Home » অর্থনীতি » বাংলাদেশ কী রাষ্টীয় অর্থ পাচার ও চুরির স্বর্গ

বাংলাদেশ কী রাষ্টীয় অর্থ পাচার ও চুরির স্বর্গ

এম. জাকির হোসেন খান ::

‘টাকা বেড়েছে, তাই পাচার বেড়েছে। নতুন করে বাড়েনি। এটাও দেশের উন্নয়নের একটি চিত্র”। অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে অর্থ পাচারের সম্পর্ক বিষয়ক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ নতুন তত্ত্ব কতখানি বাস্তবতা বা অর্থনীতির তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত তা প্রশ্ন সাপেক্ষ। কারণ ২০১১ সালের পর ১০ জুন অর্থমন্ত্রী বাড়তি টাকার উৎস যে অবৈধ তা উল্লেখ করতে গিয়ে বাংলাদেশে কালো টাকার পরিমান জিডিপির সর্বনিম্ন ৪৮ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৮২ শতাংশ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এর আগে স্লাইডার, বুয়েন এবং ক্লডিও ২০০৭ সালে বাংলাদেশের কালো অর্থনীতির পরিমাণ ৩৭ শতাংশ এবং হাসান ২০১০ সালে  ১৯৯৭ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে এর পরিমাণ ৩৮.১% থেকে ৩৯.২% বলে উল্লেখ করেন। আর কালো টাকার উপস্থিতি সরাসরি স্বীকার না করলেও  ভোটারবিহীন সংসদের নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্য ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর বক্তব্যে বলেছিলেন, “দেশে কালো টাকা বলে কোনো টাকা নেই। যে টাকাকে কালো টাকা বলা হচ্ছে তা বিদেশে পাচার করে সাদা করা হয়”। আর  রাজস্ব সংস্কার কমিশন রিপোর্ট ২০০৩-এ উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‘কালো অর্থ পাচারের গন্তব্যস্থল বা নিরাপদ স্বর্গ হলো বিদেশী ব্যাংকগুলো যার মাধ্যমে অর্থনীতির রক্তক্ষরণ হয়” (পৃ.১৮৫)।

বিশ্বব্যাপী সন্দেহজনক বা কালো অর্থের পাঁচার সম্পর্কিত গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে জানা যায়, ২০০৩-২০১৪ সময়কালে প্রতি বছর গড় বৃদ্ধির হার হিসাবে (২৮.৮৫%) বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৮.৪১ বিলিয়ন ডলার বা ১ লাখ ৮৪ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা পাচার হয়, যা থেকে সরকার কমপক্ষে প্রায় ৩৫ হাজার ৯০৫ কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব সংগ্রহ করতে পারতো। এর আগে ২০১৪ এর ২০ জুন তারিখে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) এর ‘‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ২০১৩” প্রতিবেদনের বরাতে ২০১২ এর তুলনায় ৬২ শতাংশ বেড়ে সুইস ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশিদের ৩,১৬২.৭২ কোটি টাকা গচ্ছিত থাকার সংবাদ প্রকাশ করে। ২০০৮ থেকে সুইস ব্যাংকগুলোতে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ কমলেও আশ্চর্যজনকভাবে বাংলাদেশ থেকে পাচারকৃত অর্থের আমানত বাড়ছে। ২০০৬ এবং ২০০৭ সালে অর্থ পাচার বাড়লেও ২০১১ সাল পর্যন্ত এর পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও ২০১২ সাল থেকে এর পরিমাণ বাড়তে থাকে এবং ২০১১ এর তুলনায় ২০১৪ সালে ৫ গুণের বেশি কালো অর্থ বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে পাচার হয়।

আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সুইস ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ পাচারকৃত অর্থের পঞ্চাশ ভাগের এক ভাগ হতে পারে; কারণ বেনামে বা অন্য কোন দেশের নাগরিক বা প্রতিষ্ঠানের নামে গচ্ছিত অর্থ বা মূল্যবান গহনা ও দূর্লভ সামগ্রীর মূল্য অন্তর্ভুক্ত না করায় প্রাক্কলনের পরিমাণ খুবই কম। আর এসব অর্থের উল্লেখযোগ্য অংশ আর্থিক খাতে জালিয়াতির সাথে জড়িত তার প্রমাণ হলো শেয়ার বাজার, সোনালি ও বেসিক ব্যাংকসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রায়াত্ব এবং বেসরকারি ব্যাংক থেকে ক্ষমতাসীনদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সহায়তায় হলমার্ক, বিসমিল্লাহ গ্রুপসহ বিভিন্ন কোম্পানি জালিয়াতির মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটলেও শুধু সরকার ঘনিষ্ঠ হওয়ায় অভিযুক্তদের কেউই বিচারের আওতায় আসছে না বলে মনে করেন ব্যাংকিং বিশেষজ্ঞ খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ। ব্যাংকিং খাতে অপ্রতিরোধ্য দুর্নীতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি উল্লেখ করেন, ‘‘নিজেদের দলীয় লোকের সমর্থনের কারণে সোনালী ও বেসিক ব্যাংকে আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় জড়িত সবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না”। উল্লেখ্য, দেশের গোটা ব্যাংকিং খাতের মোট সম্পদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করলেও এর বিপরীতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোর নন-পারফর্মিং লোনের হার ১১ শতাংশ, উন্নত দেশগুলোর ক্ষেত্রে এ হার কোনোভাবেই ৪ শতাংশের বেশি নয়। এর প্রধান কারণ ক্ষমতাবানরা হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা।

