Home » অর্থনীতি (page 50)

অর্থনীতি

রানা প্লাজা :: প্রায় ৮০ কোটি টাকা থাকলেও শ্রমিকরা পাচ্ছেন না কেন?

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

dis 4রানা প্লাজা ধসের ঘটনার শিকার হয়েও যারা বেঁচে গেছেন তাদের অধিকাংশই এখনো স্বাভাবিক কর্মজীবনে ফিরতে পারেননি। এর প্রধান দুটি কারণ ওই ঘটনাজনিত শারীরিক ও মানসিক সমস্যা। গত বছর ২৪শে এপ্রিল ঢাকার কাছে সাভারে রানা প্লাজা নামের বহুতল ভবন ধসে পড়ে ১১শও বেশি মানুষ নিহত হন, যার অধিকাংশই গার্মেন্টস শ্রমিক ছিলেন। প্রায় ২৪শ আটকেপড়া মানুষকে ভবনের ধ্বংসস্তুপ থেকে বের করা হয়, যাদের অনেকেরই হয়েছে অঙ্গহানি। এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন শিল্পকারখানায় সবচাইতে বড় দুর্ঘটনা। এক জরিপে দেখা যাচ্ছে, ওই ঘটনার পর বেঁচে যাওয়া মোট ১ হাজার ৪৩৬ জনের ওপর জরিপ চালিয়ে তারা দেখেছেন তাদের মধ্যে ৭৩ দশমিক ৭ শতাংশই এখনো কোন কাজে ফিরতে পারেননি। বিস্তারিত »

গার্মেন্টস শিল্প :: বিশ্বজোড়া জাল ও শ্রমিকদের আন্দোলন – (শেষ পর্ব)

অনাদায়ী মজুরি অনাদায়ী ‘ক্ষতিপূরণ’

আনু মুহাম্মদ

last 2গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি এখনও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দারিদ্রসীমার আয়ের অনেক নীচে থাকার ফলে ঋণ, অপুষ্টি, অতিরিক্ত কাজের চাপ, পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ কাজে অংশগ্রহণ ইত্যাদি নিয়েই শ্রমিকরা অমানবিক জীবন যাপন করছে। পরিবারের দুই সদস্যের আয় যোগ করেও দারিদ্রসীমার আয় পর্যন্ত পৌঁছায় না। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায়ই তারা অপুষ্টি, অসুস্থতা, অনাহার, অস্বাস্থ্যকর বাসস্থানের কারণে বিভিন্ন পীড়ায় ভুগছেন। কিন্তু এখানেই তাদের ভোগান্তির শেষ নয়, কর্মস্থলে তাঁরা নানাভাবে নিপীড়িত নির্যাতিত হন। আর মৃত্যুফাঁদ তো আছেই। বিস্তারিত »

এডিপি :: শেষে এসে পরিকল্পিত তাড়াহুড়া

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

dis 5চলতি অর্থবছরের আট মাসে (জুলাইফেব্রুয়ারি) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে ৩৮ শতাংশ, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ শতাংশ কম। গত বছর এই সময়ে এডিপি বাস্তবায়িত হয়েছিল ৪৪ শতাংশ। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। আইএমইডি সূত্রে জানা যায়, অর্থবছরের আট মাসে এডিপিতে মোট ২৫ হাজার ২১৮ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ১৬ হাজার ৬৮২ কোটি এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে আট হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করতে হলে আগামী চার মাসে মন্ত্রণালয়গুলোকে বাকি ৬২ শতাংশ অর্থ খরচ করতে হবে। বিস্তারিত »

ভারতকে বিদ্যুৎ-করিডোর :: আধিপত্যের নয়া সংযোজন

বি. ডি. রহমতউল্লাহ্

last 1ভারতের সাথে বাংলাদেশের জ্বালানী ও বিদ্যুৎ খাতের চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত এদেশের জনগণকে কোনদিনই স্পষ্ট করে কখনোই কিছু বলা হয়না। অবাক হবার মতো বিষয় যে, ভারতের বিদ্যুৎ চাহিদা ২ লাখ মেঃ ওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন মাত্র দেড় লাখ মেঃ ওয়াট। যেখানে ৫০ হাজার মেগাওয়াট অর্থাৎ চাহিদার একচতুর্থাংশ ঘাটতি সেখানে ‘‘বিদ্যুৎ ঘাটতিওয়ালা দেশ” ভারত বাংলাদেশকে কিভাবে বিদ্যুৎ দেবে। ভারতের পক্ষ থেকে ২৫০মেঃ ওয়াট যা পরবর্তীতে ৫০০ মেঃ ওয়াট, বিদ্যুৎ সরবরাহ করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি জানা গেছে, ওই বিদ্যুৎ বিক্রির পরিমান আরও ১০০ মেঃ ওয়াট বাড়াবে। বিস্তারিত »

