Home » Author Archives: আমাদের বুধবার (page 38)

Author Archives: আমাদের বুধবার

গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের অনুপস্থিতির কারণেই…

হায়দার আকবর খান রনো

Coverঊনবিংশ শতাব্দীতে বৃটিশ রাজত্বের প্রথম যুগে আমাদের সমাজ জীবনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সূচিত হয়েছিল। অবশ্যই তা ছিল পরাধীনতার ফসল, বৃটিশ রাজত্বের কুফল। যদিও বাঙালি হিন্দু মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তের একাংশের মধ্যে নবজাগরণ দেখা দিয়েছিল, যাকে অনেক সময় রেনেসাঁ বলে আখ্যায়িত করা হয়, তবু তা বিশাল জনগোষ্ঠীর সমাজ জীবনকে খুব একটা প্রভাবিত করতে পারেনি। অন্যদিকে, ইংরেজদের আনুকূল্যে গড়ে ওঠা মুৎসুদ্দি ও সামন্তশ্রেণী কলকাতাকেন্দ্রিক যে কুৎসিত বাবু কালচার তৈরি করেছিল তা সমাজ জীবনকে কলুষিত করেছিল দলীয়ভাবে। এই তথাকথিত বাবু কালচারকে নিন্দা ও ব্যঙ্গ করে মহাকবি মাইকেল লিখেছিলেন, ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রো’ ও ‘একেই বলে সভ্যতা’। বিস্তারিত »

স্বৈরতন্ত্র না গণতন্ত্র?

ইকোনমিস্ট থেকে অনুবাদ

Last 5পূর্ব এশিয়ায় ১৯৫০ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত প্রকৃত আয় বাড়ে সাত গুণ। ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও ফিলিপাইনের মতো এই অঞ্চলের দেশগুলোতে গণতন্ত্রও বিকশিত হয়েছে। সর্বোচ্চ আয় স্তর এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসংবলিত দুই এশিয়ান অর্থনীতি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া ‘পূর্ণ গণতান্ত্রিক দেশ’ (দেখুন চার্ট)। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতির দেশ ভারতে ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা পাওয়ার পর থেকেই প্রায় পুরো সময় গণতান্ত্রিকব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। বিস্তারিত »

আগে নির্বাচন নাকি খালেদার বিচার?

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

Dis 2আমাদের নেতানেত্রীরা প্রতিবছর সৌদী আরবে ওমরাহ্‌ পালন করতে গিয়ে থাকেন। রাজনৈতিক নেতাদের বাইরে সম্পন্ন অনেক মানুষও ধর্মীয় এই আচরনটি পালন করে থাকেন। গত কয়েক দশকে এটি একটি রেওয়াজে পরিনত হয়েছে। ওমরাহ্‌ পালনের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক দ্বিবিধ কারন থাকে। মুসলিম দেশ হিসেবে সৌদী রাজতন্ত্রের একটি প্রবল প্রভাব রয়েছে অপরাপর মুসলিম দেশের ওপর এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হওয়ায় মুসলিম উম্মাহ্র স্বার্থের বিষয়টি আমাদের রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের কাছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া রাজকীয় মেহমান হিসেবে প্রায় প্রতি বছরই সৌদী আরবে ওমরাহ্‌ পালন করতে যান। সাম্প্রতিককালে তাঁর জন্য এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল এ কারনে যে, তারেক জিয়াও এ সময়ে ওমরাহ্‌ পালনে সৌদীতে আসেন। বিস্তারিত »

রাজনীতির নোংরা খেলা :: জোর করে দলবদল

আমীর খসরু

Dis 1বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই বিরোধী দল, মত, পক্ষ নিশ্চিহ্ন করার যাবতীয় উদ্যোগ নেয়। এবারে এই উদ্যোগে প্রথম থেকেই ক্ষমতাসীনরা যে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন এবং হিসাবনিকাশ করেছে, তা স্পষ্ট। আর অতীতের ঘটনার পুনরাবৃত্তি একই ধারায় ও পদ্ধতিতে পুনর্বার সম্পন্ন করার অনেক বিপদ আছে এই বিষয়টি তাদের মাথায় রয়েছে। ক্ষমতাসীনরা সে জন্যই অতীতের হঠাৎ করে নেয়া সিদ্ধান্ত যা বাকশাল গঠনের ক্ষেত্রে করা হয়েছিল, সে পথে বা পদ্ধতিতে তারা সরাসরি যায়নি। এবারে সম্পূর্ন ভিন্ন পথ ও পদ্ধতি অর্থাৎ পুরো কর্মপরিকল্পনাই ভিন্নভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং কিছুটা সময় দেয়া হয়েছে তা সম্পন্ন করার জন্য। বাকশাল গঠনের ক্ষেত্রে যে তাড়াহুড়ো ছিল এক্ষেত্রে তা করা হয়নি, আগেরবারের বিপদআপদ চিন্তা করে। সরকার ক্ষমতায় আসার পরে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলসহ প্রথম দফার কাজটি সম্পন্ন করা হয় দলীয় লোকজনের মাধ্যমে। বিস্তারিত »

