Home » Author Archives: আমাদের বুধবার (page 12)

Author Archives: আমাদের বুধবার

নূর হোসেনের গডফাদার কি নেপথ্যেই থেকে গেলো

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

Dis-2মানবতা বিরোধী শীর্ষ দুই অপরাধীর বিচার এবং ফাঁসীর দণ্ড কার্যকরে সৃষ্ট জাতীয় আবেগউচ্ছাসে ধামাচাপা পড়ে গেছে ভয়ঙ্কর এক খুনী ও তার গডফাদারের প্রসঙ্গ। সেদিক থেকে নুর হোসেন অবশ্যই ভাগ্যবান। এক্সট্রাডিশান চুক্তির আওতায় অনুপ চেটিয়ার ভারত ফিরে যাওয়া, আর নুর হোসেনের ফিরে আসা। মিডিয়া কয়েকদিন তুলকালাম করলেও যথারীতি এখন ব্যস্ত দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি ও এর পরবর্তী খুঁটিনাটি রিপোর্ট করা নিয়ে। যেদেশে আসামী গ্রেফতার হলেই রিমান্ড আবেদন হয় সাত থেকে দশ দিনসেই দেশের পুলিশ এগারটি মামলার আসামী নুর হেসেনের রিমান্ড আবেদন করেনি, এরচেয়ে ব্যতিক্রমী ঘটনা ২০১৫ সালে আর আছে? বিস্তারিত »

সরকার কি এসব নিয়ে ভাবছে?

হায়দার আকবর খান রনো

Dis-1প্যারিসে ইসলামী জঙ্গী, উগ্রবাদী দল আইএসএর সন্ত্রাসী হামলা এবং বাংলাদেশে সম্প্রতি সংঘটিত বিদেশী নাগরিক হত্যা এমনকি ধারাবাহিক ব্লগার ও প্রকাশক হত্যা ও হত্যা চেষ্টার মধ্যে একটা গভীর যোগসূত্র আছে। বাংলাদেশে যারা হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে, তারা সরাসরি আইএসএর সংগঠনভুক্ত কিনা জানি না। তবে তারা যে একই ভাবাদর্শের অনুসারী, ইসলামী চরমপন্থী এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রত্যেকটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে কি আত্মতৃপ্তি লাভ করছেন তা বোঝা বেশ কষ্টকর। প্রধানমন্ত্রী ও তিনি বার বার বলছেন, ‘আইএস নাই’। এ কথা বলে কোন বিদেশী প্রভূকে আশ্বাস্ত করতে চায় এই সরকার তাও বোধগম্য নয়। অথবা তারা কি জনগণকে দুশ্চিন্তামুক্ত করতে চায়? বিস্তারিত »

জঙ্গীবাদ দমন :: ফ্রান্সে জজ মিয়া নাই

আমীর খসরু

Coverসোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর পশ্চিমা দেশগুলো এবং এর সমর্থকদের পক্ষ থেকে এমন ধারণা পোষণ করা হয়েছিল যে, বিশ্বে তাদের আর কোনো শত্রু নেই। প্রতিপক্ষ বধ করার উল্লাসে তারা ছিল বিভোর। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো থেকে ওইসব দেশের মনমতো গড়া শাসন ব্যবস্থা অর্থাৎ সমাজতন্ত্রের নামে কর্তৃত্ববাদী শাসন বিদায় নিয়ে বিশ্বব্যবস্থা এককেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে এমন ধারণাও পোষণ করা হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং এর বলয়ভুক্ত দেশগুলো বিদ্যমান থাকার সময় বিশ্ব ব্যবস্থা ছিল দুই মেরুতে বিভক্ত। কিন্তু বিশ্ব ব্যবস্থা হয়ে পড়ে এককেন্দ্রিক। তখন অনেক অতিউৎসাহী এমন প্রচারপ্রচারণা শুরু করে যে, পৃথিবীতে এখন উদার গণতন্ত্রের তরঙ্গ বইয়ে দিতে হবে। এরই এক পর্যায়ে ১৯৯২ সালে ফ্রান্সিস ফুকাইয়ামা দ্য এন্ড অফ হিস্টরী এন্ড দ্য লাস্ট ম্যান নামে ৪১৮ পাতার একটি পুস্তক প্রকাশ করেন। বিস্তারিত »

তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক জীবন (পর্ব – ১)

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

Last-2তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক সাফল্য ও অবদান সম্পর্কে আমরা সবাই অবহিত। প্রশ্ন থাকে দুটি। প্রথমটি, কেন তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হলেন এবং দ্বিতীয়টি, কোন ধরনের রাজনীতিতে তার আগ্রহ ছিল। রাজনীতিতে তার যুক্ত হওয়ার একাধিক কারণ আছে একটি বাইরের, অনেক ক’টি ভেতরের। বাইরের কারণটি মানুষটির ভেতরের গুণগুলোকে উদ্বুদ্ধ করেছে এবং রাজনীতিতে যোগদান অপরিহার্য করে তুলেছে। কেবল যোগদান তো নয়, রাজনীতিই ছিল তার জীবনের মূল প্রবাহ।

বাইরের কারণটিকে বলা যেতে পারে যুগের হাওয়া, আর তার আত্মগত গুণগুলোর ভেতর প্রধান ছিল সংবেদনশীলতা এবং কর্তব্যজ্ঞান ও দায়িত্ববোধ। তাজউদ্দীন আহমদের জন্ম ১৯২৫ সালে, কিশোর বয়সেই তিনি চতুর্দিকে রাজনৈতিক তৎপরতা দেখেছেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন তখন জোরেশোরে চলছিল এবং পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ক্রমাগত তীব্র হচ্ছিল। যুগের ওই হাওয়াতে তাজউদ্দীনের সংবেদনশীলতা এবং ভেতরের কর্তব্যজ্ঞান ও দায়িত্ববোধ সাড়া দিয়েছে। যার ফলে তিনি কৈশোরেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন। বিস্তারিত »

