Home » Author Archives: আমাদের বুধবার (page 5)

Author Archives: আমাদের বুধবার

একক নিয়ন্ত্রণ নয়, প্রয়োজন গণতান্ত্রিক বহুত্ববাদের চর্চা

প্রকাশকাল ১৮ মার্চ ২০১৫

হোসেন জিল্লুর রহমান

last 1দেশ এক গভীর সংকটে এ নিয়ে দ্বিমতের কোন অবকাশ নেই। সংকটের গভীরতাও যে ১৯৯৬ ও ২০০৬এর সংকটের মাত্রা অতিক্রম করে আরও ভয়াবহ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে, এ নিয়েও সম্ভবত আর দ্বিমত থাকছে না। একদিকে বিরোধী আন্দোলনের সূত্র ধরে জনজীবন ও অর্থনীতি বিপর্যস্ত, অন্যদিকে সংকটের রাজনৈতিক চরিত্রকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে সরকারের আগ্রাসী দমন কৌশলের পরিণতি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আজ পুলিশি রাষ্ট্রের আবহ নিরন্তরভাবে প্রতিষ্ঠা পেয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতাসীনদের দম্ভোক্তি ও আস্ফালন এবং বিরোধীদের অনড় অবস্থানের যাতাকলে সাধারণ মানুষের অসহায়ত্ব আজ তলানীতে ঠেকেছে। আশংকার আরও কারণ এই যে, এই অবস্থার পরিবর্তনের কোন ইংগিত কোথায়ও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিস্তারিত »

বাংলাদেশ কি আগের চেয়ে কম ধর্মনিরপেক্ষ হয়ে গেছে?

প্রকাশকাল ১১ নভেম্বর ২০১৫

তাজ হাশমী

Last-1তারা কাজটা আবার করল। মুক্তচিন্তক অভিজিৎ রায়ের বই প্রকাশ করার জন্য অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ঘাতক ৩১ অক্টোবর ফয়সাল আরেফিন দীপনকে ঢাকায় তার অফিসে কুপিয়ে হত্যা করেছে। সম্ভাবনা ক্ষীণ, তবুও আশা করছি যে এবার আর ঘাতকেরা বিচার বিভাগের আওতার বাইরে থাকবে না। এবং এর চেয়েও খারাপ কিছু হওয়ার যে আশঙ্কা রয়েছে তাও হবে না, অর্থাৎ পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের জন্য অন্যায়ভাবে কয়েকজন নির্দোষ ব্যক্তিকে আটকাবে না। কেউ নিশ্চিত হতে পারছে না, অতিধর্মনিরপেক্ষ (আলট্রাসেক্যুলার) ও ইসলামাতঙ্কগ্রস্ত লেখকদের হত্যা করাটা বাংলাদেশের দ্রুত ‘আরবীকরণ’ বা ‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদমুক্তকরণ’ করার সাথে সম্পর্কযুক্ত কি না। যারা ২০০৪ সালে হুমায়ুন আজাদের মতো মুক্তিচিন্তাবিদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং গত দুই বছরে অভিজিৎ রায়সহ অর্ধ ডজন লেখককে হত্যা করেছে, পুলিশ এখন পর্যন্ত তাদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

দীপনকে কারা হত্যা করেছে, কারা অপর তিনজনকে আহত করেছে, সে ব্যাপারে কেউ নিশ্চিত নয়। তারা কি স্রেফ ‘ধর্মনিরপেক্ষবাদের শত্রু?’ বিস্তারিত »

রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস দিয়ে অচলাবস্থা কাটবে না

প্রকাশকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

আনু মুহাম্মদ

last 2বর্তমান অচলাবস্থা ও সহিংস পরিস্থিতির কেন্দ্রে অন্যতম বিষয় হলো নির্বাচন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন না হলে অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা দখল করতো, তাতে বিপদ আরও বাড়তো‘, সরকারি দলের লোকজনের এ যুক্তি খুবই শক্তিশালী। কিন্তু যেভাবে নির্বাচন হয়েছে তার বিকল্প নির্বাচন না হওয়াছিল না, ছিল যথাযথ নির্বাচন হওয়া। আমরা সবাই জানি, বাংলাদেশে নির্বাচন প্রক্রিয়ার যে দশা, সমাজে চোরাই টাকা আর সন্ত্রাস যেভাবে রাজনীতির পরিচালিকা শক্তি, তাতে সব দলের অংশগ্রহণ হলেও যথাযথ নির্বাচন আশা করা যায় না। অর্থ, সহিংসতা, সাম্প্রদায়িকতা ও কুরাজনীতিই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে দখল করে রাখে। বিস্তারিত »

