Home » মতামত (page 12)

মতামত

উত্তাল ষাটের দশক (পঞ্চম পর্ব)

সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের ঊষালগ্নে সোহরাওয়ার্দীর কূটকৌশল

হায়দার আকবর খান রনো

Last-4১৯৬২ সালের ৩০ জানুয়ারি করাচিতে গ্রেফতার হলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। আইয়ুবের সামরিক শাসন জারি হওয়া থেকে ওই পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নেতারা ভালোই ছিলেন। সকলেই নিজেদের ব্যবসাবাণিজ্য বা অন্য কোন পেশায় ব্যস্ত ছিলেন। রাজনীতি থেকে বহু দূরে। সোহরাওয়ার্দী আইন পেশায় ব্যস্ত। শেখ মুজিবুর রহমান তখন একটি পশ্চিম পাকিস্তানি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানীতে জেনারেল ম্যানেজারের চাকরি করছেন। আইয়ুব সরকারের যতো বিদ্বেষ সব কমিউনিস্টদের সম্পর্কে। ভাসানীও প্রথমদিন থেকেই কারারুদ্ধ। অন্যদিকে সোহরাওয়ার্দী মার্কিনপন্থী বলে পরিচিত। বিস্তারিত »

সর্বব্যাপী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা

আবীর হাসান

dis 2বিষয়গুলো আবার ফিরে আসছে সর্বব্যাপী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। আগে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় জটিলতা কম ছিল। এখন জটিলতা বেশি। গণমাধ্যমের কথাই ধরা যাক, ১৯৭৪ সালে গণমাধ্যম বলতে সামান্য কয়েকটা সংবাদপত্র ছিল। এখন বলতে গেলে সংবাদপত্র অসংখ্য (জাতীয় ও আঞ্চলিক মিলিয়ে) টেলিভিশন এক কুড়ির বেশি। বেসরকারি রেডিও আছে ১০টার বেশি। তাই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা একটু জটিল হয়ে গেছে। তবে এটাই জটিলতার মূল কারণ নয়, রাজনৈতিক সমস্যাই বরং মূল প্রধান কারণ হওয়ার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সমস্যা বেড়ে গেছে অন্য জায়গায়। ক্ষমতাসীন দলকে প্রটেকশন দিয়ে চলেছে পুলিশর‌্যাবসহ যে বাহিনীগুলো তাদের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য নিয়ন্ত্রণের সীমারেখা নির্ধারণ সম্ভবত জরুরিই হয়ে পড়েছিল। লক্ষ্য ছিল হয় ক্ষমতার দীর্ঘায়ন। তবে এ বিষয়টা জরুরি সন্দেহ নেই। বিস্তারিত »

বিএনপি কি পথ দিক-দিশা সবই হারিয়েছে

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

coverরাজনৈতিক দল হিসেবে জন্মের ৩৫ বছর পরে বিএনপি সবচাইতে কঠিন ও সংকটাপন্ন সময় অতিক্রম করছে। এটি যে কোন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের কাছে অথবা ইতিহাসের একটি গবেষণার বিষয় হয়ে থাকবে যে দেশের ৪০ শতাংশ জনগোষ্ঠির সমর্থনপুষ্ট একটি দল রাজনৈতিক ময়দানে একটি বাকসর্বস্ব দলে পরিণত হয়েছে। গোটা দেশে দলটির জনসমর্থন ছড়িয়ে রয়েছে। বিপরীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শাসনের বিরুদ্ধে জনগনের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশা। সাংগঠনিক কাঠামোর আওতায় এনে এই জনসমর্থনকে কাজে লাগিয়ে বিএনপি গত ছয় বছরে সরকারের বিরুদ্ধে স্বার্থক গণআন্দোলন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি। নাম সর্বস্ব কতগুলো দল বা ব্যক্তির সমন্বয়ে একটি জোট গড়ে তুললেও তা গতানুগতিক ভূমিকা পালন ছাড়া রাজনীতির ময়দানে কার্যকর কিছু বলে প্রমানিত হয়নি। বিস্তারিত »

