Home » অর্থনীতি (page 28)

অর্থনীতি

জলবিদ্যুতের আসল চ্যালেঞ্জ

কেইথ জনসন, ফরেন পলিসি

অনুবাদ: আসিফ হাসান

last 4প্রকৌশল জগতে হুবার ড্যাম একটি বিস্ময়। ৭০০ ফুট দীর্ঘ কংক্রিটের প্রাচীরটি কলোরাডো নদীকে রুখে দিয়েছে। এর ১৭টি বিশাল পাওয়ার টাইবাইন দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণাংশের বিশাল এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। কিন্তু এক বছরের ব্যবধানে হুবার বিদ্যুৎ প্লান্টের উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। অথচ ২০১৪ সালের প্রথম দিকের ২,১০০ মেগাওয়াট থেকে চলতি বসন্তে ১,২০০ মেগাওয়াটে। কারণ একটাইজলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট খরা।

হুবার ড্যামের মতো বিশালাকার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানোর কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বিস্তারিত »

নানা দুর্বলতার সুযোগে কালো টাকার অবাধ পাঁচার

এম. জাকির হোসেন খান

dis 5দেশে কালো টাকা বলে কোনো টাকা নেই। যে টাকাকে কালো টাকা বলা হচ্ছে তা বিদেশে পাঁচার করে সাদা করা হয়। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যেভাবেই টাকা আয় করুক তাদের বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে’ কালো টাকার পক্ষে ২০১৪১৫ অর্থ বছরের বাজেট অধিবেশনে বর্তমান সংসদেরই একজন সদস্য এভাবেই কালো টাকার পক্ষে সাফাই গাইলেন। অথচ ২০১৪ সালের ২০ জুন সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) এর ‘ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড ২০১৩’ প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয় ২০১২ এর তুলনায় ৬২ শতাংশ বেড়ে সুইস ব্যাংকগুলোয় বাংলাদেশিদের ৩,১৬২.৭২ কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে বিশ্বব্যাপী দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিক, আমলাসব ব্যবসায়ীদের সকল অবৈধ অর্থের নিরাপদ জিম্মাদার হিসাবে পরিচিত সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোর ব্যাপক সমালোচনার প্রেক্ষিতে তারা ২০০২ সাল থেকে দেশভিত্তিক জমাকৃত কালো টাকার পরিমাণ প্রকাশ করতে থাকে। বিস্তারিত »

ফারাক্কা দিয়ে বাংলাদেশ যেন এক ফোটা পানিও না পায় সে চেষ্টা মমতার

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

dis 3ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি দলবলসহ ঢাকা সফর করে গেলেন ১৯ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সফর নিয়ে সরকার এবং ক্ষমতাসীন দল মাত্রাতিরিক্ত উচ্ছ্বাসও দেখিয়েছিল। সাথে সাথে দলদাস কিছু সংখ্যক বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট নামধারী এতোই গদগদ হয়ে পড়েছিল যে, মনে হচ্ছিল মমতাই তিস্তা চুক্তি এবং সীমানা চিহ্নিতকরণ সমস্যা মিটিয়ে দেয়ার সর্বময় কর্তৃপক্ষ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে বৈঠকেও মমতা ব্যানার্জির সহায়তা চাওয়া হয়েছিল তিস্তা চুক্তি ও সীমানা চিহ্নিতকরণ সমস্যা মিটিয়ে ফেলতে। মমতা সম্ভাব্য সব কিছু করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। তিনি দলদাস বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্ট নামধারীদের এমত বলেছিলেন যে, ‘আমার উপরে ভরসা রাখুন’। বিস্তারিত »

