Home » Author Archives: আমাদের বুধবার (page 31)

Author Archives: আমাদের বুধবার

ক্রসফায়ার :: সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

Dis 2সকাল থেকে মধ্যরাত, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত এখানে নিরন্তর গর্বিত মিথ্যাচার ও আরো মিথ্যাচারের মধ্যে ডুবে থাকতে হয়; রাষ্ট্র অবিরল শেখায় যে, মিথ্যাচারই সত্যাচার, দুর্নীতিই সুনীতি, অত্যাচারই জনগণকে সুখী করার পদ্ধতি, প্রতারণাই সুসমাচার, অনধিকারই অধিকার, বর্বরতাই সংস্কৃতি, অন্ধকারই আলোর অধিক, দাম্ভিকতাই বিনয়, সন্ত্রাসই শান্তি, মৌলবাদই মুক্তি, মুর্খ অসৎ অমার্জিত ভণ্ড ক্ষমতাসীনদের একচ্ছত্র তাণ্ডব আর নিষ্পেসনই গণতন্ত্র’ (সূত্র: আমরা কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম, হুমায়ুন আজাদ। ফেব্রুয়ারি ২০০৫, পৃ:১৪১৫)বিস্তারিত »

বন্দুকযুদ্ধ, শাসকদলের অন্তর্দ্বন্দ্ব, পরিণতি কোথায়?

হায়দার আকবর খান রনো

Dis 1শাসক দল স্বীয় হীন স্বার্থে ফ্রাঙ্কেনস্টাইন তৈরি করেছিল। তা হলো ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। শাসক দলের তরুণ বাহিনী। এদের হাতেই এক সময় ওঠেছিল আগ্নেয়াস্ত্র। লাইসেন্স করা অথবা লাইসেন্সবিহীন। বিভিন্ন সময়ে আমরা দেখেছি, পুলিশের পাশে থেকে এবং পুলিশের আশ্রয়ে তারা পিস্তল ব্যবহার করেছেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করার জন্য, তাদের মিছিলসমাবেশ, এমনকি সামান্য মানববন্ধনের কর্মসূচিকেও ভন্ডুল করার জন্য। বিএনপি জামায়াত তো বটেই, এমনকি অনেক কম শক্তিশালী কমিউনিস্ট পার্টিও এই পেটোয়া বাহিনীর আক্রমণের বাইরে ছিল না। বিস্তারিত »

তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের দাবী যে কারণে

আমীর খসরু

Coverবাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরে সংবিধান প্রণেতারা সংবিধানে মানুষের বাকব্যক্তি স্বাধীনতার বিষয়গুলোসহ সামগ্রিক মৌলিক অধিকারের যতোটুকু সম্ভব তা সযত্নে লিপিবদ্ধ করেছিলেন। আর তা করা হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের মৌলচেতনাজাত গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। এই বিষয়গুলো সন্নিবেশিত করা হয়েছিল এই কারণে যে, সংবিধান প্রণেতারা ভেবেছিলেন দেশটি গণতান্ত্রিক ভাবধারায় পরিচালিত হবে। কিন্তু স্বল্পকালেই সে পথ থেকে তৎকালীন সরকার দূরে সরতে থাকে এবং স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই জরুরি অবস্থা জারির বিধানসহ কতিপয় নিবর্তনমূলক আইন প্রবর্তন (২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩), বিশেষ ক্ষমতা আইন (ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪) জারি করা হয়। বিস্তারিত »

ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সম্পর্কের পথে ভারত-মিয়ানমার

প্রশান্ত পরমেশ্বরন

অনুবাদ : মোহাম্মদ হাসান শরীফ

জুলাই মাসে ভারতে চার দিনের অতিপ্রতীক্ষিত সফর করে গেলেন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন আং হলাইঙ। সফরকালে তিনি এবং তার সঙ্গী উচ্চপর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তারা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর, সেনা প্রধান দলবির সিং এবং বিভিন্ন পর্যায়ের ভারতীয় নেতার সাথে সাক্ষাত করেন। তাদের আলোচনায় স্বাভাবিকভাবেই ভারতমিয়ানমার সীমান্ত সহযোগিতার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। এর মাত্র এক মাস আগে ভারতীয় বাহিনী মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঢুকে জঙ্গি নির্মূল অভিযানে অংশ নেওয়ায় সীমান্ত বিষয়টি অনিবার্যভাবেই গুরুত্ব পাওয়ার কথা। বিস্তারিত »

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ২৩)

