Home » রাজনীতি » প্রয়োজন শক্তিশালী উপজেলা :: রাজনৈতিক কৌশলবাজী নয়

প্রয়োজন শক্তিশালী উপজেলা :: রাজনৈতিক কৌশলবাজী নয়

. তোফায়েল আহমেদ

ballot-paper-12উপজেলা পরিষদ তিন স্তর বিশিষ্ট গ্রামীণ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্যম স্তর। ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে নির্বাচিত স্থানীয় পরিষেদের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন থাকলেও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নিয়ে দ্বিধাসংশয় কাটছে না। নবম জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভকারী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত মহাজোট সরকার দীর্ঘ ১৮ বছরের নীরবতা ভেঙ্গে ১৯৯৮ সালে পাশ করা উপজেলা পরিষদ আইনের আওতায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করে এবং ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইনের আওতায় (অনির্বাচিত) “প্রশাসক” নিয়োগের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে জেলা পরিষদ পূর্ণগঠন বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি পুর্নব্যক্ত করে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পুনরায় তৃতীয়বারের মত সরকার গঠন করেছে। এ নির্বাচন উপলক্ষে ঘোষিত দলীয় নির্বাচনী ইশতেহারে “বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকার” বিষয়ে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ঘোষনা করা হয়। আশা করা যায়, মূলত: তিনটি কারণে ক্ষমতা গ্রহনের প্রথম বছর থেকেই এ বিষয়ে কাজ শুরু হবে আশা করা যায়।

. বর্তমান উপজেলা পরিষদ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসেই মেয়াদ উত্তীর্ণ হতে যাচ্ছে। যেখানে স্বাভাবিকভাবেই নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজন দেখা দেবে। ২. জেলা পরিষদসমূহ পুনর্গঠিত না হলে সরকারের “জেলা বাজেট” কার্যক্রম অর্থহীন হয়ে পড়বে এবং অনির্বাচিত প্রশাসকের অধীনে জেলা পরিষদ একটি অকার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসাবে দীর্ঘদিন টেনে নেয়াও বুদ্ধিমানের পরিচায়ক হবে না। ৩. বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সুশাসনের লক্ষ্যে যে সব সংস্কারের ভাবনা চিন্তা দীর্ঘদিন থেকে করা হচ্ছে, প্রথমবছরে এ সংস্কার সমূহ করা গেলে বাকী চার বছর মেয়াদে তার সুফল লাভ নিশ্চিত হবে।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচন নিয়ে একটি চরমতম বিভক্তি বিদ্যমান। নবম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধদলসহ ১৮দলীয় জোট দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছে। দেশে সরকারী দল এবং তার মিত্র দলগুলোর অংশগ্রহণে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রাপ্ত দল হিসাবে আওয়ামী লীগ তার মিত্রদের নিয়ে সরকার গঠন করেছে। জাতীয় নির্বাচনে যেহেতু বিরোধীদল এবং দেশের বিরাজিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রধান বিরোধী শক্তিসমূহ অংশগ্রহণ করেনি, তাই উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের নির্বাচন ঘোষিত হলে সে শক্তি ও দলসমূহ এ নির্বাচনকে কীভাবে গ্রহণ করবে তা একটি অত্যন্ত বড় প্রশ্ন হিসাবে দেখা দিতে পারে।

এ প্রসংগে জেনারেল এরশাদের সময়কার প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের অবস্থাটা স্মরণ করা যেতে পারে। ঐ সময়ে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত সবাই একযোগে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসাবে আনুষ্ঠানিক ঘোষনা দিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে এবং নির্বাচনকে এক অর্থে প্রতিহতও করা হয়। ফলে এরশাদ সরকার প্রথমবারের ঘোষিত নির্বাচন স্থগিত করতে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৪৬০টি উপজেলায় ১৮শয়ের বেশি প্রার্থী প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং নির্বাচন বয়কটকারী আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত সবার বয়কট সত্বেও এ নির্বাচনে তাদের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করে এবং নির্বাচিতও হন। সে পরিষদ পাঁচ বছর মেয়াদ পূরণ করে এবং দ্বিতীয় দফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালে। বিএনপি ১৯৯১ এ সরকার গঠন করে তা বাতিল করে দেয়।

এ সংক্ষিপ্ত ইতিহাসের অবতারণা মূলত: দু’টি কারনে, () একই রকমের না হলেও অনুরূপ একটি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ২০১৪এর নির্ধারিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিরুদ্ধ ও বিরূপ রাজনীতির মুখোমুখি হয়ে কীরকম ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছে তা দেখা, এবং () স্থানীয় নির্বাচনকে জাতীয় রাজনীতির গ্রহণবর্জনের সাথে একাকার করে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য, ধারাবাহিকতা ও কার্যকারীতাকে বার বার বাধাগ্রস্থ করার বিষয়টি দৃষ্টিপথে নিয়ে আসা।

