Home » অর্থনীতি » পুঁজিবাদ কর্পোরেট ও শোষণমূলক কৌশল :: অরুন্ধতীর চোখে

পুঁজিবাদ কর্পোরেট ও শোষণমূলক কৌশল :: অরুন্ধতীর চোখে

last 1পুঁজিবাদ এবং এর শোষণমূলক কৌশলগুলোর ব্যাপারে অরুন্ধতী রায়ের বিশ্লেষণ নব্যসাম্রাজ্যবাদ, কর্পোরেটীকরণের সংস্কৃতি এবং অর্থনৈতিক যুদ্ধের প্রতি একটা তীক্ষ্ণ ভর্ৎসনা। বুকারজয়ী অরুন্ধতী রায়ের সাম্প্রতিক প্রকাশিত ‘ক্যাপিটিলিজম : অ্য ঘোষ্ট স্টোরি’ নিয়ে ফ্রন্টলাইন ম্যাগাজিনে লিখেছেন শেলি ওয়ালিয়া। ভাষান্তর: মোহাম্মদ হাসান শরীফ

গণতন্ত্রের সাথে অবাধ বাজার অর্থনীতিকে গুলিয়ে ফেলাটা মুনাফা করার ধান্ধায় নেওয়া একটা পদক্ষেপ। এ ধরনের ‘লুণ্ঠনমূলক পুঁজিবাদ’ সরকারের সঙ্গী হওয়া নব্যউদারবাদ শক্তির পেছনে দাঁড়ায়, যা স্বল্পমেয়াদি লাভের জন্য অর্থনৈতিক জায়ান্টদের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে লেপ্টে থাকে। অরুন্ধতী রায় তার নতুন নির্বাচিত প্রবন্ধমালায় স্পষ্টভাবে জানতে চেয়েছেন, ‘এটাই কি হবে সেই গণতন্ত্র যা আমাদের স্বল্পমেয়াদি আশা ও প্রার্থনার পবিত্র জবাব, আমাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা লুণ্ঠনকারী এবং আমাদের লালসাগ্রস্ত স্বপ্নগুলোতে লালনকারী হিসেবে থাকবে এবং যা মানবজাতিকে চূড়ান্ত ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে?’

আমরা নজিরবিহীন জটিল অর্থনৈতিক বৈশ্বিক পরিমন্ডলে বাস করছি। তৃতীয় বিশ্বের মারাত্মক দারিদ্র, ক্ষুধা ও সামাজিক বর্ণবৈষম্যের অভিশাপ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের মতো পাশ্চাত্যের বিশালাকার আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কারসাজি। এসব প্রতিষ্ঠান সবসময় ঔদ্ধত্যপূর্ণভাবে মানবজাতির উপকারী বন্ধু দাবি করে অনুন্নত দেশগুলোর মানবাধিকার ও অর্থনৈতিক কল্যাণের ধারার আড়ালে গুপ্তভাবে কাজ করে। নতুন বিশ্ব ব্যবস্থা স্রেফ একটি ফিকশন; আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী জাতিগুলো এবং তাদের সামরিক উচ্চাভিলাষের দোসর হিসেবে বিরাজ করছে।যাদের লক্ষ্য অভ্যুত্থান ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রশ্নে পুঁজিবাদ এবং এর শোষণমূলক কৌশলগুলোর ব্যাপারে অরুন্ধতী রায়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ ও আবেগময় বিশ্লেষণ নব্যসাম্রাজ্যবাদ, সংস্কৃতির কর্পোরেটীকরণ এবং অর্থনৈতিক যুদ্ধের প্রতি তীক্ষ্ণ ভর্ৎসনা। মেক্সিকোর অ্যাক্টিভিস্ট অ্যামিলিনো জাপাতা ১৯১৪ সালে জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘কেবল বুলেট বর্ষণ করেই স্বৈরতন্ত্রকে উৎখাত করা হয় না, প্রায়শ্চিত্তের আইডিয়া, মুক্তির স্লোগান এবং জল্লাদের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর কটূক্তি করেও লোকজনকে স্বৈরাচার ও সাম্রাজ্য পতনে লেলিয়ে দেওয়া যায়।’ অরুন্ধতী রায় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেন তার কথাকেই। তিনি দেখছেন যে, সার্বভৌম রাষ্ট্র, রাজনৈতিক সম্প্রদায় এবং আন্তর্জাতিক শাসনের প্রচলিত ধরন নবায়নের মাধ্যমে বিশ্বব্যবস্থার মূল ভিত্তিতেই ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে।