উচ্চলম্ফের বিপদ

আনু মুহাম্মদ

Last 2১৯৫৮ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত ছিলো গণচীনের দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকাল। ততদিনে সমগ্র চীনে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক অর্থনৈতিক কাঠামো নতুনভাবে বিন্যস্ত হয়েছে। কমিউন ব্যবস্থা এর প্রধান ভিত্তি। নতুন বিস্তৃত কমিউন ব্যবস্থার ওপর অনেকখানি ভর করেই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। দেশের মানুষের মধ্যে প্রত্যাশা তখন অনেক উঁচু। দেশের ভেতর ও বাইরে অনেক বিরুদ্ধ শক্তি। উৎপাদন ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে আবার বৈষম্য নিপীড়ন বিরোধী সামাজিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে হবে। প্রাক পুঁজিবাদী ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা থেকে দ্রুত বের হয়ে একটি সমাজতান্ত্রিক শিল্পোন্নত শোষণমুক্ত সমাজ ও অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে পার্টি ততদিনে অনেক কঠিন পথ পাড়ি দিয়েছে। এখন পার্টি তার লক্ষ্য অর্জনে উদগ্রীব। বিস্তারিত »

বামপন্থী রাজনীতির অবস্থা প্রসঙ্গে :: আহমদ ছফা (শেষ পর্ব)

বামপন্থার বিকাশের নতুন সম্ভাবনাগুলো খুঁজে বের করার এখনই প্রকৃষ্ট সময়।যে সকল কারণে বামপন্থী রাজনীতি এদেশের প্রধান রাজনৈতিক ধারা হয়ে উঠতে পারেনি সেগুলোরও একটা খতিয়ান করা প্রয়োজন

Last 3সুবিধাবাদী, আপোষকামী, লাভালাভ বিবেচনায় নীতিবদল এবং এ কারণে মিথ্যাকে সত্য বলে বয়ান করার মানসিকতার একেবারেই বিপক্ষ দলের একজন মানুষ ছিলেন আহমদ ছফা। সত্যকে সত্য বলার, ন্যায়অন্যায় বিবেচনার সূক্ষ্ম বোধবুদ্ধিসম্পন্ন একজন বিরল মানুষ ছিলেন তিনি। সব সময়ই স্পষ্ট এবং অপ্রিয় কথাগুলো তিনি বলতেন নির্দ্ধিধায়, ভয়ভীতিহীনভাবে। দেশ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি অসীম ভালোবাসার কারণে রাষ্ট্র ও সমাজের অবিচার, অনাচার এবং বুদ্ধিজীবী নামধারী চাটুকারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, প্রতিবাদ করার সক্ষমতা, দৃঢ়তা এবং ঋজু চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বলেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন তার সময়কালের হাতেগোনা দু’চারজনের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগামী। তাঁর জন্ম ১৯৪৩ সালের ৩০ জুন, আর প্রয়ান ২০০১ সালের ২৮ জুলাই। মহান, কৃর্তিমান ও সাহসী আহমদ ছফা’র প্রতি আমাদের অসীম শ্রদ্ধা। এই শ্রদ্ধা জানানোর উদ্দেশ্যেই তার লিখিত প্রাচ্যবিদ্যা প্রকাশনীর ‘সাম্প্রতিক বিবেচনা বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস’ বইয়ের অংশ বিশেষ পুনঃপ্রকাশিত হলো। সম্পাদক বিস্তারিত »

প্রগতিশীল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের গোড়ার কথা (শেষ পর্ব)

Last 4প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময়ে পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে মহামন্দায় আক্রান্ত হয়। মহামন্দার কবলে পড়ে বিশ্ব রাজনৈতিকভাবে পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে। জনজীবন ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের বাস্তবতায় তাড়িত হয়ে পড়ে। সেই সময় নতুন রাজনৈতিক মতবাদ বিশ্ব তথা ভারতীয় উপমহাদেশের কোটি কোটি মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে। রাজনীতিকে শাণিত করে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড। অবিভক্ত ভারতের সেই সময়কার একদল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মী নতুন মতাদর্শ নিয়ে সংস্কৃতির জগত আলোড়িত করেন। গড়ে তোলেন প্রগ্রেসিভ রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশন বা প্রগতিশীল লেখক সংঘ। পুঁজিবাদের বর্তমান বিশ্বায়ন তত্ত্বের ক্লেদাক্ত সময়ে পুনরায় আর একটি মহামন্দার আবহে বর্তমান সাহিত্য ও সংস্কৃতিও নির্জীব। সাহিত্য ও সংস্কৃতির এই অবক্ষয়ের সময়ে নতুন সাহিত্য ও সংস্কৃতি আন্দোলনের ধারাটি কী হওয়া উচিত তা বুঝতে প্রগতিশীল লেখক সংঘের ইতিহাস জানা তাই আবশ্যক। অজয় আশীর্বাদ মহাপ্রশস্তের এই লেখাটির ভাষান্তর করা হলো। বিস্তারিত »