Home » Author Archives: আমাদের বুধবার (page 6)

Author Archives: আমাদের বুধবার

‘গরু’ – ভারতের বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব

অনলাইন অবলম্বনে

cowগরু’ ২০১৫ সালের জন্য ভারতের ‘বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব’ (পারসোনালিটি অব দি ইয়ার) হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে অনলাইন জগতে ঝড় তুলেছে। গরুর মাংস নিষিদ্ধ আর অসহিষ্ণুতা নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে অনলাইন সার্চ ইঞ্জিন ইয়াহু এই নিরীহ প্রাণীটিকে ভারতের সেরা ব্যক্তিত্বের মুকুট বসিয়ে দিয়েছে।

২০১৫ সালে ভারতে সেরা হওয়ার তালিকায় ছিলেন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। কিন্তু সবাইকে পেছনে ফেলে সার্চ ইঞ্জিন ইয়াহুর সমীক্ষা দেখেছে ২০১৫ সালে ‘গরু’ নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে ভারতে। বিস্তারিত »

ব্যবসা পরিবেশ :: অবস্থান তলানিতেই

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

Last-1ব্যবসার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন বিনিয়োগ সুরক্ষা, পরিবেশের স্থিতিশীলতা ও ব্যবসাবান্ধব কর কাঠামো। এছাড়া ঋণের সহজপ্রাপ্তি, সম্পত্তির মালিকানা লাভের প্রক্রিয়া, আধুনিক প্রযুক্তি, নতুন উদ্ভাবন, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অনুপস্থিতি এবং ব্যক্তিস্বাধীনতাও ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। এসব মানদণ্ডের কোনোটিতেই ভালো অবস্থানে নেই বাংলাদেশ। ফলে ব্যবসার জন্য বাংলাদেশ আদর্শ স্থান নয় বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী বাণিজ্য সাময়িকী ফোর্বস। বিস্তারিত »

সাক্ষাৎকারে অরুন্ধতী রায়

ভারতে এখন যা ঘটছে, তা খুবই মারাত্মক কিছুর সূচনা

Last-2ভারতে নরেন্দ্র মোদির উগ্র হিন্দুবাদী সরকারের আমলে অসহিষ্ণুতা নজিরবিহীন গতিতে বাড়তে থাকার প্রতিবাদে দেশটির লেখক, শিল্পী, চলচ্চিত্রকারসহ সম্মানিত অনেকেই জাতীয় পুরস্কার ফিরিয়ে দেওয়ার আন্দোলন চালাচ্ছেন। এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন প্রখ্যাত লেখক ও সক্রিয়বাদী অরুন্ধতী রায়ও। এই প্রতিবাদ জানানোর পর প্রথম সাক্ষাতকারটি দেন বিবিসি হিন্দি রেডিও’র সম্পাদক রাজেশ যোশীকে। এখানে এর অংশবিশেষ তুলে ধরা হলো। অনুবাদ করেছেন মোহাম্মদ হাসান শরীফ।

প্রশ্ন : জাতীয় পুরস্কার ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে আপনি এত দেরি করলেন কেন? বিস্তারিত »

চীন: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ৩৫)

চীনের পথ নিয়ে সংশয়

আনু মুহাম্মদ

Last-3১৯৭০ সালের মধ্যে চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের উচ্ছ্বাস অনেক কমে যায়। পার্টি ও সরকার তখন একদিকে উৎপাদন ও জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বন্ধু সংযোগে বেশি মনোযোগী। ১৯৭০ সালের এপ্রিল মাসে চীন তাদের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে প্রেরণের মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসীকে নিজেদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত ক্ষমতার জানান দেয়। সেসময় ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং নিউক্লিয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন সাবমেরিন বানায়। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় ‘বিশেষজ্ঞ’ বিরোধী বৈরী মনোভাব এই সময়ে কমে আসে এবং সরকারি প্রকাশনাতে বিশেষায়ন, বিশেষ প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি জ্ঞান, বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেয়া হতে থাকে।

উৎপাদন ক্ষেত্রে সুস্থিরভাবও ক্রমে ফিরে আসতে থাকে। চীনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাইএর ভাষ্যমতে, এই বছরে চীনে বিশ্বের সর্বোচ্চ পরিমাণ সুতিবস্ত্র উৎপাদিত হয়, তেল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে। স্টীল উৎপাদনেও ঘাটতি কমিয়ে আনে। রাসায়নিক সার উৎপাদন আবার বাড়তে থাকে, কৃষি উৎপাদনও বিপ্লব পরবর্তী সর্বোচ্চ উৎপাদন বছর ১৯৫৭ সালের উৎপাদন সীমা অতিক্রম করে। রেশনিং ব্যবস্থা সচল রাখার জন্য খাদ্য সংগ্রহ এবং কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, এবং অন্যান্য দেশ থেকে গম আমদানি করে খাদ্য মজুত ৪ কোটি টনে উন্নীত করা হয়।বিস্তারিত »

