Home » Author Archives: আমাদের বুধবার (page 19)

Author Archives: আমাদের বুধবার

আইন কখন নাগাল পায়

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

Dis 2অবশেষে আইন তার নাগাল পেল। তবে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে। হাইকোর্টসুপ্রীম কোর্ট পার হয়ে। গত বুধবার ১৪ অক্টোবর পর্যস্ত পুলিশ তাকে খুঁজে পাচ্ছিল না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই শিশু হত্যা প্রচেষ্টা মামলার আসামীকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়ার বদলে আদালতে আত্মসমর্পনের পরামর্শ দিয়েছিলেন। জাতীয় সংসদের একজন ‘মাননীয় আইন প্রণেতা’ মনজুরুল ইসলাম লিটন হাইকোর্টসুপ্রীম কোর্ট কোথাও জামিন না পাওয়ায় সম্ভবত সরকারের সবুজ সংকেতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গাইবান্ধার আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করার পাশাপাশি রিমান্ডের আবেদনও নাকচ করেছে। যে দেশে নিম্ন আদালতগুলি যে কোন মামলায় পুলিশ চাইলেই আসামীদের রিমান্ডে দিয়ে দেয়, সেখানে এরকম একটি স্পর্শকাতর মামলায় রিমান্ড আবেদন নাকচ করেছে, এটি এখন বাস্তবতা। নিম্ন আদালতগুলিতে সরকারী নিয়ন্ত্রন ও প্রভাব নিয়ে রয়েছে বিস্তর আলোচনা। বিস্তারিত »

স্থানীয় সরকারকে দলীয় ক্লাব বানানোর সর্বাত্মক আয়োজন

এম. জাকির হোসেন খান

Dis 1বৃটিশ শাসনের আগে গ্রামে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রচলন থাকলেও তার কোনো আইনগত ভিত্তি না থাকায় ১৮৭০ সালে গ্রাম চৌকিদারি আইন ও ১৮৮৫ সালে বঙ্গীয় স্থানীয় স্বায়ত্ব শাসন আইনের মাধ্যমে এ অঞ্চলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আইনে রূপ দেওয়ার সূচনা করা হয়। ১৯১৯ সাল থেকে বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে এটি অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিকতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১, ৫৯ ও ৬০এ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে সরাসরি গুরুত্ব দেওয়া হলেও এ ব্যবস্থাকে কোন সরকার প্রকৃতপক্ষে জনগণের কল্যাণার্থে ব্যবহার তো করেইনি, উল্টো ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে দলীয় সমর্থকদের অবৈধ সুবিধা প্রদানের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। বিস্তারিত »

গণতন্ত্রবিনাশী মৌলিক গণতন্ত্রের একালের সংস্করণ

আমীর খসরু

Coverদেশে এখন থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো দলীয় ভিত্তিতে, দলের প্রতীক নিয়ে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উন্নয়নকে বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ওই উন্নয়ন কার্যক্রমে যেন জনঅংশীদারিত্বের ব্যবস্থাটি থাকে তার গ্যারান্টি দেয়ার লক্ষ্যেই স্থানীয় সরকারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় বলে গণ্য করা হয়। এ কথাটি প্রমাণিত সত্য যে, উন্নয়ন কার্যক্রমে যদি জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্বের ব্যবস্থা না থাকে এবং সামগ্রিক ব্যবস্থায় জনগণের ইচ্ছাঅনিচ্ছার প্রতিফলন না ঘটে, তাহলে ওই পুরো উন্নয়নটিই হবে নষ্টভ্রষ্ট অথবা উন্নয়ন নামের কর্মকাণ্ডগুলো থেকে যাবে খাতাকলমে। বিস্তারিত »

দিল্লির চাপ মোকাবেলায় নেপালের নতুন সরকার কতোটা সক্ষম

মোহাম্মদ হাসান শরীফ

Last-1নেপালে ভারতের অবরোধ এবং এর ফলে সৃষ্ট সাধারণ মানুষের ভারত বিরোধী মনোভাবের প্রেক্ষাপটে সে দেশের কমিউনিস্ট পার্টি এবং অন্য কিছু দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। মধ্যপন্থার কমিউনিস্ট নেতা কে পি ওলির নেতৃত্বে এই নতুন সরকারের ব্যাপারে ভারত এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারছে না। ভারত নতুন এই সরকারকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। নেপালের নতুন সংবিধান যা নিয়ে ভারতের আপত্তি উত্থাপন এবং এই আপত্তি উপেক্ষিত হওয়ার পরে অবরোধ আরোপ করা হয়। নতুন এই সরকারে যারা আছেন তারা ভারতের মনোভাবে বেশ ক্ষুব্ধ মনোভাব দেখিয়েছিলেন। এ কথাটি সবার জানা যে, নেপালী কংগ্রেস ভারতের অতি পছন্দের আজ্ঞাবাহী দল। এই অবরোধের সময়ে নেপালী কংগ্রেসের সভাপতি এবং সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালাও অবরোধের ব্যাপারে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। সুশীল কৈরালা একটি অনলাইন সংবাদ সংস্থার সাথে দেয়া সাক্ষাতকারে স্বীকার করেছেন, যে ঘটনা ঘটেছে তাতে ভারতের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এসব প্রতিক্রিয়া নিয়ে ভারত পছন্দ নেপালী কংগ্রেসের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। ভারত নিশ্চয়ই খুশি হতো নেপালী কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি তেমন নয়। এদিকে, নেপালের প্রভাবশালী বিশ্লেষক এবং হিমাল সাউথ এশিয়া পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কনক মোনি দিক্ষিত বলেছেন, নেপালের সংবিধানের উপরে ভারত যেভাবে প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছে তাতে নেপালী জনগণ আশাহত হয়েছেন। বিস্তারিত »

