Home » মতামত (page 16)

মতামত

ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকার জন্য সংবিধানের দোহাই

ফারুক আহমেদ

freedom-of-thoughtবাংলাদেশে এ পর্যন্ত সব শাসক দলের ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকার প্রয়াস এবং সকল কর্মকান্ডের জন্য সব সময়ই সংবিধানের দোহাই দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে শাসক দলগুলোর রাজনীতি কখনোই জনস্বার্থ নিয়ে আবর্তিত হয়নি। আবর্তিত হয়নি ক্ষুধা দারিদ্র, স্বাস্থ্যশিক্ষা,শিল্পকৃষি সংক্রান্ত কোন নীতির সাফল্য ব্যর্থতা নিয়ে। সব সময়ই ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার প্রানান্তকর চেষ্টা হয়েছে। বিয়াল্লিশ বছর ধরে এর উপরই শাসক দলগুলোর রাজনীতি আবর্তিত হচ্ছে। সংবিধানের দোহাই এর রাজনীতি এখন যে পর্যায় অতিক্রম করছে গণতান্ত্রিক এবং সভ্য দুনিয়ায় এর কোন পূর্ব দৃষ্টান্ত নেই। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে সংবিধান কি শাসক দলের ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার রক্ষা কবজ, নাকি জনগণের অধিকার সংরক্ষণের দলিল?

সংবিধান কোন ধ্র“ব বিষয় নয়। সংবিধানের প্রকৃতি নির্ভর করে তিনটি বিষয়ের উপর। এক.সংবিধান কাদের দ্বারা প্রণীত। দুই.কারা, কেন এবং কিভাবে সংবিধানের বিধানগুলো পালন করবে।তিন .কারা কোন কোন লক্ষ্যে সংবিধানের বিধানগুলো প্রয়োগ করবে। বিস্তারিত »

সংঘাত আর আন্দোলনকে সমার্থক করার বিপদ

ফারুক আহমেদ

freedom-of-thoughtবাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল সাধারণ মানুষের প্রত্যক্ষ যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। সর্বস্তরের মানুষ যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিলেন। ত্রিশ লক্ষ প্রাণ, অসংখ্য নারীর লাঞ্ছনা,সর্বস্তরের মানুষের ত্যাগতিতিক্ষা আর বঞ্চনার মধ্য দিয়ে এই জনপদের মানুষ স্বাধীনতাকে আর্জন করেছিলেন। ‘সে সময় জনতার আগে নের্তৃত্ব ছিল না, নের্তৃত্বের আগে ছিল জনতা’। কিন্তু স্বাধীনতা অর্জনের পর শাসক দল হিসেবে সে সময় যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিল তাদের কোন শ্রেণী অবস্থান ছিল না। শাসক দলকে মালিক শ্রেণী হিসেবে দ্রুত গঠন করতে লুটপাটদখল ছাড়া তাদের সামনে অন্য কোন পথ তারা সঙ্গত কারণেই তারা খোঁজেনি। শাসক দলের যে লুটপাটদখল শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সাল থেকে তা এ সময় পর্যন্ত ভয়াবহ রূপে অব্যাহত আছে। দখললুটপাটের মাধ্যমে গঠিত হতে থাকা এই শ্রেণীটির সামনে ৭২ সাল থেকেই প্রশ্ন দেখা দেয় গণতন্ত্রের নাম দিয়ে শাসক দল হিসেবে টিকে থাকার রাজনীতি নিয়ে। বিস্তারিত »

বাংলাদেশের একি দুর্ভাগ্য!

মো.মামুনুর রশীদ

freedom-of-thoughtসরকার ক্ষমতায় থেকেও গণমানুষকে অবজ্ঞা করছে, উপেক্ষা করছে তাদের আশাআকাঙ্ক্ষা, তাদের চিন্তাচেতনা। রাজনীতির দ্বন্দ্বে, ক্ষমতার লালসায় রাজনীতি আজ দানবের নীতিতে পরিণত হয়েছে। রাজনীতিতে দানবের মুখ দেখে গণমানুষ আজ বিভ্রান্ত, হতবাক আর দিশাহারা। এরই জন্য কি নয় মাসের রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা? এরই নাম কি গণতন্ত্র? গণতন্ত্রের বিকল্প কেবল গণতন্ত্র, গণহত্যা নয়। আজ দেশে চরম নৈরাজ্য, এক ঘোর অমানিশা। এ সংকট রাজনৈতিক সংকট, গণতন্ত্রের সংকট। সংকট উত্তরণে প্রয়োজন দুই পক্ষের সংলাপ। নিজ নিজ অবস্থানে বৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে সংলাপ সম্ভব নয়। সংলাপের জন্য প্রয়োজন কাছে আসা, দূরত্ব কমিয়ে আনা। একটা আবহ তৈরি করা। পরস্পর ন্যূনতম বিশ্বাস স্থাপন করা। বিশ্বাসের ক্ষেত্র তৈরি করা। এতকিছুর পরও যদি সংলাপের কথা বলা হয় তাহলে দুই রাজনৈতিক দলের ইগোতে টানাপোড়েন বাঁধবে। বিস্তারিত »

