Home » রাজনীতি » দলীয় সরকারের অধীনে কেন নির্বাচন নয়?

দলীয় সরকারের অধীনে কেন নির্বাচন নয়?

ইকতেদার আহমেদ

political-cartoons-24বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় এ যাবৎকাল দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রতিটি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল জয়ী হয়েছে,অপরদিকে অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রতিটি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল পরাভূত হয়েছে। আমাদের বর্তমান বড় দু’টি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র একের ওপর অপরের অনাস্থা ও অবিশ্বাস এত বেশী যে মূলতঃ এ কারণেই এক দল অপর দলকে নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়।

এ বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই যে, নির্দলীয়, অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গণতন্ত্রের চিন্তাচেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং সে নিরীখে এ সরকার ব্যবস্থাটি সংবিধানের সাথে যে সাংঘর্ষিক হবে সে বিষয়ে অনেকেই দ্বিমত পোষণ করেন না। আমাদের দেশে ১৯৯৬এর সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয় তখন পৃথিবীর অন্য কোন দেশে এ ধরণের ব্যবস্থার অস্তিত্ব ছিল না। এরপর দেখা গেছে আমাদের এ উপমহাদেশের রাষ্ট্র নেপাল ও পাকিস্তান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত উন্নত রাষ্ট্র গ্রীস ও ইটালীতে অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আমাদের দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তনের স্বপক্ষে যে দলটি সবচেয়ে বেশি সোচ্চার ছিল দুঃখজনক হলেও সত্য সে দলটি জনমত উপেক্ষা করে একতরফাভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি বাতিল করেছে। অপরদিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন পূর্ববর্তী যে দলটির অবস্থান এর বিপক্ষে ছিল বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল পরবর্তী এর পুনঃপ্রবর্তনে এ দলটি সবচেয়ে বেশি সোচ্চার।

সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে দু’টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং উভয় নির্বাচনে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নিযুক্ত হয়েছিলেন। ত্রয়োদশ সংশোধনীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন সে বিষয়ে পর্যায়ক্রমিকভাবে একটির পরিবর্তে অপরটি এ ধরণের ছয়টি বিকল্প ছিল। প্রথম বিকল্পটিতে বলা ছিলঅবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিগণের মধ্যে যিনি সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত হয়েছেন রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ করবেন, দ্বিতীয় বিকল্পটিতে বলা ছিলতিনি অসম্মত হলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির অব্যবহিত পূর্বে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হবেন, তৃতীয় বিকল্পটিতে বলা ছিলউক্ত রূপ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি না পাওয়া গেলে আপিল বিভাগের বিচারকদের মধ্যে যিনি সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি প্রধান উপদেষ্টা পদে নিয়োগ লাভ করবেন, চতুর্থ বিকল্পটিতে বলা ছিলউক্ত রূপ অবসরপ্রাপ্ত বিচারক না পাওয়া গেলে আপিল বিভাগের সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত অনুরূপ বিচারকের অব্যবহিত পূর্বে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক প্রধান উপদেষ্টা পদে নিয়োগ লাভ করবেন, পঞ্চম বিকল্পটিতে বলা ছিলআপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কোন বিচারককে না পাওয়া গেলে রাষ্ট্রপতি প্রধান রাজনৈতিক দলসমূহের সাথে আলোচনাক্রমে সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য এমন এক ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টা পদে নিয়োগ প্রদান করবেন ও ষষ্ঠ বিকল্পটিতে বলা ছিলউপরোক্তভাবে প্রধান উপদেষ্টা পদে নিয়োগ না দেয়া গেলে রাষ্ট্রপতি তাঁর নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। ৮ম সংসদ নির্বাচন পরবর্তী দেখা গেল সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগের নিকট গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় এবং এর পরবর্তী বিকল্পসমূহের ব্যক্তিগণ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলের কাছে সমভাবে গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ৬ষ্ঠ বিকল্পের পূর্ববর্তী সকল বিকল্প নিঃশেষিত না করে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানরূপে আবির্ভুত হয়েছিলেন। সে তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাঁর দায়িত্ব শেষ করার পূর্বেই অসাংবিধানিক সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হয়েছিল। এখানে উল্লেখ্য যে, সংবিধানে চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের অবসরের বয়স নিজ মতাদর্শের ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টা করার প্রয়াসে ৬৫ হতে ৬৭ তে উন্নীত করা হলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান দলীয় ব্যক্তির আবরণে আবৃত হন। মূলতঃ সে কারণেই ৮ম সংসদের মেয়াদ অবসান পরবর্তী ৯ম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সাংবিধানিক পন্থায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা যায়নি।

কর্মরত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৫ম সংসদ নির্বাচন এবং সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ৭ম ও ৮ম সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিজীত অব্যবহিত পূর্ববর্তী ক্ষমতাসীন দলের নিকট গ্রহনযোগ্য হয়নি এবং এ তিনটি নির্বাচনেই বিজীত দল নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছিল। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৯ম সংসদ নির্বাচনটিও বিজীত দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।

