Home » Author Archives: আমাদের বুধবার (page 190)

Author Archives: আমাদের বুধবার

চলচ্চিত্র পুনরুদ্ভবনের সাধক

ফ্লোরা সরকার

dizibrilলোকপ্রথা হলো ইমেজের প্রথা। লিখে কিছু বলার চেয়ে মুখে বলা কথা বেশি শক্তিশালী। শব্দ যায় কল্পনার দিকে, কানের দিকে নয়। কল্পনা সৃষ্টি করে ইমজেকে, আর ইমেজ সৃষ্টি করে ফিল্মকে। – – – প্রতিবার ছবি নির্মাণের সময় আমি চলচ্চিত্রকে নতুন করে উদ্ভাবন করি। ছবি নির্মাণের সময় আমি এই পুনরুদ্ভবনকে অনুভব করার চেষ্টা করি এবং চেষ্টাটা যথেষ্ঠ কষ্টসাপেক্ষ বিষয়, তবু করি” এভাবেই বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে নানান কথার মধ্যে দিয়ে সেনেগালের চলচ্চিত্রকার দিজিব্রিল দিয়প ম্যামবেতি তার ছবি নির্মাণের উদ্দেশ্য, আগ্রহ, মতাদর্শের কথা জানিয়েছিলেন। তার সাক্ষাৎকারের বিস্তারিত আলোচনা করার আগে জেনে নেয়া যাক সেনেগালের চলচ্চিত্রের একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং সেই ইতিহাসের সঙ্গে ম্যামবেতির বেড়ে ওঠারও ইতিহাস। বিস্তারিত »

চরম এই সঙ্কটে সামাজিক ও পেশাজীবী শক্তি কোথায়?

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

weপঞ্চাশ দশক থেকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত সকল আন্দোলন সংগ্রাম, এমনকি একটি সশস্ত্র যুদ্ধের সংগঠক হয়ে উঠেছিল এদেশের সামাজিক শক্তিগুলি প্রধানত: ছাত্র সমাজ। অনেকেই ভুরু কোঁচকাতে পারেন যে, আন্দোলন সংগ্রামে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা ছাড়া এগুলি কিভাবে সংগঠিত এবং বাস্তবায়িত হয়েছে? ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬২’র শিক্ষা কমিশন আন্দোলন, ৬৯’র গণঅভ্যূত্থান এবং এ সকল গণআন্দোলন ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ৭১’র সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মত বিশাল রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকার কথা নয়। বিস্তারিত »

নির্বাচন এবং ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে সাংবিধানিক জটিলতা

আমীর খসরু

bangladesh-govtআগামী নির্বাচনটি কোন সরকারের অধীনে হবে এ নিয়ে চরম সঙ্কটে পড়েছে পুরো দেশ। কিন্তু এই সঙ্কটের পাশাপাশি আরো নতুন কিছু সঙ্কটের আভাষ পাওয়া যাচ্ছে। নতুন এই সঙ্কটটি দেখা দিতে পারে এবং যার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না, তাহলো ক্ষমতা হস্তান্তরের। অর্থাৎ বর্তমান সরকারের অধীনে মন্ত্রিসভা এবং সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হলে এই সঙ্কটটি যে দেখা দেবে এমন জোর ইঙ্গিত দিচ্ছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। বিস্তারিত »

সহি ক্ষমতা হস্তান্তর নামা

আবীর হাসান

songlapএই কথা এখন বাংলাদেশে রাষ্ট্র হয়েছে যে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে। আগের আমলের মতো ‘এলান কিয়া যায়ে…’ বলে ঘোষণা দেয়া হয়নি। কিংবা তারও আগের আমলের মতো হাটে বাজারে ঢ্যাঁড়া পিটিয়ে (ঢোল বাজিয়ে) ঘোষণা দেয়া হয়নি। দেশের ‘সর্বময়’ ক্ষমতার অধিকারী বলেছেন, ক্যামেরা আর মাইক্রোফোন বাগিয়ে সেই বাণী রেকর্ড করা হয়েছে এবং তা যথানিয়মে সম্প্রচার করা হয়েছে।

সর্বময়কর্তা আরও বলেছেন যে, ‘ক্ষমতা হস্তান্তর শান্তিপূর্ণ হবে’। মারামারি কাটাকাটি কে চায়? তাই ‘শান্তিপূর্ণ’ শব্দটি অমিয় বাণী হিসেবেই বর্ষিত হয়েছে। তবে শুধু একটু খেদ রয়ে গেছে পরের ঘটনা আগে এসে গেছে কিনা সেই প্রশ্নে। বিস্তারিত »

