Home » রাজনীতি (page 58)

রাজনীতি

নিশ্চিহ্নকরণ প্রচেষ্টা আর নেতিবাচক রাজনীতির ফলাফল

শাহাদত হোসনে বাচ্চু

এক.

LAST 1বাঙালীর রাজনীতি শুরুই হয়েছিল ‘না’ এবং ‘না’ এই ধ্বনি উচ্চারণের মাধ্যমে। ১৯৪৮ সালে কার্জন হলে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমবর্তন অনুষ্ঠানে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার জিন্নাহর ঘোষণার প্রতিবাদে ছাত্রদের ‘না’ উচ্চারণ ছিল পাকিস্তানী শাসক শ্রেনীর বিরুদ্ধে প্রথম নঞর্থক সূচনা। ১৯৫৬ সালে মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর ইতিহাসখ্যাত উচ্চারণ ‘ওয়া আলাইকুমু আস্সালাম’ পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠির কাছ থেকে বাঙালীর স্বাধিকার অর্জনের সবচেয়ে দৃপ্ত বাণী যা পাকিস্তানী রাষ্ট্র কাঠামোর প্রতি বড় একটি নঞর্থক উচ্চারণ। বলা যায়, পরাধীন কাঠামোয় বাঙালীর রাজনীতি বিকশিত হয়েছিল বিরুদ্ধবাদের ওপর ভিত্তি করে। প্রতিপক্ষের সাথে লড়াই করে, প্রতিবাদ আর ‘না’ সূচক ধ্বনিকে সঙ্গী করে। পাকিস্তানের ২৪ বছরে বাঙালী ‘না’ বলাতে জয়ী হয়েছে, যার একটি পর্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটেছে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে। বিস্তারিত »

তিস্তায় পানি নেই ॥ মমতার আশ্বাসেই আস্থা

. ইনামুল হক

LAST 2ভারতের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ১৯ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ সফরে এলেন এবং ২১ ফেব্রুয়ারী ফিরে গেলেন। তাঁর এই সফর বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তরের আমন্ত্রণক্রমে হয়েছে। মমতা ঐ আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ৪০ সদস্যের একটি টীম নিয়ে ঢাকা আসেন। ২১ ফেব্রুয়ারী ঐতিহাসিক শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে তাঁর এই সফরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী, বিধানসভার সদস্য, লেখক, গায়ক, নায়কনায়িকা, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও বিশেষ ব্যক্তিবর্গ ছিলেন। সরকারী আমন্ত্রণ হলেও তিনি কোন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করার ক্ষমতা নিয়ে আসেননি বিধায় তাঁর এই ভ্রমণ অনেকটা আনন্দযাত্রা ছিলো। তাই তিনি যেন ‘এলেন এবং দলবলসহ বেড়িয়ে’ চলে গেলেন। বিস্তারিত »

চীন :: পরাশক্তির বিবর্তন (পর্ব – ৮)

৪ঠা মে আন্দোলন

আনু মুহাম্মদ

LAST 4১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব বিশ্বের অন্য অঞ্চলগুলোর মতো চীনকেও নানাভাবে প্রভাবিত করেছিলো। তরুণদের চিন্তা ও সংগঠনে এর প্রভাব পড়ে প্রথম। ১৯১৯ সালের মে মাসে প্রধানত তরুণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চীনের বিভিন্ন শহরে যে আন্দোলন সংঘটিত হয় সেখানে এই তরুণদের ভূমিকা ছিলো গুরুত্বপূর্ণ। এটি ‘৪ঠা মে আন্দোলন’ নামে পরে পরিচিতি পায় কেননা এইদিনই আন্দোলন বিস্তৃত হয়েছিলো। এই আন্দোলন প্রাথমিকভাবে গড়ে ওঠেছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী ‘ভার্সাই চুক্তি’ নিয়ে চীন সরকারের দুর্বল অবস্থানের প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে। চীন এই বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলো ‘মিত্রশক্তি’র পক্ষে এই শর্তে যে, জার্মানী চীনের যে অঞ্চল আগে থেকে দখল করে রেখেছিলো তা চীনকে ফেরত দেয়া হবে। উল্লেখ্য যে, এই যুদ্ধে চীনের প্রায় দেড় লক্ষ সৈনিক ও শ্রমিক ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর অংশ হিসেবে কাজ করে। বিস্তারিত »

রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে যেসব বিষয়গুলো চাপা পড়েছে

