Home » আন্তর্জাতিক » ভারতের সাথে প্রতিবেশীদের সম্পর্ক ॥ মোদীর প্রথম সফরটি ভুটানে কেন?

ভারতের সাথে প্রতিবেশীদের সম্পর্ক ॥ মোদীর প্রথম সফরটি ভুটানে কেন?

আমীর খসরু

last 1ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার কার্যভার গ্রহণের পর প্রথম যে দেশটি সফর করবেন বলে কথা রয়েছে, সেই দেশটির নাম ভুটান। এ মাসের শেষ নাগাদ এই সফরটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। খোদ ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে এই কারণে যে, কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয় কিংবা পার্শ্ববর্তী চীন, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, বাংলাদেশ নয়। এ নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা মতামত থাকলেও এটি সত্য যে, নরেন্দ্র মোদীর পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বিষয়ক পরামর্শক টিম ক্ষমতারোহনের আগে থেকেই তাকে বোঝাচ্ছেন যে, পার্শ্ববর্তী বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কোন্নয়নের জন্য যা গত কংগ্রেস সরকার করেনি। আর এ কারণেই ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম সার্কভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে।

এ কথা সত্য যে, ভারতের সাথে এর পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সম্পর্ক অবিশ্বাস, সন্দেহে পরিপূর্ণ এবং কোনো কোনো দেশের সাথে এর মাত্রাটা আরও অনেক বেশি। এখানে মনে রাখা প্রয়োজন যে, ভারত সরকারের প্রতিবেশী দেশগুলোর ব্যাপারে নীতিকাঠামো ওই সব দেশের জনগণের মধ্যে যেমন প্রভাব ফেলে, তেমনি রাজনীতিও প্রভাবিত হয়। ভারতে ১৯৪৭ থেকে এই সেদিন পর্যন্তও কংগ্রেসের সরকারই ছিল অধিকাংশ সময়। মাঝে মধ্যে দুইএকবার অকংগ্রেসী সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এ কথাও মনে রাখতে হবে, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন ভারতের নিরাপত্তাসহ জাতীয় স্বার্থের ব্যাপারে কোনো সরকারই এক ইঞ্চিও ছাড় দেয় না। কিভাবে এটা বাস্তবায়ন হবে তার পথপদ্ধতি নিয়ে ভিন্নতা থাকতে পারে। তবে মোদী সরকারের উপদেষ্টারা এ কথা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ভারতের বিজেপি সরকারের পররাষ্ট্রনীতি তাদের নিরাপত্তা স্বার্থগত কৌশলকে অবলম্বন করেই চলবে। তাদের পররাষ্ট্র নীতিকৌশলে এ বিষয়টি স্পষ্ট।

