Home » আন্তর্জাতিক (page 30)

আন্তর্জাতিক

ছিটমহলের অবরুদ্ধ মানুষ, ক্ষমতাসীনদের উচ্ছাস এবং নতুন উদ্বেগ

ফজলুস্ সাত্তার

dis 5মিডিয়া উচ্ছাস ও ইতিহাসের বাস্তবতা: ভারতীয় রাজ্যসভা ও লোকসভায় যথাক্রমে গত ৬ ও ৭ মে ২০১৫ বাংলাদেশ ও ভারতে মধ্যকার সীমান্ত চিহ্নিতকরণ সংক্রান্ত বিল পাস হওয়ার পর বাংলাদেশের শাসক মহল ও মিডিয়া জুড়ে চলছে ব্যাপক আনন্দ উচ্ছাস। যদিও ‘করনিক ভুলে’র কারণে এই বিলটি আবার নতুন করে ভারতীয় রাজ্যসভা ও লোকসভায় পাস করতে হয়। যদিও ১৯৪৭ সালের উপমহাদেশের বিভক্তির পর সৃষ্ট ছিটমহল সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে এই বিলটিকে আমরা অনেকেই আশার আলো হিসেবে দেখতে চাই। কিন্তু ইতিহাসের বাস্তবতা থেকে শিক্ষা না নিয়ে এ ধরনের অতি উচ্ছাস ও সহজ সমীকরণ আমাদেরকে রাষ্ট্র হিসেবে বড় ধরনের বিপদে ফেলতে পারে। বিস্তারিত »

মানব পাচার :: কালো বাণিজ্যের ভয়াল থাবা

. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম

coverগত কয়েকদিনে মালয়েশিয়া সংলগ্ন থাইল্যান্ডের গহীন জঙ্গলে গণকবর থেকে বাংলাদেশীদের লাশ উদ্ধার ও জীবিতাবস্থায় বাংলাদেশীদের আটক হওয়া এবং ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালীতে অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের মধ্যে বাংলাদেশীদের খুঁজে পাওয়ার মতো ঘটনাগুলো বাংলাদেশের মানব পাচার ঘটনার ভয়াবহতার নতুন দিক উন্মোচন করেছে। অবৈধভাবে বঙ্গোপসাগর পাড়ি দেয়া এসব অভিবাসী জনগোষ্ঠীর পূর্ণাঙ্গ তথ্যউপাত্ত পাওয়া খুবই দুষ্কর। তবে সম্প্রতি জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক হাইকমিশন (UNHCR) জানিয়েছে যে, জানুয়ারি থেকে মার্চ, ২০১৫ তিন মাস সময়কালে প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশী এবং বর্মী রোহিঙ্গা বঙ্গোপসাগর পাড়ি দেয় অবৈধ পথ ও পন্থায়। বিস্তারিত »

বিশ্বে কারা গরিব, কত গরিব, কেন গরিব

বিশ্বে দৈনিক সোয়া ডলারে বেচে আছেন ১২৫ কোটি মানুষ

জাইদা গ্রিন

অনুবাদ: মোহাম্মদ হাসান শরীফ

last 2যুক্তরাজ্যের ওভারসিস ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের (ওডিআই) নতুন একটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন লোক দিনে ১ দশমিক ২৫ ডলারের কম আয়ে বাস করে বলে বিশ্বব্যাংক যে হিসাব দিয়েছিল, প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বিশ্বে ১ দশমিক ২৫ ডলারের কম আয় দিয়ে বেঁচে আছে বলে যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, সম্ভবত আসল সংখ্যাটি হবে এর চেয়ে একচতুর্থাংশ বেশি। এদেরকে গণনা করা হয়নি বলে প্রকৃত সংখ্যাটি অনেক কম হয়েছে।’

এতে বলা হয়, চরম দারিদ্রে বসবাসকারী ৩৫ কোটি লোক হিসাবের বাইরে থেকে যেতে পারে। বিস্তারিত »

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ১৫)

