Home » রাজনীতি (page 30)

রাজনীতি

আইন ভেঙ্গে গ্যাস-বিদ্যুতের নির্বিচার মূল্যবৃদ্ধি

এম. জাকির হোসেন খান

Dis 3ক্ষমতাসীনরা কথায় কথায় আইনের শাসন এবং জবাবদিহিতার কথা বললেও কোনো প্রকার স্বচ্ছতা ছাড়াই গত জানুয়ারিতে গ্যাসবিদ্যুতের বাতিল হয়ে যাওয়া গণশুনানিকে ভিত্তি করে, গ্রাহকের স্বার্থ বিবেচনা না করে, একতরফাভাবে বিদ্যুতের দাম ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং গ্যাসের দাম ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ বাড়িয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আইনের ৩৪() ধারায় বলা হয়েছে, ‘লাইসেন্সী ট্যারিফ পরিবর্তনের প্রস্তাব বিস্তারিত বিবরণসহ, কমিশনের নিকট উপস্থাপন করিতে পারিবে এবং কমিশন, আগ্রহী পক্ষগণকে শুনানী দেওয়ার পর, ট্যারিফ পরিবর্তনের প্রস্তাবসহ সকল তথ্যাদি প্রাপ্তির ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে আদেশ দিতে হবে’। বিস্তারিত »

আতঙ্কের পরিবেশ, তবু আস্থা মানুষের প্রতি

হায়দার আকবর খান রনো

Dis 2প্রবীণ অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান তার নতুন লেখা ‘ফ্রম টু ইকোনমিকস টু টু নেশনস’ শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনী অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ‘ওই সব দিনে ফিরে গেলে (অর্থাৎ পাকিস্তান আমলে) ভাবি, কিভাবে এসব কথা সেদিন বলতাম। এসব কথা বলার সময় ডানবাম চিন্তা করতাম না।কিন্তু এখন কোনো লেখা লিখতে গেলে এটি প্রকাশের আগে এক সপ্তাহ লেগে যায় এবং পাচ বার পড়ে মত দেন রওনক (তাঁর স্ত্রী)। স্বাধীন দেশের অন্য সবার মতো আমাকে আজকাল প্রতিটি শব্দ নিয়ে ভাবতে হয়। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং পাকিস্তানের শাসনামলে আমরা টেবিলে বসেই দুই ঘন্টায় যে কোনো কিছু লিখতে পারতাম’। বিস্তারিত »

জনমত জরিপে প্রধানমন্ত্রীর কেন কোনো আস্থা নেই

আমীর খসরু

Dis 1ক্ষমতাসীনদের বর্তমান তত্ত্বগত অবস্থান হচ্ছে ‘অল্পস্বল্প গণতন্ত্র এবং একটু বেশি মাত্রার উন্নয়ন’। ক্ষমতাসীনদের অনেক উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বেশিমাত্রায় গণতন্ত্রের প্রয়োজন নেই। সবচেয়ে বেশি যা প্রয়োজন তাহলো উন্নয়ন। আর এ কারণে উন্নয়নের নানা ফিরিস্তিও দেয়া হয়। এখন ওই একই বক্তব্য ছোটখাটো নেতাকর্মীদের মুখেও শোনা যায় এবং এটি সম্ভবত সংক্রমিত হয়েছে ক্ষমতাসীনদের সর্বত্র। ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে যে প্রচেষ্টাটি জারি রয়েছে, তাহচ্ছে সিঙ্গাপুরের লি কোয়ান ইউ এবং মালয়েশিয়ার মাহাথির মোহাম্মদের সাথে তুলনা করা। বিস্তারিত »

ক্ষমতাসীনদের সব দায়ভার গিনিপিগ জনগণের

শাহাদত হেসেন বাচ্চু

এক.

Coverভূমধ্যসাগর তীরে পড়ে থাকা শিশু আয়লানের নিথর দেহ আরেকবার উন্মোচন করে দিয়েছে ধনবাদী বিশ্বব্যবস্থার কূৎসিৎ চেহারা, পাশাপাশি মেলে ধরেছে পৃথিবীতে মানবতাবাদীর সংখ্যাও নেহাৎ কম নয়। মৃত আয়লান উপড়ে নিয়েছে দেশকালের সীমানা, খুলে দিয়েছে বন্ধ দরোজা তার দেশের অসহায় আশ্রয় প্রার্থী হাজার হাজার শরণার্থীদের জন্য। এখন দেশছাড়া মানুষরা আশ্রয় পাবেন, তারা যেখানে পৌঁছতে চেয়েছিলেন, আপাত: স্বপ্নের দেশে। পেছনে রেখে যাচ্ছেন তাদের স্বজনদের সিরিয়া, ইরাক, লিবিয়া, লেবানন, ইয়ামেনসহ রক্তপাতময় অনিরাপদ এক বিশ্বে, যা মূলত: বিশ্ব মোড়লদের ভাগাভাগির শিকার। বিস্তারিত »

