Home » অর্থনীতি » শিক্ষার মালিকানা ও ভ্যাট প্রসঙ্গ

শিক্ষার মালিকানা ও ভ্যাট প্রসঙ্গ

আনু মুহাম্মদ

Dis 1অবশেষে সরকার প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অসাধারণ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কাছে নতিস্বীকার করে তাদের ওপর আরোপিত ভ্যাট প্রত্যাহার করেছে। নিজেদের সমৃদ্ধ করে শিক্ষার্থীরা ক্লাশে ফিরে গেছে, রেখে গেছে নিজেদের ও সমাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব। সন্দেহ নেই, এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সমাজের মধ্যে শিক্ষা সম্পর্কিত সরকারি দৃষ্টিভঙ্গী, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে মনোযোগ বেড়েছে। শিক্ষা যে পণ্য নয়, এর ওপর যে কর বা শুল্ক আরোপ করা যায় না, শিক্ষার যে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী মালিক থাকতে পারে না, শিক্ষা যে সর্বজনের অধিকার, শিক্ষা যে জনগণের অর্থে পালিত রাষ্ট্রের দায়িত্ব এই উচ্চারণ এই আন্দোলনে দিনে দিনে আরও জোরদার হয়েছে।

সরকার এই ভ্যাট আরোপ নিয়ে প্রথমদিকে কঠোর ও অনমনীয় অবস্থানে ছিলো। এর পক্ষে যৌক্তিকতা দাঁড় করাতে গিয়ে আবোলতাবোল বকেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। বলতে চেয়েছেন, এই ভ্যাট আরোপ না করলে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি কীভাবে চলবে? জানা গেছে, এই ভ্যাট থেকে সরকারের আয় হতো ৫০ কোটি টাকা (প্রথম আলো, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৫)। কোন কোন হিসাবে এটি ক্রমান্বয়ে বেড়ে ২৫০ কোটি টাকা হতে পারতো। প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বাজেটের মুখে এই অংক কিছুই না। মন্ত্রী আমলাদের বিলাসিতা ও অপচয় সামান্য কমালে, এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ির ওপর শুল্ক বসালে এর চাইতে অনেক বেশি আয় করা সম্ভব। আসলে অর্থমন্ত্রী টাকার অভাবে যে গোঁ ধরেছিলেন তা নয়। এটা হচ্ছে তাদের নীতিগত প্রশ্ন যার মূল কথা, জনগণের কাছ থেকে যতোভাবে সম্ভব আরও বেশি কর শুল্ক তুলতে হবে। সেজন্যই যেখানে সেখানে, অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, খোঁচা মারতে হয়। গত কয় বছরে এই খোঁচা মেরে মেরে সরকারের আয় অনেক বেড়েছে।

২০১০১১ সালে কর শুল্ক থেকে সরকারের আয় ছিলো ৭৬ হাজার ৪২ কোটি টাকা। ২০১১১২ তেই তা বেড়েছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। পরের বছরগুলোতে বৃদ্ধির গতি অব্যাহত থাকে। ২০১৪১৫ নাগাদ এই বাবদ আয় বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকা। আর ২০১৫১৬ সালে, মানে চলতি অর্থবছরে এর বাবদ সরকারের লক্ষ্য আরও ৪২ হাজার কোটি টাকা বেশি মানে ১ লক্ষ ৮২ হাজার কোটি টাকা আদায় করা। এই কর শুল্কের মধ্যে গত কয় বছরে ভ্যাট থেকে আয়বৃদ্ধি পেয়েছে সবচাইতে বেশি। ২০১০১১ অর্থবছরে ভ্যাট থেকে প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ ছিলো ২৭ হাজার কোটি টাকা। ২০১৪১৫ সালে প্রকৃত আদায় দাঁড়ায় প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। ২০১৫১৬ সালে এরসাথে আরও ১৪ হাজার কোটি টাকা বেশি, ৬৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভ্যাটএর আওতা বাড়ানো সবচাইতে সহজ, কেননা এর বোঝা গিয়ে পড়ে জনগণের ওপর, সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও তারা অসংগঠিত।

