Home » শিল্প-সংস্কৃতি (page 20)

শিল্প-সংস্কৃতি

ষাট দশকের বাংলা চলচ্চিত্র (পর্ব – ৪)

ফ্লোরা সরকার

movie-60sমঞ্চ নাটক এবং চলচ্চিত্র এই দুইয়ের মাঝে প্রধান যে পার্থক্য তা হলো, প্রথমটি সংলাপ নির্ভর শিল্পমাধ্যম এবং দ্বিতীয়টি দৃশ্য নির্ভর শিল্পমাধ্যম। এই কারণে চলচ্চিত্রকে বলা হয়ে থাকে নাটকের মতো দৃশ্যকাব্য। চলচ্চিত্র দৃশ্য নির্ভর হবার কারণে সংলাপের পাশাপাশি চিত্রভাষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কয়েক মুহূর্ত্তের একটি শট বা চিত্র অনেক সময় শত শত সংলাপকেও ছাপিয়ে যেতে পারে। ছবির এই ভাষা নির্মাণের ক্ষেত্রে তাই চিত্রগ্রাহকের ভূমিকা পরিচালকের পরেই স্থান পায়। কেননা চিত্রগ্রহণ নান্দনিক না হলে ছবিটিও নান্দনিক হয়ে উঠতে পারেনা। বিস্তারিত »

ষাট দশকের এ দেশের বাংলা চলচ্চিত্র (পর্ব – ৩)

ফ্লোরা সরকার

movie-60sবাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানের চলচ্চিত্রের সঙ্গে মোটা দাগে বিদেশী চলচ্চিত্রের মূল পার্থক্য গানের ব্যবহারের প্রতুলতা এবং অপ্রতুলতায়। সাধারণত বাইরের চলচ্চিত্র বিশেষত হলিউড সহ অন্যান্য দেশের চলচ্চিত্রে গানের উপস্থিতি প্রায় নেই বললেই চলে। অপেরা ধর্মী চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে ভিন্ন কথা, কেননা সেসব চলচ্চিত্র নির্মানই হয় সঙ্গীতপ্রধান করে। বাংলাদেশে গান চলচ্চিত্রের প্রাণ স্বরূপ। গান ছাড়া এখানকার চলচ্চিত্রের কথা ভাবাই অসম্ভব। আমাদের চলচ্চিত্রের জন্মলগ্ন থেকে তাই গানের বহুল ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। শুধু তাই না, এমনও হয়েছে শুধু গানের কারণে দর্শক একই ছবি বার বার দেখতে গেছেন। যদিও গানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নাচের ব্যবহারও হয়ে থাকে। বিস্তারিত »

ষাট দশকের এদেশের বাংলা চলচ্চিত্র (পর্ব – ২)

ফ্লোরা সরকার

movie of 60s-2

কেমন ছিলো সেই সময়ের চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিবেশ? চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৫৭ সালে চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা বা এফ.ডি.সি. স্থাপিত হলেও, সক্রিয় ভাবে এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৫৮৫৯ সাল নাগাদ। মাত্র একটি শুটিং ফ্লোর নিয়ে এই সংস্থার যাত্রা শুরু হয়। সেই সময়ে এফ.ডি.সি. কৃর্তক নির্মিত হয় পর পর চারটি ছবি আকাশ আর মাটি (১৯৫৯), মাটির পাহাড় (১৯৫৯), জাগো হুয়া সাভেরা (১৯৫৯) এবং এদেশ তোমার আমার (১৯৫৯)। কিন্তু পাশাপাশি তিনটি বেসরকারি স্টুডিও ষাটের দশকে স্থাপিত হতে দেখা যায়। যেমন ১. ইস্টার্ণ স্টুডিও যা বর্তমান বারি স্টুডিও নামে সমধিক পরিচিত। প্রথম দিকের ছবি ভাওয়াল সন্যাসি (১৯৬৬), আখেরি স্টেশান (১৯৬৬) ইত্যাদি। ২. ঢাকা স্টুডিও থেকে নির্মিত হয় এই দেশের অন্যতম সাড়া জাগানো ছবি রূপবান (১৯৬৫)। উল্লেখ্য, রূপবানের ইনডোর শুটিংগুলো এই স্টুডিওর ছাদে রূপায়িত হয়, যা আজকের দিনে বেশ কৌতুহল সৃষ্টি করে বৈকি। বিস্তারিত »

ষাট দশকের এদেশের বাংলা চলচ্চিত্র (পর্ব – ১)

ফ্লোরা সরকার

history of bangla movies১৯৫৬ সালে বর্তমান বাংলাদেশ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে যখন “মুখ ও মুখোশ” মুক্তি পেলো তখন সেই সময়ের দুটো সংবাদপত্র দৈনিক ইত্তেফাক এবং ইত্তেহাদে ছবিটির প্রকাশিত বিজ্ঞাপনে লেখা হয়েছিল – “পাকিস্তানের চলচ্চিত্র ইতিহাস এক নতুন অধ্যায়ের শুভ সূচনা করবে পাকিস্তানের প্রথম বাংলা ছবি”। তার দুই বছর আগে অর্থাৎ ১৯৫৪ সালের ৬ মার্চ হোটেল শাহবাগে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) মহা সমারোহের সঙ্গে ছবিটির মহরত অনুষ্ঠিত হয় এবং দৈনিক আজাদে বড় বড় শিরনামে ছবিটির প্রযোজনা সংস্থা ইকবাল ফিল্মস্ লিমিটেডকে অভিনন্দন জানানো হয়। বাংলাদেশের বাংলা চলচ্চিত্রের আগমন এভাবেই মহসমারোহের সঙ্গে তার অগ্রযাত্রার সূচনা করেছিল। বিস্তারিত »