অন্তর্বর্তী বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন বিজীত দলের কাছে গ্রহনযোগ্য হয় না এবং এ সকল নির্বাচন সাংবিধানিক শাসনের অন্তরায়এ অযুহাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ স্বীয় দলের শীর্ষ নেতৃত্বের আকাঙ্খাকে বাস্তবায়িত করতে গিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপ সাধন করে দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করে। যদিও বাতিল বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তকে উপলক্ষ হিসেবে দেখানো হয়েছে কিন্তু সে সিদ্ধান্ত সংসদের ওপর বাধ্যকর কিনা সে প্রশ্নটির সুরাহা যেমন জরুরী ঠিক তেমন এ ধরণের সিদ্ধান্ত প্রদানের ক্ষেত্রে সংবিধানের অনুচ্ছেদ নং ৭৮(), ১০২() এবং একজন বিচারকের স্বপঠিত শপথের কোন ধরণের ব্যত্যয় হয়েছে কিনা এ সকল প্রশ্নের নিরসনও জরুরী ছিল। দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ১০ম সংসদ নির্বাচনটি প্রধান বিরোধী দলের বর্জনের মধ্য দিয়ে একতরফাভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনটিতে জনগণের প্রত্যক্ষভোটের জন্য উন্মুক্ত সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৩টি আসনের প্রার্থীগণ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় এবং অবশিষ্ট আসনে প্রকৃত ভোটার উপস্থিতি নগণ্য হওয়ায় দেশের সচেতন মানুষ এবং আন্তর্জাতিক মহলের নিকট নির্বাচনটি গ্রহণযোগ্য হয়নি। বাস্তবক্ষেত্রে এ ধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন, প্রহসনমূলক এবং একতরফা নির্বাচনের আয়োজন করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রধান বিরোধী দল বিএনপির দাবি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হবে নাএ সত্যটি প্রমাণ করলো।

১০ম সংসদ নির্বাচন পরবর্তী নবগঠিত এ সরকারটির মেয়াদ কত দিন হবে এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্নমন্ত্রীর পক্ষ হতে বিভিন্ন ধরণের বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। তবে এ কথাটি অনস্বীকার্য যে, এ নির্বাচনটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রসমূহ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান ও অস্ট্রেলিয়াসহ জাতিসংঘের কাছে গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য একটি মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকারের ওপর যে চাপ অব্যাহত আছে তা উৎরিয়ে উঠা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তাই দেশের স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও সমষ্টির বিষয় বিবেচনায় নিলে যত দ্রুত সম্ভব একটি মধ্যবর্তী নির্বাচনের আয়োজন সরকারের জন্য উত্তম বিবেচিত। এখন প্রশ্নএ নির্বাচনটি অনুষ্ঠানকালীন কোন্ ধরণের সরকার দায়িত্বরত থাকবে? ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং দলীয় সরকার এ ধরণের সরকার নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দেশের বড় দু’টি দলের নিকট সমভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এমতাবস্থায় এমন একটি নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থার উদ্ভাবন করতে হবে যা দু’টি দলের কাছে সমভাবে এবং সর্বতভাবে দেশের জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।

১০ম সংসদ নির্বাচন পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকার বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তি পর্যায়ে বিভিন্ন ধরণের ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছিল। সুপারিশকৃত ব্যবস্থাগুলোতে প্রধান সমস্যা হিসেবে যে প্রশ্নটি আবির্ভুত হয় তা হলো অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানরূপে কে দায়িত্ব পালন করবেন? ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ কোনভাবেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানরূপে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা ছাড়া অপর কাউকে মেনে নিতে অপরাগ। ঠিক এমনই অপরাগ ছিল বিএনপি ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের পূর্ববর্তী এবং এ একটি কারণেই অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারেনি। পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতাসীন সরকার স্বল্প পরিসরে অন্তর্বর্তী সরকার হিসেবে কাজ করে এবং সে সময় এ অন্তর্বর্তী সরকার কোন নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে না। এ সময় এ সকল রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে দেখা যায় নির্বাচন কমিশন প্রকৃত পক্ষেই আস্থাভাজন ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হয়ে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে। আগামী সংসদ নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য এবং প্রকৃতপক্ষে অর্থবহ করতে হলে নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন ব্যতীত যে অন্তর্বর্তী সরকারটি গঠিত হবে তার গঠন কাঠামো বিষয়ে অতীত অভিজ্ঞতা ধারণা দেয় যে, অন্তর্বর্তী সরকারটির প্রধান কে হবেন এর সুরাহা হলে অবশিষ্ট বিষয়ে কোন মত পার্থক্য আসলে থাকে না। অন্তবর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে উভয়দলের যে কোন একজন উভয়দলের নিকট যে গ্রহণযোগ্য হবেন না অতীত অভিজ্ঞতা আমাদের এমনই ধারণা দেয়। সে ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী এ ব্যবস্থাটি আগত দিনে সকল জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনায় প্রযোজ্য হবে এ কথাটি ভেবে রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার বা উভয়দলের প্রস্তাবিত দু’জনের মধ্য হতে একজনকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত করে পর্যায়ক্রমিকভাবে এ তিনটি বিকল্পের যে কোন একটির মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান নিয়োগ পেতে পারেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্যরূপে উভয়দলের স্বার্থ সংরক্ষিত হবে এবং তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি নিয়োগ পাবেন যদি এক দল অপর দলের সংসদ সদস্যগণের মধ্য হতে পাঁচজন করে সর্বমোট দশজনের নাম প্রস্তাব করে। কোন দলকে কোন দফতর দেয়া হবে সেটিকে চিরস্থায়ী রূপও দেয়া যেতে পারে অথবা পরিস্থিতির আলোকে আলাপআলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষভাবে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যয়ে বর্ণিত কাঠামোতে গঠিত হলে সার্বিক বিবেচনায় সফলহবে। বাস্তবতার আলোকে উভয়দলের কাছে গ্রহণযোগ্য এর চেয়ে উত্তম ব্যবস্থা না থাকায় এই ব্যবস্থাটিকে গ্রহণ করতে হবে। আর দলীয় সরকার নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে কেন গ্রহণযোগ্য নয় এ প্রশ্নটিরও সুরাহা হয়ে যাবে।।

(সাবেক জজ, সংবিধান ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক)

e-mail: iktederahmed@yahoo.com