Home » Author Archives: আমাদের বুধবার (page 221)

Author Archives: আমাদের বুধবার

তেল-গ্যাস লুট দেশে দেশে

খেসারত মানুষের কোম্পানির মুনাফা

ফারুক চৌধুরী

triillion-dollar-economy-1-তেল লুটের নানা কায়দাকৌশলের একটি হচ্ছে উৎপাদন শরিকানা চুক্তি (উপচ)। এ চুক্তি কার্যত তেল কোম্পানিগুলোর স্বার্থই রক্ষা করে। আর উল্টো দিকে, খেসারত দিতে হয় দেশের আপামর সাধারণ মানুষকে।

এরই উদাহরণ হিসেবে উগান্ডা সরকারের সম্পাদিত উপচ উল্লেখিত হয়েছে পূর্ববর্তী সংখ্যার। এ ধারাবাহিকতায় এ চুক্তির সঙ্গে আরো কয়েকটি দিক তুলে ধরা হলো।

উল্লেখ করা দরকার যে, এ চুক্তির বিশ্লেষণ করা হয়েছে কন্ট্রাক্ট কার্যঃ উগান্ডাজ অয়েল এগ্রিমেন্টস প্রেস প্রফিট বিফোর অয়েল শীর্ষক প্রতিবেদনে। বিস্তারিত »

মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং বাম-প্রগতিশীলদের ভূমিকা

হায়দার আকবর খান রনো

কুমিল্লা

liberation war-65কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় ‘কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ববাংলা সমন¦য় কমিটি’র একটা ভালো সাংগঠনিক ভিত্তি ছিল। কৃষক সমিতি ও বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের কয়েকশত সক্রিয় সদস্য ছিল। চিয়রা গ্রাম ছিল পার্টির হেডকোয়ার্টার। এটি ছিল কাজী জাফর আহমদের গ্রাম। ঢাকা থেকে পাঠানো হাতে বানানো বোমা এখানে আগেই সরবরাহ করা হয়েছিল এবং পার্টির তরুণ সদস্যরা কয়েকবার মিলিটারি গাড়ির ওপর এই বোমা নিক্ষেপ করেছিল। (ঠিক ঢাকা মহানগরে একই দলের সদস্যরা টঙ্গিতে বানানো এই বোমা চলন্ত আর্মি কনভয়ের ওপর নিক্ষেপ করেছিল)। কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি। পরে বোঝা গেল এই অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ হবে না। চিয়রা ও আশপাশের গ্রাম থেকে ৭/৮টা বন্দুক যোগাড় করা গেল। বিস্তারিত »

আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারজাত মৌলবাদের বিপদ – “নগুগি ওয়া থিয়াঙ্গো”

ফ্লোরা সরকার

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

Ng+®g-® wa Thiong'oশুধু সাম্রাজ্যবাদীর মুখোশ উন্মোচন নয়, নয়া উপনিবেশবাদী দেশগুলোর স্বৈরশাসকের মুখোশও উন্মোচিত হয় নগুগি ওয়া থিয়াঙ্গোর উপন্যাসে। ২০০৬ সালে প্রকাশিত “উইজার্ড অফ দ্যা ক্রো”, যাকে সমালোচকরা চিহ্নিত করেছেন “অ্যান এপিক স্যাটায়ার অফ নিও কোলোনিয়ালিজম” নামে তা ঠিক তেমন ধাঁচেরই একটি উপন্যাস। ৭৬৬ পৃষ্ঠার বিশাল কাহিনীটি যাদু বাস্তবতার আদলে অত্যন্ত রসালোভাবে একজন নয়া উপনিবেশিক স্বৈরশাসক এবং তাকে বেষ্টন করে রাখা চাটুকার মন্ত্রী, অমাত্য আর উপদেষ্টাদের নিয়ে নির্মাণ করেছেন তার কালজয়ী উপন্যাস। “যে বছর আবুরিরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক ঘোষণা করলেন পৃথিবীর সর্বোচ্চতম টাওয়ার বানানোর পরিকল্পনা, কামিতি নামে এক হতভাগ্য যুবক জঞ্জালের স্তুপের উপর ঘুম থেকে সেদিন জেগে উঠে আবিষ্কার করলো, তার উপর যাদুশক্তি ভর করেছে” ঠিক এভাবেই উইজার্ড অফ দ্যা ক্রো উপন্যাসের শুরু। বিস্তারিত »

