Home » রাজনীতি » সংখ্যালঘু নয়, চলছে সংখ্যাগুরু নির্যাতন

সংখ্যালঘু নয়, চলছে সংখ্যাগুরু নির্যাতন

মাহতাব উদ্দীন আহমেদ

political-cartoons-42বাংলাদেশে গত কিছুদিন ধরে নির্বাচনোত্তর হিন্দু জনগোষ্ঠীর উপর চালানো নির্যাতন নিয়ে বেশ হৈ চৈ চলছে। পত্রিকা, ইলেকট্রনিক প্রচার মাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা, তর্ক, নিন্দা। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে গরীব হিন্দুদের কিভাবে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে, এর সাথে জামাত শিবির ছাড়াত্ত আর কারা কারা জড়িত, কারা পেছন থেকে ইন্ধন দিয়েছেন, কারা হামলার কথা আগাম জেনেও কোন ব্যবস্থা নেননি তা জনগণ ইতোমধ্যেই জানেন। সঙ্গত কারণেই হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর চালানো এই নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ হয়েছে। কিন্তু ঘটনার পরবর্তী বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়ার ধরন থেকে (যাদের মধ্যে অনেক প্রগতিশীল নামধারীও রয়েছেন) কিছু প্রশ্নের উদয় হয়।

এক শ্রেণীর “সুশীল সমাজ” নামধারী, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী” বলে দাবীদার বুদ্ধিজীবি, প্রচার মাধ্যম, সংগঠন ও রাজনৈতিক দল এটিকে ঢালাওভাবে সংখ্যালঘু নির্যাতন বলে অভিহিত করছে। এদের সাথে যোগ দিয়েছে কিছু আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমও। সেই সাথে এটাও বলা হচ্ছে এটি একটি সাম্প্রদায়িক হামলা। প্রশ্নগুলো উঠে “সংখ্যালঘু” আর “সাম্প্রদায়িক” এই দুই শব্দের যথেচ্ছ ব্যবহার থেকে।

সাম্প্রদায়িক হামলা বলা যায় সেটিকেইযে হামলা সাম্প্রদায়িক মনোভাব থেকে উদ্ভূত, যে হামলা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ থেকে উদ্ভূত। বাংলাদেশে নির্বাচনের পর পরই হিন্দুদের উপর যে হামলা হচ্ছে কিংবা সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন সময় যে হামলা করা হয়েছে সেটি কারা করছে? সাধারণ জনগণ কি এই হামলার সাথে জড়িত? নাকি লুটেরা রাজনৈতিক দলগুলোর কতগুলো লুটেরা এর সাথে জড়িত? তার চেয়েও বড় কথা এসব হামলা কি সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ থেকে উদ্ভূত? তাদের উপর হামলা হচ্ছে কি ¯্রফে হিন্দু হওয়ার কারণে? নাকি তারা কোথায় ভোট দিল বা না দিল তার কারণে? স্থানীয় ক্ষমতাবানদের ইচ্ছার বিপরীতে ভোট দিলে বা কাজ করলে একই রকম হামলা কি গরীব অসহায় স্থানীয় মুসলমান বা অন্য জনগোষ্ঠীর লোকদের উপর হয় না? গরীব হিন্দুদের অর্থনৈতিক দুর্বলতার সুযোগে তাদের সম্পত্তি দখল ও লুটপাট করা কি তাদের উপর চালানো হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য নয়? কোন শ্রেণীর হিন্দুদের উপর এই হামলা হচ্ছে? তারা গরীব হওয়ার কারণেই কি “বলির পাঁঠা” হচ্ছেন না? আজ পর্যন্ত এসব হামলার কোন বিচার হয় নি। কেন? এর দায়িত্ব কার?