এতো বেশি বেশি অর্থ আদায় করে সরকার তা কোথায় ব্যয় করছে? দেখা গেছে, পাবলিক বা সর্বজনের শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় খাতগুলোতে বাজেটের অনুপাতে ব্যয় বরাদ্দ কমেছে। শিক্ষাখাতে এবছর যে ব্যয় দেখানো হয়েছে তার চাইতে ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় বেশি। বলা দরকার যে, এসব ঋণের কারণ জনগণের প্রয়োজন মেটানো নয়, এগুলো দেশি বিদেশি জ্বালানী ও বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীদের মুনাফা বাড়ানো, মন্ত্রীনেতাআমলাদের শখ মেটানো, আর বিবিধ দুর্নীতির সম্প্রসারণের কারণে ঘটেছে।

গত কয় বছর ধরেই সরকারের প্রধান উৎসাহ মেগা (বা অতিবিশাল) প্রকল্প। অর্থমন্ত্রী বেশ উৎসাহের সঙ্গে এগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন সর্বশেষ বাজেটে, সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত কয়েকটি প্রকল্পের কথা বলেছেন। কম ব্যয়ের প্রয়োজনীয় প্রকল্পে টাকা পাওয়া না গেলেও বৃহৎ প্রকল্পে টাকার জোগাড় হচ্ছে ঠিকই। বৃহৎ প্রকল্পের বৃহৎ ব্যয় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও সামগ্রিক বাজেটের আকার বড় করে দেখায়। কিন্তু এই বৃহৎ ব্যয়বহুল প্রকল্প মানেই কাঙ্খিত প্রকল্প নাও হতে পারে। সরকারের অগ্রাধিকার প্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সুন্দরবনধ্বংসী রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প, দেশের জন্য বিপজ্জনক রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত। সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত এই প্রকল্পগুলোর কিছু অভিন্ন সমস্যা আছে। প্রথমত, স্বচ্ছতা কিংবা প্রয়োজনীয় কারণ দর্শানো ছাড়াই এই প্রকল্পগুলোর ব্যয় বারবার বৃদ্ধি করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, এই প্রকল্পগুলোকে টেকসই প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করার জন্য যে ধরনের Cost Benefit Analysis বা ব্যয়লাভ বিশ্লেষণকরা দরকার, যেভাবে সামাজিক ও পরিবেশগত অভিঘাত সমীক্ষা করার দরকার, সেগুলো উপেক্ষা করা হয়েছে। তৃতীয়ত, এসব প্রকল্প এলাকায়ই জনগণের সম্মতি নেওয়ার পরিবর্তে নিপীড়নমূলক আবহাওয়া তৈরি করা হয়েছে। অর্থনীতি, জননিরাপত্তা ও পরিবেশ হুমকির মধ্যে ফেলে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশিবিদেশি কতিপয় গোষ্ঠী লাভবান হতে পারে; কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে এটা টেকসই উন্নয়নের কোনো দিকনির্দেশনা দিতে পারে না। উন্নয়নের নামে এগুলো হলো ধ্বংসের একেকটি বাহন।

বছর বছর সব ব্যযবহুল প্রকল্পগুলোর অস্বাভাবিক ব্যয়বৃদ্ধির কারণে সরকারের আয় বাড়ানোর চাপও বাড়ছে। কিন্তু এই ব্যয়বৃদ্ধির কারণ কী যেখানে, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে পাঁচ বছর ধরেই নির্মাণ উপকরণের দাম নিম্নমুখি’? । ‘শিল্পের বিভিন্ন উপকরণ ও ভোগ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক মূল্য পাঁচবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। দেশের বাজারেও কমেছে নির্মানসামগ্রীর দাম।’ তারপরও প্রকল্প ব্যয় বাড়ছেই। অবিশ্বাস্য মনে হলেও ‘পরিকল্পনা কমিশনের তথ্যমতে,গত দুই অর্থবছরে সংশোধিত ১৩২টি প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।’ (বণিকবার্তা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫) এই বাড়তি টাকার বোঝা কে টানবে, জনগণ ছাড়া?

