Home » রাজনীতি » চিকন রশির ওপর দিয়ে হাটছে দেশ

চিকন রশির ওপর দিয়ে হাটছে দেশ

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

এক.

Dis 1একটি প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি। প্রশ্নটি সকলের কাছে। পর পর দুই মেয়াদে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা দলটি নিজের ছাত্র সংগঠনের সন্ত্রাসখুনোখুনি বন্ধ করতে পারছেনা! কি করে জঙ্গী দমনসহ নানা জাতীয়আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস বন্ধ করবে? আসুন, সবাই মিলে এই প্রশ্নটি করি। যে ছাত্র সংগঠনটি নিজেদের মধ্যে গত সাত বছরে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে অনধিক সাড়ে চারশ বার, দলের ৫৪ জন নেতাকর্মী খুন হয়েছে অন্তর্কোন্দলে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, ভর্তি ও অপহর বাণিজ্যের কথা বাদই থাক, সবশেষ গত ২ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবাগতদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে তাদের দু’পক্ষের সংঘর্ষে চারজন পুলিশসহ অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এ হচ্ছে স্রেফ পরিসংখ্যান। এর বাইরে যা ঘটাচ্ছে তা লিখতে গেলে দিস্তা দিস্তা কাগজেও কুলোবে না।

অনেকদিন ধরেই এবং এখনও, যারা শুভবুদ্ধির মানুষ তাঁরা বারবার বলার চেষ্টা করছেন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রসমাজ হয়ে উঠতে, সুশাসন এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রাখতে হলে কতগুলি নির্দেশক থাকতে হয়। জনগণের অধিকার রক্ষায় সরকার, আইন সভা, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্রিয় হতে হয়। প্রতিষ্ঠানগুলি যখন সরকারী নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে বা জননিপীড়নমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধ করে না, তখন জনগণের আর কোন আশ্রয়প্রশ্রয় থাকে না। রাষ্ট্র হয়ে ওঠে কতিপয়ের।

শাসকআমলাশিক্ষাবিদসিভিল সমাজ নিজেদের স্বার্থে একাট্টা হয়ে এখন ভুলতে বসেছেন যে, সংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রটির মালিক জনগণ। বদলে যখন যে ক্ষমতায় আসছে সেই দলই মালিক বনে যাচ্ছে রাষ্ট্রের। বন্দুকের নল বা শক্তির জোরে জঙ্গল চলে, রাষ্ট্র চলে না। রাষ্ট্র চলে ন্যায্যতা ও রাষ্ট্রাচার অনুুশীলনে। এই দেশ চলছে উল্টোযাত্রায়। রাষ্ট্রাচার পরিনত হয়েছে ভ্রষ্টাচারে। ব্যক্তিদল অথবা মাফিয়া চক্রের অনুগামী হয়ে পড়েছে আইনের শাসন। এই উল্টো যাত্রায় অতীত ট্রাজেডিগুলির শিক্ষা কোন কাজে আসেনি।

মাত্র একটি মাসের মধ্যে বাংলাদেশে অনেকগুলো ঘটনা ঘটেছে। বিদেশী হত্যা ও আক্রমন, অনলাইন লেখক হত্যা ও জখম, কর্তব্যরত পুলিশ হত্যাসবমিলিয়ে আবার মৃত্যু উপত্যকা হয়ে উঠতে যাচ্ছে দেশ। এই নিয়ে প্রধান দুই দলের শীর্ষ নেতানেত্রীদের ব্লেইম গেম চলছে, যাকে ‘রাবিশ’ না বলা গেলেও জাতীয় সংলাপের আহ্বানকে অর্থমন্ত্রী কিন্তু রাবিশ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

হত্যাসন্ত্রাস, গুমঅপহরন, যাই ঘটুক সহজেই বলে দিচ্ছে এটি প্রতিপক্ষের কাজ। সবশেষ ক্ষমতাসীন দলের নেতা মাহবুবুল আলম হানিফ বলেছেন, ‘বিএনপির একটি খন্ডিত অংশ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে’। বুঝুন তাহলে, এবার পুরো বিএনপি নয়, খন্ডিত অংশ! তার এই বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েই তো পুলিশ অগ্রসর হতে পারে। হানিফআওয়ামী লীগসরকার জানে কারা হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে। তাকে কেন তাহলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না? এটি কি ধরে নেয়া যেতে পারে যে, হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে?