আমাদের দেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও এর প্রাতিষ্ঠানিকতাকে একটি স্বতন্ত্র বা স্বায়ত্ব শাসিত ব্যবস্থা হিসাবে বিকাশের দুরদর্শী কোন নীতি কখনও কোন সরকার বা দলকেই অনুসরণ করতে দেখা যায়নি। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা এবং স্থানীয় নেতৃত্বকে সর্বসময়ে জাতীয় রাজনৈতিক কর্মকান্ডের কৌশলের অঙ্গীভূত করেই সবসময় ‘ব্যবহার এবং অপব্যবহার’ করা হয়েছে। পাকিস্তানী আমলে জেনারেল আইউব তৎকালীন রাজনীতিকে বিদ্যমান দলীয় প্রথার বাইরে এনে সামরিক একনায়কের ক্ষমতায় থাকার উপযোগী একটি ব্যবস্থা হিসাবে গড়ে তোলার কৌশল হিসাবে প্রয়োগ করে সফলভাবে ক্ষমতার একটি দশক পার করেন। পরবর্তীতে যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের প্রথম সরকার সে পথে না গিয়ে দল ও দলভিত্তিক রাজনীতি ও প্রশাসন কাঠামো পুর্নগঠনে মনোনিবেশ করে। ১৯৭৫ পরবর্তী পর পর দু’টি সেনা শাসিত সরকার একইভাবে প্রচলিত দল প্রথার বাইরে নতুন রাজনীতি ও দল গঠনে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে সে একই কৌশলের অংশ হিসাবে কাজে লাগায় এবং প্রার্থিত কৌশলগত সাফল্য অর্জন করে।

১৯৯১ পরবর্তী সময়ে গঠিত বেসামরিক নেতৃত্বে গঠিত দলীয় সরকারগুলো দল পুর্নগঠনে বা স্থানীয় সরকারকে আর দলীয় রাজনীতি বিকাশের উপযোগী কৌশল হিসাবে বিবেচনা করেনি। কিন্তু দেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার বিকাশে স্থানীয় গণতন্ত্রের প্রয়োজনীয়তাকেও তারা সদয় অবহেলা বা তাচ্ছিল্যের পর্যায়ে নিয়ে যায়। ফলে দীর্ঘ দুই দশক ধরে কেন্দ্রে গণতান্ত্রিক শাসন কাঠামো প্রতিষ্ঠার পক্ষে নানা আন্দোলন হলেও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রার্থিত সংস্কার ও পরিবর্তন সাধনে কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এসে এ স্থবিরতার মধ্যে কিছুটা আশার সঞ্চার করলেও শেষ পর্যন্ত তা অসমাপ্তই থেকে যায়। নবগঠিত উপজেলা পরিষদ জাতীয় সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকারী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারী কর্মকর্তাগণের চর্তুমূখী দ্বন্দে ক্ষতবিক্ষত ও রক্তাক্ত হতে থাকে। জেলা পরিষদ পুর্নগঠনে ও সরকারের পক্ষ থেকে নতুন করে কোন দিক নির্দেশনা আসেনি। ফলে অর্থমন্ত্রীর ‘জেলা বাজেট’ ধারণা শূন্যে ঝুলে থাকে। কারণ নির্বাচিত জেলা পরিষদের অনুপস্থিতিতে জেলা বাজেটের মালিকানা কোথায় সংরক্ষিত হবে তার কোন স্পষ্ট দিক নির্দেশনা ছিল না।

বর্তমান সময়ে ২০১৪ সালের প্রথম তিন মাসের মধ্যে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনী তফসিল ঘোষিত না হলে সংবিধান লঙ্ঘন হয়। কিন্তু চলমান নির্বাচনী বিতর্কে নির্ধারিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন২০১৪ কোথায় গিয়ে দাড়ায় তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে বর্তমানে উপজেলা পরিষদের পদধারী চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানদের একাংশের বক্তব্য,”আমরা যেহেতু নির্বাচনের পর সঠিক সময়ে ক্ষমতা পাইনি, তাই বর্তমান পরিষদের মেয়াদ প্রলম্বিত হতে পারে”। ঘটনাটি সত্য হলেও আইনগতভাবে গ্রহনযোগ্য নয়। উপজেলা পরিষদের ধারাবাহিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিকতার জন্য মেয়াদ শেষে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্বাচন অনুষ্ঠান বাঞ্চনীয়। এ ক্ষেত্রে সরকারের তরফ থেকে বিগত সময়ের পৌর, সিটি এবং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মত বা তার চেয়ে আরও গণতান্ত্রিক আচরণই কাম্য।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করার দৃঢ় এবং আন্তরিক অঙ্গীকার প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি ও সমমনা সকল দল এবং শক্তির অবস্থান কি হতে পারে সেটি এখন একটি মূখ্য বিষয়। এক্ষেত্রে বিএনপি এবং সমমনা রাজনৈতিক দল ও শক্তিসমূহ চারটির যে কোন এক বা একাধিক মিশ্র অবস্থান গ্রহণ করতে পারে এক, জাতীয় নির্বাচন বর্জনের পথ ধরে বর্তমান নির্বাচন কমিশন ও সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন না করার অবস্থান গ্রহণ করতে পারে। দুই, যেহেতু স্থানীয় নির্বাচন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অদলীয় নির্বাচন, তারা গ্রহণ বর্জন কোন অবস্থান না নিয়ে নীরবতা অবলম্বন করতে পারে। তিন, তাঁরা স্থানীয়ভাবে প্রার্থী দিয়ে পরোক্ষভাবে দলীয় নেতা কর্মীদের নির্বাচনে লড়ার সংকেত দিতে পারে। চার, এ নির্বাচনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে নির্বাচন বিষয়ে তাদের ইতিবাচক অবস্থান দৃঢ়ভাবে প্রকাশ করে এ নির্বাচনকেও আন্দোলনের অংশ বা কৌশল হিসাবে নিতে পারে।