মুজিব বাহিনী :: মুক্তিযুদ্ধের রহস্যময় এক অকথিত অধ্যায়

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

Bishes Nibondhoএকাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ), যা মুজিব বাহিনী নামে সমধিক পরিচিতআমাদের মুক্তিযুদ্ধে রহস্যময় এক অকথিত অধ্যায়। ইতিহাসের একটি বিশেষ সময়ে কেন, কি প্রেক্ষাপটে এই ‘গোপন’ বাহিনী গড়ে উঠেছিল, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কি আকারে প্রভাব বিস্তার করেছিল, প্রায় অর্ধশত বছর পরে এখনও অনেকটাই রহস্যময় এবং প্যান্ডোরার বাক্সে তালাচাবি দেয়া। মাঝেমধ্যে গণমাধ্যম, জাতীয় সংসদসহ নানা টুকরোটাকরা আলোচনায় এ নিয়ে বিতর্কউত্তেজনা সৃষ্টি হলেও এই বাহিনীর ভূমিকা জনগনের কাছে এখনও রহস্যাবৃত। অতি সম্প্রতি কিছু লেখাজোখায় প্রসঙ্গটি উঠে আসতে শুরু করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ভারতীয় প্রশ্রয়ে এ বাহিনী এতটাই ক্ষমতাধর হয়ে উঠেছিল যে, মুজিবনগর সরকারকে তারা প্রকাশ্যে অবজ্ঞা ও অগ্রাহ্য করতে পেরেছিল। বিস্তারিত »

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা চুক্তির মেয়াদ ১০ বছর বাড়ল

রাহুল বেদি, জেনস ডিফেন্স উইকলি

অনুবাদ : আসিফ হাসান

Last 1ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র ৩ জুন তাদের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা কাঠামো চুক্তি ১০ বছর বাড়িয়ে ২০২৫ সালের মধ্যভাগ পর্যন্ত করেছে। নয়া দিল্লীতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাশটন কার্টার এবং ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পরিকরের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তিটি ‘উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত আলোচনা, উভয় সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অব্যাহত বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সামর্থ্য জোরদারকরণে’ নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। এতে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও বাণিজ্য উদ্যোগের (ডিটিটিআই) ‘রূপান্তরমূলক’ প্রকৃতির কথাও স্বীকার করা হয়েছে। দুই পক্ষ এর আওতায় ভারতে মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের যৌথ উন্নয়ন ও উৎপাদনে একমত হয়। বিস্তারিত »

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত কি বধ্যভূমি

Last 2(কুড়িগ্রাম সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানি খাতুন হত্যা মামলায় অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্যকে পুনরায় নির্দোষ বলে ঘোষণা দিয়েছে ওই বাহিনীর নিজস্ব একটি আদালত। ২০১৩ সালে সেনাবাহিনীর কোর্ট মার্শালের মতোই বিএসএফের নিজস্ব আদালতে কঠোর গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তার মধ্যে প্রথম দফার ওই বিচার কাজ চলে। ওই রায়ের ব্যাপারে ফেলানির বাবার আপত্তির কারণে ওই একই ধরনের আদালতে পুনরায় বিচার কাজ হয়। ২০১৫’র জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ওই আদালতেও প্রথমবারের মতো পুনরায় বিএসএফ সদস্যকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করা হয়। ২০১১তে ঘটে যাওয়া ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর বাংলাদেশ, ভারত এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়েছিল। এসব রায়ের পরে ফেলানির বাবা, যিনি এই হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষ সাক্ষী, হতাশা এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পুনর্বার এই রায়ের পরে প্রশ্ন তাহলে কাটাতারের বেড়ার উপরে পঞ্চদশী ফেলানিকে হত্যা করলো কে এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার কি আর কোনোদিন হবে না? এই প্রশ্নের কোনো মীমাংসা পাওয়া গেল না। ফেলানি নিহত হওয়ার ঘটনাটি আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় এমনই প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল, যে কারণে মার্কিন প্রভাবশালী সাময়িকী ফরেন পলিসি ২০১১’র জুলাইআগস্ট সংখ্যায় এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। স্কট কার্নি, জ্যাসন মিকলেইন ও ক্রিসটেইন হোলসারের সেই প্রতিবেদনটির বাংলা ভাষান্তর প্রকাশ করা হলো। সম্পাদক) বিস্তারিত »