চীনের ব্যাংকে বৃটেন :: ক্ষুব্ধ যুক্তরাষ্ট্র

জিওফ দায়ের, ফিন্যান্সশিয়াল টাইমস, লন্ডন

অনুবাদ: মোহাম্মদ হাসান শরীফ

last 4বেইজিংয়ের নেতৃত্বাধীন এশিয়ান অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) প্রশ্নে আমেরিকান ব্রিটিশ বিরোধটি আসলে ২১ শতকের বৈশ্বিক অর্থনীতি বিধিবিধান কে লিখবে তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার প্রাথমিক অধ্যায়গুলোর একটি। চীনের ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে প্রস্তাবিত এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক বা এআইআইবি ওয়াশিংটনভিত্তিক বিশ্বব্যাংকের প্রতিদ্বন্দ্বি হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকার প্রেক্ষাপটে এআইআইবি’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হওয়ার ব্রিটিশ সিদ্ধান্তের প্রতি ওবামা প্রশাসন ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা পেতে যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখনই ব্রিটেন জি৭ভুক্ত প্রথম দেশ হিসেবে এআইআইবিএ যোগ দিতে যাচ্ছে। এর ফলে চীনা নেতৃত্বাধীন ব্যাংকটির বিশ্বাসযোগ্যতা ও সম্ভাব্য বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেবে। বিস্তারিত »

বিদ্যুৎ খাত :: রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে ঝুকিহীন লাভজনক ব্যবসা

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

dis 4২০০৯ সালে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো যেখানে ২ টাকা ৫০ পয়সা, ২০১৪ সালে তা পৌঁছায় ৬ টাকা ২২ পয়সা, যা এখনো বিদ্যমান। এরই মধ্যে ২০১৫ সালে তোড়জোড় চলছে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর। ২০০৯ সালে গ্রাহককে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য দিতে হতো ৩ টাকা ৮৩ পয়সা, ২০১৩ সালে তা এসে দাঁড়ায় ৫ টাকা ৭৫ পয়সা। এ চাপ সামলাতে সরকার উপর্যুপরি বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। রেন্টাল, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো থেকে যে বিদ্যুৎ এসেছে, তার উৎপাদন দাম পড়েছে গড়ে ইউনিট প্রতি আট থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত। এখন এ দায়ভার জনগণের ওপর চাপানো হচ্ছে। বিস্তারিত »

ঘোর দুর্দিনে গার্মেন্টস ॥ অর্ডার আসছে না, বন্ধ হচ্ছে কারখানা, লাভবান ভারতসহ অন্যরা

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

dis 3সংঘাতসহিংসতাময় রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী অন্যতম প্রধান খাত গার্মেন্টেসের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন এবং এ খাতে ইতোমধ্যেই দুর্দিন শুরু হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে ভারত, ভিয়েতনামসহ কয়েকটি দেশ লাভবান হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকলে আরও হবে বলে ধারণা করছেন এই খাত সংশ্লিষ্টরা।

চলমান পরিস্থিতির কারণে গত জানুয়ারি থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত বিদেশী ক্রেতারা বা তাদের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে আসতে রাজি হচ্ছেন না। অর্ডার কমে গেছে গত কয়েকমাসে এবং আগামী জুন নাগাদ এই কমতে থাকা অর্ডার আশঙ্কাজনকহারে কমবে বলেও জানিয়েছেন গার্মেন্টস মালিকসহ সংশ্লিষ্টরা। তারা জানান, এতোদিন তারা যে কাজ করছিলেন তা আগের অর্ডার মোতাবেক। আর সে কাজ এখন অনেক কারখানায় শেষ হয়েছে, আবার অনেক কারখানায় শেষ হওয়ার পথে। বিজিএমইএ ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম জানিয়েছেন, ‘অনেক গার্মেন্টস ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। আর বাকি যেগুলো আছে তার মধ্যেও বহু গার্মেন্টস আছে শঙ্কার মধ্যে’।

বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশে বিদেশী ক্রেতাদের পক্ষ থেকে গ্রীষ্ম ও শরৎকালীন সময়ের তৈরি পোশাকের অর্ডারের আসল সময় হচ্ছে ডিসেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে অধিকাংশ ক্রেতা বা তাদের প্রতিনিধি সাধারণত জানুয়ারিফেব্রুয়ারিতেই এ দেশে এসে তাদের অর্ডার চূড়ান্ত করেন। কিন্তু এ বছরে তারা আসতেই রাজি না থাকায় হংকং, ব্যাংকক, দিল্লি, দুবাইসহ তৃতীয় দেশে বৈঠকের সময় নির্ধারিত হয়। বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা সেখানে গিয়েও ছিলেন। দু’চারজন অন্য সময়ের তুলনায় খুবই সামান্য অর্ডার পেলেও, অনেকেই বিফল হয়েছেন। গত ২ মার্চ কিছু ক্রেতাদের সাথে গার্মেন্টস মালিকদের যে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল তাতে ক্রেতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা পুরো অর্ডার দিচ্ছেন না রাজনৈতিক অস্থিরতার ভবিষ্যত চিন্তা করে।

