Home » অর্থনীতি (page 32)

অর্থনীতি

সার্কের আড়ালে ভারতের বিদ্যুৎ আধিপত্য – দ্বিতীয় লক্ষ্য বাংলাদেশ (দ্বিতীয় পর্ব)

বি. ডি. রহমতউল্লাহ্

last 2গত পর্বে নেপাল ও ভুটানের উপর ভারতের বিদ্যুৎ আধিপত্যের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এ পর্বে ভারত কর্তৃক বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের উপর এক বাধাহীন আধিপত্যের চিত্র তুলে ধরা হবে। এসবই করা হচ্ছে বিভিন্ন চুক্তির নামে, বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ দিয়ে সাহায্য করার নামে এবং বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার কথা বলে। এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার আগে বাংলাদেশের বর্তমান কয়লা, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট সম্পর্কে যদি একটি বর্ণনা দেয়া যায় তাহলে বোঝা যাবে, ভারতের ৫০০ মেঃ ওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ, রামপাল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বাবিউবো) সাথে পুরোনো চালু বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র সংরক্ষণ চুক্তির চালবাজির ধরণটা। বিস্তারিত »

উত্তাল ষাটের দশক (অষ্টাদশ পর্ব)

তীব্র কৃষক আন্দোলন

হায়দার আকবর খান রনো

last-4ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় শ্রমিক আন্দোলনের পাশাপাশি কৃষক আন্দোলনও তীব্র হয়ে উঠেছিল। ফিরে আসি ১৯৬৯ সালের মার্চ মাসে। ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে শ্রমিক অভ্যুত্থান। আর মার্চের প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহে সারা দেশব্যাপী কৃষক বিদ্রোহ। এই কৃষক বিদ্রোহ ১৯৪৬এর তেভাগা আন্দোলন অথবা নানকার বিদ্রোহ, নাচোলের কৃষক বিদ্রোহ থেকে ভিন্ন ধর্মী ছিল। মওলানা ভাসানীর উত্তেজনাময় বক্তৃতা কৃষককে জাগিয়ে তুলেছিল। প্রধানত তহসিলদারদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রায় সকল জেলাতেই কৃষকরা বিদ্রোহ করেছিল। গ্রামের পর গ্রামে তহসিল অফিস অগ্নিদগ্ধ হতে থাকে। তখন দেশে একটাই কৃষক সংগঠন ছিল ভাসানীর নেতৃত্বাধীন কৃষক সমিতি। এখন যেমনর হরেক রকমের কৃষক সংগঠন আছে (যদিও অধিকাংশেরই কোন সাংগঠনিক ভিত্তি নেই), তখন তেমনটি ছিল না। বিস্তারিত »

প্যারিসের পথে অনিশ্চিত যাত্রা :: শিল্পোন্নত দেশের ইচ্ছার প্রতিফলন

এম. জাকির হোসেন খান, লিমায় জলবায়ু সম্মেলন থেকে ফিরে

dis 4সরকারগুলো ২০২০ সালের পূর্বে কার্বন নিঃসরণ কমানোর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় সম্মত হতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা দুর্বল থেকে দুর্বলতর এবং সবচেয়ে দুর্বলতম অবস্থায় পৌঁছেছি’ লিমায় সদ্য সমাপ্ত কপ ২০ জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনের প্রাপ্তি উপলক্ষে এভাবেই হতাশা ব্যক্ত করেছেন ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (ডব্লিইডব্লিউএফ) এর নির্বাহী সামান্থা স্মিথ। লিমা সম্মেলনের প্রাপ্তিকে একটি দুর্বলতম পশ্চাদপসারণ বলে উল্লেখ করা হয়। সম্মেলন সমাপ্তির সুনির্দিষ্ট সময়ের ৩২ ঘন্টা পরে ৪৩ পৃষ্ঠার “লিমা কল ফর ক্লাইমেট এ্যাকশন” নামে চুক্তিটি ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিতে পৌঁছার ক্ষেত্রে ভাল দলিল হিসাবে ইইউ’র জলবায়ু কার্যক্রম এবং জ্বালানি কমিশনার মিগুয়েল এরিস ক্যানেটে উল্লেখ করলেও, এটা যে শিল্পোন্নত দেশসমূহের ইচ্ছার প্রতিফলন এবং খুবই দুর্বলতম সমঝোতা তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। বিস্তারিত »

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও বাংলাদেশে কমবে না

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

dis 3বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম গেল ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অর্থাৎ ব্যারেল প্রতি ৫৫ ডলারে পৌঁছালেও এ দেশে এর কোনো প্রভাবই নেই। বরং জ্বালানি তেলের অজুহাতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তোড়জোড় শুরু করেছে সরকার। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে দেশের বাজারে যখন দাম বাড়ানো হয় তখন আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ১২২ ডলার। ওই বছরের ৩ জানুয়ারি মধ্যরাতে সরকার নির্বাহী আদেশ জারি করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। পেট্রোল ও অকটেনে লিটার প্রতি দাম বাড়ে পাঁচ টাকা করে, ডিজেল ও কেরোসিনে লিটারে বাড়ে সাত টাকা করে। বাড়তি মূল্য যোগ হয়ে লিটার প্রতি ডিজেল ও কেরোসিনের দাম দাঁড়ায় ৬৮ টাকায়। আর পেট্রোলের দাম হয় ৯৬ টাকা আর অকটেনের হয় ৯৯ টাকা। আর এখন আন্তর্জাতিক বাজারে এক ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল ৫৭ দশমিক ৮১ ডলার। বিস্তারিত »