তারমানে ধ্বসংসাত্মক প্রকল্প আর দুর্নীতির পাহাড় তৈরি করে অযৌক্তিভাবে ব্যয়বাড়ানোর পুরো বোঝা চাপাতে গিয়েই ঋণ আর করের বোঝা বাড়ছে জনগণের ওপর। ‘করজিডিপি’ অনুপাত নিয়ে অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা সবসময় কথা বলেন। তাঁরা বলেন এই অনুপাত বাংলাদেশে অনেক কম, সুতরাং কর আরও বৃদ্ধি করা দরকার। কিন্তু এই কথা বলে পা দোলালে তো হবে না। কেননা যাদের কাছ থেকে কর আদায় করতে পারলে করজিডিপি অনুপাত দ্বিগুণ করা সম্ভব সেই চোরাই অর্থনীতির নেতারা যে ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকে সেটাও তো বলতে হবে। আর প্রশ্ন তুলতে হবে যে, সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যারা কর দেন তাঁদের পাওনা না মিটিয়ে সেই টাকা কোথায় ব্যয় হয়? সেজন্য নতুন একটি অনুপাত ‘করপরিষেবা (সার্ভিস)’ অনুপাত আলোচনা ও বিশ্লেষণে আনতে হবে। অর্থাৎ যতটুকু কর আমরা দিচ্ছি তার কতটা আমরা ফেরৎ পাচ্ছি তার হিসাব করতে হবে জোর দিয়ে। জনগণ কর শুল্কসহ সরকারকে অর্থ সম্পদ যোগান দেয় তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবার জন্য, সুস্থ নিরাপদ জীবন ও জীবিকার জন্য, সর্বজনের সম্পদ রক্ষার জন্য, সর্বজনের শিক্ষা চিকিৎসা সম্প্রসারণের জন্য। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা সীমাহীন। বরং উল্টো ভূমিকাই দেখা যায় বারবার।

এই উল্টো ভূমিকারই ফলাফল শিক্ষা ও চিকিৎসার বাণিজ্যিকীকরণ। ৯০ দশকের শুরু থেকে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী মালিকানাধীন বেসরকারি বা বাণিজ্যিক বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু। মালিকেরা এসব প্রতিষ্ঠানকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দাবি করলেও মুনাফা এসব প্রতিষ্ঠানের চালিকা শক্তি। সেজন্য এসব বাণিজ্যিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বেতন ফি অনেক বেশি। চাহিদা ও মুনাফাযোগ্যতা উৎসাহব্যঞ্জক হবার কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংখ্যা পরবর্তী বছরগুলোতে বেড়েছে দ্রুত। শিক্ষা যে এতো লাভজনক বিনিয়োগ ক্ষেত্র হতে পারে তা আগে অনুধাবন না করলেও পরে এই মুনাফার টানে শিক্ষার সকল পর্যায়ে এধরনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ বাড়তে থাকে। স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত। বেতন ফি এসব প্রতিষ্ঠানে অনেক বেশি তার মানে এটা নয় যে, এখানে যে শিক্ষার্থীরা পড়ে তারা সবাই স্বচ্ছল বা বিত্তবান পরিবারের সন্তান। বরং অধিকাংশই মধ্যবিত্ত নিম্ন মধবিত্ত পরিবার থেকে আগত। প্রাথমিক স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পাবলিক বা সর্বজন প্রতিষ্ঠানে স্থান সংকুলানের অভাবসহ নানা কারণে এসব প্রতিষ্ঠানেই ভর্তি হচ্ছে সমাজের বড় অংশ। সীমিত বা নিম্ন আয়ের মানুষেরা ধারদেনা করে, জমি বিক্রি করে, অনেক ঝুঁকি নিয়ে প্রবাসে কাজ খুঁজে বা দেশে বাড়তি কাজ করে সন্তানকে পড়াচ্ছেন যাতে সন্তানের অবস্থা বদলায়, তাদের মতো না থাকে। চিকিৎসা ক্ষেত্রেও এই অবস্থা। শিক্ষা ও চিকিৎসার এই বাণিজ্যিকীকরণের কারণে সাধারণভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে মানুষের ব্যক্তিগত/পারিবারিক ব্যয় বেড়ে গেছে অনেক। শিক্ষা ও চিকিৎসা সর্বজনের জন্য অধিকার হলেও এসব ক্ষেত্রে সরকারের দায়দায়িত্ব কমানোর নীতিগত অবস্থানের কারণেইএসব প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ করা হয়নি।