জঙ্গীবাদ-সন্ত্রাসবাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি

প্রকাশকাল ২ ডিসেম্বর ২০১৫

এম. জাকির হোসেন খান

Last-2২০১৪ সালে সন্ত্রাসবাদের কারণে বৈশ্বিকভাবে ৫২.৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার অর্থনৈতিক ক্ষতিসহ সার্বিকভাবে সর্বমোট অর্থনৈতিক ক্ষতি ছিলো ১০৫.৮ বিলিয়ন ডলার। শুধুমাত্র ২০০৫ সালে ইরাকের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ফলে ক্ষতির হিসাব করলে পিপিপি হিসেবে তা প্রায় ১৫৯ বিলিয়ন ডলারে দাড়িয়েছে যা ২০১৪ সালের ইরাকের জিডিপি’র ৩২ শতাংশের সমান। সন্ত্রাসবাদের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যয় পরিমাপে অর্থনীতি এবং শান্তি ইনষ্টিটিউট (ইপিআই)-এর বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে ২০১৫ সংঘাতের অর্থনৈতিক ব্যয় প্রাক্কলন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে যার আওতায় জীবন হানি, সম্পত্তি ধ্বংস ও মুক্তিপণ প্রদানের ফলে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০০১ সাল থেকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদের অর্থনৈতিক ব্যয় সর্বোচ্চ ছিল। বিস্তারিত »

ভারতকে কেন্দ্র করে শ্রীলঙ্কা-চীন নতুন সমীকরণে

প্রকাশকাল – ৭ জুন ২০১৫

মোহাম্মদ হাসান শরীফ

Last 3মহিন্দ্র রাজাপাকসেকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ম্যাথ্রিপালা সিরিসেনার আত্মপ্রকাশ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের সৃষ্টি বিবেচিত হয়েছিল। এই ঘটনাকে দেখা হয়েছে শ্রীলঙ্কার রাজনীতিতে চীনের ভূমিকা ম্লান করে ভারতের উত্থান হিসেবে। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যে কী নতুন কিছু ঘটছে? অথচ নির্বাচিত হওয়ার পরপরই ভারত সফরে গিয়ে তিনি দিল্লীর সাথে সম্পর্ক উষ্ণ করার কথা বলেছিলেন। সিরিসেনার পূর্বসূরী রাজাপাকসে প্রবলভাবে চীনের দিকে ঝুঁকেছিলেন। ভারতের চেয়ে তিনি চীনকে গুরুত্ব দিতেন। বিস্তারিত »

বছর শেষেও ভোট যখন আতংক

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

Dis 1দেশ আবারও ভোটাতঙ্কে। আতঙ্ক আজ সকালের পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। ভোট সংস্কৃতিতে আবার গেড়ে বসছে সহিংসতা, সশস্ত্র মহড়া, ব্যালট ছিনতাই, ভোট ডাকাতি, প্রশাসনিক পক্ষপাত সব মিলিয়ে আতঙ্কে ভোটাররা। ভোট দিতে পারব তো? জীবন নিয়ে টানাটানি পড়বে নাতো? ভোটের পরে জ্বালিয়েপুড়িয়ে মারবে নাতো? এই আতঙ্কের অন্যতম কারন হচ্ছে, নির্জীব নির্বাচন কমিশনের সকল স্তরে নির্লিপ্ততানিয়ন্ত্রণহীনতা। খোলসা করলে নির্বাচন কমিশনসরকারপ্রশাসনআইনশৃঙ্খলা বাহিনীক্ষমতাসীন দল মিলেমিশে একাকার। নির্বাচনী সংস্কৃতিতে ফিরে এসেছে নব্বই পূর্ববর্তীকাল, সেটি স্থানীয় সরকার বা সংসদ নির্বাচনই হোক। বিস্তারিত »

ঘোষণা

ইংরেজি নতুন বছর থেকে আমাদের বুধবারএর আঙ্গিকে কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এছাড়া দেশী ও আন্তর্জাতিক ঘটনাসমূহের বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়ন শুধুমাত্র সপ্তাহের একদিনেই নয়, তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশের একটি উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। নতুন এই প্রচেষ্টার ধারায় আমাদের সাথেই থাকুন।।

সম্পাদক