চলতি বছরের জানুয়ারিএপ্রিলের নাশকতাধংসযজ্ঞের পর প্রধান অভিযুক্ত জামায়াতশিবির নেতাকর্মীদের ক্ষমতাসীন দলে যোগদান করানোর হিড়িক পড়ে গেছে। জানা গেছে, এর সংখ্যা ইতিমধ্যে অন্তত:পক্ষে ১১ হাজারে দাঁড়িয়েছে। পত্রিকান্তরে ও টিভি টক শোতে প্রচারিত এই তথ্য সত্য হলে ধরে নিতে হবে আওয়ামী লীগের জামায়াতীকরন ঘটছে? কথিত সেক্যুলার আওয়ামী লীগের রাজনীতি নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে? আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য তাদের এলাকায় পেট্রোল বোমা হামলা, হত্যা মামলার আসামীদের দলে সাদরে বরন করে নিয়ে একক ভোটের রাজনীতির সাফল্য নিশ্চিত করছেন।

ব্লগার নাম দিয়ে, নাস্তিকতার দোহাই দিয়ে মুক্তচিন্তার ধারক নবপ্রজন্মের অনলাইন লেখকদের হত্যা করা হচ্ছে। হত্যাকারীদের সাথে ক্ষমতাসীন দলও তাদের নাস্তিক হিসেবে চিহ্নিত করার অপপ্রয়াস নিচ্ছে। এরা নাস্তিক কি আস্তিক সে কূটতর্কে না গিয়ে আমরা সজীব ওয়াজেদ জয়ের বক্তব্যে মনোযোগ দিতে পারি। তিনি বলেছিলেন, ‘We are walking a fine line here,অর্থাৎ আমরা একটি চিকন রশির ওপর দিয়ে হাঁটছি। প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি সকলেই তার সাথে একমত হবো?

যদি একমত নাও হই তাহলেও ধরে নিতে হবে, এটি সরকারের ভেতরকার বক্তব্য এবং অতি সত্যকথন। হাইপোথিসিস দাঁড়ায়, যদি প্রকৃত তদন্ত হয় হত্যাকারী চিহ্নিত এবং গ্রেফতার হবে। তাহলে সরকার নাস্তিকদের দলে ব্র্যান্ডিং হয়ে যাবে। তারা এ বিষয়ে সচেতন এবং এই ইমেজ ধরে রাখতে অনলাইন লেখকদের পক্ষে নয়। তাদের মতে, অন্যান্য দেশেও এরকম হত্যাকাণ্ড ঘটছে এবং দু’চারটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় সরকারের তেমন কোন ক্ষতি নেই। তদন্তবিচারনিরাপত্তা দিতে গিয়ে সরকার নিশ্চয়ই চিকন রশির ওপর থেকে পড়ে য়াওয়ার ঝুঁকি নেবে না! এই হাইপোথিসিস সত্যি কি মিথ্যা সেটিও প্রমানের দায় আসলে সরকারেরই অথবা জনগণের।

দুই.

আচারআচরন, কথাবার্তা, বক্তব্য ও বিবৃতিতে লক্ষ্যণীয় যে সরকার এখন কতটা অসহিষ্ণু এবং অস্বস্তিতে। সবশেষ পুলিশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শীর্ষ কর্মকর্তারা একযোগে ঘোষণা দিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ গুলি করবে। আক্রান্ত হলেই পাল্টা গুলি। এর মানে কি, এতকাল পুলিশ পাল্টা গুলি ছোঁড়েনি? প্রতিটি ক্রসফায়ার বা বন্দুুকযুদ্ধের পর গৎ বাঁধা উক্তি শুনতে মানুষ অভ্যস্ত ‘.. এ সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি করতে বাধ্য হয়। এতে অমুক নিহত হয়..’। পুলিশের জন্য এটি তো এখন ইউনিভার্সাল! তার ওপর পুলিশ প্রবিধানে স্পষ্ট বলা আছে, আক্রান্ত হলে পাল্টা গুলি চালাতে পারবে।

ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টের আকালে একটি জাতীয় দৈনিক বেশ কয়েকজন সাবেকবর্তমান পুলিশ কর্মকর্তা, মনোবিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের বরাতে ছেপেছে, ‘মনস্তাত্ত্বিক সংকটে পুলিশের একাংশ’। এই রিপোর্টটির সাথে একমত হতে পারলে ভাল হতো। কিন্তু পুলিশের এই সংকটতো বহু যুগের। শত বছর পরেও পুলিশ আইনের প্রায় কোন সংস্কার হয়নি। নিচের দিকে সুযোগসুবিধা করুণ, অনেকটা মানবেতর। একজন কনষ্টেবলের জীবনযাপন, ডিউটি, থাকাখাওয়ার ব্যবস্থা সবকিছু মিলিয়ে অকরুণ চিত্রই বটে! তারচেয়েও বেশি আশংকার বিষয় এখন তাদের জীবনের নিরাপত্তা।

পুলিশের জন্য সব আমলে সবচেয়ে ক্ষতিকর হচ্ছে, দলীয়করন এবং দলীয় ক্যাডারদের মত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবহার। এর নিট ফল হচ্ছে, পুলিশের পেশাদারিত্ব নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। প্রজাতন্ত্রের বাহিনীর বদলে পরিনত করা হয়েছে দলীয় বাহিনীতে। বহুল আলোচিত এই বাহিনী এখন কতটা জনগণের সেবক সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে আকছার। এটা সকলেই জানেন, খুব কম থানার ওসি ও জেলার এসপিরা কিভাবে কাজ করছেন।

রাজনৈতিক দলের নেতাদের মত পুলিশ কর্তারা কি জানেন, কতিপয় কর্মকর্তা তৃণমূলে কতটা বেপরোয়া ও ভীতি ছড়াচ্ছেন? সম্ভবত: কর্তারা বুঝতে চাচ্ছেন না তাদের পার্টিজান বক্তব্য বা আচরন কিভাবে পুলিশের পেশাদারিত্ব ও নৈতিক মনোবল ভেঙ্গে দিচ্ছে। পুলিশর‌্যাবের অনেক ভাল কাজ ঢেকে দিচ্ছে কিছু অসৎ কর্মকর্তার গণবিরোধী কর্মকাণ্ড। বিরোধী দলমত দমনে, রাজনৈতিক নেতাদের তো বটেই, একেবারে সাধারনের প্রতিবাদ সমাবেশ বা একটি মানববন্ধনও পুলিশের নির্দয় পিটুনীর শিকার হতে পারে। এসব বিষয়ে তারা সিদ্ধহস্ত হয়ে ওঠায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব কি হারিয়ে ফেলছেএই প্রশ্ন সকল মহলের। উদাহরণ দেবার প্রয়োজন নেই, সকলেরই জানা রয়েছে এই বাহিনীর কিছু সদস্য কিভাবে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে পড়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, রাজনৈতিক দলের ননসাড়ে চার দশকে এটি তারা প্রায় ভুলতে বসেছেন। আকরাম, কোহিনূরদের মত পুলিশ অফিসারদের নাম ঘুরেফিরে আসছে এবং ব্যবহার করা হচ্ছে দলীয় স্বার্থে। এজন্যই পুলিশকে ট্রিগারহ্যাপি করে তোলা হয় প্রতিপক্ষ ও জনমত দমনে। কিন্তু জামায়াতশিবিরের সশস্ত্র ক্যাডার বা জঙ্গীগোষ্ঠি যখন হামলা করছে তখন পুলিশ এক ধরণের ফ্রিজিডিটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। নিহত হচ্ছে, মার খাচ্ছে, আত্মরক্ষার গুলিটি ছুঁড়তে পারছে না। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর খবর দিয়েছে একটি পত্রিকা, ‘আশুলিয়ার বারুইপাড়ায় কর্তব্যরত পাঁচ পুলিশের কারো রাইফেলে গুলি ছিল না’।