আগেই বলা হয়েছে যে, ভারতের সাথে এর পার্শ্ববর্তী প্রত্যেকটি দেশের সাথে কমবেশী অবিশ্বাস, সন্দেহের সম্পর্ক রয়েছে। পাকিস্তানের সাথে তার চির বৈরিতা যা এখন স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। অতীতের কথা বাদ দিলেও সাম্প্রতিক দুই দেশের সীমান্ত সমস্যা থেকে শুরু করে আফগানিস্তানের কর্তৃত্বের লড়াইসহ এমন কোনো বিষয় নেই যা নিয়ে তাদের মধ্যে বিবাদ ও বিরোধীতা নেই। শ্রীলংকার সাথে বিবাদও অনেক দিনের। তামিল ইস্যু নিয়ে নানারূপী এবং বহুমুখী সম্পর্কের টানাপোড়েন দীর্ঘদিনের। ভূবেষ্টিত নেপালের সাথে সম্পর্কও একই। ভুটানের সাথে সম্পর্কের বিষয়টি পরে আলোচনা করা হবে। বাংলাদেশের সাথে ভারতের সমস্যার তো কোনো অন্ত নেই। সীমান্ত, সীমান্ত হত্যা, নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা, ড্যামবাধ, ট্রানজিটের নামে করিডোর, বন্দর, বিদ্যুৎ নির্মাণ প্রকল্পসহ অনেক বিষয় রয়েছে যা নিয়ে ভারতের ভূমিকা সঠিক তো নয়ই, বরং এর উল্টো। এর উপরে বঙ্গোপসাগর, যার সাথে যুক্ত ভারত মহাসাগর এ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমস্যাবলী জটিল হচ্ছে দিন দিন। আর এ সমস্যাটি বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার সাথে যথেষ্ট মাত্রায় বিদ্যমান। পাকিস্তানের সাথে রয়েছে এ ব্যাপারে বৈরী প্রতিযোগিতা। এখানে ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে চীনের সম্পর্কের মাত্রাটিও বিবেচনায় আনতে হবে। চীনের সাথে ভারতের সম্পর্ক যে কোনো বিচারে ভালো নয় তা দ্ইু দেশের মধ্যে যতোই উন্নততর বাণিজ্য সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হোক বা উভয় দেশের মধ্যে শীর্ষ পর্যায়ের সফর বিনিময় হোক। ভারত প্রতিবেশীদের নিজস্ব প্রভাব বলয়ভুক্ত দেশ বলেই মনে করে এবং তেমনটিই দেখতে চায়। পক্ষান্তরে চীন তাদের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তার প্রভাব বিস্তারের আকাঙ্খার কারণে এ অঞ্চলের দেশগুলো, বিশেষ করে ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কের উন্নয়ন চায়। আর ভারত কোনোক্রমেই এটা মেনে নিতে চায় না এবং এমনটা কামনাও করে না। বরং পুরো বিষয়টিকেই ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখে। এটাও ভারতের নিরাপত্তা ঝুকি ও কৌশলের কারণে।

চীনকে এই অঞ্চলের রাজনীতিতে নিয়ে এসেছিলেন নেপালের রাজা মহেন্দ্র ১৯৫০এর দিকে। সুনির্দিষ্টভাবে ১৯৫৪ সালে তা প্রকাশ্য রূপ পায়। ওই সময়ে নেপালের সাথে চীনের সড়ক যোগাযোগসহ বেশ কিছু বিষয় অগ্রগতি লাভ করে। এর জন্য অবশ্য রাজা মহেন্দ্রকে অনেক গচ্ছা দিতে হয়েছে। বারংবার তাকে দিল্লিতে দৌড়াতে হয়েছে। চীনের সাথে ভারতের সীমানা ও সীমান্ত নিয়ে বিরোধ দীর্ঘদিনের। ১৯৫০এর দিকে ভুটানের সাথে চীনের সম্পর্কের অবনতি হয় তিব্বত নিয়ে। এ বিরোধ ভারতের সাথেও। পরবর্তীকালে সিকিম, অরুনাচল নিয়ে জটিলতা এবং চরম বৈরিতা দেখা দেয় দফায় দফায়। অরুনাচল নিয়ে বর্তমানে চরম বিবাদ চলছে চীনভারতের মধ্যে। এই ইতিহাস দীর্ঘ এবং জটিল। সে দিকে না গিয়ে একটি প্রশ্ন উত্থাপন করা জরুরি যে, নরেন্দ্র মোদী কি পারবেন প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে? সন্দেহঅবিশ্বাস দূর করে ওই সব দেশের সাথে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে, অমীমাংসিত সমস্যাবলীর সমাধান করতে? তবে যখন নিরাপত্তা স্বার্থগত বিষয়াবলী পররাষ্ট্রনীতির মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠে, পুরোটাই আচ্ছন্ন থাকে তখন এটা অসম্ভব। ভুটানের ক্ষেত্রেও কি একই ঘটনা?

