদিচ্ছার অভাব। সরকার যদি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করতো তাহলে বঙ্গবন্ধুর ১৯৭২এর সংবিধানে অবশ্যই ফেরত যেতো। মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এটা এখন প্রধান অন্তরায়। এই সরকার বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। এরা মুখে বলে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের কথা, কিন্তু বাস্তবে অনেক কিছু করে যা ওই চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাদের কোনো দায়বদ্ধতা আছে বলে মনে করি না।

আমাদের বুধবার: সাম্প্রদায়িকতার ক্ষেত্রেও সরকারের ভূমিকা কি তেমনই?

সুব্রত চৌধুরী: সরকার কোনো কঠিনকঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সরকার মুখে মুখে অনেক কথা বলে, এটা কথার কথা। তারা সাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাসী নয় এবং ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে নানা কথা বলে। কিন্তু দেখুন, এবারে যে এক পক্ষীয় একটি নির্বাচন হলো সেখানে সরকারই পক্ষ আবার সরকারই বিপক্ষ এবং তাদের সহযোগীরা। এখানে অন্য কোনো শক্তি তো নির্বাচন করেনি। মাত্র কয়েকটি আসনে অর্থাৎ ১৪৭টি আসনে নির্বাচন হলো। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হলো এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপরে অত্যাচারনিপীড়ন করা হলো। তারা তো ভোট দিতে গেছে তাদেরকে, পক্ষে দিক বিপক্ষে দিক তাদেরকেই তো ভোট দিতে গেছে। সেখানে যারা সরকার দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থকরা আছে তারা বিরোধী দলীয় আন্দোলনকে ঠেকানোর জন্য যেভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকে ব্যবহার করেছে এবং করছে লাঠিসোটা, কাঁদানে গ্যাস, জলকামান দিয়ে, সেখানে সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধে আজ পর্যন্ত কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিয়ে সে ধরনের কোনো ব্যবস্থা তো নিতে দেখিনি। বিরোধী দল প্রতিরোধে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা প্রতিরোধে কোনো ব্যবস্থাই তারা নেয় না। কোনো লাঠিসোটা নেই, টিয়ার গ্যাস নেই, জলকামান নেই, সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধে সামান্য প্রতিরোধও নেই। সাম্প্রদায়িকতা প্রতিহত করায়, জানমালের নিরাপত্তা বিধানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকলেও আমরা দেখছি, সরকারী ভাবে কোনো ব্যবস্থাই নেয়া হচ্ছে না।

আমাদের বুধবার: তাহলে কি আপনি বলতে চাইছেন সরকার সাম্প্রদায়িকতাকে কৌশলে মদদ দিচ্ছে?

সুব্রত চৌধুরী: হ্যাঁ, পূর্বতন সরকার, ৮০ দশক এবং ৯০ দশকের সরকারগুলোর যে প্রচ্ছন্ন মদদসহযোগিতায় সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল এবং ওই সময় আমরা কোনো ন্যায় বিচার পাইনি। এখনো দেখছি যে, ঘটনা ঘটে যাচ্ছে গত ৩ বছর ধরে, কোনো ঘটনায়, কোনো আসামীকে, সঠিক আসামীকে চিহিৃত করে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানো হয়নি। যে মামলামোকদ্দমাগুলো হয়েছে সেগুলো নিয়ে অনেক দীর্ঘসূত্রিতা হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষকে আসামী করে গ্রেফতার বাণিজ্য চলছে। আসল যারা আসামী তাদেরকে চিহিৃত করে সন্ত্রাস দমন আইনে দ্রুত বিচার করতে হবে, কিন্তু বারবার বলা সত্ত্বেও তা করা হচ্ছে না। ৫ জানুয়ারি থেকে একের পর এক ঘটনা ঘটছে সারা দেশে। শুধুমাত্র ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাই নয়, জাতিগত সংখ্যালঘু, আদিবাসীরা এখন আর নিরাপদ নয়। সরকারের কাছে আহবান জানাবো, সন্ত্রাসী যেই হোক না কেন বিএনপিজামায়াত, আওয়ামী লীগ যেই হোক ব্যবস্থা নিন, এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে।

আমাদের বুধবার: সাম্প্রদায়িক সহিংসতার যে ঘটনাগুলো ঘটেছে তার জন্য কাকে দায়ী করছেন?

