Home » আন্তর্জাতিক (page 63)

আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসার নেপথ্যে (পর্ব – ৯)

ডেভিড লে এবং রব ইভানস, দি গার্ডিয়ান থেকে

অর্থ লেনদেনে রাখঢাক

arms tradeবিএই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তার দালালদের যে সব কমিশন প্রদান করত ডিক ইভান্স চেয়ারম্যান থাকাকালে সে সব কমিশন লেনদেনের পুরোটাই সম্পন্ন হতো সুইজারল্যান্ডে। এটি যে একটি বেআইনি কাজ তা বলা যাবে না। তবে এই কাজগুলো করার জন্য যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছিল সেই প্রতিষ্ঠানটিকে একটি বৈশ্বিক মুদ্রা পাচার যন্ত্র হিসেবেই বর্ণনা করা যেতে পারে। নামজাদা একটি সরকারি কোম্পানির ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটি অনুসরণ করতে গিয়ে বিস্ময়েরই সৃষ্টি হয়েছিল। বিস্তারিত »

তেল-গ্যাস লুট দেশে দেশে

তেল কোম্পানি যখন যুদ্ধের মদদদাতা

ফারুক চৌধুরী

oilকঙ্গো থেকে সুবিধা পেয়েছে যেসব কোম্পানি, সেগুলোর অন্যতম কানাডার হেরিটেজ অয়েল অ্যান্ড গ্যাস। উগান্ডা আর রুয়ান্ডার সামরিক বাহিনী ১৯৯৮ সালে যখন কঙ্গোর মাটিতে পা রাখল, সে সময়েই সেখানে পৌছায় হেরিটেজ অয়েল অ্যান্ড গ্যাস। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিটি ব্যাংক পাঁচ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ ডলার জর্জ দেয় কঙ্গোয় রুয়ান্ডা সমর্থিত বিদ্রোহী দলের আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে। আর রুয়ান্ডা ও উগান্ডা যখন কঙ্গোয় লুট চালাচ্ছে, সে সময়েই এ দুই দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ছে বলে এ দু’দেশ প্রশংসা পাচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের। বিস্তারিত »

মিশর – বিপ্লব না প্রত্যাবর্তন (পর্ব – ৪)

মাত্র দু’টি রাজনৈতিক পক্ষ

আইজাজ আহমদ

egypt-2বেশির ভাগ পাশ্চাত্য বামপন্থীসহ পশ্চিমা দুনিয়ায় সাধারণভাবে প্রচার করা হয়ে থাকে যে, মিশরে মাত্র দুটি রাজনৈতিক পক্ষ রয়েছে : একটি ইখওয়ান এবং অপরটি সামরিক বাহিনী। পক্ষ দুটি যথাক্রমে গণতান্ত্রিক বৈধতা (মুরসির নির্বাচিত সরকার) এবং স্বৈরাচারের (আলসিসির ‘অভ্যুত্থান’) প্রতিনিধিত্ব করে বলে প্রচলিত মত রয়েছে। এই ধারণায় মজে থেকে মিশরকে তখন এই দুটি পক্ষের মধ্যকার সংগ্রামের চশমা দিয়ে দেখা হয়। আরো অনুমান করা হয়ে থাকে যে মিশর এবং আরো সাধারণভাবে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো ইসলামবাদী বিভিন্ন গ্রুপ (জেহাদি/ওয়াহাবি/তাকফিরি ইসলাম) বনাম ‘উদার’ (নির্বাচনবাদী) ইসলামের মধ্যে ভয়াবহ লড়াইয়ে নিমজ্জিত। বিস্তারিত »