তিনি সময়ের দীর্ঘ পরিক্রমায় পুঁজিবাদ বিরোধী অতি বাম মতাদর্শ এবং রাজনৈতিক ভিন্নমত নিয়ে ফিকশন লেখার জগত থেকে বেরিয়ে ব্যাপক দারিদ্র এবং গণমানুষকে শোষণের জন্য দায়ী আমেরিকান কর্পোরেট মূল্যবোধের প্রবল সমালোচকে পরিণত হয়েছেন। এটা এমন বৈধতার সঙ্কট যা প্রাধান্য বিস্তারকারী মতাদর্শে বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদদের সফলভাবে টেনে আনতে সক্ষম ফুলব্রাইট বা রকফেলারের মতো এনজিওগুলোর সাম্রাজ্যবাদী উদ্দেশ্যের নেপথ্যে অবস্থান করে। এটা এমন বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্বাসঘাতকতা : ‘এসব এনজিও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের সাহায্যে বিশ্বময় ঘুরে বেড়ায়, সম্ভাব্য বিপ্লবীদের বেতনভুক অ্যাক্টিভিস্টে পরিণত করে, শিল্পী, বুদ্ধিজীবী ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের তহবিলের ব্যবস্থা করে, অত্যন্ত ভদ্রভাবে তাদেরকে বিপ্লবী সঙ্ঘাত থেকে দূরে রাখার ফাঁদ পাতে।’

গ্রামের গরিব মানুষের কেন্দ্রভূমিতে অর্থনৈতিক উৎপীড়ন ও কর্পোরেট অনুপ্রবেশ নিয়ে তার বর্ণনা প্রাঞ্জল, মর্মভেদী ও উত্তেজনা সৃষ্টিকারী। তার উদ্বেগ বিশেষভাবে ভারতীয় উপমহাদেশ এবং অবাধ বাজার নব্যউদার রাজনীতির পরিণতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যা ড্যাম কিংবা মুনাফাখোর কর্পোরেটগুলোর প্রাকৃতিক সম্পদের নির্মম লুণ্ঠনের শিকার হিসেবে ভূমি থেকে উচ্ছেদ হয়ে ভয়াবহ মাত্রায় হতাশার কারণে হাজার হাজার কৃষককে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করে। তিনি তাড়াহুড়া করে করা উন্নয়নের ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত বিপর্যয়, কাশ্মীরে নব্যঔপনিবেশ হস্তক্ষেপের কারণে উপত্যাকাটিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সামরিকায়ন এলাকায় পরিণত করা’, ইসলামি চরমপন্থার ভূরাজনীতির প্রভাব, আমেরিকার সম্পৃক্ততা এবং ডানপন্থী হিন্দুৎভা বা হিন্দুত্ববাদী উচ্ছ্বাসের সাথে ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ঢাকঢোল পেটানো একাত্মতা নিয়ে লিখেছেন। ভিন্নমত অনুমোদিত নয়, অ্যাক্টিভিস্টদের ভয়াবহ শাস্তি দেওয়া হয় বা রাষ্ট্রীয় নজরদারির মধ্যে রাখা হয়। লেখার দক্ষতার সাথে রাজনৈতিক অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে তিনি ভারতের গণতন্ত্রে বৈশ্বিক পুঁজিবাদের প্রভাব এবং মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার লুণ্ঠনের বিবর্ণ ছবি তৈরি করেছেন।

ভারতে সেন্সরশিপ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে অরুন্ধতী রায় স্বাধীনভাবে কথা বলার মৌলিক অধিকারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন : ‘এটা বেশ বিস্ময়ের ব্যাপার যে স্বাধীনভাবে কথা বলা নিয়ে অনেক আইন হয়েছে, স্বাধীনভাবে কথা বলা নিয়ে অনেক গান ও নৃত্য তৈরি হয়েছে, কিন্তু তবুও ভারতের উর্দু ও পারসি কবি গালিব ঊনিশ শতকে ইসলামের সাথে তার সম্পর্ক নিয়ে যা বলেছেন, আজ তা কেউ বলতে পারে না।’