ভুটান প্রসঙ্গে আলোচনায় সেই প্রশ্ন কেন মোদী ভুটানকেই সফরের প্রথম দেশ হিসেবে পছন্দ করলেন? এটা কি শুধুই পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কোন্নয়নের ইঙ্গিত এবং সূচনা? অনেকে মনে করলেও বিষয়টি বাস্তবে তা নয়। বিষয়টি ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থারই অংশ। কারণ চীনের সাথে সাম্প্রতিককালে ভুটানের সম্পর্কের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে।

ভুটান প্রথমদিকে দুই শক্তি অর্থাৎ ভারত এবং চীনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার নীতি গ্রহণ করে। তিব্বত চীনের অংশ হয়ে যাওয়ায় দেশটির সাথে চীনের সম্পর্ক তিক্ততায় রূপ নেয়। আর এরই সুযোগ গ্রহণ করে ভারত। ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহেরু এবং ভুটানের তৃতীয় রাজা জিগমে দর্জি ওয়াংচুক ১৯৪৯ সালের আগস্টে মৈত্রী চুক্তি করেন যা ছিল আসলে ভুটানকে পুরোপুরি করায়ত্ব করা এবং অন্যদিক দিয়ে ভারতের হাতে সমর্পণ। ভুটানের বৈদেশিক নীতিসহ সব কিছুরই খবরদারীর ভার নিয়ে নেয় ভারত। যদিও পরবর্তীকালে একদিকে চীনের সাথে যেমন সম্পর্কোন্নয়ন ঘটতে থাকে অন্যদিকে ভারতের বাহুবন্ধন থেকে ভুটান বেরিয়ে আসতে চায়। কিন্তু ২০০৭ সালে ‘ভারতের খবরদারী’র চুক্তিটি নবায়ন করা হয়। তবে ২০১৩ সালের ভুটানের নির্বাচনে এই মতামতই প্রতিফলিত হয়েছে যে, জনগণ ভারতের খবরদারীমুক্ত হতে চায়, অনুগত থাকতে তারা আর রাজি নয়। বিশেষ করে তরুণ ও যুব সমাজ এ ব্যাপারে এখন যথেষ্ট সোচ্চার।

সাম্প্রতিককালে চীনের সাথে সম্পর্কোন্নয়ন হয়েছে ব্যাপক মাত্রায়। আর এটাই ভারতকে শংকিত করে তুলেছে। ভারতের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল দেশটিও এখন চাইছে কিছুটা হলেও নতুন যুগের বাতাস গায়ে মাখতে। কিন্তু ভারত তা বরদাস্ত করতে রাজি নয়।

ভুটানের সাথে চীনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাটি ঘটে রিও+২০ শীর্ষ সম্মেলনে চীনা এবং ভুটানি প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার বৈঠক। ভুটানের ইচ্ছা ছিল জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী আসন লাভ করা। আর চীন ওই সুযোগটি কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ভূমিবেষ্টিত হিমালয়ের পাদদেশের দেশ ভুটানের চীন তথা তিব্বতের সাথে সীমান্ত রয়েছে ৪৭০ কিলোমিটার, আর ভারতের সাথে ৬৫০ কিলোমিটার।

ভুটানের সাথে ভারতের বিশেষ সম্পর্ক সেই ১৯৪৯ সাল থেকে। ওই সময় দুই দেশ মৈত্রী চুক্তি সাক্ষর করে। ২০০৭ সালে ওই চুক্তিটি নবায়ন করা হয়। এই চুক্তির অধীনে ভুটানের প্রতিরক্ষার ভার বর্তে ভারতের হাতে। ভারত নানাভাবে ভুটানকে ব্যবহার করছে। সামরিক, অর্থনৈতিক, পররাষ্ট্রসহ সব ব্যাপারেই ভারতের ওপর নির্ভরশীল ভূটান। ভারতের বিদ্যুতের বিপুল চাহিদার একটি অংশ পূরণ করে ভুটান। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১০ সাল নাগাদ ভুটান থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করছে ভারত। সেই লক্ষ্যে ভুটানে অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।

বিশ্ব থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন এবং ‘সুখী’ দেশ হিসেবে পরিচিত ভুটানের গুরুত্ব কিন্তু অন্যখানে। ভারতীয় সামরিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ভুটানের প্রতিরক্ষা মানে ভারতের প্রতিরক্ষা।