আর্থিক খাতে জালিয়াতির এ ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ সংযোজন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৮০০ কোটি টাকার ওপর রিজার্ভ চুরির মতো অচিন্তনীয় ঘটনা ঘটে যা বাংলাদেশের আর্থিক খাতের ভয়াবহ পরিস্থিতিকেই নির্দেশ করে। পৃথিবীর কোনো দেশে রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির এরকম ভয়াবহতম ও ইতিহাস সৃষ্টিকারী রেকর্ড নেই, সেক্ষেত্রেও রেকর্ড সৃষ্টি করল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট গঠনের পরও অবৈধভাবে কিভাবে দেশের বাইরে অর্থ পাচার হচ্ছে তা বোধগম্য নয়। পৃথিবী জুড়ে তুমুলভাবে ঝড় তোলা পানামা পেপারসে’র মাধ্যমে বৈধ-অবৈধ পথে বিদেশে অর্থ পাচারের যে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সকল মানুষের সামনে প্রকাশ পেলো, তার মাধ্যমে জানা গেলো- কিভাবে স্বল্পোন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর রাজনীতিক এবং ক্ষমতাবানরা অবৈধ পথে উপার্জিত বিত্ত বৈভব উন্নত দেশগুলোতে পাচার করছে। উল্লেখ্য, রাজনৈতিক এবং ব্যবসা ক্ষেত্রে ক্ষমতাবান ২০জন বাংলাদেশি বড় ব্যবসায়ী নিজ নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে ‘‘কর স্বর্গ’’ বলে পরিচিত- যেমন জার্সি দ্বীপ এবং বৃটিশ ভার্জিন দ্বীপসমূহে -অর্থ পাচার করার খবর নিউ এজ পত্রিকায় ২০১৩ সালেই প্রকাশ করা হয়। শুধু তাই নয়, আমেরিকা, দুবাই, ব্যাংকক এবং সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন ব্যাংকে, মালয়েশিয়া এবং ভারতে নাগরিকত্ব গ্রহণ বা ‘সেকেন্ড হোম’ বা ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে  প্রকৃত কি পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়েছে তার প্রকৃত হিসাব রাষ্ট্রের নাগরিকদের স্বার্থে জানা জরুরি। উল্লেখ্য, ২০১৩ এর  শেষ দিকে বিদেশে পাড়ি জমানোর জন্য সেকেন্ড হোম প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন ৬৪৮ জন বিশিষ্ট ব্যাক্তি, যাদের অধিকাংশই সুবিধাভোগী রাজনীতিক, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী ও আমলা। প্রাপ্ত তথ্য মতে, আন্তর্জাতিক অন্তত ৫০টি ব্যাংকের মাধ্যমে এসব টাকা লেনদেন হয়। আর সুইস ব্যাংক হলো এসবের প্রধান সিন্ডিকেট। যে টাকার কথা বলা হচ্ছে তা নগদ টাকা। এছাড়া বাড়ি, ফ্ল্যাট ও ব্যবসার মাধ্যমে আরো অন্তত তিন লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়েছে।

এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য বিশ্লেষণে প্রাপ্ত তথ্য মতে, বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে, ১০ থেকে ১৬ হাজার কোটি টাকা ট্রান্সফার প্রাইজিং (কম মূল্যে আমদানি দাম দেখানো) এবং অন্যান্য অবৈধ উপায়ে আরো প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে পাচার হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি অনুযায়ী ৫ হাজার ডলার বেশি অর্থ পাঠানো যায় না। চিকিৎসা বা শিক্ষা ব্যয়ের জন্য বিদেশে টাকা পাঠাতে গেলে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। আরেকটি চক্র বিদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় প্রবাসীদের রেমিটেন্স সংগ্রহ করে তা বিদেশেই রেখে দিয়ে দেশে টাকায় দায় শোধ করা হয়; তেমনি বিদেশ থেকে আমদানির ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করায় প্রায় ৪০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসছেনা, যেগুলো কোন না কোন বিদেশি ব্যাংকে জমা হচ্ছে।