বাংলাদেশে গণতন্ত্র কেন দৃঢ়ভিত্তি পায়নি

আমীর খসরু

Last-1গণতন্ত্রের যে সুষ্ঠু এবং মজবুত ভিত্তি নিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি গড়ে ওঠার এবং সামনে এগিয়ে চলার কথা ছিল, তা দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ দেশটিতে দেখা যায়নি। ফলে এর অনিবার্য পরিণতি এখনো পর্যন্ত এই রাষ্ট্রটির জনগণকে, দেশকে মর্মেমর্মে উপলব্ধি করতে হচ্ছে। সুদীর্ঘ ভিত্তি প্রতিষ্ঠার গোড়ার দিকে যদি আমরা দৃষ্টি ফেরাই তাহলে দেখা যাবে তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তান এবং পরবর্তীকালে বাংলাদেশে খুবই অল্প কয়েক বছর আমাদেরকে বেসামরিক শাসনের মধ্যদিয়ে পাড়ি দিতে হয়েছে নানা সঙ্কট এবং সমস্যার মধ্যদিয়ে। বাকি সুদীর্ঘ সময়কাল কেটেছে সামরিক শাসনের মধ্যেই। ১৯৫৮ সালে অর্থাৎ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার নয় বছরের মাথায় পাকিস্তানে সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠার পরে এটি বহাল ছিল দীর্ঘকাল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এ ভূখণ্ডটি সামরিক শাসন থেকে মুক্ত হয়েছে। বিস্তারিত »

তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক জীবন (পর্ব-৫)

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

Last-5একুশে ফেব্রুয়ারীর দিন থেকেই দেখা যাচ্ছে তাজউদ্দীন কখনো নিজে সাইকেল চালিয়ে, কখনো অন্যের সাইকেলের পেছনে চেপে বিভিন্ন কর্মসূচীতে যোগ দিচ্ছেন। কর্মসূচী নির্ধারক কমিটির সভায় উপস্থিত থাকছেন। প্রচারপত্র বিলি করছেন। খবরাখবর নিচ্ছেন। আতাউর রহমান খানের খসড়াকরা একটি বিবৃতিকে চূড়ান্ত রূপ দিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে পাঠাচ্ছেন। নিজেদের মধ্যে আলাপআলোচনা করছেন। বিভিন্ন জনের গ্রেফতারের খবর পাচ্ছেন এবং উদ্বিগ্ন হচ্ছেন। খোঁজ নিচ্ছেন। কিন্তু এতসব ব্যস্ততার মধ্যেও দিনলিপি লিখতে ভুলছেন না। ২৫ তারিখের দিনলিপিতে আছে, বিস্তারিত »

প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ ১৮৫৭ :: পুনঃঅনুসন্ধান (শেষ পর্ব)

হায়দার আকবর খান রনো

Last-6সিপাহী বিদ্রোহ দমন করার পর বৃটিশ রাজ তাদের কৌশলে কিছু পরিবর্তন আনে। তারা দেখেছিল যে, এই বিদ্রোহে অনেক ভারতীয় রাজা, সামন্ত অংশগ্রহণ করেছিল। বৃটিশ শাসকরা তাদের পলিসিতে যে ভুল ছিল তা বুঝতে পারে। ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর বৃটেনের রাণী ভিক্টোরিয়া ভারতের শাসনভার কোম্পানীর কাছ থেকে তুলে নেবার পর যে ঘোষণা দেন, সেখানে ভারতীয় সামন্তদের সন্তুষ্ট করার জন্য অনেক প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। বলা হয়, যে সকল রাজা জমিদার ইত্যাদি সামন্তপ্রভূ বিদ্রোহে অংশগ্রহণ করেছে, তাদের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করা হবে (অবশ্য যারা সরাসরি বৃটিশ নাগরিকদের হত্যা করেছে তাদের ক্ষমা করা হবে না)। তিনি বলেন যে, কেবল পদচ্যুত রাজারাই নয়, ‘জায়গীরদার’ ও ‘ইমানদারদেরকেও’ ভুল পদক্ষেপের কারণে ক্ষুব্ধ করে তোলা হয়েছিল। বিস্তারিত »