এম.জাকির হোসেন খান

DIS 4চারিদিকে অনিশ্চয়তা, সন্ত্রাস, আতংক, দমনপীড়নসহ এক অস্থির সময়ের মধ্যে তাদের কাজ তারা ঠিকই করছে। চলমান সংঘাতসহিংসতার কারণে ক্ষমতাসীনরা বেশ কিছু বিষয় থেকে রেহাই পেলেন, এগুলো নিয়ে এখন আর আলোচনা নেই। সবকিছু চাপা পড়ে গেছে। বিষয়গুলো হচ্ছে এমন হলমার্কএর আড়ালে একটি চক্র সোনালী ব্যাংক থেকে ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোপাট করেছে। অর্থমন্ত্রীর ভাষায় তা অবশ্য ‘কিছুই না’, সেই ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের ‘চেষ্টার পর’ সোনালী ব্যাংক আবিষ্কার করেছে যাদের নামে এসব ঋণ নেয়া হয়েছে সেরকম ২৫টি কোম্পানির হদিস পাওয়া সম্ভব নয়। তাদের সিদ্ধান্ত, যেহেতু এই টাকা উদ্ধারের কোন সম্ভাবনা নেই সেহেতু এই ঋণ ‘রাইট অফ’ করা হয়েছে, অর্থাৎ আর হিসাবেই থাকছে না। বিস্তারিত »

বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদী শেষের খেলা শুরু

ইকোনমিস্টএর প্রতিবেদন

DIS 3প্রভাবশালী ব্রিটিশ ম্যাগাজিন ইকোনমিস্ট বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ৫ মার্চ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘পলিটিক্স ইন বাংলাদেশ অন দ্য বয়েল : দ্য প্রাইম মিনিস্টিার হ্যাজ ব্যাকড দ্য অপজিশন আপ অ্যাগেইনস্ট অ্যা বেরিক্যাড।’ এখানে প্রতিবেদনটির অনুবাদ প্রকাশ করা হলো।

শেষের খেলা হয়তো শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু এ সপ্তাহে এটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, খেলার শেষ হতে সময় নেবে। ২৫ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দল বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করা হলে এ সপ্তাহে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করবে বলে অনেকে ধারণা করেছিলেন। বিস্তারিত »

অপশক্তি বিকাশের অনূকূল ক্ষেত্র

আবীর হাসান

DIS 2বাংলাদেশ রাজনীতিহীন অবস্থায় আছে এ কথা বলা চলে না বটে। তবে গণতন্ত্রহীন আছে কিনা সে প্রশ্ন তোলাই যায়। কারণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় মোটেই এবং সরকারের মন্ত্রীরা যে দাবি করবে, তারা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পেরেছেন জনজীবনে এবং নিজেরা স্বাভাবিক আছেন এমন দাবি করতে পারছেন না। খুব ভয়াবহ একটা ‘শূন্যতার’ দিকে যে এগিয়ে যাচ্ছে দেশটি তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আসলে এ শূন্যতা গণতন্ত্রের শূন্যতা। দেশ থাকবে সরকারও থাকবে কিন্তু গণতন্ত্র থাকবে না। এখনো গণতন্ত্র নেই। তবে এখনো যারা ক্ষমতাসীন তাদের প্রতি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশা কারোর কারোর আছে বটে। তবে সেটা ফের কার্যকর হওয়ার আর সম্ভাবনা নেই। বিস্তারিত »

সমাধানহীন সঙ্কট ॥ শেষ ভরসা জনগণ

হায়দার আকবর খান রনো

DIS 1দুই মাসের বেশী হয়ে গেল। সারাদেশে অবরোধ চলছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে হরতাল। কার্যত সপ্তাহে ৫ দিনই হরতাল। অবরোধ আর হরতারের মধ্যে পার্থক্য কি? যারা এই হরতালঅবরোধের ডাক দিচ্ছেন, তারা এটা স্পষ্ট করে বলছেন না। যে জনগণ এই নেতৃত্বের নির্দেশ পালন করতে চান, তারাও বিভ্রান্ত। নেতৃত্বের দায়িত্ব হচ্ছে, তারা কি বলতে চান, সেটা স্পষ্ট করে বলা। না বললে সেটা হবে চরম দায়িত্বহীনতার। এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন রাজনৈতিক দল জনগণকে কোন পথ দেখাবে?

অন্যদিকে সরকার যে দায়িত্বজ্ঞানহীনতার এবং চরমভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে তাতেও কোনো সন্দেহ নেই। সরকারের মন্ত্রীদের একেকজনের কথাবার্তা যা তা একই সাথে রাগ এবং হাসির উদ্রেগ করে। কথাবার্তার ধরন দেখে মনে হয়, ‘হায় এ কোন দেশে বাস করছি, যেখানে শাসকবর্গ এতোটাই দায়িত্বজ্ঞানহীন ও নিম্ন রুচিসম্পন্ন।’ বিস্তারিত »