Home » আন্তর্জাতিক (page 21)

আন্তর্জাতিক

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ২৪)

দুর্ভিক্ষ : প্রচারণা ও পর্যালোচনা

আনু মুহাম্মদ

Last 3গত পর্বেই বলেছি উল্লম্ফনের সময় জটিলতা হয়েছিলো, ব্যবস্থাপনার সমস্যা ছিলো, কিছু এলাকায় খাদ্য ঘাটতি হয়ে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছিলো। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগও ছিলো। মাও সেতুং নিজেও এই সময়ে ত্রুটিবিচ্যুতির কথা স্বীকার করেছেন। কিন্তু দুর্ভিক্ষ নিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে মনগড়া পরিসংখ্যান দিয়ে যেভাবে প্রচার চালানো হয় তাতে প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায় না। এসব প্রচারণা অনেক সময় এই পর্যন্ত যায় যে, মাও সেতুং নিজেই এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিলেন! তিনি চেয়েছিলেন এভাবে মানুষ মরুক, তাহলে উন্নয়নের সুবিধা হবে!!

মাও সেতুংএর বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা ও কুৎসার বড় ক্ষেত্র দুটি। এর মধ্যে একটি হলো Great Leap Forward বা উল্লম্ফন এবং আরেকটি হলো সাংস্কৃতিক বিপ্লব। বিস্তারিত »

তেলের অর্থ এবং আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসার নেপথ্যে (চতুর্দশ পর্ব)

কমিশনের অর্থের কৃষ্ণগহ্বর

অস্ত্র ব্যবসার সাথে তেল সম্পদের অর্থের একটি গভীর সখ্যতা রয়েছে। একটি অপরটিকে টিকিয়ে রাখে। আর পরস্পরের ঘনিষ্ঠ দুই ব্যবসার কুশীলবরা। এই ব্যবসার নেপথ্যে রয়েছে ঘুষ, অর্থ কেলেঙ্কারিসহ নানা ভয়ঙ্কর সব ঘটনাবলী। এরই একটি খণ্ডচিত্র প্রকাশ করা হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। প্রভাবশালী দ্য গার্ডিয়ানএর প্রখ্যাত দুই সাংবাদিক ডেভিড লে এবং রাব ইভানসএর প্রতিবেদন প্রকাশের পরে এ নিয়ে বিস্তর আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। এ সংখ্যায় ওই প্রতিবেদনের বাংলা অনুবাদের (চতুর্দশ পর্ব) প্রকাশিত হলো। অনুবাদ : জগলুল ফারুক বিস্তারিত »

ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা সম্পর্কের পথে ভারত-মিয়ানমার

প্রশান্ত পরমেশ্বরন

অনুবাদ : মোহাম্মদ হাসান শরীফ

জুলাই মাসে ভারতে চার দিনের অতিপ্রতীক্ষিত সফর করে গেলেন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন আং হলাইঙ। সফরকালে তিনি এবং তার সঙ্গী উচ্চপর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তারা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর, সেনা প্রধান দলবির সিং এবং বিভিন্ন পর্যায়ের ভারতীয় নেতার সাথে সাক্ষাত করেন। তাদের আলোচনায় স্বাভাবিকভাবেই ভারতমিয়ানমার সীমান্ত সহযোগিতার বিষয়টি প্রাধান্য পায়। এর মাত্র এক মাস আগে ভারতীয় বাহিনী মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ঢুকে জঙ্গি নির্মূল অভিযানে অংশ নেওয়ায় সীমান্ত বিষয়টি অনিবার্যভাবেই গুরুত্ব পাওয়ার কথা। বিস্তারিত »

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ২৩)