তাহলে সংবাদপত্রগুলোর খবর অনুসারে যদি হিন্দুবৌদ্ধদের উপর এই হামলাগুলো ভোট সংক্রান্তরাজনৈতিক বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে অথবা অন্য কোন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে কিংবা দখললুটপাট করার উদ্দেশ্যেই হয়ে থাকে, তবে এই হামলাগুলোকে কেন রাজনৈতিক হামলা অথবা চক্রান্তমূলক হামলা কিংবা লুটপাটের উদ্দেশ্যে করা সন্ত্রাসী হামলা বলে অভিহিত করা হবে না? যদি গরীব হিন্দুরাই এই হামলার শিকার শিকার হয়ে থাকেন তাহলে এটিকে কেন খেটে খাওয়া কতগুলো অসহায় মেহনতী মানুষের উপর লুটেরাদের হামলা বলে অভিহিত করা হবে না? যে হামলার প্রধান উদ্দেশ্য হল লুন্ঠন, ব্যক্তিগত সুযোগসন্ধান কিংবা লুটেরা রাজনীতির ফায়দা লোটা, সেই হামলা কি করে সাম্প্রদায়িক হয়? এটিকে সাম্প্রদায়িক হামলা তখনই বলা যেত যদি কেবল হিন্দুদের উপরই এধরনের হামলা হত। কিন্তু সারা দেশ জুড়ে গরীব মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষদের উপর কি এমন হামলা প্রতিনিয়ত হচ্ছে না? তাদেরকে কি প্রতিনিয়ত গ্রামের ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে শহরে পাঠানো হচ্ছে না? নিরবে নিভৃতে, চরাঞ্চলগুলোতে ক্ষমতাবানদের অমতে চললে তাদের বাড়িঘরে আগুন দেয়া হচ্ছে না? বাড়িতে ঢুকে মেয়েদের ধর্ষণ করা হচ্ছে না? সুতরাং এই হামলাগুলোকে লুটেরা সন্ত্রাসীদের হামলা ছাড়া আর কোন নামে অভিহিত করা যুক্তিযুক্ত হয় কি? যদি এদেশের আপামর জনসাধারণ সাম্প্রদায়িক মনোভাবের না হয়ে থাকেন তাহলে ঢালাওভাবে এদেশে সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে পড়ছে বলার কারণ কি থাকতে পারে? এভাবে যে হামলাগুলো লুটেরা রাজনীতি হতে উদ্ভূত, যে হামলাগুলোর সাথে লুটেরা শাসকশ্রেণী ও তাদের দোসরেরা জড়িত, সে হামলাগুলোর জন্য লুটেরা শাসকশ্রেণীটিকে কাঠগড়ায় না দাঁড় করিয়ে যেসব বুদ্ধিজীবি এসব হামলাকে কোন রকম বিচার বিবেচনা না করেই ঢালাওভাবে নিছক “সাম্প্রদায়িক হামলা” হিসেবে অভিহিত করছেন এবং দেশে বিদেশে দেশ রসাতলে গেল বলে চেঁচামেচি করছেন, তারা নিজেরাই কি এমনটা করার মধ্য দিয়ে পরোক্ষভাবে “লুটেরা বুদ্ধিজীবিতে” পরিণত হচ্ছেন না?

এদেশের লুটেরা শাসকশ্রেণী ও তাদের দোসরেরা ঠিক যেভাবে খেটে খাওয়া পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর উপর হামলা নির্যাতন চালিয়ে আসছে, ঠিক সেভাবেই হামলা চালিয়ে আসছে গরীব হিন্দুদের উপর। সাম্প্রতিককালে বৌদ্ধরাও তার শিকার হয়েছেন। কিন্তু উচ্চবিত্ত কয়জন হিন্দুবৌদ্ধখ্রিস্টান কিংবা পাহাড়ের অধিবাসী হামলার শিকার হয়েছেন? ঠিক একই রকমভাবে সারা দেশে গরীব জনগণ মার খাচ্ছেন। সবকিছুই সংঘটিত হচ্ছে লুটেরাদের প্রয়োজনে। “বলির পাঁঠা” গরীব হিন্দুদের উপর হামলা হলে তা থেকে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিল করা লুটেরাদের সব অংশের জন্যই সহজ হয়। ফায়দা হাসিল দুই তরফে হয়। এই ফায়দা হাসিলের একদিকে থাকে “মুক্তিযুদ্ধের চেতনার” একচেটিয়া দাবীদার লুটেরাগোষ্ঠী। অন্যদিকে থাকে ধর্মের লেবাস ধারী ধর্ম ব্যবসায়ী, জাতীয়তাবাদের লেবাসধারী লুটেরাগোষ্ঠী। এই দুই গোষ্ঠীর একটি এবং কেবল একটিই পরিচয় রয়েছে। আর তা হল তারা লুটেরা। আর তাই যেসব মহল থেকে কেবল হিন্দুদের উপর কেবল বিএনপিজামাতের আক্রমণের কথাই বলা হয়, কিন্তু “মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী” আওয়ামী লীগের করা আক্রমণের কথা বলা হয় না, তারা অতীতে কিভাবে হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করেছে, তাদের উচ্ছেদ করেছে তার কথা বলা হয় না, তারা কিভাবে অতীতে তথাকথিত “সাম্প্রদায়িক” ধর্মব্যবসায়ীদের সাথে আঁতাত করে, মদত দিয়ে আজকের অবস্থা তৈরি করেতে ভূমিকা রেখেছে সেই কথা বলা হয় নান সেসব মহল জনগণের সাথে প্রতারণা করছে। তাই বিভিন্ন সরকারের আমলে এসব হামলার পিছনে যে অভিন্ন লুন্ঠনের স্বার্থই, লুটেরা রাজনৈতিক হিসেবই কাজ করে এ কথা তারা কখনো বলতে পারেন না।