প্রশ্ন হলো দুদক, এনবিআর বা বাংলাদেশ ব্যাংকের চোখ ফাঁকি দিয়ে কিভাবে বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হলো? বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের পর অন্য  কোনো কেলেঙ্কারির ধারাবাহিকতায় চাপা পড়ে যায়, আর ধরা পড়লেও প্রভাব খাটিয়ে অর্থ বাজেয়াপ্তের মতো ঝুঁকি এড়িয়ে যাওয়া যায়। ফলে, কর কর্তৃপক্ষের চোখ এড়িয়ে বাংলাদেশ থেকে সহজে মূলধন পাচার হয়ে যাচ্ছে আরো কম করহার ও কম আইনি জটিলতার দেশে। ২০০০ সালে প্রণীত বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘‘বাংলাদেশ যদি অর্থনীতিতে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করে এমন দেশের (যেমন, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি) পর্যায়ে দুর্নীতির মাত্রা কমিয়ে নিয়ে আসতে পারতো, তাহলে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার অতিরিক্ত আরো ২.১৪% বৃদ্ধি পেয়ে  ৬% থেকে ৮.১৪% হতো”। অর্থাৎ মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০১০-১১ অর্থ বছরে অর্থাৎ ৫ বছর আগেই ১০৪০ ডলারে পৌছতো। উল্লেখ্য, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের দুর্নীতির ধারণা সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০১৪ সালে ০-১০০ পয়েন্ট স্কেলে ২৫ পয়েন্ট পেয়ে ২০১৩ সালের তুলনায় তালিকার উচ্চক্রম অনুযাযী বাংলাদেশের ৯ ধাপ অবনতি হওয়ায় এটা সুনির্দিষ্টভাবে সমাজে অবৈধ অর্থ উপার্জন এবং তা পাঁচারের ঘটনাতেই নির্দেশ করে।

‘দুর্নীতি সেখানেই বিস্তার লাভ করে যেখানে নাগরিক স্বাধীনতা, মুক্ত গণমাধ্যম, স্বচ্ছতা এবং প্রতিদ্ব›দ্বী রাজনীতি অনুপস্থিত থাকে; স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা এবং কার্যকর আইন-শৃংখলা বাহিনী রাজনৈতিক দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রধান নিয়ামক (কওফম্যান, ২০১০)।

‘ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্স (এফএটিএফ)’ এর আওতায় ‘এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানি লন্ডারিং (এপিজি)’ এগমন্ট গ্রুপের আওতায় বিভিন্ন দেশকে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে। উল্লেখ্য, ভারত সরকার কালো টাকা তদন্তে বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) গঠন করে এবং পানামা পেপার্সে ভারতীয়দের নাম আসায় তদন্ত করার জন্য একটি টিম করেছে। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থ চুরির ঘটনা প্রথমে শুধু চেপেই রাখা হয়নি তার দায় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যাংকের ওপর চাপানোর চেষ্টা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের চুরি হওয়া অর্থ উদ্ধারে ফিলিপাইনের সিনেটে উন্মুক্ত শুনানির ব্যাবস্থার মাধ্যমে এসব পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে দিতে তৎপর থাকলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশের সংসদ বা সংসদ সদস্যরা  নির্বিকার। এমনকি এ চুরির ব্যাপারে গঠিত তদন্ত কমিটি বাস্তবে কতখানি সফল হবে এবং দোষীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে পারবে তা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ আছে। শেয়ার বাজার কেলেংকারি নিয়ে খোন্দকার ইব্রাহিত খালেদের তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হলেও কোনো বিচার হয়নি।

বাংলাদেশ সরকার চাইলে তথ্য বিনিময় এবং পাচারকৃত টাকা ফিরিয়ে আনার দ্রুত এবং সহজ পদ্ধতি নির্ধারণে সুইস সরকারের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করতে পারে।

একথা মনে রাখা প্রয়োজন, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ১৬.৪ এর আওতায় রাষ্ট্রসমূহ ঐক্যমতে উপনীত হয় যে, ২০৩০ এর মধ্যে তারা সন্দেহজনক বা কালো অর্থের পাচার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমাতে ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি চুরিকৃত সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং ফেরত আনার কাজও শক্তিশালী করবে; একইসাথে সব ধরনের সংগঠিত অপরাধ রোধ করবে। এর পাশাপাশি জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে সাক্ষর করায় বাংলাদেশ সকল প্রকার দুর্নীর্তির মাধ্যমে অর্জিত কালো অর্থের উৎস বন্ধ এবং সুইস ব্যাংক সহ ‘‘কর-স্বর্গ” বলে পরিচিত বিভিন্ন দেশ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত সকল অবৈধ অর্থ উদ্ধারে সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক, দুদক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং আইন মন্ত্রণালয়/এটর্নি জেনারেলের অফিসের সমন্বয়ে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার স্থায়ী উদ্যোগ গ্রহণের বিকল্প নেই।