কিভাবে মূল্যায়িত হবেন কাজী জাফর আহমেদ

শাহাদত হোসেন বাচ্চু

Last 1বিষ্যুৎবার সকালে ষাট দশকের সবচেয়ে ক্যারিশমেটিক ছাত্রনেতা, উত্তরকালে বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় রাজনীতিক কাজী জাফর আহমেদ (১৯৩৯২০১৫) মারা গেলেন। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও স্বাধীন বাংলাদেশে মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরেই গণমানুষের রাজনৈতিক নেতা হিসেবে সবচেয়ে সম্ভামনাময় ছিলেন। স্বাধীনতাত্তোর রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য ঘটনার অন্যতমবিপুল সম্ভাবনায় প্রগতিশীল ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত ইউনাইটেড পিপলস পার্টির (ইউপিপি) প্রধান রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠার সম্ভাবনা ধ্বংস করেছিলেন সামরিক সরকারের সাথে আঁতাত এবং রাতারাতি রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার হতে গিয়ে। অমাদের দেশের প্রগতিশীল ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী রাজনীতির ক্ষেত্রে এর সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়েছিল। বিস্তারিত »

বাংলাদেশী হিন্দুদের নাগরিকত্ব :: ভারতীয় রাজনীতির নতুন সমীকরণ

মহুয়া চ্যাটার্জি

অনুবাদ : মোহাম্মদ হাসান শরীফ

Last 2বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ‘নির্যাতিত’ হিন্দু উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব মঞ্জুর করার লক্ষ্যে ভারত সরকার ‘সিটিজেন অ্যাক্ট’ সংশোধনের একটি অধ্যাদেশ নিয়ে কাজ করছে।

এই অধ্যাদেশটি ওই তিন দেশের উদ্বাস্তুদের জন্য প্রযোজ্য হলেও প্রধান লক্ষ্য বাংলাদেশের হিন্দু উদ্বাস্তু। এই দেশটি থেকে বিপুলসংখ্যক হিন্দু উদ্বাস্তু আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত অতিক্রম করছে। আগামী বছরের এপ্রিলমে মাসে এই দুই রাজ্যেই বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিজেপি আশা করছে, এই পদক্ষেপের ফলে তার নির্বাচনী সম্ভাবনা উজ্জ্বল হবে। বিস্তারিত »

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ২৫)

পিকিংমস্কো বিরোধ শুরু

আনু মুহাম্মদ

Last 4যখন চীন একদিকে দ্রুতগতিতে উন্নয়নের পথ খুঁজছে, অন্যদিকে ভেতর বাইরে মতাদর্শিক লড়াই চালাচ্ছে, সর্বোপরি যখন প্রতিমুহূর্তে সাম্রাজ্যবাদী অন্তর্ঘাত ও আক্রমণের আশংকা বাড়ছে তখনই চীনের সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্পর্কে ফাটল ধরে। প্রথমদিকে মতাদর্শিক বিতর্কের মধ্যে বিরোধ সীমাবদ্ধ থাকলেও ৬০ দশকের মাঝামাঝি সম্পর্ক বৈরী পর্যায়ে চলে যায়। দেশে দেশে তার প্রভাব বিশ্বজুড়ে বিপ্লবী আন্দোলনকেই বিপর্যয়ের মধ্যে নিক্ষেপ করে।

বিরোধের শুরু ৫০ দশকের শেষ থেকে। সোভিয়েত পাটির মধ্যে মতাদর্শিক পরিবর্তন থেকেই এর সূত্রপাত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারকে পরাজিত করে ধ্বংসস্তুপ থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নকে পুনর্গঠনের শেষ পর্যায়ে ১৯৫৩ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতা জোসেফ স্ট্যালিন মৃত্যুবরণ করেন। ৫ মার্চ তাঁর মৃত্যুর পরপরই পার্টিতে ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়ে যায়। এই দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে সামরিক আমলাতন্ত্রের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় বিজয়ী হন এক পর্যায়ে স্ট্যালিনের সবচাইতে বড় তোয়াজকারী হিসেবে পরিচিত ক্রুশ্চেভ। বিস্তারিত »