অর্থ বিনাশ, তবুও বিদ্যুৎ সঙ্কট

বি.ডি. রহমতউল্লাহ

coal power-1এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরই তীব্র বিদ্যুৎ সঙ্কট দেখা দেয়। কিন্তু এ সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার বদলে নতুন করে আরেক সঙ্কটের সৃষ্টি করা হয় এবং জিইয়ে রাখা হয় পুরনো সঙ্কটকেই। কেন এই সঙ্কট জিইয়ে রাখা হয়েছে এবং সঙ্কট উত্তরণের নামে নতুন সঙ্কট সৃষ্টি করা হয়েছে? এর কারণ খুবই সহজ রেন্টাল এবং কুইক রেন্টালের নামে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অবাধ লুণ্ঠন। আর এ কাজে যে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের আর্শীবাদ এবং সংশ্লিষ্টতা রয়েছে তা সবারই জানা। সরকার জনগণকে সহজে ও সস্তায় সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ দেবার পথে যায়নি। এরাও রেন্টাল মার্চেন্ট প্ল্যান্টসহ বিদেশ নির্ভর সব ধরণের প্রকল্প নির্মানে গেল এবং সমস্যাকে জিইয়ে রাখলো এবং সেজন্যই জনগণের স্বার্থবিনাশী রেন্টাল বিদ্যুৎ স্থাপনের সিদ্ধান্তটি তড়িঘড়ি করে বাস্তবায়ন করা হলো। কিন্তু আসল সমস্যার কোনো সমাধানই হয়নি। বরং রেন্টাল এবং কুইক রেন্টালের নামে বিশাল অঙ্কের ভর্তুকি রাষ্ট্রকে গুনতে হচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্ষমতাসীনদের আর্শীবাদপুষ্টরা লাভবান হচ্ছে। বিস্তারিত »

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌতুক এবং পদার্থ বিদ্যার নতুন তত্ত্ব!

হায়দার আকবর খান রনো

garments collapsed.jpg 2এরই নাম পুঁজিবাদ। কতো বর্বর, কতো নির্মম, কতো নিষ্ঠুর। আর এই হল আমাদের দেশের সরকারের মন্ত্রীরা। মানুষের মৃত্যু, অঙ্গহানি, দুর্বিষহ বিভীষিকা, কান্না আর বেদনা যাদেরকে সামান্যতম স্পর্শ করে না, যাদের মাথার মধ্যে সারাক্ষণ ঘোরে রাজনীতির প্যাচ। হ্যা, আমি বর্তমান সরকারের মন্ত্রীদের কথা বলছি। সাভারের রানা প্লাজায় মর্মান্তিক ট্র্যাজেডির পর প্রথমদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর আচরণে মনে হয়নি যে, তিনি ট্র্যাজেডির গভীরতা বুঝতে পেরেছেন। তবে তিনি খুব শিগগিরই ঘটনার গভীরতা বুঝতে পেরেছেন বলে মনে হয়। শিগগিরই ঘটনার গভীরতা বুঝতে পেরেছেন বিরোধী দলীয় নেত্রী, যিনি দ্রুত হরতাল প্রত্যাহার করেছেন। বিস্তারিত »

হারিয়ে গেছে হলমার্ক, বিসমিল্লাহসহ সব কেলেঙ্কারি

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

unstable-economy-1-রাজনৈতিক সহিংসতায় আর্থিক খাতে ঘটে যাওয়া কেলেঙ্কারি চাপা পড়ে গেছে। হলমার্ক ও বিসমিল্লাহ কেলেঙ্কারি এরই মধ্যে হারিয়ে গেছে সংবাদপত্রের পাতা থেকে। ডেসটিনিসহ অন্যান্য এমএলএমের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনাও সামনে আসছে আর। তদন্তে দুদকেরে অগ্রগতি সম্পর্কে খবর মিলছে না। সব যেন ঝিমিয়ে পড়ছে। এরই মধ্যে অর্থমন্ত্রী হলমার্কের এমডিকে মুক্তি ও অর্থ দিয়ে কারখানা চালুর কথা বলে সমালোচিতও হয়েছিলেন। হলমার্কের ব্যাপারে নমনীয় হওয়ার কারণ হিসেবে ৩১ বছর আগের কিছু ঋণখেলাপির ব্যাপারে তৎকালীন সরকারের উদাহরণ সামনে আনেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘১৯৮২ সালে ১০ জন বড় ঋণখেলাপি ছিলেন। একেকজন পয়সা নিয়েছিলেন সাত থেকে আটটি ব্যাংক থেকে। বিস্তারিত »

এতো মিল তবুও অমিল কেন?

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

garments collapsedবাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রায় আড়াই দশক ধরে দুই প্রধান নেত্রীর কথাবার্তা, আচারআচরন ইত্যাদি অনেক কিছুর মধ্যেই অদ্ভুত ধরনের মিল ও ঐক্য দেখা যাচ্ছে। ক্ষমতায় অবস্থানকালে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাজনীতি, সরকার ব্যবস্থা নিয়ে জনসভা, দলীয় সভা, সমাবেশ, বিদেশী কূটনীতিক, গণমাধ্যমে তারা যে সব কথা বলেন তার মধ্যে খুব বেশি মিল দেখা যায়। আরো অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, বিরোধী দলে যখন তাদের অবস্থান থাকে, সে সময়ও তাদের সকল কথাবার্তা ও আচারআচরনের মধ্যে চমৎকার মিল খুঁজে পাওয়া যায়। বিস্তারিত »