এই পার্টিজান পুলিশকে জনগণ ভয় পায়। অপরাধ বা অপরাধীদের সম্পর্কে খবর দিতে দ্বিধা করে, পাছে তাকেই না এর সাথে জড়িয়ে দেয়। কোন ঘটনায় মামলা, এমনকি জিডি করতেও ভয় পায়। বন্ধু হয়ে ওঠার বদলে তারা এখন মূর্তিমান আতংক। অথচ পুলিশে প্রচুর ভাল ও প্রমিজিং মানুষ রয়েছেন। অঙ্গীকারও আছে তাদের। তাঁরা স্বমহিমায় উজ্জল। কিন্তু দলীয় বিশ্বস্ততার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় তারা হেডকোয়ার্টারে ওএসডি বা অগুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। ফল হয়েছে পুলিশ আক্রান্ত হলে জনপ্রতিরোধ গড়ে উঠছে না। জনগণ সন্ত্রাসী জঙ্গীগোষ্ঠিকেও ভয় পায়, পুলিশকেও ভয় পায়। সরকার এখনও এ বিষয়গুলি নিয়ে ভাবতে পারেন।

তিন.

ক্রান্তিকালে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্মম সত্যটি উচ্চারন করলেন, ৮ নভেম্বরের সংবাদ সম্মেলনে। বললেন, ‘আমরা যদি সচেতন না হই, তাহলে সর্বনাশ হবে। সিরিয়া, ইরাক, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মত পরিবেশ বাংলাদেশে সৃষ্টি হোক তা কারও কাম্য নয়’। এই কথাটি অনেককাল ধরে বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। যে আন্তর্জাতিক স্বার্থগুলি এখানে কাজ করছে তারা চায়, একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ। যাতে তাদের রাজনৈতিকঅর্থনৈতিকবাণিজ্যিক স্বার্থ হাসিল করা সহজ হয়।

৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে মার্কিনসহ পশ্চিমী সমীকরণ ছিল বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্র নয়, বরং প্রয়োজনে এমন ব্যবস্থা তৈরী করা হবে যা সংঘাতকে থামিয়ে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনবে, কিন্তু নির্বাসনে পাঠাবে প্রচলিত রাজনীতি। একক নির্বাচনে ভারতের সমর্থন ও নির্বাচন প্রতিহতে বিএনপির ব্যর্থতা আন্তর্জাতিক কৌশলের ছকটি পাল্টে দেয়। রক্তপাতময় রাজনীতির ধারাবাহিকতায় চোরাগোপ্তা আক্রমন, অনলাইন লেখকদের হত্যা ও সবশেষ বিদেশী হত্যা যুক্ত হয়ে বাংলাদেশকে বড় আশংকার মধ্যে নিয়ে গেছে। এজন্য প্রান্তিক সম্ভাবনার সুতোর ওপর দুলছে রাজনীতি। ওই অর্থে সজীব ওয়াজেদ জয়ের উক্তিটি সত্য এবং এই পরিস্থিতি সৃষ্টির সিংহভাগ দায়দায়িত্ব তাদের বহন করতে হক্ষে।

দেশের মানুষ বিশ্বাস করে, সরকার চাইলে এই সমতল ভূমিতে ক্ষমতার অপচ্ছায়ায় সৃষ্ট জঙ্গীবাদ বা চরমপন্থা সপ্তাহের বেশি টিকতে পারে না। কারণ এই দেশ পাহাড়পর্বত ঘেরা কোন অনতিক্রম্য অঞ্চল নয় এবং জনসমর্থন তাদের নেই। মানুষও ধর্মপ্রাণ, ধর্মান্ধ নয়, যদিও গত কয়েক দশকে অপব্যাখার কারণে মানুষের মনোজগতে অনেক পরিবর্তন ঘটে গেছে। তারপরেও সরকার যদি জনগণকে নিয়ে জঙ্গীগোষ্ঠিগুলির অস্তিত্ব বিলোপে সংকল্পবদ্ধ হয়, তাহলে এই দেশ আরেকটি উদাহরণ হবে না। কিন্তু জনগণ এও বিশ্বাস করে, রাজনীতির পাশা খেলায় ক্ষমতাধরদের ঘুঁটি কথিত এই জঙ্গীবাদ ততদিনই টিকবে, যতদিন না স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক রাজনীতির ধারাবাহিকতা ফিরে আসে।