এসব মহলের বুদ্ধিজীবি ও রাজনৈতিক দলগুলো সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে খুব চেঁচামেচি করলেও রাষ্ট্র সত্যিকার অর্থে যেসব জায়গায় সাম্প্রদায়িক রূপ ধারণ করে আছে সেসব নিয়ে তাদের কথা বলতে দেখা যায় না। এমনই একটি বিষয় হল রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামের বজায় থাকাটি। এ বিষয়টি নিয়ে এসব “লুটেরা বুদ্ধিজীবি” ও রাজনৈতিক দলগুলোকে (যাদের মধ্যে অনেক প্রগতিশীল দাবীদারও আছে) কোন উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায় না। কৃত্রিম সাম্প্রদায়িকতা উস্কানোর অন্যতম মাধ্যম যে পশ্চাৎপদ শিক্ষার মাদ্রাসাগুলো, সেই মাদ্রাসাগুলো কি করে উঠিয়ে দিয়ে মাদ্রাসার গরীব ছাত্রদের মূলধারার শিক্ষায় আনা যায়, কিভাবে রাষ্ট্র এতিম ও গরীব ছেলেদের শিক্ষার ভার নিবে যাতে তাদের এসব মাদ্রাসায় পড়তে না হয়, সেটি নিয়ে এসব বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক দলগুলোকে কোন উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায় না। কিন্তু কেন? সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে চেঁচামেচি করার আগে এই চেঁচামেচি করনেওয়ালাদের কাছ থেকে জনগণের এসব প্রশ্নের উত্তর পাওনা।

অন্যদিকে হিন্দুবৌদ্ধখ্রিষ্টানআদিবাসীপাহাড়ী সম্প্রদায়ের মানুষদের কথায় কথায় ঢালাওভাবে “সংখ্যালঘু” নামে অভিহিত করা হচ্ছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সকল অধিবাসীই তো বাংলাদেশের নাগরিক। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সকলেরই তো সমান অধিকার রয়েছে। তাহলে স্রেফ ধর্ম ও জাতিসত্ত্বার ভিত্তিতে তাদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করাটা কতটুকু গণতান্ত্রিক? এটি কতটুকু “সুশীল”? এভাবে ধর্মের ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্রের নাগরিকদের “সংখ্যাগুরু” আর “সংখ্যালঘুতে” ভাগ করে ফেলাটা কি সাম্প্রদায়িক মনোভাবের পরিচায়ক নয়? যারা বাংলাদেশের হিন্দুবৌদ্ধখ্রীস্টানআদিবাসীপাহাড়ী জনগোষ্ঠীর মানুষদের বাংলাদেশি হিসেবে, মানুষ হিসেবে, ভাইবোনবন্ধু, প্রেমিকপ্রেমিকা হিসেবে না দেখে তাদের স্রেফ “সংখ্যালঘু” হিসেবে বিবেচনা করে তাদের প্রতি দরদ দেখান, তারা দয়া করে ভেবে দেখবেন কি তাদের এই সংখালঘুর “সংজ্ঞায়ন” কৃত্রিম সাম্প্রদায়িকতার পালে কিভাবে হাওয়া দিচ্ছে? এক্ষেত্রে বাংলাদেশের হিন্দুদেরও সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা নিজেদের আগে “হিন্দু” ভাববেন নাকি আগে “বাংলাদেশী” ভাববেন। যদি তাদের কাছে তাদের হিন্দু পরিচয়টাই প্রধান হয়ে দাঁড়ায়, বাংলাদেশী পরিচয়টি নয়, তাহলে তারাও সাম্প্রদায়িক মনোভাবের ফাঁদেই পা দিবেন। গরীব হিন্দুরা তাই কোনভাবেই সংখ্যালঘু নন। বরং এদেশের আপামর খেটে খাওয়া মেহনতী মানুষের অংশ হিসেবে তারাই ব্যাপক সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠীরই অংশ।