আফগান ট্রাজেডি :: মৃত্যুই যেন একমাত্র বিকল্প

আসিফ হাসান

Last-2আফগানরা মরছে। মার্কিন হামলায় মরছে, তালেবান হামলায় মরছে, সরকারি হামলাতেও মরছে। মৃত্যুই যেন তাদের একমাত্র ভাগ্যলিপি। এখন চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত মানুষজনও রেহাই পাচ্ছেন না। অতি সম্প্রতি কুন্দজে সাহায্য সংস্থা মেডিসিন্স স্যানস ফ্রন্টিয়ার্স (এমএসএফ) পরিচালিত একটি হাসপাতালে মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়।

ওই হাসপাতালে হামলা হবে, অন্তত মার্কিন হামলা, তা কল্পনাও করা যায়নি। হাসপাতালটি অনেক দিন থেকেই কাজ করছিল। বিস্তারিত »

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ৩০)

সাংস্কৃতিক বিপ্লব :: একজন বাংলাদেশির অভিজ্ঞতা

আনু মুহাম্মদ

Last-3শুরু থেকেই চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ঘটনাবলী প্রত্যক্ষ করেছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক ফয়েজ আহমেদ। তাঁর কাছ থেকে চীনের ইতিহাসের দুই পর্বের অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। একটি ১৯৬৬ সাল যখন সেখানে সাংস্কৃতিক বিপ্লব চলছিলো এবং আবার ১৯৮৩ সাল যখন চীন সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিমুখে সংস্কার করে অগ্রসর হচ্ছে। ১৯৬৬ সালে তিনি পিকিংএ অবস্থান করছিলেন তৎকালীন দৈনিক আজাদএর প্রতিনিধি হিসেবে। এই সময় ভিয়েতনামে মার্কিনী আগ্রাসন চলছিলো। এই সময় অনেকবারই মার্কিন বিমান ও রণতরী চীনের আকাশ ও সমুদ্রসীমা লংঘন করে। তখন পর্যন্ত চীনকে ৪ শতাধিক সতর্কতামূলক প্রতিবাদ জানাতে হয়।

সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে বলা হচ্ছিলো ‘শুদ্ধি অভিযানের আন্দোলন’ যা পরিচালিত হচ্ছিলো চার পুরাতনের বিরুদ্ধে – ‘প্রাচীন চিন্তাধারা’, ‘প্রাচীন অভ্যাস’, ‘প্রাচীন দেশাচার’ ও ‘প্রাচীন সংস্কৃতি’। বিরাট আকৃতির ‘তাজেবাও’ বা পোস্টারে লেখা হয়েছে– ‘আমরা প্রাচীন পৃথিবীর সমালোচক, আমরা নতুন পৃথিবীর স্রষ্টা।’ বিস্তারিত »

শিক্ষা ও শ্রেণী সম্পর্ক (চতুর্থ পর্ব)

বিত্ত ও মুনাফাই একমাত্র আরাধ্য দেবতা

হায়দার আকবর খান রনো

Last-4রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার ঘোর সমালোচক ছিলেন। তিনি বলেছেন, “আমাদের সমস্ত জীবনের শিকড় যেখানে, সেখান থেকে সাত হস্ত দূরে আমাদের শিক্ষার ধারা বর্ষিত হইতেছে। আমরা যে শিক্ষায় আজন্মকাল যাপন করি, সে শিক্ষা কেবল যে আমাদিগকে কেরানীগিরি অথবা কোন একটা ব্যবসায়ের উপযোগী করে মাত্র।” (‘শিক্ষার হেরফের’ রবীন্দ্র রচনাবলী খণ্ড ১২, পৃষ্ঠা ২৮৫, বিশ্বভারতী ১৯৭৩)। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আরও বলেছেন, এই শিক্ষা “কেবল ধনোপার্জন এবং বৈষয়িক উন্নতির সাধনেই ব্যস্ত” রাখে। বিস্তারিত »