২০১১ সালে রেডিও সাংবাদিক ডেভিড বার্সামিয়ান বা ২০১০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা নৃতত্ত্ববিদ রিচার্ড শ্যাপিরোকে বহিষ্কার নিয়ে তিনি তার প্রবন্ধ ‘ডেড ম্যান টকইন’এ চমৎকার বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, ভারতীয় রাষ্ট্রটি বিতর্কিত ক্ষেত্রগুলোতে বিতর্ক অনুমোদন করে না, বরং এগুলো নিয় নীরব থাকাটাই শ্রেয় মনে করে।

ভারত ত্যাগ করতে বাধ্য হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বার্সামিয়ান বলেছিলেন, ‘পুরো বিষয়টিই কাশ্মীর সংক্রান্ত। আমি ঝাড়খ-, ছত্তিশগড়, পশ্চিমবঙ্গ, নর্মদা ড্যাম, কৃষক আত্মহত্যা, গুজরাট প্রোগ্রাম (নির্মূল অভিযান) এবং বিনায়ক সেন নিয়ে কাজ করেছি। কিন্তু কাশ্মীর হলো ভারতীয় রাষ্ট্রের উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দু। এখানে সরকারি ভাষ্যের প্রতিবাদ কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হয় না।’

মজার ব্যাপার হলো, ভারত সফরের জন্য শিক্ষাবিদদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র নিতে হলেও কর্পোরেট প্রধানদের এর প্রয়োজন হয় না : ‘অর্থাৎ কেউ যদি কোনো ড্যামে বিনিয়োগ করতে চায় বা স্টিল প্রকল্প নির্মাণ করতে চায় বা বক্সাইট খনি কিনতে চায়, তবে তা নিরাপত্তাগত সমস্যা বিবেচিত হয় না। কিন্তু কোনো শিক্ষাবিদ যদি বিশেষ কোনো সেমিনারে, যেমন উচ্ছেদ বা সাম্প্রদায়িকতাবাদ কিংবা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বাড়তে থাকা অপুষ্টি ইত্যাদি নিয়ে অংশ নিতে চান, তবে তা নিরাপত্তাগত আশঙ্কার সৃষ্টি করে।’

অরুন্ধতী রায়ের গদ্য আগের মতোই হুল ফোটানো। নব্যউদার অর্থনীতির যুগে সদাবিবর্তনশীল গণতান্ত্রিক অবয়ব বিষয়ক নির্বাচিত প্রবন্ধমালায় কাশ্মীরে নৃশংসতা, আফজাল গুরুকে ফাঁসি দেওয়া, বিনায়ক সেনের মতো বিপ্লবীদের কারারুদ্ধ করা, আনা হাজারের উত্থানের মতো অন্ধকার বিষয়গুলো নিয়ে এ ধরনের তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ সময়োচিত।

তার প্রধান জেরার ভিত্তি ছিল দুটি প্রশ্নকে ঘিরে : ‘গণতন্ত্র যদি নিঃশেষিত হয়ে যায়, তবে কী হবে? এটার ফাঁকা এবং অর্থশূন্য হয়ে যাওয়া বলতে কী বুঝায়?’ সম্ভবত, অরুন্ধতী রায়ের ক্রুদ্ধ কাব্যিক জবাব ছিল : ‘একদিন মৃত দান্তেওয়াড়াও [ছত্তিশগড়ের ঘন অরন্যবেষ্টিত পার্বত্যময় এলাকা] কথা বলতে শুরু করবে। আর এটা কেবল মৃত মানুষই হবে না, এটা হয়ে পড়বে মৃত জমি, মৃত নদী, মৃত পর্বতরাজি এবং মৃত বনবনানিতে মৃত প্রাণি হয়েই থাকবে না, তারাও তাদের কথা শোনার দাবি জানাবে।’ শুরুতে তিনি গণতন্ত্রের ‘অদূরবদ্ধদৃষ্টি’কে দায়ী করেছেন এর প্রধান ত্রুটি হিসেবে এবং আপাত বিরোধী হলেও সত্য যে এটাই এর একমাত্র আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। আমরা অতি সামান্য সময়ের জন্য টিকে থাকি, ভবিষ্যৎ নির্মাণ করি আর এর পরই এর দিকে নিজেদের চোখ অন্ধ করে রাখি। এই মৃদুকণ্ঠের ফলেই অরুন্ধতী রায়ের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সঙ্কটের গোড়াতেই অর্থপূর্ণ হয়ে পড়ে। সে সঙ্কট হতে পারে গুজরাটের জাতি নির্মূল, পার্লামেন্ট ভবনে হামলা, ২০০৮ সালে কাশ্মীরে গোলযোগপূর্ণ আন্দোলন, বা মুম্বাইয়ের সন্ত্রাসী হামলা। যদিও এই গ্রন্থে থাকা বেশির ভাগ প্রবন্ধ পাঠকেরা অন্যত্র পড়ে থাকতে পারেন, তবে এগুলো একসাথে হাতে পেলে গা শিরশির করে ওঠে, ভারতীয় গণতন্ত্রের বেদনাদায়ক বিবর্তনে ক্রোধ সৃষ্টি করে।