শিক্ষা ও চিকিৎসাকে ক্রমে বাণিজ্য ও মুনাফার উপাদানে পরিণত করবার নীতি ও দর্শনের প্রভাব সর্বজন বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা হাসপাতালগুলোর অভ্যন্তরে আরও অনেক বিষময় প্রবণতা তৈরি করেছে। বাণিজ্য, মুনাফা বা টাকার উন্মাদনা সমাজের সুবিধাভোগী সমাজের অন্যান্য অংশের মতো এখানেও ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে। বাজার থেকে শিক্ষা চিকিৎসা সহ সবকিছু বর্ধিত দামে কেনার বাধ্যবাধকতা এই পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও ডাক্তারদের বেতন সুযোগ সুবিধা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় কম। কিন্তু বাণিজ্যিক বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা ক্লিনিক/হাসপাতাল গড়ে উঠেছে, টিকে আছে, কাজ করছে সর্বজন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বিশেষজ্ঞদের দিয়েই। বেতন সেখানে বেশি, বাজারের টান সেদিকেই। কিন্তু সর্বজন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য সময় এমনকি অবকাঠামো অনানুষ্ঠানিক বাণিজ্যিকীকরণ প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রবেশ করছে। কোন কোন সর্বজন বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের প্রাঙ্গণেই ভিন্ন শিফট করে বাণিজ্যিক তৎপরতায় নিয়োজিত হয়েছে। অর্থ মুনাফা মুখি তৎপরতাই এখন প্রাধান্যে। শিক্ষাও এর শিকার, শিক্ষার্থীরা অসহায় নিপীড়িত দর্শক।

যারা এদেশেরই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান বা প্রাক্তন শিক্ষক হিসেবে এসব নীতি প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত কিংবা এগুলোর পক্ষে ওকালতি করেন, আমি জানি না, তাদের কজন বাজার দরে শিক্ষা কিনে এই পর্যন্ত আসতে পারতেন, কিংবা বর্তমানের যারা প্রকৌশলী, ডাক্তার, বিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী তারা কয়জন উচ্চশিক্ষা সমাপ্ত করতে পারতেন? নিজের বেলায় বলতে পারি, আমি পারতাম না। সর্বজন শিক্ষার দায় রাষ্ট্রকে এজন্যই দেয়া হয়। যাতে রাষ্ট্র জনগণের অর্থব্যয় করে তার মধ্যে দিয়ে জনগণের শিক্ষার অধিকার শুধু নয়, সমাজের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিশ্চিত করে, সমাজকে বিকশিত হবার পথ তৈরি করে।

আমাদের মনে রাখতে হবে, মনে করিয়ে দিতে হবে যে, সরকারের অর্থ বলে কিছু নেই, সরকারের হাতে যতো টাকা তা সবই জনগণের। তাই হিসাব বুঝে নেবার জন্য জনগণের মধ্যে মালিকানার বোধ তৈরি খুব জরুরী। সর্বস্তরে দেশের সম্পদ, সরকারের কাছে থাকা প্রতিটি টাকা মানে নিজেদের টাকার ওপর জনগণের অধিকার চর্চার পথ তৈরি করতে হবে, বেহাত হয়ে যাওয়া মালিকানা পুনপ্রতিষ্ঠার প্রশ্ন তুলতে হবে।।