সংলাপ হলেও সঙ্কটের জট খুলবে কিনা

পীর হাবিবুর রহমান

khaleda-hasina-cartoonরাজনৈতিক সংকটের জট এখন মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অন্তর্বর্তী সরকারেই আটকে গেছে। আওয়ামী লীগ জোট নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনাকেই চূড়ান্ত করে রেখেছে। শেখ হাসিনার অধীনেই অন্তর্বর্তী সরকারে তাদের ১১ সদস্যের মন্ত্রিসভা থাকবে এই প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একচুলও ছাড় দিতে নারাজ। আওয়ামী লীগের ধারণা এই জায়গা থেকে সরে গেলে বা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা না থেকে সংসদের নির্বাচিত অন্য কাউকে দিলেই মাঠ পর্যায়ে তাদের দলীয় প্রার্থী ও কর্মীরা মানষিক শক্তিই শুধু হারিয়ে ফেলবে না, রীতিমত বিরোধী দলের অগ্নিরোষের মুখে পড়বে, ভোটযুদ্ধে পিছিয়ে যাবে। বিস্তারিত »

এই সরকার ভবিষ্যত সরকারের জন্য কতোটা বিপদ রেখে যাচ্ছে?

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

corruption-cartoonশেষ সময়ে এসে সরকার প্রতিশ্রুতির ঢালা খুলে বসেছে। নানা গোষ্ঠীকে খুশি রাখার মতলব মাথায় নিয়ে ঘোষণা করা হচ্ছে বর্ধিত বিভিন্ন সুযোগসুবিধা। সরকারি কর্মকর্তাকর্মচারীদের জন্য পেকমিশন ঘোষণা করার কথা জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। সামরিকবেসামরিক প্রশাসন, শিক্ষকসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নানা সুযোগসুবিধা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটা বুঝতে কারো বাকি থাকে না যে, নির্বাচনকে সামনে রেখেই এটি একটি কৌশলমাত্র। কিন্তু সামগ্রিক অর্থনীতির যে বেহাল দশা ক্ষমতাসীন সরকারটি প্রথম দিন থেকে করে রেখেছে, এর উপরে নতুন এই প্রতিশ্রুতির বোঝা সামাল দেয়া ভবিষ্যত সরকারটির জন্য ভয়াবহ কষ্টের হবে। বিস্তারিত »

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত যখন বধ্যভূমি

Felani-03(কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানি খাতুন হত্যা মামলায় অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্যকে খালাস দিয়েছে ওই বাহিনীর নিজস্ব একটি আদালত। সেনাবাহিনীর কোর্ট মার্শালের মতোই বিএসএফের নিজস্ব আদালতে কঠোর গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তার মধ্যে ওই বিচার কাজ চলে। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পরই অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্যকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। ২০১১তে ঘটে যাওয়া ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর বাংলাদেশ, ভারত এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়েছিল। পরে অবশ্য ২০১৩’র আগস্টে ভারতের কুচবিহার জেলায় বিএসএফ ছাউনিতে ওই বাহিনীর আদালতে ফেলানি হত্যা মামলার বিচার শুরু হয়। এই বিচারকার্যে ফেলানির বাবা ও মামার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। বিএসএফের নিজস্ব আদালতে ওই বিচার শেষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে রায়ে বলা হয়েছে। এ রায়ের পরে ফেলানির বাবা, যিনি এই হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষ সাক্ষী, হতাশা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ রায়ের পরে একটিই মাত্র প্রশ্ন তাহলে র্কাঁটাতারের উপরে পঞ্চদশী ফেলানিকে হত্যা করলো কে? এই প্রশ্নের কোনো মীমাংসা পাওয়া গেল না। ফেলানি নিহত হওয়ার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় এমনই প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল, যে কারণে মার্কিন প্রভাবশালী সাময়িকী ফরেন পলিসি ২০১১’র জুলাইআগস্ট সংখ্যায় এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। স্কট কার্নি, জ্যাসন মিকলেইন ও ক্রিসটেইন হোলসারের সেই প্রতিবেদনটির বাংলা ভাষান্তর প্রকাশ করা হলো।। সম্পাদক) বিস্তারিত »