বইটিতে কোনো একক বর্ণনা নেই। উত্তেজিত ক্রোধ ও রসবোধের পারস্পরিক ক্রিয়াপ্রতিক্রিয়া ‘সত্য’ খুঁজে পাওয়ার পরিক্রমার দীর্ঘ পথে নিয়ে যায়। এখানে স্থান পাওয়া বিভিন্ন প্রবন্ধ ও বক্তৃতা একইসাথে ক্ষোভ এবং উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী প্রকৃতির, প্ররোচিতকারী জবাব ও দৃষ্টিভঙ্গির পাশাপাশি চোখও খুলে দেয়। এগুলো পুঁজিবাদ এবং চরম গোঁড়ামির বিরুদ্ধে বিদ্রোহের বৈশ্বিক ব্যবহারের পথ বেয়ে এগিয়ে চলে।

সামাজিক ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রগুলোর কেন্দ্র থেকে লেখালেখির এই অবাধবাজার, নাট্যকলায় সার্বজনীন মানবাধিকার, আইনের শাসন, বহুজাতিক সহকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থাই টিকে থাকার একক উদ্দীপনা এবং সব মুক্তি সংগ্রামের উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী বিষয়ে পরিণত হয়েছে। গ্রন্থটি সত্যিই সমসাময়িক ভারতীয় ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক বিতর্কের কিছু প্রাণবন্ত ও ভারসাম্যপূর্ণ ভাষ্য। নোয়াম চমোস্কি, হাওয়ার্ড জিন ও জন বার্গার আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ, মানবাধিকারের লঙ্ঘন, গোষ্ঠী নির্মূলের অভিশাপ এবং প্রতিবেশগত ভারসাম্য প্রশ্নে মানব উদ্বেগের অভাব নিয়ে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণের মাধ্যমে অরুন্ধতী রায়ের জন্য উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছেন।

জিগমন্ট বম্যান তার সম্মতি প্রকাশ করেছেন এভাবে : রাষ্ট্র যখন গোষ্ঠীগত অনুমোদন, ব্যক্তিগত দুর্ভাগ্য এবং এর পরিণতির বিরুদ্ধে সম্মিলিত আশ্বাস দেয় তখন তা হয় ‘সামাজিক’। এটাও মনে রাখা দরকার যে নাগরিকদের মর্যাদা কেবল রাষ্ট্রীয় নীতির সুবিধাভোগের মধ্যেই সীমিত থাকা উচিত নয়, বরং তাদেরকে সম্মিলিত দায়িত্ব, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যৌথ স্বার্থ এবং বৈষম্য অবসানের দিকেও অগ্রসর হওয়ার ভূমিকা পালন করতে হবে।

অরুন্ধতী রায়ের মতো করে সংক্ষেপে বলতে গেলে বলতে হয় যে ‘পুঁজিবাদের জন্য বিশ্বকে নিরাপদ রাখার উৎসর্গ করা মনোবৃত্তি’ নিয়ে যারা কাজ করছে তাদের বিরোধিতা করা জনগণকে শিখতে হবে।

কার্ল মার্কস যেমন বলেছেন, ‘দার্শনিকেরা কেবল বিশ্বকে ব্যাখ্যা করেন; তবে তাদের লক্ষ্য থাকে বিশ্বকে বদলে দেয়ার।’