প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ ১৮৫৭ :: পুনঃঅনুসন্ধান (প্রথম পর্ব)

হায়দার আকবর খান রনো

Last-3পুরনো ঢাকার নবাবপুর রোডের শেষ মাথায় বায়ে ঘুরলে লক্ষ্মীবাজার, সোজা গেলে বাংলা বাজার, সেখানে স্বল্প পরিসর যে জায়গাটি বাহাদুর শাহ পার্ক নামে পরিচিত, তা ১৫৮ বছরের স্মৃতি বহন করে চলেছে। বৃটিশ রাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বিদ্রোহী সিপাহীদের ওখানে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল। আগে ওই পার্কটির নাম ছিল ভিক্টোরিয়া পার্ক, বৃটেনের রাণীর নামানুসারে। বৃটিশ শাসকরা ওই নাম দিয়েছিল। পরে নাম বদলিয়ে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক, শেষ মোগল সম্রাটের নামানুসারে, যাকে বিপ্লবী সিপাহীরা সারা ভারতের সম্রাট ঘোষণা করেছিলেন। নতুন নামকরণটি তাই যথাযথ হয়েছিল। বিস্তারিত »

কলকণ্ঠ কালের নকীব :: এনায়েতুল্লাহ খান

২০০৫ সনের ১০ই নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি সাংবাদিকতার ব্রতে অটল থাকেন’

. মীজানূর রহমান শেলী

Last-4তিনি ছিলেন ষাটের দশকের এক রৌদ্রকরোজ্জ্বল সময়ের প্রতীক। তাঁর কর্মমুখর জীবন ছিল মূলত ওই ঐতিহাসিক সময়ের রূপ ও মেজাজের মূর্ত প্রতিফলন। আমরা যারা ছিলাম তাঁর অনুজপ্রতিম তাদের কাছে ‘মিন্টু ভাই’ হিসাবে পরিচিত এনায়েতুল্লাহ খান ছিলেন এক ব্যতিক্রমী সাংবাদিক। তাঁর বৈশিষ্টময় ব্যক্তিত্বে রূপ পেয়েছে সেই উত্তাল সময়ের বিচিত্র বৈপরিত্য। অনেক দিক থেকেই সংকট ও সম্ভাবনার সেই কাল ছিল ‘আমাদের শ্রেষ্ঠ সময়, আমাদের নিকৃষ্ট সময়’, ‘আমাদের নিরাশার হিমশীতল ঋতু, আমাদের দৃপ্ত আশার উৎফুল্ল বসন্ত’। ‘দুই সময়ের মাঝখানের ঐ সময়ে’ অখণ্ড পাকিস্তানের সামরিক একনায়কতন্ত্রের শীর্ষ নেতা ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান দোর্দণ্ড প্রতাপে দেশব্যাপী স্বৈরশাসন চালাচ্ছিলেন। সেই ব্যবস্থায় আজকের বাংলাদেশ, সে কালের পূর্ব পাকিস্তান ছিল পাকিস্তান শাসনাধীন এক অর্ন্তলীন উপনিবেশ। ১৯৬০এর দশকে এই ভূখণ্ড থেকে গণতন্ত্র ছিল নির্বাসিত। ঐ দশকের শেষার্ধে যা ঘটে তার পরিণতিতেই আসে ১৯৭১ সনে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধ, রক্তরঞ্জিত সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বিস্তারিত »

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ৩৩)

পার্টির অভ্যন্তরীণ লড়াই

আনু মুহাম্মদ

Last-5লিউ শাও চীর সঙ্গে মাও সেতুঙ লাইনের বিরোধের সারবস্তু ছিলো, যেখানে লিউ মনে করতেন মালিকানার যৌথায়নের আগে উৎপাদনের বিকাশ হওয়া দরকার, সেখানে মাও এর অবস্থান ছিলো উৎপাদিকা শক্তির বিকাশের চাইতে যৌথায়নকে বা সমাজের বিপ্লবী রূপান্তরকে বেশি গুরুত্ব প্রদান। লিউ চীনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, পার্টির মধ্যে তাঁর প্রভাব ছিলো ব্যাপক। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের বর্শাফলক তাঁর দিকে তাক করা থাকলেও পার্টির উচ্চ পর্যায় থেকে তাঁকে সরানো সহজ ছিলো না।

সাংস্কৃতিক বিপ্লবের অনেক চড়াই উৎরাই, ভুল ও বাড়াবাড়ি, সঠিক ও গুরুত্বপূর্ণ অনেক ঘটনার মধ্যেই ১৯৬৮ সালের ১৩ অক্টোবর চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ৮ম কেন্দ্রীয় কমিটির বর্ধিত দ্বাদশ পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন শুরু হয়। ৩১ অক্টোবর অধিবেশন সমাপ্ত হয়। এই অধিবেশনে লিউ শাও চীর বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক বিপ্লব চলাকালীন বক্তব্য ও কর্মসূচি পার্টিগত আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে প্রকাশ করা হয়। চৌ এন লাই চীনের রাজনীতি ও অর্থনীতিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকলেও লিন পিয়াও ততদিনে দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। বিস্তারিত »