ভারতের আসল শাসক এবং জাতপাত প্রথা

last 1(আইনবিদ, রাজনীতিবিদ, দার্শনিক, নৃতত্ত্ববিদ, ইতিহাসবিদ ও অর্থনীতিবিদ ভীমরাও রামজি আম্বেদকর (১৮৯১১৯৫৬) বাবাসাহেব হিসেবেই ভারতের দলিত সম্প্রদায়ের কাছে সুপরিচিত। ব্রাহ্মণ্যবাদী শাসনশোষণে নিপীড়িত নিম্নশ্রেণীর মানুষের সামনে তিনি আলোর মশাল নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন। জাতপাত থেকে দলিত সম্প্রদায়কে চিরতরে মুক্তি দিতে তিনি বৌদ্ধধর্মের পুনর্জাগরণে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তাকে ভারতীয় সংবিধানের পিতা হিসেবেও অভিহিত করা হয়। স্বাধীন ভারতের প্রথম আইনমন্ত্রীও ছিলেন তিনি। অরুন্ধতী রায় সম্প্রতি তাকে নিয়ে একটি বই লিখেছেন: দ্য ডক্টর অ্যান্ড দ্য সেইন্ট নামে। অরুন্ধতী রায় মনে করেন, আম্বেদকরই ছিলেন ভারতের জাতির পিতা হিসেবে পরিচিত, গান্ধীর সবচেয়ে বড় শত্রু। তিনি তাকে কেবল রাজনৈতিক বা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে নয়, বরং নৈতিকভাবেই চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। অরুন্ধতী রায়ের এই লেখাটি ডক্টর অফ দি সেইন্ট বইয়ের ভূমিকার সারাংশ।) বিস্তারিত »

লুণ্ঠন সন্ত্রাস (পর্ব – ৩)

ব্যাংকবীমা ভাগবাটোয়ারা

আমাদের বুধবার প্রতিবেদন

last 2প্রচলিত ধারণা হলো, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে দলীয় বিবেচনায় ব্যাংকআর্থিক প্রতিষ্ঠানবীমা প্রভৃতি প্রতিষ্ঠার অনুমতি দিয়ে থাকে। এর ব্যতিক্রম কিন্তু লক্ষ্য করা যায়নি ১৯৯৬ এবং ২০০৮ সালে। উভয় সময়ে ক্ষমতায় এসে তারা এ কাজটি সুচারুভাবে করেছে। এতে দেশের লাভ না ক্ষতি হয়েছে, সেটি বিবেচনায় নেয়া হয়নি কখনোই। তবে বড় বিষয় হলো, প্রায় সব ক্ষেত্রেই এ সব প্রতিষ্ঠানের লাইন্সেস পেয়েছে দলীয় ব্যক্তিরাই। একাধিক ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা, যাদের রেপুটেশন ভালো, তারা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স পাননি। বিস্তারিত »

কুইক রেন্টাল – কুইক পকেট কাটা

এম. জাকির হোসেন খান

last1বিদ্যুৎ সংকটের নামে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়াই দ্রুত বিদ্যুৎ প্রাপ্তির নামে মূলত কুইক ‘কমিশন’ প্রাপ্তির লক্ষ্যে ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর ৪৯টি কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করলেও দলীয় বিবেচনায় অদক্ষ, অভিজ্ঞতাহীন কোম্পানিগুলোর সাথে চুক্তি করার ফলে বাস্তবে ৩১টি কেন্দ্র চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রায় ২২শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হয়। এসব কেন্দ্র স্থাপানের শর্তানুযায়ী, চুক্তির ৩৪ মাসের ভেতর বিদ্যুৎ সরবাহের কথা থাকলেও এদের উৎপাদনে যেতে এক থেকে দু’ বছর সময় লাগে। অথচ, সরকারি ক্রয় আইন মেনে স্বচ্ছতার সাথে চুক্তি করলে একটি পরিপূর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে দীর্ঘমেয়াদে স্বল্প খরচে উৎপাদিত বিদ্যুৎ পেতে সর্বোচ্চ ২ থেকে আড়াই বছর লাগে। বিস্তারিত »