Home » Author Archives: আমাদের বুধবার (page 219)

Author Archives: আমাদের বুধবার

মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং বাম-প্রগতিশীলদের ভূমিকা (শেষ পর্ব)

হায়দার আকবর খান রনো

চর জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন

liberation war-65পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী লেনিনববাদী)-এর নেতা মহম্মদ তোয়াহার নেতৃত্বে চর জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে যে বিশাল গেরিলা বাহিনী গড়ে উঠেছিল, তা লক্ষ্মীপুর, রামগতি ও সুধারাম থানা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। চীনপন্থী বলে পরিচিত এই দলটির রাজনৈতিক অবস্থান ‘কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ব বাংলা সমন্বয় কমিটি’র চেয়ে ভিন্ন ছিল। আমার মতে সুখেন্দু দস্তিদার ও তোয়াহার নেতৃত্বাধীন এই দলটির রাজনৈতিক লাইন খুব স্বচ্ছ ছিল না। যখন পাকিস্তান দখলদার বাহিনীকে হটানোই প্রধান রাজনৈতিক কর্তব্য (এবং জাতীয় কর্তব্যও বটে) ছিল তখন তারা কৃষি বিপ্লবের তত্ত্ব উপস্থিত করেছিলেন। যদিও কমিউনিস্টদের অন্য এক ক্ষুদ্র অংকের মতো ‘দুই কুকুরের কামড়াকামড়ি’র প্রতিক্রিয়াশীল তত্ত্বও তারা গ্রহণ করেননি। বিস্তারিত »

নীরবতা ভাঙার এখনই সময়

মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র

অনুবাদ: মোহাম্মদ হাসান শরীফ

matin luther king jrমার্কিন মানবাধিকার কর্মী, আফ্রিকানআমেরিকান ব্যক্তিত্ব, যাজক (১৯২৯১৯৬৮) . মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে নাগরিক অধিকার আদায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। ১৯৬৭ সালের ৪ এপ্রিল নিউ ইয়র্ক সিটির রিভারসাইড চার্চে ‘বিয়ন্ড ভিয়েতনাম : এ টাইম টু ব্রেক সাইলেন্স’ শিরোনামে তিনি বক্তৃতা করেন। এতে তিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন। এটি তার অন্যতম বিখ্যাত বক্তৃতা। তার সবচেয়ে আলোচিত বক্তৃতা হলো ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম।’ এখানে ‘বিয়ন্ড ভিয়েতনাম : অ্যা টাইম টু ব্রেক সাইলেন্স’ বক্তৃতাটির অনুবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। নিউ ইয়র্ক সিটির রিভারসাইড চার্চে ১৯৬৭ সালের ৪ এপ্রিল বক্তৃতাটি করেন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র। এবার প্রকাশিত হলো দ্বিতীয় কিস্তি।। বিস্তারিত »

‘জিরো ডার্ক থার্টি’ – একটি অর্ধ-সত্য কাহিনী

ফ্লোরা সরকার

zero-dark-thirty-2012-01জিরো ডার্ক থার্টি’ ছবির প্রথম দিকে নির্যাতন সেলে সিআইএ’এর একজন সদস্য ড্যান যখন আল কায়দা বাহিনীর একজন কয়েদী আম্মারকে একটা সন্ত্রাসী আক্রমণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে ‘রোববার’ ছাড়া কোন উত্তর পেলো না, তখন ড্যান তাকে বলে – ‘তুমি কি জানো আংশিক বা অসম্পূর্ণ উত্তর, মিথ্যা হিসেবে পরিগণিত হয়?’। এবং তারপরেই আম্মারকে আরও কঠিতর শাস্তি হিসেবে তাকে ছোট একটা বাক্সে, যেখানে কোন রকম নড়াচড়া করা যায়না, সেখানে ভরে রাখা হয়। অর্থাৎ, কোন প্রশ্নের আংশিক উত্তরের অর্থ একটি মিথ্যার সমান। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কি বলতে পারিনা যে, একটি ঐতিহাসিক ছবি নির্মাণের সময় যখন সেই ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর কিছু সত্য প্রকাশিত হয়, আর কিছু সত্য থাকে অপ্রকাশিত, তখন তা একই দোষে দুষ্ট হয়, অর্থাৎ তা মিথ্যা বলারই সামিল হয়? বিস্তারিত »

সংবাদপত্রের অনলাইন জরিপ – এপ্রিল

online-voting-1সংবাদপত্রে প্রকাশিত জরিপ, পূর্ণাঙ্গ জরিপ নয়। তবে এর মধ্যদিয়ে পাঠকদের মনোভাব প্রতিফলিত হয়। এ কারণেই তিনটি সংবাদপত্রের অনলাইন জরিপ প্রকাশ করা হলো।

প্রথম আলো

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার দিন বিএনপি ও এর মিত্রদের হরতাল স্থগিত রাখা উচিত বলে মনে করেন কি? ভোট দিয়েছেন ৬২৭৭ জন। হ্যাঁ ৬৪, না ৩৪ শতাংশ। (২ এপ্রিল ২০১৩) বিস্তারিত »

এতো রিজার্ভ দিয়ে হবে কি?

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

money-1-প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের উপর ভর করে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেশ শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। রেমিট্যান্সের প্রবাহ বাড়লেও বিনিয়োগের পরিবেশ না থাকায় কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি বাড়ছে না। ফলে রিজার্ভ বাড়ছে। বিনিয়োগ না বাড়ায় রিজার্ভের সঞ্চয় আশা জোগাতে পারছে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগের প্রসারতাও আসতে হবে। অন্যথায় রিজার্ভের সুফল পাওয়া যাবে না। যে হারে দেশের রিজার্ভ বাড়ছে ও ডলারের দাম কমছে তাতে বিনিয়োগের জন্য কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হলে উদ্যোক্তারাও লাভবান হতে পারবেন। বিস্তারিত »

ভারতের পানি আগ্রাসন

. ইনামুল হক

pani aggressionহিমালয় পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম দুটি নদী গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি এই দেশটির উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। এছাড়াও লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন বরাক নদীর পানিও বাংলাদেশের উপর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পতিত হয়। বাংলাদেশের বড় বড় নদী যথা গঙ্গা (ভাটিতে পদ্মা), ব্রহ্মপুত্র (ভাটিতে যমুনা) এবং বরাক (ভাটিতে মেঘনা) ছাড়াও ছোট বড় আরও অনেক নদীর পানি ভারত, নেপাল, চীন, মায়ানমার ও ভূটান থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে সাগরে গিয়ে পড়েছে। বিস্তারিত »

নিও লিবারলিজম ও ভবন ধ্বসে চাপা পড়া শ্রমিক

কাজী জেসিন

savarরানা প্লাজা ধ্বসের সতের দিন পর সারা বিশ্বকে তাক করিয়ে দিয়ে, আজ, ধ্বংস¯তূপের নিচ থেকে একটি শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আলো, বাতাসের অভাবে, একটি ধ্বংস স্তুপের নিচে কি করে রেশমা সতের দিন বেঁচে ছিলো, তা নিয়ে নানান জল্পনাকল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমত এর নিদর্শন বলছেন, কে কে যেন নানাভাবে প্রমাণে ব্যস্ত হয়েছেন এটা কোনো মিরাকেল ঘটনা না। আবার কেউ কেউ পুরো বিষয়টিকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখছেন। যুম ইন করছে হাতের নখে, ভ্রূযুগলে, অভিব্যক্তিতে। বিস্তারিত »