“উইকিলিক্স” নিয়ে চলচ্চিত্র – চৌর্যবৃত্তি নয় সত্য প্রকাশের বৃত্তি

ফ্লোরা সরকার

film on wikilicks২০১০ এ স্কয়ার ম্যাগাজিন প্রামাণ্যচলচ্চিত্রকার অ্যালেক্স গিবনিকে এই সময়ের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রকার হিসেবে অভিহিত করা হয়। ২০০৭ সালে গিবনিকে যখন তার প্রামাণ্যচিত্র ‘ট্যাক্সি টু দ্যা ডার্ক সাইড’ এর জন্য অস্কার প্রদান করা হয় স্বাভাবিক ভাবেই তিনি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ একজন চিত্রনির্মাতা হিসেবে স্থান করে নেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বলে পরিচালক অ্যালেক্স গিবনি বিতর্কের উর্দ্ধে নন। আর তাই তার সাম্প্রতিক মুক্তিপ্রাপ্ত প্রামাণ্যচিত্র “উই স্টিল সিক্রেটস দ্যা স্টোরি অফ উইকিলিক্স” নিয়ে তুমুল বিতর্কের ঝড় উঠেছে চলচ্চিত্র জগতে। গত ২৪ মে নিউইয়র্ক এবং লস এঞ্জেলেসে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। তাছাড়া গত ১৯জুন থেকে ৩০ জুন ৬৭তম এডিনবার্গ ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে ছবিটি প্রদর্শিত হয়েছে। ছবিটি নিয়ে বিতর্কের কারণ ছবির বিষয়বস্তু এবং ছবির নায়ককে কেন্দ্র করে। পরিচালক গিবনি এমন এক সময়ে ছবিটি নির্মাণ করেছেন যখন ছবির বিষয়বস্তু এবং এর নায়ক ইতিমধ্যে বাস্তব বিতর্কের জালে জড়িয়ে আছেন। বিস্তারিত »

সমকামিতার বিপ্লব না বিপর্যয়?

ফ্লোরা সরকার

blueশিল্ডারস লিস্ট’ খ্যাত চলচ্চিত্রকার স্টিভেন স্পিলবার্গ এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবে যিনি জুরিবোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ছিলেন উৎসব প্রাঙ্গণে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করলেন – “কোন ধরণের রাজনৈতিক আলোচনা আমাদের মাঝে হতে দেয়া হয়নি, কোন ধরণের রাজনীতি আমাদের এই ঘরটিতে (জুরি বোর্ড) নেই।” যদিও বিশ্ব জুড়ে বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যে রাজনীতির ঝোড়ো হাওয়া সেই সময়ে বয়ে চলছে। এমনকি খোদ ফ্রান্সে ঠিক গোল্ডেন পাম ঘোষণার দিন উৎসব কেন্দ্রের বাইরে সদ্য পাশকৃত সেই দেশেরই একটি আইনের বিরুদ্ধে মানুষ জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করছিল। আইনটি কি এবং প্রতিবাদই বা কেনো? ফ্রান্সের অভ্যন্তরে সমকামী বিবাহকে কিছুদিন আগে আইনানুগভাবে বৈধতা প্রদান করায় তার বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ। এবং বলাই বাহুল্য এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ব্লু ইজ দ্যা ওয়ার্মেস্ট কালার’ ছবিটিকে উৎসবের সর্বোচ্চ অ্যাওয়ার্ড সেই গোল্ডেন পাম’এ ভূষিত করে হয়তো সেই প্রতিবারের মুখে আরো একটু দাহ্য পদার্থ ঢেলে তাকে প্রজ্বলিততর করা হলো। বিস্তারিত »

আতিকুল হক চৌধুরী – একটি নক্ষত্রের বিদায়

ফ্লোরা সরকার

atiqul h chowসময় ১৯৬৬ সাল। বর্তমান বিটিভি প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান ডি.আই.টি. ভবনে। ছোট্ট একটা স্টুডিও। ঐ একটি মাত্র স্টুডিওতে নাটক, গান, নাচ ও অন্যান্য অনুষ্ঠান রেকর্ডিং (ভি.টি.আর.) বা সরাসরি সম্প্রচার করা হতো। তবে অধিকাংশ অনুষ্ঠানই হতো সরাসরি সম্প্রচার। নাটকগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে রেকডিং এর মাধ্যমে সম্প্রচারিত করতে হতো। কোন নাটকের রের্কডিং অসমাপ্ত থেকে গেলে শিল্পী এবং কলাকুশলীদের নাটক সম্প্রচারের সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো। কেননা সেই সময় টিভির সময় সূচী ছিল বিকেল পাঁচটা থেকে রাত বারটা পর্যন্ত। কাজেই বিকেল পাঁচটার মধ্যে কোন নাটকের রেকডিং শেষ না হলে ঐ একটা স্টুডিও ছেড়ে দিতে হতো অন্যান্য অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যে। তারপর নির্ধারিত নাটকের সময়ে অর্ধসমাপ্ত রেকর্ডেড নাটক সম্প্রচারের পর নাটকের বাকি অংশটুকু সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হতো। বিস্তারিত »