এরশাদ কাল বা পরশু কি সিদ্ধান্ত নেবেন তা শুধু তিনিই জানেন

. আকবর আলি খান

politics-32রাজনীতিতে এরশাদের শেষ কথা বলে কোনো কথা নেই। কাজেই তিনি যে নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন, তা যে পরিবর্তিত হবে না, সংশোধিত হবে না সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা বা নিশ্চিত হওয়া খুবই শক্ত। তিনি যা করছেন তা মূলত রাজনীতিতে দরকষাকষি করছেন। তিনি যখন এই সরকারের সমর্থক ছিলেন তখন তার দলকে মাত্র একটি মন্ত্রীর পদ দেয়া হয়েছিল। আর তিনি যখন সরকার থেকে বেরিয়ে আসার ঘোষণা দিলেন তখন তিনি ৭টি মন্ত্রীত্বের পদ দখল করতে সক্ষম হলেন। সুতরাং দেখা যায় যে, এরশাদ খুবই ভালো দরকষাকষি করেন। বিস্তারিত »

বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আইন ও বৈদেশিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আগ্রাসন

মো. এ এইচ ছিদ্দিকী

freedom-of-thoughtবাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে জন্ম নেয়ার লগ্নেই একটি শোষনমুক্ত ও বৈষম্যহীন দেশ হিসেবে এর সংবিধান রচনা করা হয়। র্র্দূভাগ্যের বিষয়, পদে পদে সচেতনভাবে এদেশের সংবিধানকে লঙ্ঘন করা হচ্ছে।

সংবিধানের ২য় ভাগে রাষ্ট্র পরিচারলার মূলনীতি বিষয়ক অধ্যায়ে ১৭ নং অনুচ্ছেদ অবৈতনিক ও বাধ্যতামুলক শিক্ষা সংক্রান্তে বর্ণিত আছে:

অনুচ্ছেদ ১৭। অবৈতনিক ও বাধ্যতামুলক শিক্ষা

রাষ্ট্র– () একই পদ্বতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্টার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালকবালিকাকে অবেতনিক ও বাধ্যতামুলক শিক্ষাদানের জন্য : বিস্তারিত »

মওলানা ভাসানীর প্রাসঙ্গিকতা

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

bhasani 1মওলানা ভাসানী সব সময়ই প্রাসঙ্গিক ছিলেন এবং থাকবেন। এখনো আছেন। কেননা তিনি তার সময়ের প্রধান দ্বন্দ্বকে সঠিকভাবে সনাক্ত করেছেন। ওই দ্বন্দ্বে তিনি জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। মিত্র শত্রুতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু মওলানা ভাসানী দাঁড়িয়েছেন জনগণের পক্ষেই। জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন বলেই তিনি সব সময়েই প্রাসঙ্গিক।

শুধু প্রাসঙ্গিকই নয়, তিনি অনুপ্রেরণারও উৎস। তিনি দৃষ্টান্তও বটে। মওলানা পীড়িত মানুষের একজন। এই বাংলায় জনগণের পক্ষে দাঁড়ায় এমন বড় মাপের রাজনীতিবিদ দ্বিতীয়টি আর নেই। বিস্তারিত »

মওলানা ভাসানীর ‘খামোশ’

আনু মুহাম্মদ

bhasani 3মওলানা ভাসানী’ বলে যাকে আমরা চিনি সে ব্যক্তির প্রকৃত নাম তা নয়। তাঁর আসল নামে এই দুই শব্দের কোনটিই ছিল না। মওলানা ও ভাসানী এই দুটো শব্দই পরবর্তীসময়ে তাঁর অর্জিত পদবী বা বিশেষণ। ‘মওলানা’ তাঁর ধর্মবিশ্বাস ও চর্চার পরিচয়, আর ‘ভাসানী’ সংগ্রাম ও বিদ্রোহের স্মারক। তাঁর জীবন ও তৎপরতা এমনভাবে দাঁড়িয়েছিলো যাতে পদবী আর বিশেষণের আড়ালে তাঁর আসল নামই হারিয়ে গেছে। আসলে তাঁর নাম ছিল আবদুল হামিদ খান। ডাক নাম ছিল চ্যাগা, শৈশবে এই নামই ছিল তাঁর পরিচয়।

প্রাচুর্য্য বিত্ত বৈভব আভিজাত্য যেগুলো রাজনৈতিক সামাজিক প্রতিষ্ঠায় সাধারণত কাজে লাগে সেগুলোর কোনটাই তাঁর ছিল না। বিস্তারিত »