টাইম সাময়িকীর প্রতিবেদনে সুন্দরবন

ভারতের বাতিল প্রকল্প বাংলাদেশে চালান

অনুবাদ: মোহাম্মদ হাসান শরীফ

sundarbansসুন্দরবনের কাছেই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতকেন্দ্র স্থাপনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় বইছে। যে বন আমাদেরকে মায়ের মতো আগলে রাখে, সেই বন ধ্বংস করার মতো কোনো পরিকল্পনা কেউ করতে পারে, তা ভাবাও যায় না। কিন্তু সরকার অনড়। তাছাড়া বাধ্যবাধতকাপূর্ণ আইনি প্রতিবন্ধকতা এবং ব্যাপকতর বিক্ষোভের মুখে গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশে দুটি বৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ভারত সরকারের প্রয়াস বাতিল হয়ে যায়। এমন এক প্রেক্ষাপটে প্রভাবশালী টাইম সাময়িকীতে ‘হাউ নট টু লাভ নেচার : শোভ এ কোল প্লান্ট নেক্সট টু আর্থ’স বিগেস্ট ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এখানে জ্যাসন মটলাঘের ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হলো।। বিস্তারিত »

এশিয়ায় ধর্ষণের মহামারী

বাংলাদেশে প্রতি ১০ জনে একজন যৌন নির্যাতনকারী

মোহাম্মদ হাসান শরীফ

rapeসম্প্রতি এশিয়ায় যৌন নির্যাতনবিষয়ক একটি সমীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ল্যানসিট গ্লোবাল হেলথ জার্নালে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনটি ভূমিকম্পের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে পাপুয়া নিউ গিনিতে ৫৯ শতাংশ পুরুষ স্বীকার করেছে, তারা যৌন নির্যাতন চালিয়েছে। একটি দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ পুরুষই নিজেদের নির্যাতনকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই সমীক্ষায় ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এশিয়াপ্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় যৌন সহিংসতার প্রকৃতি জানতে জাতিসংঘ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সমীক্ষাটিতে অংশ নেয় ছয়টি দেশের ১০ হাজার পুরুষ। বিস্তারিত »

আন্তর্জাতিক অস্ত্র ব্যবসার নেপথ্যে (পর্ব – ৮)

ডেভিড লে এবং রব ইভানস, দি গার্ডিয়ান থেকে

গোপন অর্থ পাচারের কৌশল

war-business১৫ শতাংশ নতুন সৌদি ব্যবসায় অনুমোদন দিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব ফ্রাংক কুপারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। সাফিল্ড তাকে ধমকের সুরেই জানান, সৌদিদের সঙ্গে ব্যবসা করব না একথা কোনোভাবেই আমি তাদের জানাতে পারব না। এসব ক্ষেত্রে সরকারি নিরীক্ষক স্যার ডগলাস হেনলি বরাবরই একটি সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছেন। এভাবে অস্বাভাবিক পথে ইরান এবং কুয়েতের দালালদের কাছে অত বড় অংকের অর্থ প্রেরণের যৌক্তিকতা ও এখতিয়ার নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। সাফিল্ড ভয় পেয়ে যান পাছে ডগলাস বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করে দেন। বিশেষত তিনি সে সময় সৌদিদের কাছে বিএই’র একটি অস্ত্র বিক্রয় চুক্তির ওপর কাজ করছিলেন। নতুন এ বিক্রয় চুক্তিটি প্রসঙ্গে সাফিল্ড বলেন, ইরান এবং কুয়েতের অস্ত্র বিক্রি করতে গিয়ে যে পরিমাণ কমিশন দিতে হয়েছিল এখনকার চুক্তিতে কমিশনের হারটি তার চেয়ে অনেক বেশি। বিস্তারিত »

তেল-গ্যাস লুট দেশে দেশে

বন্ধুত্ব, যোগসাজশ আর চক্রান্তের কোনো শেষ নেই

ফারুক চৌধুরী

oil-goldমবুতুর পরে ক্ষমতায় বসানো হলো লরেন্ট কাবিলাকে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একনিষ্ঠ অনুগত মিত্র। কালিবা প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ১৯৯২ সালে একজন প্রতিনিধি পাঠালেন কানাডার টরেন্টোতে : উদ্দেশ্য বিনিয়োগ সুযোগ নিয়ে খনি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা। কাবিলার বাহিনী গোমা দখলের পর পরই ১৯৯৭ সালে আমেরিকান মিনারাল ফিল্ডস (এএমএফ) নামের কোম্পানি কাবিলার সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি করে। এ এলাকায় দস্তা, তামা ও কোবাল্ট খনিগুলো থেকে খনিজ সম্পদ আহরণের একচেটিয়া অধিকার দেয়া হয় এএমএফকে। বিস্তারিত »