Home » মতামত » জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসবাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি

জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসবাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি

প্রকাশকাল ২ ডিসেম্বর ২০১৫

এম. জাকির হোসেন খান

Last-2২০১৪ সালে সন্ত্রাসবাদের কারণে বৈশ্বিকভাবে ৫২.৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার অর্থনৈতিক ক্ষতিসহ সার্বিকভাবে সর্বমোট অর্থনৈতিক ক্ষতি ছিলো ১০৫.৮ বিলিয়ন ডলার। শুধুমাত্র ২০০৫ সালে ইরাকের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ফলে ক্ষতির হিসাব করলে পিপিপি হিসেবে তা প্রায় ১৫৯ বিলিয়ন ডলারে দাড়িয়েছে যা ২০১৪ সালের ইরাকের জিডিপি’র ৩২ শতাংশের সমান। সন্ত্রাসবাদের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যয় পরিমাপে অর্থনীতি এবং শান্তি ইনষ্টিটিউট (ইপিআই)-এর বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে ২০১৫ সংঘাতের অর্থনৈতিক ব্যয় প্রাক্কলন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে যার আওতায় জীবন হানি, সম্পত্তি ধ্বংস ও মুক্তিপণ প্রদানের ফলে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০০১ সাল থেকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের অর্থনৈতিক ব্যয় সর্বোচ্চ ছিল।

অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাপে মার্কিন ডলারের ২০১৪ এর স্থির মূল্যে বর্তমান বছরের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ খরচকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদের সার্বিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যয় পরিমাপ একটি জটিল প্রক্রিয়া। সন্ত্রাসবাদের প্রত্যক্ষ ব্যয় বা ক্ষতির কারণ হিসেবে সন্ত্রাসবাদী আক্রমণের ফলে জীবন এবং সম্পদহানিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পরোক্ষ খরচ পরিমাপ কম ক্ষনস্থায়ী এবং সুনির্দিষ্ট। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১১ সেপ্টেম্বর বা ৯/১১ আক্রমণের ফলে ব্যয়ের হিসেবে জানা যায়, প্রাক্কলনের পরিমাণ দাড়ায় ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ১০৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। উপরন্তু, বিভিন্ন ধরণ এবং পদ্ধতির সন্ত্রাসী আক্রমণ রয়েছে। সন্ত্রাসী আক্রমণের ধরন, আকার এবং আক্রমণের তীব্রতার পার্থক্যের কারণে আক্রমনের অর্থনৈতিক ব্যয়ের সাধারণীকরণ কঠিন করে তোলে।

সন্ত্রাসের অর্থনৈতিক ব্যয় নিরূপণ পদ্ধতি রক্ষণশীল ধাচের। মূলতঃ আহত এবং মৃত ব্যক্তির হারানো শ্রম আয় এবং পরিবার ও বন্ধুদের ওপর তৎক্ষনাৎ প্রভাবের সম্মিলিত ফলাফল হলো সন্ত্রাসের অর্থনৈতিক ব্যয়। কিন্তু এ পদ্ধতিতে নিরাপত্তাজনিত অতিরিক্ত ব্যয় বা উচ্চতর বীমা প্রিমিয়াম বাবদ ব্যয়, বা কোনো দুর্ঘটনার পরপরই শহরের যানজটের থমকে যাওয়ার বৃহত্তর অর্থনৈতিক প্রভাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অন্যান্য সহিংসতা জনিত যেমন হত্যাকাণ্ডের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি বা ব্যয়ের সাথে সন্ত্রাসের অর্থনৈতিক ব্যয়ের তুলনায় একই ধরনের ব্যয় নিরূপন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ক্ষতি বা ব্যয়ের পরিমাণ ২০১৪ সালে ৫২.৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে, যা ২০১৩ সালের তুলনায় ৩২.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি।