এছাড়া রফতানি করায়ও এবার নানা ঝক্কিঝামেলা পোহাতে হয়েছে। হরতালঅবরোধের কারণে সমুদ্র পথে তৈরি পোশাক পাঠানোয় সমস্যা হওয়ায় আকাশ পথে অনেক বেশি খরচে কিছু মালামাল পাঠানো গেছে এবং এতে দ্বিমুখী ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। একদিকে অর্থ বেশি গেছে, অন্যদিকে সব মালামাল পাঠানো যায়নি। বিজিএমইএ’র শহীদুল্লাহ আজিম বলেন, এ বছরে তাদের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল দুইশ সাত কোটি ডলার। যেহেতু দুটো গুরুত্বপূর্ণ মাস চলে গেছে সে কারণে রফতানি লক্ষ্যমাত্রার কম করে হলেও চার ভাগের এক ভাগ উৎপাদন কমেছে এবং রফতানি ঠিক মতো সময় ও সঠিকভাবে করা যায়নি। গার্মেন্টস মালিকরা জানান, এ অবস্থায় স্থানীয় গার্মেন্টেসের উপরে আস্থার সাথে সাথে দেশটির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার উপরে নির্ভরশীল শান্তিপূর্ণ উৎপাদনরফতানিবান্ধব পরিস্থিতির উপরও আস্থার সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এটি একটি বড় ধরনের সঙ্কট সৃষ্টি করবে।

সামগ্রিক পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে অনেক গার্মেন্টস বন্ধ হয়েছে। বন্ধ হওয়ার তালিকা দিনকে দিন বাড়ছে। এছাড়া বহু গার্মেন্টস এরই মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে বা মালিকানায় ভাগ বসিয়েছে বাইরের দেশ। এর প্রধান লাভবান দেশ হচ্ছে ভারত। অনেক আগে থেকেই গার্মেন্টস খাত হাত করার যে চেষ্টাটি ছিল ওই দেশটির তার মোক্ষম সুযোগটি তাদের হাতে এসেছে এবারের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় গার্মেন্টেস সামগ্রীর বিদেশী ক্রেতারা তাদের ক্রয় কেন্দ্র বা দেশ বদলে লাভবান হয়েছে ভিয়েতনাম, ভারত, কম্বোডিয়া এবং সামান্য হলেও ইন্দোনেশিয়া।

গার্মেন্টস মালিকদের বক্তব্য এ অবস্থা চলতে থাকলে বাংলাদেশের ওই সব প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোই গার্মেন্টস খাতের বাজার দখলসহ প্রধান জায়গাটি দখল করে নেবে, সক্ষমতা থাকলেও দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশ যাবে পিছিয়ে। এর ভয়াল প্রভাব ইতোমধ্যেই টের পাওয়া যাচ্ছে, আর কয়েক মাসের মধ্যে আরও দৃশ্যমান হবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশ, অসংখ্য নারী শ্রমিক এবং তাদের উপরে নির্ভরশীল কোটি মানুষ।।

তিস্তায় পানি নেই ॥ মমতার আশ্বাসেই আস্থা

. ইনামুল হক

LAST 2ভারতের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ১৯ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ সফরে এলেন এবং ২১ ফেব্রুয়ারী ফিরে গেলেন। তাঁর এই সফর বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তরের আমন্ত্রণক্রমে হয়েছে। মমতা ঐ আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ৪০ সদস্যের একটি টীম নিয়ে ঢাকা আসেন। ২১ ফেব্রুয়ারী ঐতিহাসিক শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে তাঁর এই সফরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী, বিধানসভার সদস্য, লেখক, গায়ক, নায়কনায়িকা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও বিশেষ ব্যক্তিবর্গ ছিলেন। সরকারী আমন্ত্রণ হলেও তিনি কোন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করার ক্ষমতা নিয়ে আসেননি বিধায় তাঁর এই ভ্রমণ অনেকটা আনন্দযাত্রা ছিলো। তাই তিনি যেন ‘এলেন এবং দলবলসহ বেড়িয়ে’ চলে গেলেন। বিস্তারিত »