লালফৌজ বিশ্ববিদ্যালয়

আনু মুহাম্মদ

Last 3চীনে জাপানী আগ্রাসন বিরোধী মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে যথাযথ নীতি ও কৌশলই চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ক্রমাগত শক্তিবৃদ্ধি, জনভিত্তি সম্প্রসারণ এবং চিয়াংবাহিনীর নেতৃত্বে জোতদার সামন্তপ্রভু ও সমরপ্রভুদের নতুন নতুন আক্রমণ পরাস্ত করতে সক্ষম করেছে। ১৯২৭ সাল থেকে চিয়াংবাহিনী কমিউনিস্ট পার্টিকে ধ্বংস করবার প্রতিজ্ঞায় ব্রিটিশমার্কিনজাপানের সমর্থন নিয়ে, দেশি বৃহৎ মালিকজোতদারদের সহযোগী বানিয়ে একের পর এক আক্রমণ পরিচালনা করেছে। অসংখ্য মানুষ হতাহত হয়েছেন। বহু অঞ্চল দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছে। লালফৌজ অনেকবারই পশ্চাদপসরণ করেছে ঠিকই, কিন্তু পার্টির নেতৃত্বে ‘মুক্ত সোভিয়েত অঞ্চল’ গঠিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকায়। বিস্তারিত »

তেলের অর্থ এবং আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসার নেপথ্যে (প্রথম পর্ব)

last 4আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসার সাথে তেল সম্পদের অর্থের একটি গভীর সখ্যতা রয়েছে। একটি অপরটিকে টিকিয়ে রাখে। আর পরস্পরের ঘনিষ্ঠ দুই ব্যবসার কুশীলবরা। এই ব্যবসার নেপথ্যে রয়েছে ঘুষ, অর্থ কেলেঙ্কারিসহ নানা ভয়ঙ্কর সব ঘটনাবলী। এরই একটি খন্ড চিত্র প্রকাশ করা হচ্ছে ধারাবাহিকভাবে। প্রভাবশালী দ্য গার্ডিয়ানএর প্রখ্যাত দুই সাংবাদিক ডেভিড লে এবং রাব ইভানসএর প্রতিবেদন প্রকাশের পরে এ নিয়ে বিস্তর আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। এ সংখ্যা থেকেই ওই প্রতিবেদনের বাংলা অনুবাদ প্রকাশিত হলো। অনুবাদ: জগলুল ফারুক বিস্তারিত »

চীন :: অস্ত্র বাজারের নতুন মহাজন

চীনা অস্ত্রের প্রধান তিন আমদানিকারক হচ্ছে পাকিস্তান ৪১ শতাংশ, বাংলাদেশ ১৬ শতাংশ ও মিয়ানমার ১২ শতাংশ

মোহাম্মদ হাসান শরীফ

last-1বিশ্ব অস্ত্র বাজারে উত্তাপের সাথে তাল মিলিয়ে নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে চীন। জার্মানিকে পেছনে ফেলে এই দেশটিই এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অস্ত্র রফতানিকারক। অবশ্য তৃতীয় হলেও বাজারে মোট বিক্রিত অস্ত্রে তাদের রফতানির পরিমাণ খুবই কম। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া যেখানে সম্মিলিতভাবে ৫৮ শতাংশ অস্ত্র রফতানি করে, সেখানে চীন করে মাত্র পাঁচ শতাংশ। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপরি) সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এ তথ্য ওঠে এসেছে।

চীনা হিস্যা মাত্র পাঁচ শতাংশে দিয়ে কিন্তু আসল চিত্র বোঝা যাবে না। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৈশ্বিক অস্ত্র বাজারে ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল নাগাদ চীনা অংশ বেড়েছে ১৪৩ শতাংশ। বিস্তারিত »

ভারতের গরু পাচার নিষিদ্ধকরণ :: আরও একটি গেরুয়া কাহিনী

ইকোনমিস্ট অবলম্বনে মোহাম্মদ হাসান শরীফ

last-2চলতি বছরের প্রথম দিকে মহারাষ্ট্র রাজ্যে ষাঁড় ও বলদ জবাই এবং বিফ (গবাদি পশুর মাংস) প্রদর্শন নিষিদ্ধ করার ঘোষণাটা ছিল বুড়ো গবাদি পশু চামড়া আর কসাইখানায় পাঠানোর কাজে নিয়োজিত লোকজনের, প্রধানত মুসলমানদের জন্য খারাপ খবর। তবে এটা অপ্রত্যাশিত ছিল না। মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় থাকা ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্ব মহারাষ্ট্র আশা করছে, এই পদক্ষেপ রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু ভোটারদের কাছে খুবই গ্রহণযোগ্য হবে।

আরো বেশি অবাক করা বিষয় ছিল ২৯ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা। বিস্তারিত »