চুম্বি উপত্যাকাটি ভুটানচীনভারতের মিলনকেন্দ্র। এই স্থান থেকে শিলিগুড়ি করিডোরের দুরত্ব মাত্র পাঁচ কিলোমিটার। এই সরু স্থানটি দিয়েই পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো, ভুটান ও নেপালের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে ভারত। আবার তিব্বত ও সিকিমের সাথে সীমান্ত থাকায় চুম্বি উপত্যাকা চীনের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূকৌশলগত স্থান। অন্যদিকে, ভুটানকে এখনো চীন স্বীকৃতি দেয়নি, তাদের মধ্যে কোনো কূটনীতিক সম্পর্কও নেই। তবে সীমান্ত উত্তেজনা কমানোর জন্য তারা মাঝে মাঝেই আলোচনায় মিলিত হয়। ভুটানের প্রায় ৩০০ বর্গমাইল এলাকা, মূলত চুম্বি উপত্যাকায়, চীন নিজের বলে দাবি করে। উত্তরের কিছু পশুচারণ এলাকাও চীন দাবি করে।

ভুটান ও নেপাল যদি চীনা প্রভাবে পড়ে যায়, তবে ভারতের উত্তর সীমান্ত বেশ বড় ধরনের ঝুঁকিতে থাকবে। বর্তমানে এই দেশ দুটি ভারতকে চীনের মুখোমুখি হতে আড়াল করে রাখছে। কিন্তু তারা চীনের প্রভাবে চলে যাওয়া মানে শিলিগুড়ি করিডোর বেইজিংয়ের সামনে নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। ফলে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্য অরক্ষিত হয়ে পড়বে। চীন আনায়াসেই মূল ভারত থেকে এসব রাজ্যকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারবে। খবর পাওয়া যাচ্ছে, চীন চুম্বি উপত্যাকার বিপরীতে বেশ দ্রুততার সাথে সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ করছে। এছাড়া তিব্বতের রাজধানী লাসার সাথে জাঙমুর সংযোগের জন্য যে রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে, সেটা সম্পন্ন হলে চুম্বি উপত্যাকায় প্রবেশ চীনের জন্য আরো সহজ হয়ে যাবে।

ভুটানের অবস্থান পশ্চিমে সিকিম এবং পূর্বে অরুনাচল প্রদেশের মধ্যে। চুম্বি উপত্যাকা ছাড়াও ভুটানের আরেকটি স্থান হলো তাওয়াং। এটা ভারতে তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতাদের আবাসস্থল। ভুটান যদি চীনের সাথে নাটকীয় মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যায়, তবে এই দুটি স্থানে চীনের সামরিক উপস্থিতি বাড়বে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, ভুটানের দিকে চীনের নজর দেওয়ার আরেকটি কারণ রয়েছে। সেটা হলো অর্থনৈতিক। ভুটানের মাধ্যমে ভারতে প্রবেশের একটি সুযোগ পেতে পারে তারা। আর এখান থেকে আরেকটি ‘সিল্ক রোড’ সৃষ্টি করতে পারে, বঙ্গোপসাগরে যাওয়ার রাস্তাও এর মাধ্যমে তারা পেতে পারে। আফগানিস্তানে প্রবেশের জন্য বর্তমানে চীন তাজিকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু দেশটির সাথে সীমান্ত নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এখন ভুটানকে কাজে লাগাতে পারলে ভারত ও পাকিস্তানকে ব্যবহার করে তারা আফগানিস্তানে ঢুকতে পারবে।

তবে ভারত সহজে চাইবে না চীনের সাথে ভুটানের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হোক। তবে মনে রাখতে হবে, ভুটানি সমাজ দ্রুত বদলে যাচ্ছে। এখন দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশ যুবক। তারা এখন ভারতের আধিপত্য মানবে না।

আর এটা সামাল দেয়ার উদ্দেশ্যেই নরেন্দ্র মোদীকে ভুটান থেকেই বিদেশ সফর শুরু করতে হচ্ছে। কারণ ভারত উদ্বিগ্ন।।