সুব্রত চৌধুরী: দেখুন, আমরা যেটা রামুতে দেখলাম সেখানে বিএনপি, জামায়াতশিবির, আওয়ামী লীগ সকলে মিলেই এটা করেছে। সরকারী দলের সম্পৃক্ততা দেখলাম পাবনার সাথিয়াতে। ইদানীং নির্বাচনকালীন যে ঘটনাগুলো ঘটছে সেখানেও জামায়াতশিবির অবশ্যই জড়িত এবং এর পাশাপাশি বেশ কিছু ঘটনা আওয়ামী লীগের পক্ষবিপক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কারণে ঘটছে বলে আমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমি সরকারকেই দায়ী করতে চাই, কারণ সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে দেশের সকল নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা দেয়া। কিন্তু সরকার এতে পুরোপুরি ব্যর্থ। আর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে নির্বাচনকালীন সময়ে প্রায় ৫ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী মাঠে থাকার কথা। সেনাবাহিনী ছিল, যৌথ বাহিনী ছিল। অথচ নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন পরবর্তী যে সাম্প্রদায়িক সহিংস ঘটনাগুলো ঘটলো তাতে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। কোনো একটি ঘটনায়ও তারা কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারেনি।

আমাদের বুধবার: এসব ঘটনায় সমাজের প্রান্তিক মানুষেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর কারণ কি।

সুব্রত চৌধুরী: এর কারণ হচ্ছে, তারা সমাজের সবচেয়ে দুর্বলতর শ্রেণী। অভয়নগর, মনিরামপুর, দিনাজপুরসহ অনেক জায়গায়ই দেখা গেছে তারা ঋষি পাড়া, দলিতসহ অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণীর উপরে অত্যাচার করেছে। কাজেই আমরা যারা ক্ষতিগ্রস্ত নই, আমাদের প্রতিবাদপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। প্রগতিশীল মানুষের কাছে আবেদন জানাবো, ব্লেইম গেইম বা দোষাদোষি না করে অর্থাৎ দায় এড়ানোর জন্য জামায়াত, বিএনপি আবার অন্যদিকে সরকারের উপরে দোষ চাপানোর ব্যবস্থা বাদ দিয়ে প্রকৃত অপরাধী যাতে শাস্তি পায় সে লক্ষ্যে প্রতিবাদ জানানোটাই এ মুহূর্তের জরুরি কর্তব্য। বাস্তবে দেখছি, ঘটনা ঘটার পরে সরকারসহ অনেকে অনেক কথা বলেন, পাহারার ব্যবস্থা করেন। অথচ ঘটনা ঘটার সময়ে সরকার এবং তার প্রশাসন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। এটা বন্ধ করতে হবে।

আমাদের বুধবার: আপনি কি তাহলে বলতে চান, সরকার রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্যই এমনটা করছে।

সুব্রত চৌধুরী: কিছু হচ্ছে দুর্বলতর শ্রেণীর জায়গাজমি, তাদের সম্পদ লুট করার জন্য, আরেকটি বিষয় হচ্ছে জামায়াতশিবির, বিএনপি যা করে তা প্রচার করে সরকার বিশ্বকে দেখাতে চায় যে, এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদপ্রতিরোধ করতে হলে বর্তমান সরকারের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। না হলে তাদের দমানো যাবে না। কিন্তু বাস্তবে এর মাধ্যমে ধর্মীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীই মারাত্মক ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে পারে না।

আমাদের বুধবার: আপনাকে ধন্যবাদ।।