সার্কের আড়ালে ভারতীয় বিদ্যুৎ আধিপত্য :: প্রথম টার্গেট নেপাল-ভুটান (প্রথম পর্ব)

বি.ডি.রহমতউল্লাহ্

last 2দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্ভূক্ত ৮টি দেশের মধ্যে উন্নয়নের যে ধারনা নিয়ে সার্ক গঠন করা হয়েছিলো তা প্রায় ভেস্তে গেছে বলা যায়। অনেকটা একই উদ্দেশ্যে গঠিত দক্ষিণপূর্ব্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা চুক্তির বা আসিয়ানের দিকে যদি একটু নজর দেই তাহলে এ দুটি চুক্তির ঘোষনা ও বাস্তবায়নের মধ্যে আমরা বড় রকমের একটি পার্থক্য দেখতে পারবো যা আমাদের নিদারুন হতাশ করবে বলেই মনে হয়। সার্ক গঠনকালীন সময়ে ছোট রাষ্ট্রগুলো এ অঞ্চলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের উপর জোর দিয়েছিলো এই বলে যে, প্রতিটি রাষ্ট্রের সার্বভৈামত্বের মর্যাদা সমান বিবেচনায় যাবতীয় চুক্তি সম্পাদন ও বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেয়া হবে। বিস্তারিত »

নানাবিধ আতঙ্ক এবং পুঁজিবাজারের ভবিষ্যত

খুজিস্তা নূর ই নাহরীন মুন্নি

dis 5চারিদিকে গুম আর অপহরণ আতঙ্ক। তার উপড় আশঙ্কা জনক হারে বেড়ে গেছে প্রতিদিনের হত্যা নয়তো আত্মহত্যা। দেশের মূল্যবান সম্পদ তরুন ও যুব সমাজ নিজেদের অগোচরে নেশাগ্রস্ত হয়ে পরে বিপথগামী হচ্ছে, আদর্শচ্যুত হচ্ছে। ভয়াবহ যানজটের কবলে পরে ঢাকা শহরে আমরা প্রাত্যাহিক জীবনের একটা বড় অংশ রাস্তায়ই কাটাতে বাধ্য হচ্ছি। কিন্তু অনেক বিরূপ পরিস্থিতি আর বিশৃঙ্খলতার মধ্যেও দেশ চলছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সূচীত হচ্ছে উন্নয়নধারা মানি লন্ডারিং এর মাধ্যমে আমাদের দেশের একদল সুবিধাবাদী গোষ্ঠী যেমন আমেরিকা, কানাডা, ইংল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া আর মালয়েশিয়াতে সেকেন্ড হোম বানিয়ে টাকা পাচারের মাধ্যমে বিলাসী জীবনযাপন করছে, অপরদিকে দেশের সোনার ছেলেরা তাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উদয়াস্ত পরিশ্রম করে বিদেশী রেমিট্যান্স বাংলাদেশে নিয়ে আসছে। বিস্তারিত »

সুন্দরবনের মহাবিপর্যয় :: সরকারের নিস্ক্রিয়তা

কল্লোল মোস্তফা, জয়মণি, সুন্দরবন।

1111111111

ছবি: রাবারের বুম দিয়ে ঘিরে রাখা উদ্ধারকৃত তেলের ট্যাংকার

তেল বিপর্যয় শুরুর পর থেকে অনেকগুলো জোয়ার ভাটা পার করেছে সুন্দরবন। জোয়ারের সময় পানি সুন্দরবনের যতদূর ভেতরে প্রবেশ করে, শেলা নদী থেকে পশুর, বলেশ্বর নদী ও অসংখ্য খালের মাধ্যমে ভারী বিষাক্ত ফার্নেস তেল ততদূর প্রবেশ করেছে। দুর্ঘটনা কবলিত তেলের ট্যাংকার সাউদার্ন স্টার৭ কে উদ্ধার করার পর চাদপাই রেঞ্জের ঘাটে এখন যেভাবে রাবারের ভাসমান বুম দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে, ৯ ডিসেম্বর ট্যাংকার দুর্ঘটনার সাথে সাথে যদি তা করা হতো তাহলে এই তেল সুন্দরবনের এত বিস্তৃত এলাকায় ছড়ানোর সুযোগ পেত না, ভারী ফার্নেস তেলকে দুর্ঘটনাস্থলেই আটকে রেখে সহজে নি:সরণ করা যেত। এখন বিষাক্ত পলিসাইক্লিক অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন সমৃদ্ধ হেভি ফুয়েল ওয়েল(এইচএফও)বা ফার্নেস অয়েল নদী পথে গোটা সুন্দরবন ছড়িয়ে পড়েছে, শত শত খাল হয়ে সুন্দরবনের দূরতম প্রান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। বিস্তারিত »