২০১৪ সালে সন্ত্রাসবাদের মোট বৈশ্বিক ক্ষতির প্রায় ৯৭% শুধুমাত্র নাগরিকদের মৃত্যুবরণের ফলে ঘটেছে। অন্যান্য সংঘাতের তুলনায় সন্ত্রাসের কারণে লোকসান অপেক্ষাকৃত কম। উদাহরণস্বরূপ, সহিংস অপরাধ এবং নরহত্যার সঙ্গে যুক্ত ব্যয় সন্ত্রাসের কারণে ক্ষতির তুলনায় ৩২ গুণ বেশি হয়। আইইপি বিশ্বের সকল জাতীয় নিরাপত্তা ব্যয়ের সম্মিলিত ফলাফল তৈরি করেছে এবং প্রদত্ত তথ্যে জানা যায়, সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধ করতে যেয়ে বিশ্বের সব জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সর্বমোট প্রায় ১১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে। সন্ত্রাসী আক্রমণের মারাত্মক শিকার রাষ্ট্রগুলোতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বিদেশি বিনিয়োগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অন্যান্য দেশে অর্থনৈতিক প্রভাব অল্প। তবে, অধিকাংশ সন্ত্রাসী আক্রমণ তুলনামূলকভাবে কম এবং অন্য ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম অনেক বড় মানবিক ও অর্থনৈতিক খরচ বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় এবং অর্থনৈতিক ব্যয়েরর কারণ হয়ে থাকে। একটি বিশেষ সন্ত্রাসী হামলার ক্ষতি, বিশেষ করে বড় আকারের ঘটনা, গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট খরচের ৭০ শতাংশ জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাসমূহের জন্য ব্যয় করতে হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর জন্য প্রায় মার্কিন ১.১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার বা গড়ে প্রতি বছরে ৭৩ বিলিয়ন (গড়ে প্রতি নাগরিকের জন্য প্রায় ২৩০ ডলার) ব্যয় হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার ব্যয় সম্পূর্ণরূপে সন্ত্রাস দমনের জন্য না হলেও গুরুত্বপূর্ণ অংশ শিল্পোন্নত দেশের গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের জন্য ব্যয় করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক এবং বেসামরিক ১৩টি গোয়েন্দা সংস্থার (CIA, FBI, DoS, DCP, MI, AFISR, MCIA, ONI, SOCOM, NSA, DIA, NGA and the Office of Intelligence Support) জন্য ২০১০ সালেই প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়। এর বাইরেও শুধুমাত্র হোমল্যান্ড সিকিউরিটির জন্য প্রায় ৫৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যয়ের চুয়াল্লিশ শতাংশ সন্ত্রাসদমনে ব্যয় হয়। যুক্তরাজ্যের বাজেটের ৮১ শতাংশ এমআই১৫ এর দেশে এবং বিদেশে সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যয় করা হয়। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে শুধুমাত্র এমআই১৫ এর সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনায় ২০১৪ সালে যুক্তরাজ্যের প্রায় ২.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে।

চোরাগোপ্তা সন্ত্রাসী গ্রুপ মোকাবেলায় বিভিন্ন সরকার কর্তৃক বড় বিনিয়োগ করতে হয়েছে। যদিও রাশিয়া এবং চীনের মাথাপিছু সামরিক ব্যয় অধিক হতে পারে। কিন্তু অর্থপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় জাতীয় হিসেবের প্রাক্কলনে স্বচ্ছতার উচ্চতর ঘাটতি থাকায় শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজের নিরাপত্তা ব্যয়ের বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধে প্রত্যক্ষ ব্যয় সন্ত্রাসের অর্থনৈতিক ব্যয়ের তুলনায় সাধারণত অনেক বেশি হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৪ সালে জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গড়ে জনপ্রতি ১১৫ ডলার ব্যয় করে, অথচ সন্ত্রাসের ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে জনপ্রতি মাত্র ৬১ সেন্ট (মাত্র ০.৫১%)। এর অর্থ এই নয় যে, সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধে ব্যয় করা যৌক্তিক হবে, কারণ সন্ত্রাসদমনে প্রতিটি ডলার কিভাবে ব্যয় হয়েছে সে সংক্রান্ত বিশ্লেষণযোগ্য তথ্য সহজভাবে পাওয়া যায়না। তাছাড়াও, সন্ত্রাসী আক্রমণ চোরাগোপ্তা প্রকৃতির হওয়ায় এটা অনেক ব্যাপক, অপ্রত্যাশিত এবং যখনতখন ঘটার সম্ভাবনা থাকায় সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় জাতীয় ঝুকি কাঠামো প্রয়োগ করা খুব কঠিন।