এভাবে কার্যত সাম্প্রদায়িক মনোভাবের পরিচয় দিয়ে ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের অধিবাসীদের সংখ্যাগুরু আর সংখ্যালঘু হিসেবে চিহ্নিত করলে আসল সংখ্যালঘুরা পর্দার আড়াল হয়ে যায়। কারা এই আসল সংখ্যালঘু? যারা সারা দেশ জুড়ে খেটে খাওয়া মেহনতী মানুষ, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্তদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে সেই লুটেরা শাসকগোষ্ঠীই সত্যিকারের সংখ্যালঘু। এই সংখ্যালঘুরা গরীব হিন্দুদের বাড়িঘরে যেমন আগুন দেয়, তাদের উপর নির্যাতন চালায়, ঠিক তেমনি পাহাড়ী খেটে খাওয়া জনগোষ্ঠীর উপর আগ্রাসন চালায়। আবার ঠিক অনুরূপভাবে লিমনদের পায়ে গুলি চালায় এবং ত্বকীদের হত্যা করে। এরাই দেশের সম্পদ বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়, তাদের দালালি করে। এরাই রানা প্লাজা, তাজরীনের মতো ঘটনা ঘটায়। এরাই নিমতলীতে আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারে, এরাই খাবারে ভেজাল মেশায়। এরাই কৃষকদের নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত করে, জমি থেকে উচ্ছেদ করে, এরাই শ্রমিকদের পাওনা নিয়ে টালবাহানা করে, শ্রমিকের মজুরী নিচে নামিয়ে রাখে। এরাই পরিবেশ ধক্ষংসের জন্য অন্যতম দায়ী। এরাই নদীদখল, ভূমিদখল করছে, বন ধক্ষংস করছে। এরাই সারাদেশে দুর্নীতির জাল ছড়িয়ে দিয়েছে। এরাই গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে ধক্ষংস করে, নিজেদের বিলাসী মোটরগাড়ি দিয়ে ট্রাফিক জ্যামে অচল করে রাখে ঢাকার রাজপথ আর একপেশেভাবে সব দোষ চাপায় রিকশাওয়ালাদের উপর। এরাই ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে, চাঁদে মানুষের ছবি ছাপায়, অন্যদিকে প্রগতিশীলতার ভান করে, এসবের বিরোধিতা করার নাম করে এসব থেকে ফায়দা লুটে। এরাই একদিকে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারগুলোকে মাটিয়ে মিশিয়ে দিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদের রাজত্ব কায়েম করেছে, ক্রসফায়ার, গুমখুন চালাচ্ছে, অন্যদিকে পেট্রোলবোমা আর ককটেলে খেটে খাওয়া মানুষদের পুড়িয়ে মারছে। আর এরা এই সব কিছুর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে কিভাবে ফুলে ফেঁপে উঠেছে ও উঠছে তার সুদীর্ঘ অতীত ইতিহাস থাকলেও সাম্প্রতিক নজির গত কয়েক মাসের পত্রিকায় কম নেই।

সুতরাং বাংলাদেশে এখন কোনভাবেই সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চলছে না। বরং এই সত্যিকারের সংখ্যালঘু লুটেরা শাসকশ্রেণীই সারা দেশের আপামর সংখ্যাগরিষ্ঠদের উপর, মেহনতীনিম্ন মধ্যবিত্তমধ্যবিত্ত জনগোষ্ঠীর উপর নির্যাতননিপীড়ন চালাচ্ছে। তাই সংখ্যালঘু নয়, বাংলাদেশে এখন চলছে সংখ্যাগুরু নির্যাতন। এখন তাই লুটেরা শাসকশ্রেণীর চক্রান্তমূলক “সাম্প্রদায়িকতা” নিয়ে মায়াকান্না কাঁদার সময় নয়, বরং এখন সময় এই লুটেরাদের বিরুদ্ধে জনগণের নিজস্ব উপায়ে সর্বত্র সংগঠিত হওয়ার।।