প্রথম অবস্থান গ্রহণ করলে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিরোধী পক্ষের অর্জনের ভান্ডারে নতুন কিছু যুক্ত হবে কিনা তা বলা মুস্কিল। তবে স্থানীয় সরকারের ধারবাহিকতা, প্রাতিষ্ঠানিকতা ও স্বাভাবিকতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। সে দোষ ও দায় বিএনপি ইতোপূর্বেও নিয়েছে। ১৯৯১ সালে উপজেলা পরিষদ বাতিল করে তারা যে ভুল করেছিল পরবর্তীতে অবশ্য তারা তা উপলব্ধি করেছে। বিগত সরকারের পঞ্চদশ সংশোধনীর বিরুদ্ধে এবং নির্দলীয় সরকারের দাবীতে আন্দোলনে থাকা অবস্থায়ও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ তাদের সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল। আশা করা যায়, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০১৪ ঘোষিত হলে একইরকম অবস্থান ও আচরণ করলে তাতে তাদের দলগত লাভ ক্ষতির চেয়েও দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা অপরিসীম ইতিবাচকতায় উন্নীত হবে। রাজনৈতিকভাবেও তাদের লাভবান হবার সম্ভাবনা বেশী। এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে স্থানীয়ভাবে দলের নেতাকর্মী সক্রিয় হবে এবং দল পূর্ণগঠন প্রক্রিয়া নতুন গতি পেতে পারে। অপরদিকে সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে গেলে তা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধের নতুনতর আন্দোলনে রূপ নিতে পারে।

সরকার, নির্বাচন কমিশন, নাগরিক সমাজ বিশেষত: আওয়ামী লীগ, বিএনপি নির্বিশেষে দেশের সকল রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নের্তৃবৃন্দ এ মুহুর্তে জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং ঢাকার সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে নতুনভাবে কি ভাবছেন সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাদের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। এ বিষয়টি নিয়ে এ মুহুর্তে গঠনমূলক আলোচনা হওয়া উচিত।

সরকার হয়ত কৌশলগতভাবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠানকে স্বাগত জানাবে। কারণ রাজনৈতিক উত্তাপউত্তেজনা প্রশমনে এ নির্বাচন একটি নিরাময় বটিকা হিসাবে কাজ করতে পারে। স্থানীয় নির্বাচনের ডামাঢোলে জাতীয় নির্বাচনের অনেক ঘটনাদুর্ঘটনা এবং কলংককালীমা সাময়িকভাবে লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যাবে। তা’ছাড়াও সরকারী দলের ঘোষিত ‘নির্বাচনী ইশতেহার’ বাস্তবায়নের এসুযোগ নিশ্চয়ই তারা হারাতে চাইবেন না এবং অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা গেলে তাদের পাখনায় সফলতার নতুন পালক মুক্ত হবে। তবে ঝুঁকিও রয়েছে, ঝুঁকিটি হচ্ছে অতি উৎসাহী স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সরকারী ক্ষমতার সুবিধা গ্রহন করে নির্বাচন প্রভাবিত করতে গেলে মুখ থুবড়ে পড়া পুরানো আন্দোলন নুতনভাবে বেগবান হতে পারে। অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হলে বিরোধী প্রার্থীরা অধিক সংখ্যায় জয়ী হয়ে আসতে পারে। তা আবার অসহিষ্ণু রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নুতন উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে।

শেষ পর্যায়ে সরকারের উদ্দেশ্যে একটি বিনীত নিবেদন, এত সব বিশ্লেষনের পরও স্থানীয় সরকারের নির্বাচন সঠিক সময়ে যথাযথভাবে অনুষ্ঠানই সঠিক সিদ্ধান্ত হবে। নির্বাচন ফলাফল যাইই হোক উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠান সরকারের স্থিতিশীলতার পক্ষে ইতিবাচক অবদান রাখবে। যারা নির্বাচিত হবেন তারা মাঠ পর্যায়ে স্থিতিশীলতা রক্ষায় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। মাঠ পর্যায়ে উত্তাপউত্তেজনা প্রশমন করে সামগ্রিক একটি ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায়ও এ নতুন ও বৈধ নেতৃত্ব একটি যোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।।

(স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক অধ্যাপক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়)