অন্যদিকে, ব্যক্তিগত পর্যায়ে সহিংসতা ও পুলিশের খরচের সমতুল্য অনুপাত করলে বোঝা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ পরিষেবা এবং পাল্টা আক্রমণ মোকাবেলার জন্য মাথাপিছু ২৮১ মার্কিন ডলার ব্যয় করলেও হত্যা এবং সহিংস হামলার কারণে মাথাপিছু ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪ গুণ বা ৯৮৮ মার্কিন ডলার। যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রেও এ অনুপাত প্রায় একই রকম, সন্ত্রাসবাদের শিকার হওয়া জনপ্রতি অর্থনৈতিক ক্ষতি মাত্র ১৫ সেন্ট হলেও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় জনপ্রতি ৪০ ডলার ব্যয় করতে হয়েছে। এর বিপরীতে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সহিংসতার কারণে জনপ্রতি অর্থনৈতিক ক্ষতি ৮৮৮ মার্কিন ডলার হলেও সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় মাত্র ২৩১ ডলার ব্যয় করতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার ব্যয়ের সাথে পুলিশ পরিসেবা খরচের আপেক্ষিক তুলনা করলে সন্ত্রাসবাদে সংশ্লিষ্ট অপরাধ প্রতিরোধে ব্যয় ব্যক্তিগত ও অভ্যন্তরীন পর্যায়ে সহিংসতার তুলনায় অনেক বেশি। সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় উল্লেখযোগ্য ব্যয় হওয়ার মাধ্যমে এটা স্পষ্ট যে, সাধারণ জনগণের মাঝে সন্ত্রাসের শিকার হওয়ার ভয় প্রবল।

অধিকাংশ দেশের বিক্ষিপ্ত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ওপর সন্ত্রাসের অর্থপূর্ণ কোন প্রভাব না থাকলেও খুব বড় সন্ত্রাসী আক্রমণ বা ব্যাপক এবং বিস্তৃত সন্ত্রাসবাদে আক্রান্ত দেশের জন্য ওপর উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রভাব রয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায়, সন্ত্রাসবাদের শিকার প্রধান ১০টি দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ০.৫১% থেকে ০.% হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির হারও ১.% থেকে ২% পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। একই নিরূপন পদ্ধতি অনুসরণ আইইপি গবেষণা থেকে জানা যায়, সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়ে ইরাক ২০০৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫৯ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছে। গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে সেপ্টেম্বর ১১ এর আক্রমণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক বিনিয়োগের ওপর সামান্য প্রভাব থাকলেও ১৯৮০ এবং ১৯৯০ সালে যথাক্রমে গ্রীস এবং স্পেনের ওপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ফলে প্রতিটি দেশের বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রায় ৫০ কোটি ডলার করে হ্রাস পায়। একইভাবে নাইজেরিয়াতে বোকো হারামের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের ফলে ২০১০ সালে নাইজেরিয়া প্রায় ৬.১ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ হারায়, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩০% কম। এ প্রেক্ষিতে বলা যায়, সন্ত্রাসী কার্যক্রম উৎপাদন, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে।

আর সীমিত প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও আইনের শাসনের দুর্বলতা বা অর্থনৈতিক উন্নয়ন না হওয়ায় দেশগুলোতে এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রায়ই ঘটে থাকে। সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে রাজনৈতিক সন্ত্রাস এবং সহিংস সংঘাতের সাথে অত্যন্ত সম্পর্কযুক্ত। ১৯৮৯ সন থেকে বিভিন্ন দেশে সংঘটিত সব আক্রমণের ৯২% রাজনৈতিক কারণে ঘটেছে, সব ধরনের সন্ত্রাসী আক্রমণের ৮৮% ঘটেছে সহিংস সংঘাতে আক্রান্ত দেশগুলোতে। ওইসিডি ভুক্ত দেশগুলোতে বৈশ্বিক সন্ত্রাসের সূচকের সাথে আর্থসামাজিক বিভিন্ন বিষয় যেমন, যুব বেকারত্ব, গণমাধ্যমের ওপর আস্থা, গণতন্ত্রের ওপর আস্থা, মাদক অপরাধ এবং ব্যক্তিগত আচরণের সরাসরি সম্পর্ক ও প্রভাব চিহ্নিত করা হয়েছে। ওইসিডি ভুক্ত নয় বা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর ক্ষেত্রে বৈশ্বিক সন্ত্রাসের সূচক বা জিটিআই’র সাথে সশস্ত্র সংঘাতের ইতিহাস, সংশ্লিষ্ট দেশে চলমান রাজনৈতিকও অন্যান্য সংঘাত, দুর্নীতি এবং দুর্বল ব্যবসায়িক পরিবেশ অধিকতরভাবে সম্পর্কিত। সার্বিকভাবে, ব্যাপক বা অধিকতর সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে অধিকতর রাজনৈতিক সন্ত্রাস, মানবাধিকারের প্রতি কম সম্মান দেখানো, ধর্মীয় স্বাধীনতা সংক্রান্ত নীতিমালা, গোষ্ঠীগত অভিযোগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং জাতিসংঘ বা ইইউ’র মতো প্রতিষ্ঠানসমূহকে কম সম্মান দেখানোর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। অর্থাৎ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে দেশীয় এবং ব্যাক্তিগত অনেক বিষয়গুলোর মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ পরিচালিত হয়।।

(বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক২০১৫ অনুসরণে)