উচ্চলম্ফের বিপদ

আনু মুহাম্মদ

Last 2১৯৫৮ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত ছিলো গণচীনের দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকাল। ততদিনে সমগ্র চীনে রাজনৈতিক, প্রশাসনিক অর্থনৈতিক কাঠামো নতুনভাবে বিন্যস্ত হয়েছে। কমিউন ব্যবস্থা এর প্রধান ভিত্তি। নতুন বিস্তৃত কমিউন ব্যবস্থার ওপর অনেকখানি ভর করেই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। দেশের মানুষের মধ্যে প্রত্যাশা তখন অনেক উঁচু। দেশের ভেতর ও বাইরে অনেক বিরুদ্ধ শক্তি। উৎপাদন ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে আবার বৈষম্য নিপীড়ন বিরোধী সামাজিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে হবে। প্রাক পুঁজিবাদী ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা থেকে দ্রুত বের হয়ে একটি সমাজতান্ত্রিক শিল্পোন্নত শোষণমুক্ত সমাজ ও অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে পার্টি ততদিনে অনেক কঠিন পথ পাড়ি দিয়েছে। এখন পার্টি তার লক্ষ্য অর্জনে উদগ্রীব। বিস্তারিত »

তেলের অর্থ এবং আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসার নেপথ্যে (ত্রয়োদশ পর্ব)

বিএই’র গোপন অর্থ পাচার যন্ত্র

BAE Systemsঅস্ত্র ব্যবসার সাথে তেল সম্পদের অর্থের একটি গভীর সখ্যতা রয়েছে। একটি অপরটিকে টিকিয়ে রাখে। আর পরস্পরের ঘনিষ্ঠ দুই ব্যবসার কুশীলবরা। এই ব্যবসার নেপথ্যে রয়েছে ঘুষ, অর্থ কেলেঙ্কারিসহ নানা ভয়ঙ্কর সব ঘটনাবলী। এরই একটি খণ্ডচিত্র প্রকাশ করা হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। প্রভাবশালী দ্য গার্ডিয়ানএর প্রখ্যাত দুই সাংবাদিক ডেভিড লে এবং রাব ইভানসএর প্রতিবেদন প্রকাশের পরে এ নিয়ে বিস্তর আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। এ সংখ্যায় ওই প্রতিবেদনের বাংলা অনুবাদের (ত্রয়োদশ পর্ব) প্রকাশিত হলো। অনুবাদ : জগলুল ফারুক বিস্তারিত »

ভারতের সরকারের সাথে নাগা বিদ্রোহীদের চুক্তি টিকবে তো?

সুবীর ভৌমিক, বিবিসি অনলাইন

অনুবাদ : মোহাম্মদ হাসান শরীফ

Last 1উত্তরপূর্ব নাগাল্যান্ডের বিদ্রোহীরা ২০ লাখ নাগা উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাধীন আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার জন্য ৬০ বছরের বেশি সময় ধরে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা এই বিদ্রোহীদের দমনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কিন্তু তাতে খুব একটা ফল আসেনি। আর এ কারণেই আবারও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার নাগা বিদ্রোহীদের একাংশের সাথে একটি চুক্তি সম্পাদন করেছে ৩ আগস্ট। ভারত ইতোপূর্বে দুবার নাগাদের সাথে চুক্তি করা হয়েছিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, এখন পর্যন্ত বিদ্রোহটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংযত রাখা হয়েছে। বিস্তারিত »

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ২২)

অর্থনীতির নতুন গতি

আনু মুহাম্মদ

Last 2সমাজ ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের পাশাপাশি বিশাল দেশে পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার পুনর্গঠন এবং অর্থনীতির ব্যবস্থাপনা গতিশীল করার জন্য ১৯৫২ পর্যন্ত অনেকগুলো ব্যবস্থা নেয়া হয়, যার ধারাবাহিকতা পরেও অব্যাহত থাকে। চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘পিপলস ব্যাংক অব চায়না’র কর্তৃত্বে পুরো ব্যাংক ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা হয়। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে মুদ্রাব্যবস্থা একীভূত করা হয়, ঋণ সংকোচন করা হয়, সরকারি ব্যয় কঠোর নিরীক্ষার মধ্যে আনা হয় এবং মুদ্রামান অক্ষণ্ন রাখবার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হয়। আন্তর্জাতিক ও দেশিয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয় যার মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গঠন অন্যতম। বিস্তারিত »