পুঁজিবাদ কর্পোরেট ও শোষণমূলক কৌশল :: অরুন্ধতীর চোখে

last 1পুঁজিবাদ এবং এর শোষণমূলক কৌশলগুলোর ব্যাপারে অরুন্ধতী রায়ের বিশ্লেষণ নব্যসাম্রাজ্যবাদ, কর্পোরেটীকরণের সংস্কৃতি এবং অর্থনৈতিক যুদ্ধের প্রতি একটা তীক্ষ্ণ ভর্ৎসনা। বুকারজয়ী অরুন্ধতী রায়ের সাম্প্রতিক প্রকাশিত ‘ক্যাপিটিলিজম : অ্য ঘোষ্ট স্টোরি’ নিয়ে ফ্রন্টলাইন ম্যাগাজিনে লিখেছেন শেলি ওয়ালিয়া। ভাষান্তর: মোহাম্মদ হাসান শরীফ বিস্তারিত »

নেপাল কি পারবে ‘বিগ ব্রাদার’ ভারতকে আবার ভালোবাসতে?

ফাহিম ইবনে সারওয়ার

last 2গত মে মাসে ভারতের ১৫তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন নরেন্দ্র মোদী। এর এক মাসের মাথায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত সফর করেন। ভারত ঘুরে গেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এবং প্রতিরক্ষমন্ত্রী চাক হেগেলও। অন্যদিকে নিজের শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রধানদের ডেকেছিলেন মোদী।

প্রথম বিদেশ সফরে গত জুনে মোদী ছোট্ট প্রতিবেশি দেশ ভুটান গিয়েছিলেন। এরপর আগস্টে নেপালে। আর মাঝখানে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাজিলে। ভুটান এবং নেপাল সফরে আঞ্চলিক রাজনীতি গুরুত্ব পেয়েছে। চীনা প্রভাব থেকে বাঁচিয়ে রেখে প্রতিবেশিদের ভারতমুখী করতেই যে ওই সফর তার মোদীর বক্তব্যে স্পষ্ট বোঝা যায়। আলাদা ভূখন্ডের বদলে ভুটান সবসময়ই ভারতের আশ্রিত হিসেবেই পরিচিতি পেয়েছে। তবে ভারতের ভয় চীন সেখানে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ সংলগ্ন ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকাগুলোতে চীনা প্রভাব বিদ্যমান। বিস্তারিত »

দুই ভারত দুই বাংলাদেশ (শেষ পর্ব)

জনগণের সংহতি জনগণের লড়াই

আনু মুহাম্মদ

last 3 Aরাষ্ট্র ও জনগণ সমার্থক নয়। জাতীয়তাবাদী কিংবা ধর্মান্ধ আওয়াজ তুলে রাষ্ট্র নিজের পেছনে মানুষকে জমায়েত করতে চায়, সংঘাত আর বৈরীতার দেয়াল তুলতে চায় জনগণের মধ্যে। কিন্তু সবদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের স্বার্থ অভিন্ন। তাদের সকলেরই নদী রক্ষা করা দরকার, ভূমি বসত জীবিকা রক্ষা করা দরকার। বহুজাতিক কোম্পানি, সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য এবং সামরিকীকরণ থেকে মুক্ত হওয়া দরকার।

সবদেশেই কর্পোরেট জগতের একটি অভিন্ন প্রচার আছে। বিস্তারিত »

শেষ পর্যন্ত তোবা গার্মেন্টস বন্ধ :: পথে বসলেন ১৬০০ শ্রমিক

ফারুক আহমেদ

dis 5শেষ পর্যন্ত আমরণ অনশন, পুলিশসহ সরকারি ও দলীয় বাহিনীর আক্রমণ, শ্রমিকদের কারখানা থেকে উচ্ছেদ, নামমাত্র তিন মাসের বেতনভাতা দেয়া হয়েছে রাজধানীর তোবা গার্মেন্টেসের ৫টি কারখানায়। ঈদ বোনাস, ওভারটাইমসহ এখনো অনেক ভাতাদি বাকি। কিন্তু সেই যে উচ্ছেদ করা হলো, কারখানায় তালা পড়লো তা আর খুলছে না। তোবা গার্মেন্টস কাউকে কিছু না জানান দিয়েই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ যে করা হলো তারও কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ দেয়া হয়নি এবং হবে এমনটাও শ্রমিকরা জানেন না। শ্রমিকরা কারখানায় যান, গিয়ে দেখতে পান বড় বড় তালা। বিস্তারিত »